খুঁজুন
, ,

লাইপজিগের বিপক্ষে বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর মঞ্চ প্রস্তুত রিয়াল মাদ্রিদের

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
লাইপজিগের বিপক্ষে বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর মঞ্চ প্রস্তুত রিয়াল মাদ্রিদের

আসন্ন এল ক্লাসিকোর আগে নিজেদের প্রস্তুতিটা দারুণভাবেই সেরে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বা অন্য কোনো আসরের ম্যাচে জার্মান ক্লাব লাইপজিগের মুখোমুখি হয়ে দাপুটে ফুটবল খেলেছে লস ব্লাঙ্কোসরা। ৪-১ গোলের বিশাল ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। এই জয় রিয়ালের খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা পরবর্তী এল ক্লাসিকোর ম্যাচে বাড়তি প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে চাপে রেখে একের পর এক আক্রমণ সাজিয়েছেন ভিনিসিউস বা এমবাপ্পেরা। মাঠের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নিয়ে প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করে ফেলেছিল মাদ্রিদের দলটি। গোল পাওয়ার জন্য খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি তাদের। প্রথমার্ধেই দারুণ ছন্দময় ফুটবল উপহার দিয়ে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়াতে শুরু করে রিয়াল।

ম্যাচের স্কোরলাইন দেখলে সহজেই অনুমেয় যে রিয়াল মাদ্রিদ এদিন কতটা আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে। চারটি ভিন্ন ভিন্ন খেলোয়াড় গোল করে দলের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন। রিয়ালের হয়ে গোলের দেখা পেয়েছেন বের্নার্দো সিলভা, আরদা গুলের, কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং ইয়ান দিওমান্দে। দলের প্রতিটি সদস্যের এমন সম্মিলিত প্রচেষ্টা রিয়াল কোচকে স্বস্তি দেবে। বিশেষ করে আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের গোল করার প্রবণতা এল ক্লাসিকোর আগে দলের জন্য বড় ইতিবাচক দিক।

অন্যদিকে লাইপজিগ চেষ্টা করেও রিয়ালের শক্তিশালী রক্ষণভাগ ও আক্রমণাত্মক কৌশলের সঙ্গে পেরে ওঠেনি। যদিও গোল করার সুযোগ তৈরি করেছিল জার্মান দলটি, কিন্তু রিয়ালের গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগ কোনো বড় বিপদ ঘটতে দেয়নি। চার গোল হজম করার পর লাইপজিগের খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়তে দেখা যায়, যার সুযোগ নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ আরও বেশ কিছু আক্রমণ তৈরি করেছিল।

এই জয় রিয়াল মাদ্রিদের জন্য কেবল তিনটি পয়েন্ট অর্জনই নয়, বরং এল ক্লাসিকোর আগে নিজেদের ফর্ম ফিরে পাওয়ার একটি বার্তাও বটে। স্প্যানিশ ফুটবলের সবচেয়ে বড় লড়াইয়ের আগে এমন দাপুটে জয় দলটিকে মানসিকভাবে এগিয়ে রাখবে। দলের সেরা তারকারা গোল পেয়েছেন, রক্ষণভাগও ছিল অটল, সবকিছু মিলিয়ে এটি রিয়ালের জন্য একটি পারফেক্ট ম্যাচ ছিল। এখন দেখার পালা, এই জয়ের ছন্দ ধরে রেখে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষেও তারা একই রকম ফুটবল প্রদর্শন করতে পারে কি না।

ম্যাচশেষে রিয়াল কোচ তার দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি খেলোয়াড়দের একাগ্রতা ও খেলার কৌশলের প্রশংসা করেছেন। এখন পুরো মাদ্রিদ শিবিরের নজর পরবর্তী এল ক্লাসিকোর দিকে। ആരാധকরাও চাইছেন লাইপজিগের বিপক্ষে যে ফর্ম তারা দেখিয়েছেন, সেই ফর্ম যেন এল ক্লাসিকোতেও বজায় থাকে। এই জয় যে মাদ্রিদ শিবিরে এক উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে, তা বলাই বাহুল্য।

নরসিংদীতে প্রিন্টিং কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ: দগ্ধ ১১ জন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
নরসিংদীতে প্রিন্টিং কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ: দগ্ধ ১১ জন

নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় একটি স্থানীয় প্রিন্টিং কারখানায় ভয়াবহ বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় মোট ১১ জন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। বিস্ফোরণের পরপরই স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত রাজধানী ঢাকার হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট এবং জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দগ্ধদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে বা আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে। তাদের শরীরের অনেকটা অংশ পুড়ে যাওয়ায় চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। বাকিদের অবস্থাও গুরুতর এবং তাদের প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় কারখানার ভেতরে নিয়মিত কাজ চলছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে বয়লারটি বিস্ফোরিত হলে ভেতরে কর্মরত শ্রমিকরা আগুনের কুণ্ডলীর কবলে পড়েন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কারখানার ভেতরে থাকা শ্রমিকরা পালানোর সুযোগ পাওয়ার আগেই অগ্নিদগ্ধ হন। ঘটনার আকস্মিকতায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের মানুষ দ্রুত ছুটে এসে উদ্ধার কাজে অংশ নেন এবং অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে দগ্ধদের নরসিংদী থেকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কারখানাটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি ছিল কি না বা বয়লার রক্ষণাবেক্ষণে কোনো অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কেন বা কীভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটল, তা অনুসন্ধানের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। বয়লারের ভেতরে অতিরিক্ত চাপ ছিল কি না কিংবা যান্ত্রিক কোনো ত্রুটি থেকে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা বিশেষজ্ঞ দল তদন্ত করে দেখবে। কারখানার মালিকপক্ষের সাথেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং তাদের দায়িত্বহীনতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে কারখানায় কাজ বন্ধ রয়েছে এবং এলাকাটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আহত শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যরা ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভিড় করেছেন। শ্রমিকদের সুস্থতার জন্য সকলে প্রার্থনা করছেন। কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর দাবিও উঠেছে স্থানীয় মহলে। দগ্ধদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এই ঘটনার ফলে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি আবারও সামনে চলে এসেছে এবং মালিকপক্ষকে শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ ও কারখানার লাইসেন্সসহ যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

অবকাশ শেষে আদালতের প্রথম কার্যদিবসেই আইনজীবীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধান বিচারপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
অবকাশ শেষে আদালতের প্রথম কার্যদিবসেই আইনজীবীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধান বিচারপতি

সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি শেষ হচ্ছে। দীর্ঘ বিরতির পর বিচারিক কার্যক্রম আবার শুরু হওয়ার মাহেন্দ্রক্ষণে এক বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। আদালতের দীর্ঘ ছুটির পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে প্রধান বিচারপতি, আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা আইনজীবীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত বিচার বিভাগীয় কর্মপরিকল্পনা ও নতুন উদ্যমে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

দীর্ঘ বিরতির পর যখন আদালত প্রাঙ্গণ আবার মুখর হয়ে উঠবে, তখন বিচারপতি ও আইনজীবীদের মধ্যে এই পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ বিনিময় সম্পর্কের সেতুবন্ধন আরও দৃঢ় করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা বজায় রাখতে এই ধরণের সৌজন্য সাক্ষাৎ বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আইনজীবীরা দেশের বিচার প্রক্রিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়ায় বিচারপতিদের সঙ্গে তাদের সরাসরি যোগাযোগ ও মতবিনিময় বিচারিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হয়।

প্রথা অনুযায়ী, অবকাশ শেষে প্রথম কার্যদিবসে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে বিচারপতিরা আইনজীবীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এই দিনে আদালতের পরিবেশ থাকে উৎসবমুখর। আইনজীবীরা এই সুযোগে প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং নতুন কর্মদিবস শুরুর শুভকামনা জানান। এই সাক্ষাৎ শুধু শুভেচ্ছা বিনিময়ে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দেশের বিচার বিভাগের শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতার একটি অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পালিত হয়ে আসছে।

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা আইনজীবীদের অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে। দীর্ঘ সময় আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর যখন বিচারপ্রার্থীরা ন্যায়বিচারের আশায় নতুন করে আদালতের শরণাপন্ন হবেন, তখন আইনজীবীদের প্রস্তুতি এবং আদালতের স্বাভাবিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনাই হবে মূল লক্ষ্য। প্রধান বিচারপতি এবং আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের উপস্থিতি বিচারিক পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা সুসংহত করতে এ ধরনের পারস্পরিক সৌজন্যবোধ এবং সুসম্পর্ক বজায় রাখা অপরিহার্য। অবকাশ পরবর্তী এই দিনটিতে আদালতের বারান্দায় আইন পেশার সাথে জড়িতদের সমাগম ঘটবে এবং বিচারপ্রার্থীদের ভিড় বাড়বে। বিচারপতিদের এই শুভেচ্ছা বিনিময় কেবল প্রথাগত নয়, এটি বিচারক ও আইনজীবীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ, যা দিনশেষে বিচারিক কাজের মান উন্নয়নেও সহায়তা করবে।

সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী রোববার যখন আদালত খুলবে, তখন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটক দিয়ে বিচারপতিরা প্রবেশ করার পরপরই আইনজীবীদের সঙ্গে এই সৌজন্য বিনিময় শুরু হবে। বিচার প্রশাসন আশা করছে, ছুটি পরবর্তী এই কর্মদিবসটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হবে এবং বিচারিক সেবার ক্ষেত্রে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না। একইসঙ্গে দেশের সাধারণ মানুষ যারা বিচারপ্রার্থী হিসেবে অপেক্ষায় রয়েছেন, তাদের জন্য দ্রততম সময়ে বিচার পাওয়ার পথ সুগম করতে আদালতের সকল বিভাগ সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

ধর্মের শিক্ষা কর্ম ও আচরণে প্রতিফলনের আহ্বান ডিসি জাহিদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
ধর্মের শিক্ষা কর্ম ও আচরণে প্রতিফলনের আহ্বান ডিসি জাহিদের

ধর্মীয় শিক্ষা শুধু উৎসব উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের কর্ম ও আচরণে প্রতিফলিত করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তাঁর বক্তব্যের মূল বার্তা, ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা যেন আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও প্রকাশ পায়।

ধর্মীয় উৎসব মানুষের মধ্যে আনন্দ ও মিলনের উপলক্ষ তৈরি করে। তবে সেই আয়োজনের পাশাপাশি ধর্মের শিক্ষা ব্যক্তিগত আচরণ ও দায়িত্ব পালনে কতটা প্রতিফলিত হচ্ছে, সেটিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন—ডিসি জাহিদের আহ্বানে এ বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উৎসব পালন এবং ধর্মীয় আদর্শ অনুসরণের মধ্যে যোগসূত্রের কথা উঠে এসেছে।

ধর্মীয় অনুশাসন ও শিক্ষার চর্চা কেবল বিশেষ দিন বা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে আটকে থাকলে তার তাৎপর্য পূর্ণতা পায় না। মানুষের কাজ, ব্যবহার এবং অন্যের সঙ্গে আচরণে সেই শিক্ষার প্রকাশ ঘটানোই জরুরি—এমন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন জেলা প্রশাসক।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক হিসেবে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ধর্মীয় শিক্ষা জীবনের কাজে প্রয়োগ করার ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর আহ্বান, ধর্মের শিক্ষা উদযাপনের অংশ হওয়ার পাশাপাশি মানুষের কর্ম ও আচরণেরও অংশ হয়ে উঠুক।

সর্বশেষ
নরসিংদীতে প্রিন্টিং কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ: দগ্ধ ১১ জন অবকাশ শেষে আদালতের প্রথম কার্যদিবসেই আইনজীবীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধান বিচারপতি ধর্মের শিক্ষা কর্ম ও আচরণে প্রতিফলনের আহ্বান ডিসি জাহিদের রাজপরিবারের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরতে আগ্রহী প্রিন্সেস ডায়ানাপুত্র হ্যারি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে, সরব বিরোধীরা সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে অচল বহু ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি: মেটাকে বিশাল অংকের জরিমানা মিউনিখে আর্সেনালের লড়াই, বায়ার্নকে আটকে পয়েন্ট ভাগাভাগি লাইপজিগের বিপক্ষে বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর মঞ্চ প্রস্তুত রিয়াল মাদ্রিদের ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের উন্নয়নে ঐক্যের ডাক প্রধানমন্ত্রীর
Advertisement