খুঁজুন
, ,

এক মাসের ব্যবধানে ফের বাড়ল এলপিজির দাম

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
এক মাসের ব্যবধানে ফের বাড়ল এলপিজির দাম

দেশের বাজারে আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম। এক মাসের ব্যবধান না পেরোতেই ফের জ্বালানি পণ্যটির বাড়তি দরে চাপে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক ঘোষিত নতুন এই মূল্যতালিকা আজ সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে। রেগুলেটরি বডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এবার ২২৩ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগে এই সিলিন্ডারের মূল্য ছিল ১ হাজার ৮৩৭ টাকা, যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬০ টাকায়। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কেবল ১২ কেজির সিলিন্ডারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং অটোগ্যাসের দামের ওপরও পড়েছে।

বাজারে গ্যাসের সংকটের দোহাই দিয়ে জ্বালানি পণ্যের লাগামহীন দাম বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের বাজারে গ্যাসের এই মূল্যবৃদ্ধিকে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর বাড়তি চাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মাসিক খরচের হিসাব উলটপালট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের অস্থিরতাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে দেশের বাজারে এলপিজির দাম বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলছে।

বিইআরসির ঘোষণা অনুযায়ী, অটোগ্যাসের দামেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা। এর আগে অটোগ্যাসের দাম ছিল ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা। এভাবে ক্রমাগত দাম বাড়ার ফলে পরিবহন খাতের ওপরও পরোক্ষ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ অটোগ্যাসের দাম বাড়লে পরিবহনের খরচ বেড়ে যেতে পারে, যার শেষ পরিণতি গিয়ে পড়বে যাত্রীসাধারণের ওপর। গণপরিবহনের ভাড়ায় এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

দেশজুড়ে বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে এলপিজি গ্যাস নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি কাজ করছে। মাঝেমধ্যেই সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ পাওয়া যায়, যার ফলে নির্ধারিত দামের চেয়েও অনেক সময় বেশি দামে গ্যাস কিনতে হয় সাধারণ ভোক্তাদের। এবার সরাসরি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক দাম বাড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টি ভোক্তাদের জন্য বাড়তি বিপত্তি নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলপিজি খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় বিইআরসির তদারকি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

এদিকে জ্বালানি গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে প্রতি মাসেই নতুন নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ করছে। অথচ বিশ্ববাজারে দাম কমলে তার প্রতিফলন দেশীয় বাজারে সবসময় সমানুপাতিক হারে দেখা যায় না। বর্তমান সময়ে এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কষ্টকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। বিইআরসির এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর থেকেই বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সাধারণ ভোক্তারা এখন সরকারের কাছে এই জ্বালানি পণ্যটির দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছেন। তবে জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাজারের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। সবমিলিয়ে গ্যাসের এই নতুন দাম এখন আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

ইলন মাস্কের নিউরালিংক থেকে টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইটের নতুন চিপের সূচনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
   
ইলন মাস্কের নিউরালিংক থেকে টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইটের নতুন চিপের সূচনা

সিলিকন ভ্যালির অন্যতম উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক, ইলন মাস্কের নেতৃত্বে, টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট নামে দুইটি উচ্চপ্রযুক্তি ভিত্তিক ব্রেন‑কম্পিউটার ইন্টারফেস (BCI) চিপের প্রোটোটাইপ সম্পন্ন করেছে বলে প্রকাশ করেছে। এই চিপগুলো মানব মস্তিষ্কের সিগন্যালকে সরাসরি ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে, ফলে শব্দের মাধ্যমে না শোনার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা দৃশ্যমান তথ্য গ্রহণ করতে সক্ষম হবে এবং দুজনের মধ্যে শব্দবিহীন যোগাযোগের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

নিউরালিংক কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, টেলিপ্যাথি চিপ মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট নিউরন নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে চিন্তা‑চিন্তার সিগন্যালকে রিয়েল‑টাইমে অন্য ডিভাইসে প্রেরণ করতে পারে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবহারকারী তার চিন্তা সরাসরি অন্যের কাছে পাঠাতে পারবে, যা ভবিষ্যতে ভাষা বাধা অতিক্রমের নতুন উপায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে, ব্লাইন্ডসাইট চিপ দৃষ্টিশক্তি হারানো রোগীদের জন্য ভিজ্যুয়াল তথ্যকে মস্তিষ্কের ভিজ্যুয়াল কর্টেক্সে সরাসরি প্রেরণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে নিউরালিংক চিপটি বিদ্যুৎহীন, সেলফ‑পাওয়ারড এবং মস্তিষ্কের টিস্যুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উপাদান দিয়ে তৈরি। কোম্পানি দাবি করে যে চিপের আকার এক চা চামচের চেয়ে ছোট এবং এটি মস্তিষ্কের পৃষ্ঠে অল্প আঘাতের মাধ্যমে স্থাপন করা সম্ভব। এছাড়া, ডেটা এনক্রিপশন ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য উন্নত সাইবার সিকিউরিটি প্রোটোকল যুক্ত করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারীর মস্তিষ্কের তথ্য অননুমোদিত তৃতীয় পক্ষের কাছে না পৌঁছায়।

ইলন মাস্কের মতে, এই প্রযুক্তি শুধুমাত্র চিকিৎসা ক্ষেত্রেই নয়, শিক্ষা, গেমিং এবং দূরবর্তী কাজের পরিবেশেও বিপ্লব ঘটাতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, টেলিপ্যাথি চিপের মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একে অপরের সঙ্গে মস্তিষ্ক‑মস্তিষ্ক সংযোগ স্থাপন করতে পারবে, যা ভবিষ্যতে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও অগমেন্টেড রিয়েলিটি অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ নতুন মাত্রা দেবে। তবে, এই ধরনের প্রযুক্তির নৈতিক ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে আলোচনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে গোপনীয়তা, ডেটা মালিকানা এবং সম্ভাব্য অপব্যবহারের ঝুঁকি সম্পর্কে।

নিউরালিংক এখন চিপের ক্লিনিকাল ট্রায়াল পর্যায়ে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং আগামী দুই বছর মধ্যে প্রথম মানব পরীক্ষার সূচনা করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই সময়ে কোম্পানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের সঙ্গে সহযোগিতা করে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য বিস্তৃত ডেটা সংগ্রহ করবে। যদি সফল হয়, টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট চিপের বাণিজ্যিক রিলিজ মানব মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়িয়ে নতুন অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে বিশ্লেষকরা আশাবাদী।

পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি দাবিতে সাভার‑আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
   
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি দাবিতে সাভার‑আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ

গাজীপুর ও রাজধানীর মিরপুরে রবিবার সীমিত মাত্রায় শুরু হওয়া পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০,০০০ টাকার দাবী আজ (২ নভেম্বর) সাভার‑আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে বিস্তৃত হয়েছে। শ্রমিকরা রাস্তায় গিয়ে মজুরি বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভের শৃঙ্খল চালিয়ে গেছেন।

সাভার‑আশুলিয়া এলাকায় প্রায় ২৬৪টি পোশাক কারখানা রয়েছে; এই সব কারখানার শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে প্রধান সড়কগুলো অবরুদ্ধ করে, ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি করে এবং গৃহস্থালীর পণ্য সরবরাহে বাধা দেয়। কর্মীরা মঞ্চে মাইক্রোফোনে তাদের দাবি পুনরাবৃত্তি করে, যেখানে মজুরি না বাড়লে উৎপাদন বন্ধের হুমকি দেয়া হয়েছে।

বিক্ষোভের সময় কিছু শ্রমিকের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটেছে। পুলিশ গোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য গুলিবর্ষণ, ড্রাইভিং রেজার এবং গ্যাস ব্যবহার করেছে; ফলে কয়েকজন শ্রমিক আহত হয়েছে এবং কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিছু এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সূত্র পাওয়া গিয়েছে, যেখানে শ্রমিকরা গাড়ি ও সাময়িক কাঠামোতে আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদকে তীব্রতর করেছে।

নারায়ণগঞ্জেও একই রকম পরিস্থিতি দেখা গেছে। শ্রমিকরা স্থানীয় রাস্তায় গিয়ে গাড়ি থামিয়ে, মজুরি না বাড়লে উৎপাদন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে, তবে কিছু সময়ে ধাওয়া‑পাল্টা এবং গুলিবর্ষণ ঘটেছে। এখানে কোনো বড় অগ্নিকাণ্ডের রিপোর্ট না থাকলেও, কিছু ছোটখাটো দাহ্য বস্তু পুড়িয়ে প্রতিবাদকে তীব্র করা হয়েছে।

পুলিশের মুখ্য মুখপাত্রের মতে, বিক্ষোভের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের প্রধান দায়িত্ব। তিনি জানান, অবৈধভাবে রাস্তায় বাধা সৃষ্টি করা, গুলিবর্ষণ এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কঠোরভাবে শাস্তি দেওয়া হবে। তবে শ্রমিকদের দাবির প্রতি সরকারী দৃষ্টিভঙ্গি এখনও স্পষ্ট নয়; মজুরি বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।

পোশাকশ্রমিকদের বর্তমান ন্যূনতম মজুরি ২০,০০০ টাকা; তারা দাবি করে যে ৩০,০০০ টাকায় বৃদ্ধি পেলে জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণে সহায়তা হবে। শ্রমিক ইউনিয়নগুলো বলছে, যদি এই দাবি পূরণ না হয়, তবে তারা উৎপাদন বন্ধের হুমকি পুনরায় জানাবে, যা দেশের রপ্তানি আয় এবং কর্মসংস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে।

বিক্ষোভের ফলে সাভার‑আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জের প্রধান রাস্তায় গাড়ি চলাচল ব্যাহত হয়েছে; কিছু বাস ও ট্রাকের রুট পরিবর্তন করতে হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো বিক্রয় হ্রাসের মুখোমুখি হয়েছে এবং কর্মচারীরা নিরাপত্তা উদ্বেগে কাজ থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হয়েছে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, শ্রমিকদের এই ধরনের সমন্বিত আন্দোলন দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। মজুরি বৃদ্ধি না হলে উৎপাদনশীলতা হ্রাস পেতে পারে, তবে অতিরিক্ত মজুরি চাপের ফলে উৎপাদন খরচ বাড়তে পারে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। সরকারকে উভয় দিকের স্বার্থ বিবেচনা করে দ্রুত সমঝোতা করা জরুরি।

আজকের বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে, শ্রমিক ও পুলিশ উভয়েরই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে কি সমঝোতা হবে, নাকি বিক্ষোভের তীব্রতা বাড়বে, তা সময়ই বলবে।

অস্ট্রেলিয়ায় এআইইউবির প্রতিনিধিত্বে একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
   
অস্ট্রেলিয়ায় এআইইউবির প্রতিনিধিত্বে একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার

২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে এআইইউবির (American International University‑Bangladesh) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস‑চেয়ারম্যান, পাশাপাশি অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের (এপিইউবি) সেক্রেটারি‑জেনারেল ইশতিয়াক আবেদীন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন। তিনি বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সহযোগিতা বিস্তারের লক্ষ্যে গঠিত উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের অংশ ছিলেন।

সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকে দু’দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক পার্টনারশিপ, যৌথ গবেষণা প্রকল্প এবং ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন প্রোগ্রামের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ আলোচনায় দু’পক্ষই দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষার্থী বিনিময় এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের নতুন মডেল গড়ে তোলার ওপর জোর দেয়।

এরপর অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) সদর দফতরে একটি বৈঠকে ইশতিয়াক আবেদীন অস্ট্রেডের এলোদি জুরনে, ভিক সিং, মোস্তাফিজুর রহমান এবং স্যান্ডি সেনেভিরের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। এখানে দুই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে গবেষণা সহযোগিতা, স্টার্ট‑আপ ইকোসিস্টেমের সংযোগ এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে বিনিয়োগের সুযোগ চিহ্নিত করা হয়। উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম এবং স্কলারশিপ স্কিম চালু করার সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের (এবিবিএফ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপের সময়ও ইশতিয়াক আবেদীন উচ্চশিক্ষা ছাড়াও বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রেও সহযোগিতার দরজা খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এবিবিএফের সঙ্গে আলোচনায় দু’দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য ইন্টার্নশিপ ও প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম স্থাপনের সম্ভাবনা উন্মোচিত হয়।

একই সময়ে এআইইউবির জনসংযোগ কর্মকর্তা সাদি ইসলাম আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন (AIIC 2026)‑এ অংশ নেন, যা সিডনির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে বিশ্বব্যাপী শিক্ষা সংস্থার প্রতিনিধিরা আন্তর্জাতিক শিক্ষার ভবিষ্যৎ, নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র এবং পার্টনারশিপের মডেল নিয়ে মতবিনিময় করেন। সাদি ইসলাম এআইইউবির দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে, অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম গড়ে তোলার পরিকল্পনা শেয়ার করেন।

সামগ্রিকভাবে, এই সফরটি বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার উচ্চশিক্ষা খাতের মধ্যে সেতুবন্ধন শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইশতিয়াক আবেদীন ও এআইইউবির প্রতিনিধিদের লক্ষ্য হল দু’দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী পার্টনারশিপ গড়ে তোলা, গবেষণার মানোন্নয়ন করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ সৃষ্টি করা। ভবিষ্যতে এই ধরনের সহযোগিতা উভয় দেশের অর্থনৈতিক ও মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ
ইলন মাস্কের নিউরালিংক থেকে টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইটের নতুন চিপের সূচনা পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি দাবিতে সাভার‑আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ অস্ট্রেলিয়ায় এআইইউবির প্রতিনিধিত্বে একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালানের মামলায় মিনহাজের পাঁচ দিনের রিমান্ড মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয় ঠেকাতে ভেটো ক্ষমতার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের এক মাসের ব্যবধানে ফের বাড়ল এলপিজির দাম সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক শুরু কুমিল্লায় আবাসিক মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার শিক্ষক ওমর আবদুল্লাহর বিয়ে নিয়ে ধর্মীয় বিতর্ক: অবৈধ দাবির নেপথ্যে কী? মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রাখলেন চেম্বার আদালত
Advertisement