খুঁজুন
, ,

জামায়াতের সঙ্গে জোট নয়, বিএনপি-আওয়ামী লীগের মন্ত্রিত্বের প্রস্তাবের দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
জামায়াতের সঙ্গে জোট নয়, বিএনপি-আওয়ামী লীগের মন্ত্রিত্বের প্রস্তাবের দাবি

জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন এক রাজনৈতিক ব্যক্তি। একই বক্তব্যে তিনি দাবি করেছেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ—দুই দলই তাঁকে মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে প্রাপ্ত সংক্ষিপ্ত তথ্যাংশে বক্তার নাম, তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়, বক্তব্য দেওয়ার সময় ও স্থান কিংবা প্রস্তাবগুলো কখন দেওয়া হয়েছিল—এসব বিষয়ে বিস্তারিত নেই। ফলে বক্তব্যের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উপলভ্য তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়, বক্তব্যের দুটি মূল বিষয় হলো জামায়াতের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নাকচ করা এবং বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কাছ থেকে মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব পাওয়ার দাবি। তবে প্রস্তাব দেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট দলগুলোর পক্ষ থেকে কারা যোগাযোগ করেছিলেন, কোন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কথাগুলো বলা হয়েছিল, কিংবা প্রস্তাবের সঙ্গে কোনো শর্ত যুক্ত ছিল কি না—এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। এসব বিষয়ে অনুমান করে কোনো বিবরণ যোগ করা সমীচীন নয়।

বক্তার পরিচয় না থাকায় তাঁর বক্তব্যের রাজনৈতিক অবস্থানও স্পষ্ট করা যাচ্ছে না। তিনি কোনো দলের নেতা, স্বতন্ত্র রাজনৈতিক কর্মী, নাকি অন্য কোনো পরিচয়ে কথাগুলো বলেছেন—উপলভ্য তথ্যাংশে তার উল্লেখ নেই। একইভাবে, বক্তব্যটি কোনো সাক্ষাৎকার, সভা, সংবাদ সম্মেলন বা অন্য কোনো আয়োজনে দেওয়া হয়েছিল কি না, তাও জানা যায়নি। ফলে ঘটনাটির পূর্ণ বিবরণ তৈরি করার মতো তথ্য এখানে নেই।

মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব পাওয়ার দাবিটি বক্তব্যদাতার দাবি হিসেবেই বিবেচনা করা প্রয়োজন। প্রাপ্ত তথ্যাংশে বিএনপি বা আওয়ামী লীগের কোনো প্রতিনিধির বক্তব্য, প্রস্তাবের লিখিত নথি কিংবা এ দাবির পক্ষে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা নেই। তাই দল দুটির পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়ার ঘটনা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়েছে—এমন কথা বলা যাচ্ছে না। দাবির সময়কাল ও সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি জানা না থাকায় এর রাজনৈতিক তাৎপর্য নিয়েও নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর অবকাশ নেই।

জামায়াতের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নেই—এ বক্তব্যের ক্ষেত্রেও কোন নির্বাচন, রাজনৈতিক সমঝোতা বা নির্দিষ্ট সময়ের প্রসঙ্গ আলোচনায় ছিল, তা পরিষ্কার নয়। বক্তব্যদাতা কোনো ভবিষ্যৎ অবস্থান জানাচ্ছিলেন, নাকি অতীতের কোনো রাজনৈতিক যোগাযোগের কথা বলছিলেন, সেটিও উপলভ্য বিবরণে অনুপস্থিত। তাই বক্তব্যটিকে নির্দিষ্ট কোনো নির্বাচনী জোট বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ঘোষণা হিসেবে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না।

ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি পৃথক তথ্যাংশে নারায়ণগঞ্জে এক বিএনপি নেতার বক্তব্যের উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু সেখানে জামায়াতের সঙ্গে জোট বা মন্ত্রিত্বের প্রস্তাবসংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই। দুই বিবরণকে একই ঘটনার অংশ হিসেবে দেখানোর মতো যোগসূত্রও পাওয়া যায়নি। সে কারণে পৃথক বিষয়গুলোকে এক করে প্রতিবেদন করা হয়নি।

বক্তার নাম, বক্তব্যের পূর্ণ বিবরণ এবং প্রস্তাবের সময়-পরিস্থিতি জানা গেলে দাবিগুলো আরও নির্দিষ্টভাবে যাচাই ও ব্যাখ্যা করা সম্ভব হবে। আপাতত নিশ্চিত তথ্যের সীমা হলো: বক্তব্যে জামায়াতের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নাকচ করা হয়েছে এবং বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কাছ থেকে মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। এর বাইরে বক্তার পরিচয়, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বা সংশ্লিষ্ট দলগুলোর অবস্থান সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার মতো তথ্য নেই।

হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ, দায়ী মাইন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ, দায়ী মাইন

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে বড় ধরনের নিরাপত্তা সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। গত ১ নভেম্বর রাতে এই জলসীমায় চলাচলকারী দুটি তেলবাহী জাহাজে আকস্মিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। জাহাজগুলোতে আঘাতের কারণ হিসেবে সাগরে পুঁতে রাখা মাইনকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট এলাকার নৌ-নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এই দুর্ঘটনার পেছনে নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজ দুটি হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় আন্তর্জাতিকভাবে নির্ধারিত বা অনুমোদিত নৌপথ অনুসরণ করেনি। জলসীমার যে এলাকাটি দিয়ে জাহাজ দুটি অতিক্রম করছিল, তা বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য নির্ধারিত ছিল না। আইআরজিসির ভাষ্যমতে, ওই নির্দিষ্ট এলাকায় পূর্ব থেকেই নিরাপত্তার খাতিরে মাইন বা মেরিটাইম এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস পুঁতে রাখা হয়েছিল। জাহাজগুলো ভুল পথে প্রবেশ করায় ওই মাইনগুলোতে আঘাত লেগে বিস্ফোরণ ঘটে, যার ফলে জাহাজ দুটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ঘটনার পরপরই সমুদ্রপথে চলাচলকারী অন্যান্য বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম তেল পরিবহনের রুট হওয়ায় এই ধরণের ঘটনা ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। যদিও কোনো পক্ষ সরাসরি হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী ঘটনাটি দুর্ঘটনা হিসেবেই চিহ্নিত হচ্ছে। বর্তমানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে জাহাজের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো কাজ করে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন মনে করছে, নির্ধারিত জলপথ ব্যবহার না করার প্রবণতা থেকেই এই ধরণের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতে জাহাজের রুট নির্ধারণ এবং নৌ-চলাচলের ক্ষেত্রে কঠোর মনিটরিং প্রয়োজন। সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওই এলাকা দিয়ে চলাচলের সময় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পাঠের বিধান কী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পাঠের বিধান কী

বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর পৃথিবীতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত এখন অনেক সহজতর হয়েছে। মানুষের হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোনেই এখন কোরআনের অ্যাপস ব্যবহার করে যেকোনো সময় তিলাওয়াত করা সম্ভব। তবে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে কোরআন পাঠের ক্ষেত্রে কিছু শরিয়াহগত বিষয় অনেকেরই অস্পষ্ট থাকে। বিশেষ করে অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন স্পর্শ করা বা পাঠ করার বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রায়ই প্রশ্ন জাগে। শরিয়াহ বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইল বা ডিজিটাল ডিভাইসে কোরআন পাঠের বিষয়টি সাধারণ মুদ্রিত কোরআন শরীফ বা মাসহাফের সাথে তুলনামূলকভাবে ভিন্ন।

ইসলামি ফিকহ শাস্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী, পবিত্র কোরআন স্পর্শ করার জন্য অজু থাকা আবশ্যক। কোরআনুল কারিমের প্রতি যথাযথ আদব ও সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবেই এই বিধান নির্ধারিত হয়েছে। তবে ডিজিটাল ডিভাইসের ক্ষেত্রে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করা হয়। বিশেষজ্ঞরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, স্মার্টফোনের স্ক্রিন বা টাচ ডিসপ্লে মূলত কোরআনের আয়াতের সরাসরি ওপরের অংশ নয়। যখন আমরা ফোনে কোরআন অ্যাপ ব্যবহার করি, তখন যে অক্ষরগুলো আমরা দেখি, তা মূলত একটি কাঁচের পর্দার নিচে ইলেকট্রনিক সিগন্যালের মাধ্যমে দৃশ্যমান হয়। এই কাঁচ বা গ্লাস একটি স্বতন্ত্র আবরণ হিসেবে কাজ করে, যা আয়াতের হরফের সাথে সরাসরি স্পর্শ হওয়ার বিষয়টি বাধাগ্রস্ত করে। অর্থাৎ, আপনি যখন ফোনটি ধরছেন বা স্ক্রিনে স্পর্শ করছেন, তখন আপনি সরাসরি পবিত্র হরফগুলো স্পর্শ করছেন না, বরং ফোনের ওপরের কাঁচের আবরণটি স্পর্শ করছেন। এই প্রযুক্তিগত পার্থক্যের কারণে আলেমদের একাংশ মনে করেন যে, এটি সরাসরি কোরআন স্পর্শ করার হুকুমের অন্তর্ভুক্ত নয়।

তবে এই ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। যদিও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে, কিন্তু কোরআনের সম্মান রক্ষা করা মুমিনের ঈমানি দায়িত্ব। অনেক আলেম পরামর্শ দেন যে, মোবাইল ফোনে কোরআন পাঠের সময়ও অজুসহ পবিত্র অবস্থায় থাকা উত্তম এবং এটি অধিকতর আদবপূর্ণ। কারণ, কোরআন কেবল একটি পাঠ্য বিষয় নয়, বরং এটি আল্লাহর কালাম, যার সাথে গভীর ভক্তি ও সম্মান জড়িয়ে আছে। তাই সম্ভব হলে অজুসহ পাঠ করা উচিত। তবে বিশেষ প্রয়োজনে বা কোনো অপারগতার ক্ষেত্রে অজু ছাড়া ফোন থেকে কোরআন পাঠ করলে তা সরাসরি পবিত্র কোরআন শরীফ স্পর্শের গুনাহের পর্যায়ে পড়বে না বলে অনেক ফকিহ মত দিয়েছেন।

অন্যদিকে, শিশুদের ক্ষেত্রে বিষয়টিকে কিছুটা সহজভাবে দেখা হয়। শিক্ষার খাতিরে বা অভ্যাসের শুরুতে শিশুদের কুরআন স্পর্শের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ না করার নজিরও ফিকহ শাস্ত্রে পাওয়া যায়। তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে কোরআনের মর্যাদা সমুন্নত রাখা একান্ত কর্তব্য। ডিজিটাল ডিভাইসে কোরআন পড়ার সময় স্ক্রিনে থাকা পবিত্র আয়াতগুলো যেন অবজ্ঞার পাত্র না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। অনেকেই অসতর্কতাবশত কোরআন অ্যাপ খোলা থাকা অবস্থায় ফোনটি যেকোনো স্থানে ফেলে রাখেন বা অনুপযুক্ত স্থানে রাখেন, যা অত্যন্ত অনুচিত। মোবাইল বা ট্যাব ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই আদব বজায় রাখা প্রতিটি মুসলমানের দায়িত্ব। সবশেষে বলা যায়, প্রযুক্তি আমাদের ইবাদতকে সহজতর করেছে ঠিকই, কিন্তু কোরআনের পবিত্রতা রক্ষার মূল চেতনা যেন আমাদের কাজে ও আচরণে ফুটে ওঠে। ডিজিটাল যুগে কোরআনের সাথে আমাদের সম্পর্ক যেন আরও সুদৃঢ় ও সম্মানজনক হয়, সেটাই প্রত্যাশিত।

সাংবাদিক আলিফ হত্যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য: পিস্তল হাতে মূল পরিকল্পনাকারী তাজুল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
সাংবাদিক আলিফ হত্যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য: পিস্তল হাতে মূল পরিকল্পনাকারী তাজুল

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি এখন নতুন মোড় নিয়েছে। আলোচিত এই হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত দুই আসামি আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের রহস্য এবং পরিকল্পনার বিষয়টি পুলিশের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছেন যে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হলেন তাজুল ইসলাম। শুধু পরিকল্পনার সাথেই নয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া পাঁচজনের মধ্যে তাজুল ছিলেন অন্যতম।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের দিন ঘটনাস্থলে মোট পাঁচজন সরাসরি অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন। একটি সুপরিকল্পিত ছক অনুযায়ী তারা সাংবাদিক আলিফকে লক্ষ্য করে হামলা চালান। আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ঘটনার সময় তাজুল ইসলাম নিজেই পিস্তল ব্যবহার করেন এবং সাংবাদিক আলিফের শরীরে গুলি করেন। এই জবানবন্দি মামলাটিকে একটি নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ দিকে নিয়ে গেছে। এর আগে পুলিশ এই মামলার তদন্তে নানা তথ্যের অনুসন্ধান করছিল, তবে আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া এই স্বীকারোক্তি মামলার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন।

রবিবার বিকেলে দুর্গাপুর চৌকি আদালতে এই স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়। আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল আমিনের এজলাসে আসামিরা স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে জবানবন্দি প্রদান করেন। আদালতের কার্যক্রম শেষে পুলিশ জানিয়েছে, সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হত্যা মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে কোনো প্রকার শৈথিল্য দেখানো হবে না। ইতিমধ্যে যারা গ্রেফতার হয়েছেন, তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারকাজ সম্পন্ন করার দাবি জোরালো হচ্ছে।

সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে বিভিন্ন মহল থেকে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, কেবল এই দুই আসামির জবানবন্দি নয়, ডিজিটাল আলামত এবং অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণও সংগ্রহ করা হচ্ছে। যারা ঘটনার সাথে কোনো না কোনোভাবে জড়িত রয়েছে বা নেপথ্যে থেকে মদদ দিয়েছে, তাদের প্রত্যেককেই শনাক্ত করে আইনের মুখোমুখি করা হবে। মামলার বর্তমান অগ্রগতিতে পুলিশ বেশ আশাবাদী। খুব শীঘ্রই এই মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে। সাংবাদিক সমাজ এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা এই মামলার দ্রুত বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার অপেক্ষায় রয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।

সর্বশেষ
হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ, দায়ী মাইন অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পাঠের বিধান কী সাংবাদিক আলিফ হত্যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য: পিস্তল হাতে মূল পরিকল্পনাকারী তাজুল রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে যুদ্ধবিরতি শেষ, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক জামায়াতের সঙ্গে জোট নয়, বিএনপি-আওয়ামী লীগের মন্ত্রিত্বের প্রস্তাবের দাবি প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাসের ছবিতে আপত্তিকর মন্তব্য: যুবকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শামীম ওসমানের ফেরা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতার গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের উড়োজাহাজ কেনাকাটা নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন: সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের তাগিদ যুব এশিয়া কাপকে সামনে রেখে লক্ষ্য এখন ভবিষ্যতের তারকা গড়া
Advertisement