খুঁজুন
, ,

নিরাপত্তাহীনতায় স্থবির জনজীবন: সন্ধ্যা নামলেই পথচারীশূন্য সড়ক

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
নিরাপত্তাহীনতায় স্থবির জনজীবন: সন্ধ্যা নামলেই পথচারীশূন্য সড়ক

দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় নিরাপত্তা একটি মৌলিক চাহিদা হলেও, সাম্প্রতিক সময়ে একটি নির্দিষ্ট সড়কের চিত্র অত্যন্ত হতাশাজনক। এই সড়কে দিনের বেলাতেও পথচারী ও যাত্রীসাধারণ স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারছেন না। নিরাপত্তা নিয়ে যে শঙ্কা, তা এতটাই তীব্র যে সন্ধ্যা নামলেই পুরো সড়কটি জনশূন্য হয়ে পড়ে। আতঙ্কের কারণে যানবাহন চালকরা এই রুটটি এড়িয়ে চলেন, ফলে সন্ধ্যা বা রাতের বেলায় সড়ক যোগাযোগ বলতে গেলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের অভাবে মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। দিনের বেলাতেও ছিনতাই বা উত্ত্যক্ত করার মতো ঘটনার ভয়ে সাধারণ মানুষ একা ওই পথ দিয়ে যেতে সাহস পান না। ব্যবসায়িক কার্যক্রম বা নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কর্মজীবী মানুষ। সড়কটিতে নিয়মিত টহল বা নজরদারি না থাকায় অসাধু চক্রের সদস্যরা অনেকটা নিশ্চিন্তেই তাদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে সড়কের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। দিনের কর্মচঞ্চল সড়কটি রাত বাড়ার সাথে সাথে ভুতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি করে। পরিবহন শ্রমিকদের ভাষ্যমতে, সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত নামলে কোনো চালকই ঝুঁকি নিতে চান না। যাত্রী পাওয়া গেলেও নিরাপত্তার কথা ভেবে অনেকেই ওই রুটে গাড়ি নিতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে সন্ধ্যার পর থেকে ওই এলাকাটি একপ্রকার বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো হয়ে পড়ে। জরুরি প্রয়োজনেও কেউ ওই সড়কটি ব্যবহার করতে পারেন না। এ অবস্থায় রোগী পরিবহন বা জরুরি সেবামূলক কাজও থমকে যায়।

সড়কের এই শোচনীয় অবস্থার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় অর্থনীতির ওপর। দোকানপাট বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যার আগেই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ক্রেতাদের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় বাণিজ্যে বড় ধরনের ধস নেমেছে। কর্মসংস্থানের আশায় যেসব দোকানপাট গড়ে উঠেছিল, নিরাপত্তার অভাবে সেগুলো এখন বিলুপ্তির পথে। এলাকাবাসী একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও স্থায়ী কোনো সমাধান আজও মিলছে না। মাঝে মাঝে কিছু বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ দেখা গেলেও, দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তায় ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।

নিরাপত্তাহীনতার এই সংকট কেবল একটি সড়কের সমস্যা নয়, এটি স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার অধিকারের ওপরও আঘাত। সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকা এবং নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহলের অভাবই এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে স্থানীয়দের অভিমত। তারা দাবি জানিয়েছেন, অবিলম্বে সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি সড়ক আলোকায়নের মাধ্যমে ভীতি দূর করার দাবিও জোরালো হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি জনপদ সচল রাখতে হলে সড়কপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। সন্ধ্যা নামলেই যদি কোনো সড়ক যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, তবে তা সামগ্রিক এলাকার উন্নয়ন ও জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। বিষয়টি নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ না নিলে অদূর ভবিষ্যতে বড় কোনো দুর্ঘটনা বা অপরাধের ঘটনা ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। প্রশাসনের যথাযথ ও কার্যকর হস্তক্ষেপই পারে এই সড়ককে আবার প্রাণবন্ত ও চলাচল উপযোগী করে তুলতে। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টিকে কতটা গুরুত্বের সাথে দেখছে, এখন সেটাই দেখার বিষয়। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ভয় নয়, বরং ভরসার একটি সড়ক হিসেবে দ্রুতই এই পথটি আবার চালু হবে।

চাঁদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, মামলা ও গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
   
চাঁদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, মামলা ও গ্রেফতার

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে সরকার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিল বের করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং মামলা দায়ের করেছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বেশ কিছু নেতাকর্মী সংঘবদ্ধ হয়ে শাহরাস্তি এলাকায় মিছিল বের করেন। নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যানারে কিংবা তাদের পক্ষে এই ধরনের শোডাউন চালানোর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নজরে আসার পরপরই পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়। এই মিছিলের ভিডিও ফুটেজ এবং স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে।

ঘটনার পরপরই শাহরাস্তি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলার এজাহারভুক্ত আসামির সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। কোনো কোনো সূত্রে ৬০ জন এবং কোথাও ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই অমিল থাকা সত্ত্বেও এটি নিশ্চিত যে, মিছিলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং মিছিলের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।

বর্তমানে গ্রেফতারকৃত দুজনকে পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মিছিলের উদ্দেশ্য, এর পেছনে অর্থের জোগানদাতা কারা এবং কারা এর নেতৃত্ব দিয়েছে, তা উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের যে কোনো ধরণের কার্যক্রম জননিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ, তাই এ ব্যাপারে কোনো ধরণের শৈথিল্য প্রদর্শনের সুযোগ নেই।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হঠাৎ করে ছোটখাটো একটি মিছিল বের করতে দেখা গেলেও পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় কোনো বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রকাশ্যে তৎপরতা চালানোয় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ দাবি করেছে, তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন অমান্য করে এমন কোনো কার্যক্রম চালাতে না পারে।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যে সংগঠনকে সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, তাদের পক্ষে বা তাদের নাম ভাঙিয়ে মিছিল বের করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাক্ষ্য-প্রমাণ ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িত বাকি ব্যক্তিদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।

শাহরাস্তিতে পুলিশের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অনেকেই মনে করছেন, রাষ্ট্রবিরোধী বা নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম রুখে দিতে এই ধরণের কঠোর আইনি ব্যবস্থা জরুরি। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে এবং মামলার কার্যক্রম আইন অনুযায়ী এগিয়ে যাবে।

হেড অব এডিসি পদে নিয়োগ দেবে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
   
হেড অব এডিসি পদে নিয়োগ দেবে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক

বাংলাদেশের অন্যতম আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি নতুন জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে তারা ‘হেড অব এডিসি’ বা হেড অব অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল পদে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীদের সন্ধান করছে। ব্যাংকিং খাতে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক আগ্রহীদের জন্য এটি একটি বিশেষ সুযোগ।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদনের সুযোগ রয়েছে। আবেদনের প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত তা চলমান থাকবে। আগামী ৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত প্রার্থীরা এই পদের জন্য নিজেদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের পরে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমার বিষয়ে ব্যাংকটি নমনীয়তা দেখিয়েছে, যা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য একটি ইতিবাচক দিক। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত এই পদের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। সাধারণত ব্যাংকিং সেক্টরে সিনিয়র পদে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়সের কঠোর সীমাবদ্ধতা থাকলেও, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক এক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দিয়ে অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে প্রাধান্য দিচ্ছে।

এই পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট খাতে কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং দক্ষ নেতৃত্বের সক্ষমতা থাকতে হবে। বিশেষ করে এডিসি বা বিকল্প ব্যাংকিং সেবা খাতের জটিল কারিগরি ও ব্যবস্থাপনাগত দিকগুলো সামলানোর মতো দক্ষতা থাকা আবশ্যক। ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিশদ যোগ্যতা ও শর্তাবলি তাদের নিজস্ব পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে, যা প্রার্থীদের আবেদন করার আগে ভালোভাবে পড়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের সময়সীমার মধ্যে যথাযথ নিয়ম মেনে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সঠিক ও নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা জীবনবৃত্তান্তই কেবল বাছাই প্রক্রিয়ায় টিকে থাকবে। ব্যাংকটির মানবসম্পদ বিভাগ প্রতিটি আবেদন অত্যন্ত সতর্কতার সাথে যাচাই-বাছাই করবে। এরপর প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের পরবর্তী ধাপের জন্য ডাকা হবে। নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যের জন্য প্রার্থীরা স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের নিজস্ব ওয়েবসাইট অথবা অনুমোদিত মাধ্যমগুলো নিয়মিত অনুসরণ করতে পারেন।

উল্লেখ্য যে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা ও গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নে দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের এই উদ্যোগ ব্যাংকিং খাতে বেশ গুরুত্ব বহন করছে। যারা ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে বড় পরিসরে দায়িত্ব পালন করতে আগ্রহী এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতার অধিকারী, তাদের জন্য এই সুযোগটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন মা ও মেয়ে, আহত ৪

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
   
সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন মা ও মেয়ে, আহত ৪

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটি ও বিলবোর্ডে ধাক্কা দিয়ে দুমড়েমুচড়ে গেছে একটি মাইক্রোবাস। এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন এক মা ও তার কন্যা। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন যাত্রী।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মাইক্রোবাস সড়কের পাশে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি ও বিলবোর্ডের খুঁটিতে ধাক্কা দিলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যানুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যালয় এলাকায়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাইক্রোবাসটি গন্তব্যের দিকে যাচ্ছিল। বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এতে গাড়িটি সড়কের পার্শ্ববর্তী বিদ্যুতের খুঁটি এবং একটি বিলবোর্ডের খুঁটিতে সজোরে আঘাত করে। সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে মাইক্রোবাসটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন ও পথচারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং উদ্ধারকাজ শুরু করেন।

দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে মা ও মেয়ে রয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের মৃতদেহ স্থানীয়দের সহায়তায় গাড়ি থেকে বের করা হয়। আহত অন্য চারজনকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা না গেলেও তাদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ শুরু করেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাইক্রোবাসটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি চালকের অসাবধানতা, তা তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে আশপাশের পরিবেশ।

সড়কে নিরাপত্তার বিষয়ে স্থানীয়রা বারবার সতর্ক থাকলেও এমন দুর্ঘটনা বারবার ঘটছে। বিশেষ করে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে দ্রুতগতির গাড়ি চালানোর প্রবণতা বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষকেও সড়কে চলাচলের সময় সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

সর্বশেষ
চাঁদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, মামলা ও গ্রেফতার হেড অব এডিসি পদে নিয়োগ দেবে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন মা ও মেয়ে, আহত ৪ বিয়ের ছয় দিনের মাথায় নববধূর মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি গ্রেপ্তার আসামে উচ্ছেদ অভিযান ও ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ ঘিরে উত্তাপ নিরাপত্তাহীনতায় স্থবির জনজীবন: সন্ধ্যা নামলেই পথচারীশূন্য সড়ক বলিউডে অভিষেকের আগেই আলোচনায় ইশা মালভিয়া সভাপতির নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে তিন মাসের আগেই স্থগিত ছাত্রশক্তির চবি কমিটি চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে জড়াচ্ছেন বাংলাদেশিরা গত চ্যাম্পিয়নস লিগে বর্ষসেরা, এবার তৃতীয় ম্যাচেই চোটে ছিটকে কাভারাস্কেইয়া
Advertisement