খুঁজুন
, ,

মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু

রাজধানীর মহাখালী রেলগেট এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় রায়হান (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দুর্ঘটনার পর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

রায়হান মহাখালী এলাকার ফুটপাতের একটি হোটেলে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। দুর্ঘটনার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান ওই হোটেলের মালিক নজরুল ইসলাম এবং তার পরিচিত আকাশ হোসেন। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রেলগেট এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত হওয়ার পর রায়হানকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

ঘটনার সময় ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে যে তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে দুর্ঘটনাটি ঘটে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এবং হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় রাত ৯টার দিকে। অর্থাৎ দুর্ঘটনার পর তাকে চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তার চিকিৎসার ধরন, শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত কিংবা চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

রায়হানের বয়স ২৫ বছর বলে জানা গেছে। তিনি মহাখালী এলাকার একটি ফুটপাতের হোটেলে কাজ করতেন। তার কাজের সময়সূচি, দুর্ঘটনার আগে তিনি কোথায় যাচ্ছিলেন বা রেলগেট এলাকায় কী কারণে ছিলেন—এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই। ফলে দুর্ঘটনার ঠিক আগে তার চলাচল বা অবস্থান সম্পর্কে কোনো নির্দিষ্ট বর্ণনা দেওয়া যাচ্ছে না।

দুর্ঘটনাটি মহাখালী রেলগেট এলাকায় ঘটেছে বলে জানা গেলেও রেললাইনের কোন অংশে ঘটনাটি ঘটে, ট্রেনটি কোন দিক থেকে আসছিল কিংবা সেটির গন্তব্য কোথায় ছিল—এসব বিবরণ পাওয়া যায়নি। ট্রেনের পরিচয়, চলাচলের সময়সূচি এবং চালকের বিষয়ে কোনো তথ্যও নিশ্চিত করা হয়নি। এসব তথ্য ছাড়া ঘটনাটির পরিস্থিতি সম্পর্কে এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।

হোটেল মালিক নজরুল ইসলাম ও তার পরিচিত আকাশ হোসেন আহত রায়হানকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্যে দুর্ঘটনার স্থান ও হাসপাতালে নেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে তাঁরা কীভাবে ঘটনাটি দেখেছেন, দুর্ঘটনার মুহূর্তে তাঁরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন কি না, অথবা রায়হানকে কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়—এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। তাই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তাঁদের ভূমিকা সম্পর্কে অনুমান করার সুযোগ নেই।

রায়হানকে কোন পথে বা কীভাবে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য নেই। হাসপাতালে পৌঁছানোর সুনির্দিষ্ট সময় জানা না থাকায় দুর্ঘটনার পর চিকিৎসা শুরু হতে কতটা সময় লেগেছিল, তা নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, তিনি আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং রাত ৯টার দিকে সেখানে মারা যান।

রেলগেট এলাকায় দুর্ঘটনার পর আশপাশের যানবাহন বা ট্রেন চলাচলে কোনো প্রভাব পড়েছিল কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কিংবা রেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কথাও নিশ্চিত নয়। তাই এসব বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য নেই।

রায়হানের পরিবারের সদস্যদের পরিচয়, তাঁর বাড়ি কোথায়, কিংবা মৃত্যুর পর মরদেহের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এসব তথ্যও জানা যায়নি। তাঁর কর্মস্থলের বাইরে ব্যক্তিগত জীবন বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়েও কোনো নিশ্চিত বিবরণ পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে বাড়তি কোনো তথ্য যোগ করা হচ্ছে না।

ঘটনার বিবরণে দুর্ঘটনার সময়, স্থান, আহত যুবকের পরিচয় ও বয়স, তাঁর পেশা এবং হাসপাতালে মৃত্যুর সময় জানা গেলেও দুর্ঘটনার কারণ স্পষ্ট নয়। ট্রেনের ধাক্কা কী পরিস্থিতিতে লাগে, রেললাইনের কাছে রায়হান কী করছিলেন কিংবা ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করার মতো আর কেউ ছিলেন কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি। নিশ্চিত তথ্যের বাইরে গিয়ে কোনো কারণ নির্ধারণ করা ঠিক হবে না।

এ পর্যন্ত পাওয়া বিবরণে ঘটনাটির কেন্দ্রীয় তথ্য হলো, বুধবার সন্ধ্যায় মহাখালী রেলগেট এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত হন ২৫ বছর বয়সী হোটেলকর্মী রায়হান। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং রাত ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার আরও বিস্তারিত পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না থাকায় ঘটনার ধারাবাহিকতা এর বাইরে বিস্তৃত করা যাচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় ভাঙার চেষ্টা: গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৫ অপরাহ্ণ
   
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় ভাঙার চেষ্টা: গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতা

রাজধানীর মিরপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বলয়ের খুব কাছে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বুধবার দুপুরে মিরপুর এলাকায় প্রধানমন্ত্রী যখন ফুটপাত পরিদর্শনে ব্যস্ত ছিলেন, ঠিক তখনই ওই ব্যক্তি তার নিরাপত্তা বেষ্টনী অতিক্রম করে কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মধ্যে সতর্কতা তৈরি হয় এবং দ্রুত তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

আটককৃত ব্যক্তির নাম তানভীর জোমাদ্দার। তিনি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ঘটনাস্থলেই উপস্থিত দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে মিরপুর মডেল থানায় নিয়ে যায়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে, কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে অথবা অতি-উৎসাহী হয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে তার কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো ষড়যন্ত্র বা গভীর উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপ্রধানদের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। বিশেষ করে জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি কার্যক্রম চলাকালে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়। সেখানে কোনো ব্যক্তি যদি অনধিকার প্রবেশ বা নিরাপত্তার বাধা অতিক্রম করার চেষ্টা করেন, তবে তা অবশ্যই আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তানভীর জোমাদ্দারকে আটক করার পর তাকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি বিশদভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, মিরপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত করার সরকারি উদ্যোগ পরিদর্শন করছিলেন সরকারপ্রধান। এই কর্মসূচি চলাকালীন চারপাশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত কড়া। স্থানীয় জনসাধারণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড়ের মাঝে তানভীর জোমাদ্দার হঠাৎ সামনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে ধরে ফেলেন। তার এই আচরণের ফলে ওই এলাকায় কিছুটা সময়ের জন্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

রাজনৈতিক সচেতন মহলের মতে, ছাত্রলীগ বা যেকোনো সহযোগী সংগঠনের নেতাদের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের জন্য দৃষ্টান্তমূলক আচরণ কাম্য। প্রধানমন্ত্রীর মতো রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তা বেষ্টনীতে অনধিকার প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন। তানভীরের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

বর্তমানে তানভীর জোমাদ্দারকে মিরপুর মডেল থানায় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার মতো কোনো ঘটনা ঘটলে তা আইন অনুযায়ী কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ইশরাকের পদত্যাগে মেয়র নির্বাচনের পথ কি সুগম হলো?

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৫ অপরাহ্ণ
   
ইশরাকের পদত্যাগে মেয়র নির্বাচনের পথ কি সুগম হলো?

মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে। তাঁর পদত্যাগকে ঘিরে ক্ষমতাসীন বিএনপির ভেতরেও এক ধরনের মতভিন্নতার কথা সামনে এসেছে। দলের একটি অংশ ঘটনাটিকে জবাবদিহি ও শৃঙ্খলার প্রশ্নে কঠোর অবস্থানের নজির হিসেবে দেখছে। অন্য অংশের কেউ কেউ মনে করছেন, পদত্যাগের পেছনে রাজনৈতিক হিসাবও থাকতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা নগরীর আসন্ন মেয়র নির্বাচন ঘিরে ইশরাকের অবস্থান নিয়ে আলোচনা চলছে।

পদত্যাগের পর ইশরাক জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হয়েছে, নির্দেশ দেওয়ার আগে কী আলোচনা হয়েছিল, কিংবা এর সঙ্গে নির্বাচনী কোনো পরিকল্পনার যোগ আছে কি না—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর পদত্যাগের তাৎক্ষণিক কারণ হিসেবে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনাটি আলোচনায় থাকলেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে যে ব্যাখ্যাগুলো সামনে এসেছে, সেগুলো এখনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নয়।

ঘটনাটির রাজনৈতিক তাৎপর্য নিয়ে বিএনপির ভেতরে একক ব্যাখ্যা নেই। এক পক্ষের দৃষ্টিতে, অভিযানে অস্ত্র প্রদর্শনের মতো সংবেদনশীল ঘটনায় পদত্যাগ দায়িত্ব নেওয়ার দৃষ্টান্ত হতে পারে। তাঁদের মতে, ক্ষমতাসীন দলের নেতা বা মন্ত্রিসভার সদস্যদের আচরণের ক্ষেত্রেও জবাবদিহির বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে। এই ব্যাখ্যায় পদত্যাগকে ব্যক্তির পদ হারানোর ঘটনা হিসেবে নয়, বরং শৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তবে এ অবস্থান দলের সব অংশের মত কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য নেই।

অন্যদিকে, দলের আরেক অংশ পদত্যাগের পেছনে নির্বাচনী কৌশল থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না। তাঁদের ধারণা, ঢাকা নগরীর মেয়র নির্বাচন সামনে রেখে ইশরাকের রাজনৈতিক অবস্থান নতুনভাবে আলোচনায় আসতে পারে। মন্ত্রিসভার দায়িত্বে থাকা এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনার মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু পদত্যাগের সঙ্গে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার যোগসূত্র নিশ্চিত করে এমন কোনো ঘোষণা বা সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি। তাই এ মুহূর্তে বিষয়টি সম্ভাবনা ও রাজনৈতিক অনুমানের পর্যায়েই রয়েছে।

পদত্যাগের ফলে ইশরাক মেয়র নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, অথবা তাঁর জন্য নির্বাচনী পথ বাস্তবে সহজ হয়েছে কি না—এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেওয়ার মতো তথ্য নেই। প্রার্থিতা, দলীয় মনোনয়ন, নির্বাচনের সময়সূচি কিংবা প্রযোজ্য বিধি নিয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। সেই কারণে পদত্যাগকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি বা মনোনয়ন পাওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। ঘটনাটি রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিলেও নির্বাচনী সিদ্ধান্তের সঙ্গে এর সম্পর্ক এখনো স্পষ্ট নয়।

এখানে দুটি বিষয় আলাদা করে দেখা জরুরি: একদিকে রয়েছে মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা এবং তার পরিণতিতে মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের সরে দাঁড়ানো; অন্যদিকে রয়েছে আসন্ন মেয়র নির্বাচন নিয়ে দলীয় মহলের ব্যাখ্যা। প্রথম বিষয়টি পদত্যাগের তাৎক্ষণিক প্রেক্ষাপট হিসেবে উঠে এসেছে। দ্বিতীয়টি মূলত সম্ভাব্য রাজনৈতিক তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা। এই দুইয়ের মধ্যে নিশ্চিত যোগসূত্র প্রতিষ্ঠিত না হলে পদত্যাগকে নির্বাচনী কৌশল বলা হবে অনুমাননির্ভর।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগের কথা ইশরাক নিজে বলেছেন—এ তথ্য সিদ্ধান্তটির ব্যাখ্যায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক যোগ করেছে। তবে নির্দেশের কারণ বা মন্ত্রিসভায় তাঁর দায়িত্ব ছাড়ার নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। একইভাবে, অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনাটি নিয়ে কোনো তদন্ত, আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা বা পরবর্তী সিদ্ধান্তের বিবরণও দেওয়া হয়নি। ফলে ঘটনাটির প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পরিণতি কোন পথে এগোবে, তা নিয়ে নিশ্চিত বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ সীমিত।

দলের ভেতরের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে, পদত্যাগটি শুধু একটি সরকারি পদ ছাড়ার বিষয় হিসেবে আলোচিত হচ্ছে না; এর রাজনৈতিক বার্তা কী, তা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। তবে প্রতিক্রিয়ার এই ভিন্নতা থেকে দলীয় সিদ্ধান্ত বা ভবিষ্যৎ নির্বাচনী কৌশল সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। মেয়র নির্বাচনে ইশরাকের সম্ভাব্য ভূমিকা নির্ভর করবে পরবর্তী আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর। সেগুলো স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত পদত্যাগে তাঁর নির্বাচনী পথ সুগম হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো আগেভাগে হবে।

এ মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনার পর ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পদত্যাগকে কেউ জবাবদিহি ও শৃঙ্খলার বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ মেয়র নির্বাচন ঘিরে সম্ভাব্য কৌশলের ইঙ্গিত খুঁজছেন। কিন্তু ইশরাক নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না, দল তাঁকে মনোনয়ন দেবে কি না, কিংবা পদত্যাগ সেই পথ সহজ করেছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অনিশ্চিত।

এমআরইউ ও ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালের মধ্যে করপোরেট স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি

আলোকিত ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৯ অপরাহ্ণ
   
এমআরইউ ও ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালের মধ্যে করপোরেট স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি

সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য বিশেষ ডিসকাউন্টে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ

রাজধানীতে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি (এমআরইউ) ও ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের মধ্যে করপোরেট স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় এমআরইউর সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাঁদের নির্ধারিত পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালটির বিভিন্ন চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ ডিসকাউন্ট সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর মগবাজারে ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের সেমিনার কক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এমআরইউ। চুক্তি অনুযায়ী, সংগঠনটির সদস্যদের পাশাপাশি তাঁদের পিতা-মাতা, স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানরাও নির্ধারিত শর্তে এ সুবিধা পাবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংগঠনটির সভাপতি শাহরিয়ার নাঈম ও সাধারণ সম্পাদক মিছবাহ উদ্দীন। অন্যদিকে, ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর) মো. আলতাফ হোসেন, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার) মুহা. হাফিজুর রহমান এবং সহকারী ব্যবস্থাপক (বিপণন ও মিডিয়া ইনচার্জ) এইচ এম দুলাল।

অনুষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সহসভাপতি ইসলাম উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত, কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল খায়ের, শিমুল হাওলাদার এবং সদস্য হেদায়েতুল্লাহ তুর্কী, বাপ্পি, ইমরান, ইসা, রনিসহ সংগঠনটির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতালের পক্ষে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেনারেল ম্যানেজার (হেড অব অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স) মোজাফফর হাসান খান মজলিস, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (করপোরেট) মো. হিরো মিয়া এবং মো. ইমরান হোসেন।

অনুষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহরিয়ার নাঈম বলেন, “মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকদের যেকোনো প্রয়োজনে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি কাজ করে যাবে। স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা এবং সাংবাদিকদের প্রয়োজনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে এমআরইউ উদ্যোগ গ্রহণ করবে।”

তিনি আরও বলেন, সংগঠনের সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবার অংশীদার হিসেবে যুক্ত হওয়ায় ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। এ ধরনের উদ্যোগ মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।

এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যদের পাশে থাকার এবং তাঁদের স্বাস্থ্যসেবায় সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ করপোরেট চুক্তির ফলে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য ও তাঁদের পরিবারের জন্য মানসম্মত চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ আরও সহজ, সুবিধাজনক এবং সাশ্রয়ী হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত কল্যাণ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সর্বশেষ
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় ভাঙার চেষ্টা: গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতা ইশরাকের পদত্যাগে মেয়র নির্বাচনের পথ কি সুগম হলো? এমআরইউ ও ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালের মধ্যে করপোরেট স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি ১৬০ রানে থেমে বিদায় বাংলাদেশের, ফাইনালে আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু ফেসবুক পেজ খুলে চাকরির নামে প্রতারণা, গ্রেফতার ২ লাকসামে ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনায় প্রকৌশলী বরখাস্ত, তদন্ত কমিটি গঠন বুকিং ডটকমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ হত্যা: সন্দেহভাজন এক তরুণ গ্রেফতার চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার্ন-আর্সেনালের নাটকীয় ড্র, গোল উৎসবে মাতল রিয়াল
Advertisement