খুঁজুন
, ,

খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি: কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি: কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চলমান খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প ঘিরে বড় ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই প্রকল্পে সরকারি অর্থের অপচয় ও দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) কাজী মো. সাবিরুল আলমসহ মোট আটজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে কমিশন।

দুর্নীতি দমন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নের বিভিন্ন ধাপে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি দুদকের তদন্তে উঠে আসে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন খুলনা দুদকের উপ-পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী। তিনি জানান, দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে পর্যালোচনার পর কমিশন এই মামলার অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে গত সোমবার কমিশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মামলা দায়েরের অনুমতি দেওয়া হয়।

মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের তালিকায় প্রধান প্রকৌশলী ছাড়াও প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীরা রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে মামলার পূর্ণাঙ্গ এজাহার এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের নাম দুদকের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের নকশা প্রণয়ন, প্রাক্কলন তৈরি এবং ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়ায় সুপরিকল্পিতভাবে অনিয়ম করা হয়েছে। সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার না করে বরং ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীস্বার্থ চরিতার্থ করার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

খুলনা শহরের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। স্থানীয় বাসিন্দারা এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মহলে এই প্রকল্পের মান ও ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এখন দুদকের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সেই দুর্নীতির অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে আইনি কাঠামোয় প্রবেশ করলো। দুদকের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, মামলার অনুমোদন পাওয়ার পর এখন আইন অনুযায়ী দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে। এরপর পুলিশি তদন্ত বা দুদকের নিজস্ব তদন্ত দল পুনরায় মাঠপর্যায়ে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করবে।

মামুনুর রশীদ চৌধুরী আরও উল্লেখ করেন যে, এই দুর্নীতিতে কেডিএ’র কোন স্তরের কর্মকর্তারা কতটুকু জড়িত, তা মামলার পরবর্তী তদন্তে আরও স্পষ্টভাবে উঠে আসবে। প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেওয়াটা এই প্রকল্পের অনিয়মের বিরুদ্ধে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি রোধে কমিশন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং এই মামলার তদন্তও দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে বিষয়টি নিয়ে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি দপ্তরের শীর্ষস্থানীয় একজন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন পাওয়ায় অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের মান ও স্বচ্ছতা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেডিএ’র পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া না গেলেও, দাপ্তরিকভাবে মামলার প্রক্রিয়াটি নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে অস্বস্তি রয়েছে। দুর্নীতির এই মামলায় কারা কীভাবে যুক্ত, তা নিশ্চিত হতে এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে স্থানীয় সচেতন মহল।

পূজার বিশেষ সময়সীমা শেষ, পূর্বের নিয়মেই ফিরলো দোকানপাট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
পূজার বিশেষ সময়সীমা শেষ, পূর্বের নিয়মেই ফিরলো দোকানপাট

শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসবমুখর পরিবেশ উপলক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখার যে সাময়িক বিশেষ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। এর ফলে শুক্রবার থেকে আবারও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়ম কার্যকর হয়েছে। এখন থেকে দেশের সব মার্কেট, শপিং মল এবং অন্যান্য দোকানপাট নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রাত ৮টার মধ্যেই বন্ধ করতে হবে।

এর আগে গত ৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। সেই নির্দেশনায় জানানো হয়েছিল যে, দুর্গাপূজার আনন্দ উদযাপনের অংশ হিসেবে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত মার্কেট ও শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই বিশেষ ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এখন থেকে আগের নিয়ম অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার বাধ্যবাধকতা আবার বহাল হলো।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে এর আগেও দোকানপাট ও শপিং মল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশনা কার্যকর ছিল। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সেই নির্দেশনায় সাময়িক পরিবর্তন এনে রাত ১০টা পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল। তবে পূজার ছুটির আমেজ কেটে যাওয়ায় এবং নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ায় এখন ব্যবসায়ীরা আবারও আগের সেই পুরনো নিয়মের আওতায় ফিরে এসেছেন।

রাজধানীসহ সারা দেশের ব্যবসায়িক সংগঠনগুলো সরকারি এই নির্দেশনার প্রতি ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে এখন থেকে ব্যবসায়ীদের যথাযথভাবে রাত ৮টার মধ্যে সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তবে এই নিয়মের কোনো ব্যত্যয় ঘটছে কি না, তা স্থানীয় প্রশাসন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে বলেও জানা গেছে।

ব্যবসায়ীদের একাংশের মতে, বিশেষ উৎসবের সময় রাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা গেলে কেনাকাটার ধুম পড়ে এবং বিক্রির পরিমাণও বৃদ্ধি পায়, যা সার্বিক অর্থনীতিতে কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জাতীয় লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সকল মহলে কার্যকর করার তাগিদ রয়েছে। এখন থেকে স্বাভাবিক সময়সূচি মেনে দোকানপাট ও শপিং মল পরিচালনার জন্য ব্যবসায়ী ও ক্রেতা সাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, সরকারি নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এখন থেকে আর রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা যাবে না। প্রতিটি দোকান ও শপিং মল কর্তৃপক্ষকে রাত ৮টার আগেই তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম গুটিয়ে ফেলতে হবে। অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিতে আগের মতোই কঠোর অবস্থানে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে পূজার বিশেষ আমেজ শেষে স্বাভাবিক ব্যবসায়িক দিনলিপি এখন নতুন করে ছন্দে ফিরছে।

রাজধানীর খিলক্ষেতে প্রাইভেটকারচাপায় পথচারী নিহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
রাজধানীর খিলক্ষেতে প্রাইভেটকারচাপায় পথচারী নিহত

রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকার কুড়িল বিশ্বরোড মোড়ে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ইয়াসিন নামে ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় তিনিসহ আরও একজন আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইয়াসিনের মৃত্যু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা দিয়ে সাধারণ পথচারীরা রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বা বেপরোয়া গতিতে এগিয়ে এসে পথচারীদের ধাক্কা দেয়। এতে ইয়াসিন ও মো. ইমরান নামের দুজন গুরুতর আহত হন। মো. ইমরান পেশায় একজন টেইলর বা দর্জি হিসেবে কাজ করেন এবং তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ও পথচারীরা তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। রাত ৯টার দিকে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ইয়াসিনকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। ইয়াসিনের বয়স ষাট বছর বলে জানা গেছে। আহত ইমরানকে হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সড়ক দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাইভেটকারের ধাক্কায় হতাহতের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘাতক প্রাইভেটকারটি ও এর চালককে শনাক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়া ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বা প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ঢাকায় প্রতিনিয়ত সড়কের এমন দুর্ঘটনা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাস্তার মোড়গুলোতে ট্রাফিক ব্যবস্থা জোরদার করা এবং চালকদের আরও সতর্ক হওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে স্থানীয়রা মত প্রকাশ করেছেন। নিহত ব্যক্তির পরিবারকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে না।

কক্সবাজারে ভারুয়াখালী খালের সেতুর সংযোগ সড়কে ১.৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
কক্সবাজারে ভারুয়াখালী খালের সেতুর সংযোগ সড়কে ১.৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন

কক্সবাজার সদর উপজেলায় ভারুয়াখালী খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ বিষয়ে গত ১৫ অক্টোবর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-২ শাখা থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নতুন অনুমোদনের সঙ্গে একই কাজের জন্য আগে দেওয়া জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদনও বাতিল করা হয়েছে। ২০২১ সালের ১১ মার্চ ৩ দশমিক ১৫৬৭ একর জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এবার অনুমোদিত জমির পরিমাণ ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর। দুই পরিমাণের ব্যবধান ১ দশমিক ২৬২ একর।

প্রজ্ঞাপনের সিদ্ধান্তে প্রকল্পটির জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক পরিসর আগের অনুমোদনের তুলনায় কমেছে। তবে অনুমোদনের পরিমাণ বদলের কারণ কী, আগের প্রস্তাবের কোন অংশ সংশোধন করা হয়েছে কিংবা নতুন পরিমাণ নির্ধারণে কী বিবেচনা কাজ করেছে—প্রকাশিত তথ্যের বিবরণে তা উল্লেখ নেই। তাই পরিবর্তনের কারণ নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

ভারুয়াখালী খালের ওপর সেতুটি নির্মাণাধীন। সেতুর সঙ্গে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্যই জমি অধিগ্রহণের এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সিদ্ধান্তটি সেতুর পাশাপাশি সড়ক-সংযোগের কাজের প্রয়োজনীয় জমি নিয়ে। তবে কোন মৌজা বা দাগের জমি অধিগ্রহণ করা হবে, জমির মালিক কারা কিংবা জমির সুনির্দিষ্ট অবস্থান—এসব বিষয়ে পাওয়া তথ্যের মধ্যে বিস্তারিত নেই।

প্রশাসনিক অনুমোদন এবং জমির দখল নেওয়া বা অধিগ্রহণ সম্পন্ন হওয়া এক বিষয় নয়। এই সিদ্ধান্তের অর্থ হলো, নির্ধারিত পরিমাণ জমি অধিগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রশাসনিক অনুমতি দিয়েছে। অধিগ্রহণের পরবর্তী ধাপ কখন শুরু হবে, জমির মালিকদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে কি না, ক্ষতিপূরণের হিসাব কীভাবে হবে কিংবা জমি বুঝে নেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে কি না—এসব তথ্যও এখানে জানানো হয়নি।

২০২১ সালের ১১ মার্চের অনুমোদনে জমির পরিমাণ ছিল ৩ দশমিক ১৫৬৭ একর। সেই অনুমোদন বাতিল করে ১ দশমিক ৮৯৪৭ একরের নতুন অনুমোদন দেওয়ায় প্রকল্পের জন্য জমির হিসাব হালনাগাদ হয়েছে—এটুকুই সিদ্ধান্ত থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়। পুরোনো অনুমোদনের ভিত্তিতে কোনো অধিগ্রহণের কাজ হয়েছিল কি না, কিংবা তা হলে কতটুকু জমি অন্তর্ভুক্ত ছিল, সে বিষয়ে প্রকাশিত বিবরণে তথ্য নেই।

সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য জমি প্রয়োজন হওয়ায় অধিগ্রহণ-সংক্রান্ত অনুমোদন প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ধাপ। তবে নতুন অনুমোদনের পর মাঠপর্যায়ে কী কী কাজ বাকি রয়েছে, তার সময়সূচি কী এবং সড়ক নির্মাণ কবে শুরু বা শেষ হবে—এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা পাওয়া যায়নি। ফলে অনুমোদনকে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

প্রজ্ঞাপনটি স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-২ শাখা থেকে জারি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্তে জমির পরিমাণ এবং আগের অনুমোদন বাতিলের বিষয়টি স্পষ্ট হলেও প্রকল্পের ব্যয়, সেতুর দৈর্ঘ্য, সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য কিংবা সম্ভাব্য উপকারভোগীর সংখ্যা সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই। এসব তথ্য ছাড়া প্রকল্পের সামগ্রিক অগ্রগতি বা প্রভাব নিয়ে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক হবে না।

এখন পর্যন্ত নিশ্চিত তথ্য হলো, কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর সংযোগ সড়কের জন্য ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণে প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং ২০২১ সালের ১১ মার্চের ৩ দশমিক ১৫৬৭ একরের আগের অনুমোদন বাতিল হয়েছে। পরবর্তী অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া, জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ এবং নির্মাণকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে প্রকল্পটির বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপ আরও স্পষ্ট হবে।

সর্বশেষ
পূজার বিশেষ সময়সীমা শেষ, পূর্বের নিয়মেই ফিরলো দোকানপাট খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি: কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন রাজধানীর খিলক্ষেতে প্রাইভেটকারচাপায় পথচারী নিহত কক্সবাজারে ভারুয়াখালী খালের সেতুর সংযোগ সড়কে ১.৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন গাজীপুরে শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ও ধামাচাপার চেষ্টা: মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেফতার মোবাইল ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে কিশোর অপ্রতিম হত্যায় ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট বগুড়ার শিশু আবু বক্করের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী টিভির পর্দায় আজকের খেলা: ২৪ অক্টোবর ২০২৬ জর্ডানে গির্জায় সশস্ত্র হামলা: নিহত ৭, আহত ৪০ অবিশ্বাস্য প্রাণশক্তি: পায়ে ক্ষত নিয়ে নিজেই অস্ত্রোপচার, ড্রোন ব্যবহার করে মৃত্যুপুরী থেকে ফেরা ইউক্রেনীয় সেনা
Advertisement