খুঁজুন
, ,

যৌবনের স্বপ্ন পুনর্জীবিত: ১৫ বছর পর গৃহবধূ রীতি খাতুনের এইচএসসি জিপিএ‑৫

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
যৌবনের স্বপ্ন পুনর্জীবিত: ১৫ বছর পর গৃহবধূ রীতি খাতুনের এইচএসসি জিপিএ‑৫

যৌপুরহাটের কেটলাল উপজেলার নসিরপুর গ্রাম থেকে আসা রীতি খাতুন, ৩০ বছর বয়সী গৃহবধূ, ১৫ বছর দীর্ঘ বিরতির পর আবার শিক্ষার পথে পা বাড়িয়ে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ‑৫ অর্জন করেছেন। তার এই সাফল্য স্থানীয় সমাজে নারীর শিক্ষা ও স্বনির্ভরতার নতুন আলো জ্বালিয়ে দিয়েছে।

রীতি খাতুনের জীবনের প্রথম দিকেই পরিবারিক দায়িত্বের ভার তার ওপর নেমে আসে। স্বামী আব্দুল আলিম মণ্ডল বাবুর সঙ্গে বিবাহের পর তিনি সন্তান পালন, গৃহস্থালির কাজ এবং পরিবারের আর্থিক চাহিদা মেটাতে ব্যস্ত ছিলেন। এই সময়ে তার স্বপ্ন ছিল নিজের পড়াশোনাকে অব্যাহত রাখা, তবে বাস্তবতার চাপ তাকে শিক্ষার থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।

বছরের পর বছর, স্বামীর উৎসাহে রীতি আবার শিক্ষার প্রতি আগ্রহ জাগিয়ে তোলেন। স্বামী তাকে পুনরায় ভর্তি হতে সাহায্য করেন এবং পরিবারের সমর্থন পেয়ে তিনি আবার স্কুলে ফিরে যান। দীর্ঘ ১৫ বছরের বিরতি সত্ত্বেও, রীতি ধারাবাহিকভাবে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করেন, সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে আধুনিক পাঠ্যক্রমের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেন।

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় রীতি খাতুনের ফলাফল বিশেষ দৃষ্টিনন্দন। জিপিএ‑৫ অর্জন করা তার কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি, যা দেখায় যে দীর্ঘ বিরতি সত্ত্বেও সঠিক মনোভাব ও সমর্থন থাকলে শিক্ষায় ফিরে আসা সম্ভব। তার সাফল্য কেবল তার নিজের জন্য নয়, গ্রামাঞ্চলের অন্যান্য নারীদের জন্যও প্রেরণার উৎস।

স্থানীয় শিক্ষক ও শিক্ষাবিদরা রীতি খাতুনের উদাহরণকে প্রশংসা করে বলেন, “যদি রীতি মতো গৃহবধূ দীর্ঘ বিরতির পরও উচ্চমানের ফলাফল অর্জন করতে পারেন, তবে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজের দায়িত্ব হল নারীদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং তাদের পুনরায় শিক্ষায় প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা।”

রীতি নিজে বলেন, “বছরের পর বছর গৃহকর্মে ব্যস্ত থাকলেও আমার স্বপ্ন কখনো ম্লান হয়নি। স্বামীর সমর্থন ও নিজের দৃঢ়সংকল্প আমাকে আবার শিক্ষার পথে ফিরিয়ে এনেছে। এখন আমি আমার সন্তানদের জন্য একটি ভালো উদাহরণ হতে চাই, যাতে তারা জানে যে কোনো বাধা অতিক্রম করে স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব।”

রীতি খাতুনের এই সাফল্য স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তারা এখন গ্রামাঞ্চলে নারীর শিক্ষার জন্য বিশেষ স্কলারশিপ ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা করছে, যাতে রীতি মত নারীরা আর বাধা ছাড়াই শিক্ষার পথে অগ্রসর হতে পারে।

এই ঘটনাটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে শিক্ষা কোনো বয়সের সীমা জানে না, এবং পরিবারিক সমর্থন ও ব্যক্তিগত দৃঢ়সংকল্পের মাধ্যমে যে কোনো সময়ে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করা সম্ভব। রীতি খাতুনের গল্প নারী শিক্ষার পথে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, যা ভবিষ্যতে আরও অনেক গৃহবধূকে শিক্ষার পথে ফিরে আসতে উদ্বুদ্ধ করবে।

ইরান তেহরান থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে হামলার হুমকি, নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
   
ইরান তেহরান থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে হামলার হুমকি, নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে

ইরানের তেহরান সরকার পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর একটি তীব্র নিরাপত্তা সতর্কতা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সরাসরি হামলার হুমকি প্রদান করেছে। তেহরানের মুখ্য মুখপাত্রের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইরান তার কূটনৈতিক ও সামরিক নীতিতে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখবে এবং কোনো বহিরাগত হস্তক্ষেপকে সহ্য করবে না। এই ঘোষণার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিবেশে নতুন উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর ইরান সরকারের প্রতি কঠোর অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানকে ক্ষমতাচ্যুত করার সুযোগ এখনই এসেছে এবং এই ঐতিহাসিক সুযোগ একবারই আসে। নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য ইরান-ইসরায়েল সম্পর্কের উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে তেহরানের হুমকির প্রতি তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ওয়াশিংটন সরকার ইরানের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে এবং ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সংলাপ বজায় রাখার পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।

ইরানের এই হুমকি আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক গতি পরিবর্তনশীল এবং নতুন সরকারী গঠন দেশের বৈদেশিক নীতি পুনর্গঠন করতে পারে। তেহরানের এই সতর্কতা সম্ভবত দেশের অভ্যন্তরে শক্তি সংহত করার একটি কৌশল হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা তেহরানের এই ঘোষণাকে একটি সতর্কতা হিসেবে দেখছেন, যা ইরানের পারমাণবিক প্রোগ্রাম ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চাপকে প্রতিফলিত করে। তেহরান সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, কোনো সামরিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে ইরান তার স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং অন্যান্য প্রধান শক্তি তেহরানের হুমকির প্রতি কূটনৈতিক চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে, ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলোও এই উত্তেজনা থেকে প্রভাবিত হতে পারে, বিশেষ করে গলফ দেশগুলো এবং শিয়া-সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলো।

সারসংক্ষেপে, তেহরানের সাম্প্রতিক হুমকি ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন মোড়ে নিয়ে এসেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিবেশে অস্থিরতা বাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এখন এই উত্তেজনা কীভাবে বিকশিত হবে এবং কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা কী হবে তা নিবিড়ভাবে অনুসরণ করছেন।

বৃষ্টিস্নাত বিকেলে বন্ধুসভার পাঠচক্রে সুকুমার রায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
   
বৃষ্টিস্নাত বিকেলে বন্ধুসভার পাঠচক্রে সুকুমার রায়

ঢাকার এক বৃষ্টির সন্ধ্যায়, বন্ধুসভা সমিতি সুকুমার রায়ের জন্মদিন উদযাপনের জন্য একটি বিশেষ পাঠচক্রের আয়োজন করে। হালকা বৃষ্টির ফোঁটা গাছের পাতায় নাচছিল, আর সমাবেশের স্থানটি ছিল শহরের একটি শান্ত কোণ, যেখানে গাছের ছায়া ও বৃষ্টির সুর মিলে এক অনন্য পরিবেশ তৈরি করেছিল।

সুকুমার রায়, যিনি ছড়া ও শিশুসাহিত্য ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র স্বর তৈরি করেছেন, তাঁর জন্মদিনের এই উপলক্ষে বন্ধুরা একত্রিত হয়ে তাঁর রচনার বিভিন্ন অংশ উচ্চস্বরে পাঠ করে শ্রোতাদের মনোমুগ্ধ করে তুলেছেন। উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে বেশ কয়েকজন রায়ের দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও পাঠক ছিলেন, যারা তাঁর কবিতার মধুরতা ও সৃজনশীলতার প্রশংসা করে একের পর এক কবিতা উপস্থাপন করেন।

পাঠচক্রের সূচনা হয় রায়ের কিছু জনপ্রিয় ছড়া দিয়ে, যেমন “ছোট্ট পাখি গানের সুরে” এবং “বৃষ্টির রঙিন গল্প”। প্রতিটি কবিতা পাঠের পর উপস্থিতদের মধ্যে তালি ও উল্লাসের স্রোত বয়ে যায়। বন্ধুরা রায়ের রচনায় বর্ণিত শিশুরা, প্রকৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের মিশ্রণকে প্রশংসা করে, এবং কীভাবে তার শব্দগুলো ছোট ছোট হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলে তা উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের মাঝখানে রায়ের জন্মদিনের কেক কাটা হয়, যা রঙিন বেলুন ও ফুলের সাজসজ্জার সঙ্গে সাজানো ছিল। কেকের উপর লেখা ছিল “শিশুদের স্বপ্নের রূপকথা, আপনার ছড়া আমাদের গাইড”—এটি রায়ের সৃষ্টিশীলতা ও শিশুদের প্রতি তার অটুট ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কেক কাটার পর, উপস্থিত সবাই রায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, এবং ভবিষ্যতে আরও এমন সাহিত্যিক সমাবেশের আহ্বান জানায়।

এই পাঠচক্রের মাধ্যমে বন্ধুসভা সমিতি শুধু রায়ের জন্মদিনই উদযাপন করেনি, বরং বাংলা ছড়া ও শিশুসাহিত্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি মঞ্চও তৈরি করেছে। বৃষ্টির স্নিগ্ধতা, বন্ধুত্বের উষ্ণতা এবং রায়ের সৃষ্টির মাধুর্য একসাথে মিশে একটি স্মরণীয় সন্ধ্যা গড়ে তুলেছে, যা অংশগ্রহণকারীদের হৃদয়ে দীর্ঘদিন ধরে বেঁচে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ‘বিগ‑বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ উদ্যোগের বিস্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
   
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ‘বিগ‑বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ উদ্যোগের বিস্তার

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরটি দেশের অর্থনৈতিক কৌশলকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সফরের মূল আলোচনার মধ্যে অন্যতম ছিল বঙ্গোপসাগরীয় শিল্প প্রবৃদ্ধি বলয়, যাকে প্রায়ই ‘বিগ‑বি’ বলা হয়, এবং এই উদ্যোগকে ‘বিগ‑বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ নামে একটি নতুন কাঠামোতে প্রসারিত করার পরিকল্পনা।

সফরের সময় জাপানি পার্টনারদের সঙ্গে আলোচনা করে উভয় দেশের শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে পারস্পরিক সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি সমন্বিত মডেল গড়ে তোলার ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে। এই মডেলটি শুধুমাত্র বিনিয়োগের মাত্রা বাড়াবে না, বরং স্থানীয় উৎপাদন, রপ্তানি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। বিশেষ করে, জাপানের উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি ও গবেষণা সক্ষমতা এবং বাংলাদেশের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানকে একত্রিত করে একটি সমন্বিত শিল্প নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় জাপান সরকারও বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও গভীর করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। দু’দেশের মধ্যে ইতিমধ্যে চলমান রপ্তানি-আমদানি চুক্তিগুলোকে ভিত্তি করে নতুন সেক্টরে, যেমন ইলেকট্রনিক্স, রসায়ন, জ্বালানি ও পরিবহন, যৌথ প্রকল্প চালু করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই উদ্যোগগুলোকে ‘শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করে উভয় দেশের শিল্পের প্রতিযোগিতা ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।

বিগ‑বি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল বঙ্গোপসাগরের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোকে একত্রে আনা এবং একটি সমন্বিত শিল্প প্রবৃদ্ধি নেটওয়ার্ক গঠন করা। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রপ্তানি বাজারের বৈচিত্র্য, সরবরাহ শৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে। জাপান সফরে উল্লিখিত ‘শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ মডেলটি এই নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করে তুলবে, যেখানে বিনিয়োগের ঝুঁকি ভাগাভাগি করা হবে এবং লাভের অংশীদারিত্বও সমানভাবে বণ্টন করা হবে।

সফরের পরিপ্রেক্ষিতে, অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন যে এই ধরনের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাংলাদেশের শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে মজবুত করবে। বিশেষ করে, জাপানের উচ্চমানের প্রযুক্তি ও দক্ষ কর্মশক্তি বাংলাদেশের স্থানীয় উৎপাদন ক্ষমতার সঙ্গে সমন্বয় করলে রপ্তানি পণ্যের গুণগত মান উন্নত হবে এবং নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়বে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরটি কেবল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক চুক্তি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত অংশীদারিত্বের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ‘বিগ‑বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ কাঠামোটি বাস্তবায়নের জন্য উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বেসরকারি সংস্থা এবং শিল্প সমিতিগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এধরনের সমন্বিত প্রচেষ্টা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জনসাধারণের জীবনের মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সর্বশেষ
ইরান তেহরান থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে হামলার হুমকি, নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে বৃষ্টিস্নাত বিকেলে বন্ধুসভার পাঠচক্রে সুকুমার রায় প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ‘বিগ‑বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ উদ্যোগের বিস্তার অবসরপ্রাপ্ত মেজর আব্দুল হাফিজকে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার এআই সাবস্ক্রিপশন: বিনামূল্য নাকি পেইড? পরিষ্কার দৃষ্টিভঙ্গি যৌবনের স্বপ্ন পুনর্জীবিত: ১৫ বছর পর গৃহবধূ রীতি খাতুনের এইচএসসি জিপিএ‑৫ ৫২তম জন্মদিনে ঐশ্বরিয়ার সেরা ফ্যাশন মুহূর্তগুলো খুলনা জেলার এক জেলায় ৯টি পুলিশ বাহিনীর কাছে ৩০০‑এরও বেশি অবৈধ অস্ত্র, কথায় কথায় গুলি উত্তর ওয়েলসের স্নোডোনিয়া ট্রেলে পাথরের বিশাল মিনার ও খনির ঐতিহ্য কুশিগাঙের শীর্ণ দশা—সিলেটের প্রাণবন্ত নদীর সংকট
Advertisement