খুঁজুন
, ,

ধর্মের শিক্ষা কর্ম ও আচরণে প্রতিফলনের আহ্বান ডিসি জাহিদের

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
ধর্মের শিক্ষা কর্ম ও আচরণে প্রতিফলনের আহ্বান ডিসি জাহিদের

ধর্মীয় শিক্ষা শুধু উৎসব উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের কর্ম ও আচরণে প্রতিফলিত করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তাঁর বক্তব্যের মূল বার্তা, ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা যেন আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও প্রকাশ পায়।

ধর্মীয় উৎসব মানুষের মধ্যে আনন্দ ও মিলনের উপলক্ষ তৈরি করে। তবে সেই আয়োজনের পাশাপাশি ধর্মের শিক্ষা ব্যক্তিগত আচরণ ও দায়িত্ব পালনে কতটা প্রতিফলিত হচ্ছে, সেটিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন—ডিসি জাহিদের আহ্বানে এ বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উৎসব পালন এবং ধর্মীয় আদর্শ অনুসরণের মধ্যে যোগসূত্রের কথা উঠে এসেছে।

ধর্মীয় অনুশাসন ও শিক্ষার চর্চা কেবল বিশেষ দিন বা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে আটকে থাকলে তার তাৎপর্য পূর্ণতা পায় না। মানুষের কাজ, ব্যবহার এবং অন্যের সঙ্গে আচরণে সেই শিক্ষার প্রকাশ ঘটানোই জরুরি—এমন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন জেলা প্রশাসক।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক হিসেবে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ধর্মীয় শিক্ষা জীবনের কাজে প্রয়োগ করার ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর আহ্বান, ধর্মের শিক্ষা উদযাপনের অংশ হওয়ার পাশাপাশি মানুষের কর্ম ও আচরণেরও অংশ হয়ে উঠুক।

নারায়ণগঞ্জে নির্ধারিত মূল্যে সার না পেয়ে কৃষকদের বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
নারায়ণগঞ্জে নির্ধারিত মূল্যে সার না পেয়ে কৃষকদের বিক্ষোভ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সার সংকট ও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম আদায়ের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। বুধবার সন্ধ্যায় বক্তাবলী ইউনিয়নের কানাইনগর বেকারি মোড় এলাকায় এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা সরকারি নিয়ম অমান্য করে সারের বাড়তি দাম আদায় করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় চাষিরা। তাদের ভাষ্যমতে, বর্তমান মৌসুমে সারের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে, যা প্রান্তিক কৃষকদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত কৃষকরা জানান, ফসল ফলানোর জন্য এই মুহূর্তে পর্যাপ্ত সারের প্রয়োজন। অথচ বাজারে গেলে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম চাওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে কৃষকরা সেই বাড়তি দাম দিয়েও সময়মতো সার সংগ্রহ করতে পারছেন না। সার সরবরাহ ও বিতরণের এই বিশৃঙ্খলার কারণে চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। কানাইনগর এলাকার একাধিক কৃষক অভিযোগ করেছেন যে, ডিলাররা সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন এবং সাধারণ কৃষকদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তাদের পকেট কাটা হচ্ছে।

বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালীন এলাকার কৃষকরা সমবেত হয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাদের দাবি, অবিলম্বে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার মাধ্যমে ডিলারদের কারসাজি বন্ধ করতে হবে। কৃষকরা এ সময় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সার সরবরাহ স্বাভাবিক না হয় এবং নির্ধারিত মূল্যে সার নিশ্চিত করা না যায়, তবে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সার সংকটের এই প্রভাব কেবল কানাইনগর নয়, বরং পুরো বক্তাবলী এলাকার কৃষিতে পড়ছে। অধিকাংশ কৃষক এখন ঋণ করে চাষাবাদ করছেন। এমতাবস্থায় সার কিনতে গিয়ে বাড়তি টাকা গুনতে হলে ফসল ঘরে তোলা পর্যন্ত তাদের লোকসান গুনতে হবে। তারা স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের দায়সারা আচরণেরও সমালোচনা করেন এবং দ্রুত মাঠ পর্যায়ে তদারকি টিম পাঠানোর দাবি জানান।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত কৃষকদের শান্ত করার পাশাপাশি সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তবে বিক্ষোভকারী কৃষকরা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত ডিলারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সারের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনা হচ্ছে, ততক্ষণ তাদের এই প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য যে, সারা দেশেই প্রায়শই সারের বাড়তি দাম ও সরবরাহ ঘাটতি নিয়ে কৃষকরা অভিযোগ তুলে থাকেন। কৃষি প্রধান অঞ্চল হিসেবে পরিচিত বক্তাবলীর এই চাষিরা এখন শুধু সারের ন্যায্যমূল্য ও সহজলভ্যতাই কামনা করছেন। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণই এখন আলোচনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন দুর্গাপূজা, বুড়িগঙ্গায় বিসর্জনের ধুম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন দুর্গাপূজা, বুড়িগঙ্গায় বিসর্জনের ধুম

শারদীয় দুর্গাপূজার সমাপ্তি ঘটেছে অত্যন্ত উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ আবহে। রাজধানী ঢাকা এবং এর আশপাশের জেলাগুলোতে দুর্গাপূজা কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত পদক্ষেপে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এবার নির্বিঘ্নে তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পেরেছেন। জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, পুরো উৎসবের সময়জুড়ে ঢাকা জেলার সব পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল।

বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে বুধবার দুপুরের পর থেকেই প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম শুরু হয়। রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে ভক্তরা ট্রাকে বা অন্য যানবাহনে করে প্রতিমা নিয়ে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে সমবেত হতে থাকেন। ঢাক-ঢোল আর বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে ‘দুর্গা মাই কি জয়’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে নদীর তীরবর্তী এলাকা। বিকেল গড়াতেই ঘাটগুলোতে জনস্রোত বাড়তে শুরু করে। নদীর পাড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও নৌ-পুলিশের সদস্যরা তৎপর রয়েছেন।

উৎসবের শেষ দিনটিতে ভক্তরা সিঁদুর খেলা এবং একে অপরকে মিষ্টিমুখ করানোর মাধ্যমে পারস্পরিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেন। বরাবরের মতো এবারও বুড়িগঙ্গা নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা আরও গতি পায়। স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভোর পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে বিসর্জন কার্যক্রম চলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো মণ্ডপেই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি, বরং সব জায়গায় সুষ্ঠুভাবে পূজা উদযাপনের পরিবেশ বজায় ছিল বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, মণ্ডপগুলোতে পূজা শুরুর প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত নিরাপত্তার বিষয়টি ছিল অগ্রাধিকার তালিকায়। ঢাকা জেলার পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখার কারণে মণ্ডপগুলোতে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া যাতায়াত করতে পেরেছেন। বিশেষ করে রাতে আলোকসজ্জা দেখার জন্য মানুষের উপচেপড়া ভিড় থাকলেও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি।

এদিকে শারদীয় দুর্গোৎসবের এই মাহেন্দ্রক্ষণ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন। তারা ধর্মের মূল শিক্ষাগুলো দৈনন্দিন জীবনে এবং কর্মক্ষেত্রে প্রতিফলিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, ধর্মের এই পবিত্র শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ সমাজকে আরও আলোকিত করে তুলবে। পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার যে বহিঃপ্রকাশ এই উৎসবে দেখা গেছে, তা যেন সারা বছর বজায় থাকে, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন তারা।

রাত বাড়ার সাথে সাথে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে বিসর্জন দেখতে আসা মানুষের ভিড় আরও বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রাতভর বিসর্জন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। ভক্তরা এখন আগামী বছরের অপেক্ষায় দিন গুনছেন। যথাযথ নিরাপত্তা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঢাকাবাসী সম্পন্ন করলেন আরেকটি দুর্গাপূজার মৌসুম। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ না পাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন আয়োজকসহ স্থানীয় প্রশাসন।

ঢাকা জেলার সব পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
ঢাকা জেলার সব পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন

ঢাকা জেলার সব পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ। পূজাকে কেন্দ্র করে জেলার কোথাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। উৎসবের পর্ব শেষ হওয়ার পর জেলা পুলিশের এই বক্তব্যে এবারের আয়োজনের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার পূজামণ্ডপগুলোতে দুর্গাপূজার আয়োজন নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে। পূজাকে ঘিরে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর না পাওয়ার বিষয়টিও তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কতটি মণ্ডপে পূজা হয়েছে, কোন কোন এলাকায় আয়োজন ছিল কিংবা পূজার বিভিন্ন দিনে দর্শনার্থীর সংখ্যা কেমন ছিল—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। ফলে উৎসবের পরিসর বা জনসমাগম নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা দেওয়া যাচ্ছে না।

দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপে ধর্মীয় আচার ও উৎসব আয়োজন করা হয়। ঢাকা জেলার সব মণ্ডপে আয়োজন শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ার খবর তাই উৎসবের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। জেলা পুলিশের ভাষ্যে, এই সময়ে আইনশৃঙ্খলার অবনতি বা অপ্রীতিকর ঘটনার কোনো খবর সামনে আসেনি।

উৎসবের সময় নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকা আয়োজক, পূজায় অংশ নেওয়া মানুষ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে পুলিশের বক্তব্যে জেলার কোথাও পরিস্থিতি অবনতির খবর না থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ধরন, দায়িত্বে থাকা সদস্যের সংখ্যা, কিংবা বিভিন্ন এলাকার জন্য নেওয়া বিশেষ কোনো পদক্ষেপের বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়নি। তাই এসব বিষয়ে আলাদা করে কোনো তথ্য যোগ করা হচ্ছে না।

জেলা পুলিশের ঘোষণায় উৎসবের ফলাফল সম্পর্কে জানানো হলেও আয়োজনের প্রতিটি দিনের আলাদা বিবরণ দেওয়া হয়নি। কোথাও কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল কি না, পূজামণ্ডপগুলোতে কী ধরনের প্রস্তুতি ছিল, কিংবা স্থানীয়ভাবে কীভাবে সমন্বয় করা হয়েছে—এসব বিষয়ও প্রকাশিত তথ্যের মধ্যে নেই। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, উৎসব শেষ হওয়া পর্যন্ত জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির খবর পাওয়া যায়নি।

একইভাবে, পূজা শেষে প্রতিমা বিসর্জন বা আনুষ্ঠানিকতার অন্য কোনো ধাপ কোথায় এবং কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে, সে সম্পর্কেও জেলা পুলিশের বক্তব্যে নির্দিষ্ট বিবরণ নেই। কোন মণ্ডপের আয়োজন কখন শেষ হয়েছে, কিংবা সব এলাকায় একই সময়ে উৎসবের সমাপ্তি হয়েছে কি না, তা-ও জানা যায়নি। তাই সামগ্রিকভাবে উৎসব সম্পন্ন হওয়ার তথ্যের বাইরে নির্দিষ্ট সময়সূচি বা স্থানভিত্তিক বিবরণ দেওয়া সম্ভব নয়।

উৎসবকে ঘিরে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর না পাওয়ার কথা জানিয়ে জেলা পুলিশ মূলত জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মূল্যায়ন দিয়েছে। এ বক্তব্যে কোনো মণ্ডপ বা এলাকার আলাদা পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়নি। ফলে জেলার সব পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব শেষ হওয়ার কথাই নিশ্চিত তথ্য হিসেবে সামনে এসেছে। কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে—এমন দাবি পুলিশের দেওয়া তথ্যে নেই।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জননিরাপত্তার পরিবেশ বজায় রেখে ধর্মীয় উৎসব উদ্‌যাপন দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা জেলার এবারের দুর্গোৎসব নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে শান্তিপূর্ণ সমাপ্তির বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে উৎসবে অংশ নেওয়া মানুষের অভিজ্ঞতা, আয়োজকদের মূল্যায়ন কিংবা স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আলাদা কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাদের বক্তব্য বা অভিজ্ঞতা এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা হয়নি।

জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে জেলার কোথাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়নি এবং অপ্রীতিকর ঘটনার খবরও পাওয়া যায়নি। সব পূজামণ্ডপে আয়োজন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে। উৎসবের আয়োজন, নিরাপত্তা প্রস্তুতি বা অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য না থাকলেও পুলিশের এই বক্তব্যে ঢাকা জেলার দুর্গোৎসবের সামগ্রিক সমাপ্তির চিত্র পাওয়া যায়।

সর্বশেষ
নারায়ণগঞ্জে নির্ধারিত মূল্যে সার না পেয়ে কৃষকদের বিক্ষোভ উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন দুর্গাপূজা, বুড়িগঙ্গায় বিসর্জনের ধুম ঢাকা জেলার সব পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন নরসিংদীতে প্রিন্টিং কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ: দগ্ধ ১১ জন অবকাশ শেষে আদালতের প্রথম কার্যদিবসেই আইনজীবীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধান বিচারপতি ধর্মের শিক্ষা কর্ম ও আচরণে প্রতিফলনের আহ্বান ডিসি জাহিদের রাজপরিবারের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরতে আগ্রহী প্রিন্সেস ডায়ানাপুত্র হ্যারি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে, সরব বিরোধীরা সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে অচল বহু ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি: মেটাকে বিশাল অংকের জরিমানা
Advertisement