খুঁজুন
, ,

রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট: নীরব দর্শক হওয়া যায় না

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট: নীরব দর্শক হওয়া যায় না

বাংলাদেশ রেলওয়ের সেবার মান, টিকিট কালোবাজারি এবং যাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে হাইকোর্ট। সম্প্রতি এক শুনানিকালে আদালত বাংলাদেশ রেলওয়ের এমন অব্যবস্থাপনাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে অভিহিত করেছে। আদালত স্পষ্ট ভাষায় বলেছে, রেল কর্তৃপক্ষ এই অনিয়ম দেখেও নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না। মূলত ট্রেনের ছাদে যাত্রী পরিবহন এবং টিকিট কালোবাজারি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন আদালত।

দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থার একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে রেলওয়ে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই রেলের যাত্রীসেবা এবং টিকিট ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ তুঙ্গে। ট্রেনের ছাদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের যাতায়াতের বিষয়টি নতুন নয়, কিন্তু বারবার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও এটি বন্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। হাইকোর্ট এদিন শুনানিতে প্রশ্ন তোলে, কীভাবে ট্রেনের ছাদে মানুষ চড়ে যাতায়াত করে এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এই দৃশ্য দেখার পরেও কেন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে না? আদালতের মতে, এটি কেবল অবহেলা নয়, বরং দায়িত্বহীনতার চরম নিদর্শন।

টিকিট কালোবাজারি রেলওয়ের আরেকটি বড় সংকট। যাত্রীরা অভিযোগ করেন, অনলাইনে কিংবা স্টেশনের কাউন্টারে টিকিট পাওয়া দুষ্কর, অথচ অতিরিক্ত মূল্যে তা সহজেই মিলছে কালোবাজারে। এর পেছনে রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। হাইকোর্ট এই টিকিট সিন্ডিকেট ভাঙতে এবং যাত্রীদের হয়রানি কমাতে কঠোর নজরদারি ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করা রেল কর্তৃপক্ষের প্রধান দায়িত্ব, যা কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে যে, যাত্রী সাধারণের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্বের অংশ। ট্রেনের ছাদে যাত্রী পরিবহন কেবল আইনবিরোধীই নয়, এটি অত্যন্ত বিপজ্জনকও বটে। সামান্য ভুলের কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। এমন অবস্থায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা অগ্রহণযোগ্য। হাইকোর্ট রেলওয়েকে অবিলম্বে এমন অনিয়ম বন্ধে কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দিয়েছে।

শুনানিকালে আদালত আরও উল্লেখ করেছে যে, রেলওয়ে একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত এই সংস্থায় সেবার মান নিশ্চিত করা ও দুর্নীতিমুক্ত রাখা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বারবার একই ধরনের অনিয়মের পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে যে, কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক তদারকির অভাব রয়েছে। ভবিষ্যতে রেলওয়েকে তাদের সেবার মানোন্নয়নে এবং সকল প্রকার টিকিট জালিয়াতি রোধে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে বলেও আদালত মত প্রকাশ করেছে।

পরিশেষে, রেলওয়ের এই অব্যবস্থাপনা নিয়ে হাইকোর্টের এই মন্তব্য সাধারণ যাত্রী ও সচেতন মহলে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। আশা করা হচ্ছে, আদালতের এই নির্দেশনার ফলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তাদের দীর্ঘদিনের অবহেলা কাটিয়ে যাত্রীদের নিরাপদ ও মানসম্মত সেবা প্রদানে আরও তৎপর হবে। দুর্নীতি ও অনিয়ম নির্মূলে দায়িত্বশীলরা যদি এখন থেকেই কঠোর অবস্থান না নেয়, তবে জনদুর্ভোগ কমানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

গত চ্যাম্পিয়নস লিগে বর্ষসেরা, এবার তৃতীয় ম্যাচেই চোটে ছিটকে কাভারাস্কেইয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
   
গত চ্যাম্পিয়নস লিগে বর্ষসেরা, এবার তৃতীয় ম্যাচেই চোটে ছিটকে কাভারাস্কেইয়া

গত চ্যাম্পিয়নস লিগে বর্ষসেরা হওয়ার পর নতুন মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ প্রতিযোগিতায় মাত্র তৃতীয় ম্যাচ খেলেই চোটের কারণে ছিটকে গেলেন পিএসজির ফরোয়ার্ড খভিচা কাভারাস্কেইয়া। ২৫ বছর বয়সী এই ফুটবলারের ডান হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুশিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পিএসজি জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাঁর হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করা হবে।

ক্লাবের ঘোষণায় চোটের ধরন ও অস্ত্রোপচারের পরিকল্পনা জানানো হলেও কাভারাস্কেইয়া কত দিন মাঠের বাইরে থাকবেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি। অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কীভাবে এগোয়, তার ওপর খেলায় ফেরার সময় নির্ভর করবে। ফলে আপাতত তাঁর অনুপস্থিতির মেয়াদ নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

চ্যাম্পিয়নস লিগে মৌসুমের শুরুর দিকেই এমন চোট পিএসজির জন্য বড় ধাক্কা। কাভারাস্কেইয়া গত আসরে প্রতিযোগিতার বর্ষসেরা হওয়ার স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। সেই সাফল্যের পর এবারের আসরেও তাঁর পারফরম্যান্স নিয়ে প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচেই পাওয়া চোটের কারণে আপাতত সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার সুযোগ থাকছে না।

এসিএল হাঁটুর একটি গুরুত্বপূর্ণ লিগামেন্ট, যা হাঁটুর স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। এ ধরনের চোটে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে, তবে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের চিকিৎসা ও সেরে ওঠার অভিজ্ঞতা এক নয়। চোটের মাত্রা, অস্ত্রোপচারের পর শারীরিক প্রতিক্রিয়া এবং পুনর্বাসনের অগ্রগতির মতো বিষয়গুলো পরবর্তী সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। কাভারাস্কেইয়ার ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকেরা তাঁর অবস্থা মূল্যায়ন করবেন।

পিএসজির ঘোষণায় আপাতত নিশ্চিত হয়েছে ডান হাঁটুর এসিএল চোট এবং কয়েক দিনের মধ্যে অস্ত্রোপচারের পরিকল্পনা। এর বাইরে মাঠে ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ, পুনর্বাসনের সময়কাল কিংবা চোটের বিস্তারিত মাত্রা জানানো হয়নি। তাই তাঁর অনুপস্থিতি কত দীর্ঘ হবে, তা নিয়ে এখনই কোনো নির্দিষ্ট হিসাব দেওয়া সম্ভব নয়। অস্ত্রোপচারের পর ক্লাবের পক্ষ থেকে নতুন করে শারীরিক অবস্থার হালনাগাদ এলে বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে।

একজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি দলের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে কাভারাস্কেইয়ার জায়গায় কে খেলবেন, পিএসজি কীভাবে আক্রমণ সাজাবে কিংবা কোন ম্যাচগুলোতে তাঁকে পাওয়া যাবে না—এসব বিষয়ে ক্লাবের ঘোষণায় কিছু বলা হয়নি। তাঁর বিকল্প নির্বাচন ও কৌশল নির্ধারণ কোচিং দলের বিষয়। নিশ্চিত তথ্য ছাড়া সম্ভাব্য একাদশ বা দলীয় পরিকল্পনা নিয়ে সিদ্ধান্ত টানা ঠিক হবে না।

চোটের খবরটি এমন সময়ে এল, যখন চ্যাম্পিয়নস লিগের আসর সবে এগোচ্ছে। প্রতিযোগিতার তৃতীয় ম্যাচের পরই কাভারাস্কেইয়ার অভিযান থেমে যাওয়ায় ব্যক্তিগতভাবে তাঁর জন্যও এটি হতাশাজনক পরিস্থিতি। গত আসরের স্বীকৃতির পর নতুন মৌসুমে নিজের খেলা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলেন না তিনি। তবে অস্ত্রোপচার ও পুনর্বাসন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর ভবিষ্যৎ সূচি সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এখন পিএসজি ও খেলোয়াড়ের জন্য তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার হবে অস্ত্রোপচার এবং পরবর্তী চিকিৎসা। মাঠে ফেরার বিষয়ে তাড়াহুড়ো করে কোনো সময়সীমা নির্ধারণ না করে ধাপে ধাপে তাঁর অগ্রগতি দেখা হবে—এটাই এমন চোটের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ক্লাবের কাছ থেকে নতুন তথ্য না আসা পর্যন্ত কাভারাস্কেইয়ার ফেরার সময় অনিশ্চিতই থাকছে। আপাতত নিশ্চিত খবর, চ্যাম্পিয়নস লিগে তৃতীয় ম্যাচেই চোটে পড়েছেন তিনি এবং ডান হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করাতে যাচ্ছেন।

নিহত যুবদল নেতার মাথার খুলির ভেতরে বুলেট পাওয়া গেছে: পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
   
নিহত যুবদল নেতার মাথার খুলির ভেতরে বুলেট পাওয়া গেছে: পুলিশ

মাগুরা পৌরসভার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে নিহত যুবদল নেতা শাকের হোসেনের (৩৯) মাথার খুলির ভেতর থেকে একটি বুলেট পাওয়া গেছে। পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যে শাকের হোসেনের পরিচয়, বয়স এবং বুলেট পাওয়ার বিষয়টি জানা গেছে। তবে তিনি কখন ও কীভাবে নিহত হয়েছেন, তাঁর মরদেহ কী অবস্থায় পাওয়া যায়, কিংবা বুলেটটি কীভাবে তাঁর মাথার খুলির ভেতরে গেল—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বুলেট উদ্ধারের তথ্য থেকে একাই মৃত্যুর পরিস্থিতি বা ঘটনার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা যায় না।

ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো ব্যক্তি, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, তদন্তের অগ্রগতি বা পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কেও নিশ্চিত তথ্য নেই। তাই এসব বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। শাকের হোসেনের মৃত্যুর পূর্ণ বিবরণ এবং বুলেটের ভূমিকা জানতে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্যের অপেক্ষা করতে হবে।

ফাইনালে যাওয়ার কঠিন সমীকরণ: আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
ফাইনালে যাওয়ার কঠিন সমীকরণ: আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

ক্রিকেট মাঠে আবারও এক অগ্নিপরীক্ষার মুখে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ দল। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আজ আফগানিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। টুর্নামেন্টের পয়েন্ট টেবিলের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে হৃদয়ের দলের জন্য আজকের ম্যাচটি কেবল জয়ের লড়াই নয়, বরং রানরেট ও ব্যবধানের কঠিন এক গাণিতিক সমীকরণ মেলানোর চ্যালেঞ্জও বটে। ফাইনালে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করতে হলে আজ কেবল জয় পেলেই হবে না, বড় ব্যবধানে জয়লাভের বিকল্প নেই বাংলাদেশের সামনে।

ত্রিদেশীয় সিরিজের শুরু থেকেই সমীকরণ কিছুটা জটিল আকার ধারণ করেছিল। প্রতিটি দলই ফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পয়েন্ট টেবিলের সাম্প্রতিক অবস্থা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার লড়াইয়ে বাংলাদেশ কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে। তাই আজকের ম্যাচে জয়লাভের পাশাপাশি নেট রানরেটের দিকেও নজর রাখতে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য নকআউট পর্যায়ের মতোই গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে ভুল করার কোনো সুযোগ নেই।

আফগানিস্তান দলও এই সিরিজে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে। তাদের বোলিং আক্রমণ ও ব্যাটিং গভীরতা যেকোনো দলের জন্যই মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে স্পিন কন্ডিশনে তারা বরাবরই বাড়তি সুবিধা পায়। ফলে আজকের ম্যাচে আফগান বোলারদের সামলানোর কৌশলই হতে পারে বাংলাদেশের সাফল্যের চাবিকাঠি। অধিনায়ক ও দলের অন্যান্য ব্যাটারদের ওপর বড় দায়িত্ব থাকবে বড় স্কোর গড়ার অথবা প্রতিপক্ষের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা দ্রুততম সময়ে পেরিয়ে যাওয়ার।

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, আজকের এই ম্যাচে টস এবং কন্ডিশন বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে তার চেয়েও বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে রানরেট। বাংলাদেশ যদি আজকের ম্যাচে জয়ী হতে চায়, তবে তাদের ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে হবে। পাওয়ার প্লে-র সদ্ব্যবহার এবং মিডল অর্ডারে দায়িত্বশীল ব্যাটিং ছাড়া এই সমীকরণ মেলানো কঠিন হবে। একইসঙ্গে বোলিংয়েও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে, যাতে আফগানিস্তান বড় কোনো সংগ্রহ দাঁড় করাতে না পারে।

দলের ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস অটুট রাখার চ্যালেঞ্জও কম নয়। কারণ আগের ম্যাচগুলোর ফলাফল কিছুটা মিশ্র হওয়ায় খেলোয়াড়দের মানসিক চাপে থাকার সম্ভাবনা থাকে। তবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন খেলোয়াড়রা যদি তাদের স্বাভাবিক খেলাটা উপহার দিতে পারেন, তবেই ফাইনালের টিকিট পাওয়া সম্ভব। মাঠের এই লড়াই কেবল দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং টুর্নামেন্টের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণের চূড়ান্ত পরীক্ষা। বাংলাদেশ দল সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে কি না, তা দেখার জন্য এখন অপেক্ষায় রয়েছে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব।

ম্যাচটি শুরু হওয়ার আগ থেকেই ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে এক ধরণের উত্তেজনা কাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে সর্বত্রই আজকের এই সমীকরণ নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। যদিও খেলার মাঠের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন, তবুও ভক্তদের আশা, হৃদয়-লিটনরা আজকের ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে ওঠার পথ সুগম করবে। এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা, মাঠের লড়াইয়ে কারা শেষ হাসি হাসে।

সর্বশেষ
গত চ্যাম্পিয়নস লিগে বর্ষসেরা, এবার তৃতীয় ম্যাচেই চোটে ছিটকে কাভারাস্কেইয়া নিহত যুবদল নেতার মাথার খুলির ভেতরে বুলেট পাওয়া গেছে: পুলিশ ফাইনালে যাওয়ার কঠিন সমীকরণ: আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ মাত্র ৫ টাকায় পূজার বাজার তবু অসহায় মানুষের চোখে আনন্দের অশ্রু রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট: নীরব দর্শক হওয়া যায় না চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী নিপীড়ন: অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মীরা চবিতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় দুজনকে শনাক্তের দাবি আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার পরবর্তী ধাপের পথে যাত্রা দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের সুশৃঙ্খল সময়সূচী বাস্তবায়নে এক সপ্তাহের সময় চাইলেন নসরুল হামিদ কে২ জয় করে অনন্য ইতিহাস গড়লেন ওয়াসফিয়া নাজরিন
Advertisement