খুঁজুন
, ,

আসামে উচ্ছেদ অভিযান ও ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ ঘিরে উত্তাপ

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
আসামে উচ্ছেদ অভিযান ও ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ ঘিরে উত্তাপ

ভারতের আসাম রাজ্যে সরকারি উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বাঙালি মুসলিম অধ্যুষিত বসতিগুলোতে প্রশাসনিক তৎপরতায় হাজার হাজার মানুষ তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়েছেন। সাম্প্রতিক এই উচ্ছেদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এবং স্থানীয় বিভিন্ন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্য ও পোস্টের মাধ্যমে জানা গেছে, এই অভিযানে কেবল বাড়িঘরই নয়, বরং ধর্মীয় স্থাপনা ভেঙে ফেলার গুরুতর অভিযোগও উঠেছে।

প্রাথমিক তথ্যানুসারে, সরকারি অভিযানে প্রায় এক হাজার একশ’রও বেশি পরিবারকে তাদের পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। যাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই আর্থসামাজিক দিক থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত সময় বা পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আকস্মিকভাবে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ তাদের সহায়-সম্বল রক্ষার সুযোগ পাননি। শীতের এই সময়ে খোলা আকাশের নিচে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে অনেককে। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগের তীর সরাসরি প্রশাসনের দিকে, যারা উন্নয়নের নামে বা সরকারি খাস জমি উদ্ধারের দোহাই দিয়ে তাদের উচ্ছেদ করেছে।

অভিযানের সবচেয়ে স্পর্শকাতর দিকটি হলো ধর্মীয় উপাসনালয় ভাঙার অভিযোগ। ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, উচ্ছেদ চলাকালীন এলাকায় থাকা কয়েকটি মসজিদও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ লক্ষ করা যাচ্ছে। অনেকে একে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষপ্রসূত কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে এর বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন। যদিও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই ভাঙচুরের অভিযোগ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

আসামে দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি জমি থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের নামে বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক এই উচ্ছেদটি যে মাত্রায় হয়েছে, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, উন্নয়ন ও সরকারি জমি পুনরুদ্ধারের আইনি প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও, যেভাবে ধর্মীয় স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, তা মানবাধিকারের প্রশ্নে নতুন করে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলেও পাল্টাপাল্টি দোষারোপ চলছে। একটি পক্ষ এটিকে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছে, অন্য পক্ষ এটিকে নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় গোষ্ঠীকে কোণঠাসা করার ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে।

উচ্ছেদ পরবর্তী পরিস্থিতিতে ওই এলাকাগুলোতে থমথমে ভাব বিরাজ করছে। পর্যাপ্ত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই এই বিপুল সংখ্যক মানুষকে গৃহহীন করায় চরম সংকটে পড়েছেন তারা। স্থানীয় সমাজকর্মীরা বলছেন, সরকার উচ্ছেদের আগে অন্তত বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারত। কিন্তু সেই নিয়ম না মেনে হঠকারী পদক্ষেপে চরম মানবিক বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা এখন সরকারের কাছে পুনর্বাসন এবং ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংসের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রতিকার দাবি করছেন। পুরো বিষয়টি এখন আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের আশঙ্কা, এই উচ্ছেদ অভিযানের জেরে দীর্ঘমেয়াদী সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

চাঁদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, মামলা ও গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
   
চাঁদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, মামলা ও গ্রেফতার

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে সরকার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিল বের করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং মামলা দায়ের করেছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বেশ কিছু নেতাকর্মী সংঘবদ্ধ হয়ে শাহরাস্তি এলাকায় মিছিল বের করেন। নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যানারে কিংবা তাদের পক্ষে এই ধরনের শোডাউন চালানোর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নজরে আসার পরপরই পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়। এই মিছিলের ভিডিও ফুটেজ এবং স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে।

ঘটনার পরপরই শাহরাস্তি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলার এজাহারভুক্ত আসামির সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। কোনো কোনো সূত্রে ৬০ জন এবং কোথাও ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই অমিল থাকা সত্ত্বেও এটি নিশ্চিত যে, মিছিলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং মিছিলের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।

বর্তমানে গ্রেফতারকৃত দুজনকে পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মিছিলের উদ্দেশ্য, এর পেছনে অর্থের জোগানদাতা কারা এবং কারা এর নেতৃত্ব দিয়েছে, তা উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের যে কোনো ধরণের কার্যক্রম জননিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ, তাই এ ব্যাপারে কোনো ধরণের শৈথিল্য প্রদর্শনের সুযোগ নেই।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হঠাৎ করে ছোটখাটো একটি মিছিল বের করতে দেখা গেলেও পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় কোনো বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রকাশ্যে তৎপরতা চালানোয় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ দাবি করেছে, তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন অমান্য করে এমন কোনো কার্যক্রম চালাতে না পারে।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যে সংগঠনকে সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, তাদের পক্ষে বা তাদের নাম ভাঙিয়ে মিছিল বের করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাক্ষ্য-প্রমাণ ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িত বাকি ব্যক্তিদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।

শাহরাস্তিতে পুলিশের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অনেকেই মনে করছেন, রাষ্ট্রবিরোধী বা নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম রুখে দিতে এই ধরণের কঠোর আইনি ব্যবস্থা জরুরি। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে এবং মামলার কার্যক্রম আইন অনুযায়ী এগিয়ে যাবে।

হেড অব এডিসি পদে নিয়োগ দেবে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
   
হেড অব এডিসি পদে নিয়োগ দেবে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক

বাংলাদেশের অন্যতম আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি নতুন জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে তারা ‘হেড অব এডিসি’ বা হেড অব অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল পদে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীদের সন্ধান করছে। ব্যাংকিং খাতে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক আগ্রহীদের জন্য এটি একটি বিশেষ সুযোগ।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদনের সুযোগ রয়েছে। আবেদনের প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত তা চলমান থাকবে। আগামী ৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত প্রার্থীরা এই পদের জন্য নিজেদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের পরে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমার বিষয়ে ব্যাংকটি নমনীয়তা দেখিয়েছে, যা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য একটি ইতিবাচক দিক। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত এই পদের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। সাধারণত ব্যাংকিং সেক্টরে সিনিয়র পদে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়সের কঠোর সীমাবদ্ধতা থাকলেও, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক এক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দিয়ে অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে প্রাধান্য দিচ্ছে।

এই পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট খাতে কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং দক্ষ নেতৃত্বের সক্ষমতা থাকতে হবে। বিশেষ করে এডিসি বা বিকল্প ব্যাংকিং সেবা খাতের জটিল কারিগরি ও ব্যবস্থাপনাগত দিকগুলো সামলানোর মতো দক্ষতা থাকা আবশ্যক। ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিশদ যোগ্যতা ও শর্তাবলি তাদের নিজস্ব পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে, যা প্রার্থীদের আবেদন করার আগে ভালোভাবে পড়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের সময়সীমার মধ্যে যথাযথ নিয়ম মেনে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সঠিক ও নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা জীবনবৃত্তান্তই কেবল বাছাই প্রক্রিয়ায় টিকে থাকবে। ব্যাংকটির মানবসম্পদ বিভাগ প্রতিটি আবেদন অত্যন্ত সতর্কতার সাথে যাচাই-বাছাই করবে। এরপর প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের পরবর্তী ধাপের জন্য ডাকা হবে। নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যের জন্য প্রার্থীরা স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের নিজস্ব ওয়েবসাইট অথবা অনুমোদিত মাধ্যমগুলো নিয়মিত অনুসরণ করতে পারেন।

উল্লেখ্য যে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা ও গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নে দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের এই উদ্যোগ ব্যাংকিং খাতে বেশ গুরুত্ব বহন করছে। যারা ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে বড় পরিসরে দায়িত্ব পালন করতে আগ্রহী এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতার অধিকারী, তাদের জন্য এই সুযোগটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন মা ও মেয়ে, আহত ৪

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
   
সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন মা ও মেয়ে, আহত ৪

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটি ও বিলবোর্ডে ধাক্কা দিয়ে দুমড়েমুচড়ে গেছে একটি মাইক্রোবাস। এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন এক মা ও তার কন্যা। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন যাত্রী।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মাইক্রোবাস সড়কের পাশে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি ও বিলবোর্ডের খুঁটিতে ধাক্কা দিলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যানুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যালয় এলাকায়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাইক্রোবাসটি গন্তব্যের দিকে যাচ্ছিল। বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এতে গাড়িটি সড়কের পার্শ্ববর্তী বিদ্যুতের খুঁটি এবং একটি বিলবোর্ডের খুঁটিতে সজোরে আঘাত করে। সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে মাইক্রোবাসটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন ও পথচারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং উদ্ধারকাজ শুরু করেন।

দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে মা ও মেয়ে রয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের মৃতদেহ স্থানীয়দের সহায়তায় গাড়ি থেকে বের করা হয়। আহত অন্য চারজনকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা না গেলেও তাদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ শুরু করেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাইক্রোবাসটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি চালকের অসাবধানতা, তা তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে আশপাশের পরিবেশ।

সড়কে নিরাপত্তার বিষয়ে স্থানীয়রা বারবার সতর্ক থাকলেও এমন দুর্ঘটনা বারবার ঘটছে। বিশেষ করে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে দ্রুতগতির গাড়ি চালানোর প্রবণতা বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষকেও সড়কে চলাচলের সময় সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

সর্বশেষ
চাঁদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, মামলা ও গ্রেফতার হেড অব এডিসি পদে নিয়োগ দেবে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন মা ও মেয়ে, আহত ৪ বিয়ের ছয় দিনের মাথায় নববধূর মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি গ্রেপ্তার আসামে উচ্ছেদ অভিযান ও ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ ঘিরে উত্তাপ নিরাপত্তাহীনতায় স্থবির জনজীবন: সন্ধ্যা নামলেই পথচারীশূন্য সড়ক বলিউডে অভিষেকের আগেই আলোচনায় ইশা মালভিয়া সভাপতির নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে তিন মাসের আগেই স্থগিত ছাত্রশক্তির চবি কমিটি চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে জড়াচ্ছেন বাংলাদেশিরা গত চ্যাম্পিয়নস লিগে বর্ষসেরা, এবার তৃতীয় ম্যাচেই চোটে ছিটকে কাভারাস্কেইয়া
Advertisement