খুঁজুন
, ,

ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি: মেটাকে বিশাল অংকের জরিমানা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি: মেটাকে বিশাল অংকের জরিমানা

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা এবং গোপনীয়তা নীতিমালা নিয়ে কড়াকড়ি আরোপের অংশ হিসেবে নতুন করে আলোচনায় এল ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের একটি আদালত মেটাকে বিপুল পরিমাণ অর্থ জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে। মূলত ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা না করা এবং নিজস্ব নীতিমালার ব্যাপারে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশনের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আদালতের রায়ে মেটাকে ২৫ বিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার জরিমানা পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

প্রযুক্তি বিশ্বে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা সবসময়ই একটি সংবেদনশীল বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। ব্যবহারকারীদের তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা যেকোনো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তবে অভিযোগ উঠেছে যে, মেটা তাদের প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা সংক্রান্ত বিষয়ে যথাযথ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। একইসঙ্গে ফেসবুকের গোপনীয়তা নীতিমালা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মাঝে ধোঁয়াশা তৈরি করা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের বিষয়টিও আদালত আমলে নিয়েছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড সরাসরি নিয়ম লঙ্ঘনের শামিল বলে গণ্য করা হয়েছে।

নিউ মেক্সিকোর ওই আদালতের বিচারক দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, মেটা তাদের ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে এবং দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের আচরণ নিশ্চিত করতে পারেনি। এই জরিমানার অংকটি প্রযুক্তি খাতের ইতিহাসে অন্যতম বড় একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আদালত স্পষ্ট করেছে যে, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কোনো আপোষযোগ্য বিষয় নয় এবং নিয়ম ভঙ্গ করলে বড় অংকের মাশুল গুনতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই রায়টি শুধুমাত্র মেটার জন্য নয় বরং পুরো প্রযুক্তি শিল্পের জন্য একটি বড় বার্তা। গত কয়েক বছরে ফেসবুকের বিরুদ্ধে তথ্যের অপব্যবহার, ভুয়া তথ্য ছড়ানো এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের মতো নানা অভিযোগ উঠেছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো প্রতিনিয়ত তাদের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি বাড়াচ্ছে। এই রায়টি সেই চলমান প্রক্রিয়ারই একটি শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ। যদিও মেটার পক্ষ থেকে এই রায় নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি, তবে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

বর্তমানে ইন্টারনেটের ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার বিষয়টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মেটার মতো একটি বড় প্রতিষ্ঠান যদি দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়, তবে তা কোটি কোটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারে। নিউ মেক্সিকোর আদালত যে রায় দিয়েছে, তা ভবিষ্যতে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সচেতন ও সতর্ক হতে বাধ্য করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জরিমানার এই বিশাল অংক মেটার আর্থিক স্থিতিশীলতা বা শেয়ার বাজারের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা নানা হিসেব কষছেন। তবে আইনি এবং ব্যবসায়িক দিক থেকে এটি নিশ্চিত যে, আগামী দিনগুলোতে মেটাকে আরও কঠোর নজরদারির মধ্য দিয়ে চলতে হবে। ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। আদালত তার রায়ে সেই দাবিকেই পুনর্ব্যক্ত করল এবং তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পরিণতি যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তার উদাহরণ তৈরি করল।

রাজপরিবারের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরতে আগ্রহী প্রিন্সেস ডায়ানাপুত্র হ্যারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
রাজপরিবারের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরতে আগ্রহী প্রিন্সেস ডায়ানাপুত্র হ্যারি

ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে প্রিন্স হ্যারির সম্পর্কের সমীকরণ দীর্ঘ সময় ধরেই বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানো এবং এর পরবর্তী নানা ঘটনার জেরে রাজপ্রাসাদের অন্দরমহল থেকে বেশ কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে হ্যারির। তবে সাম্প্রতিক নানা গুঞ্জন ও পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এখন শোনা যাচ্ছে যে, হ্যারি তার পারিবারিক সম্পর্কের সেই তিক্ততা মুছে আবারও স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরতে চাইছেন। দীর্ঘদিনের এই দূরত্ব কমিয়ে রাজপরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পুনরায় সুসম্পর্ক স্থাপনের একটি জোরালো আকাঙ্ক্ষা তার পক্ষ থেকে প্রকাশ পেয়েছে।

প্রিন্স হ্যারির এই মানসিক পরিবর্তনের পেছনে তার জীবনের বড় একটি ট্র্যাজেডি বা ঘটনার প্রভাব রয়েছে বলে মনে করা হয়। মাত্র ১২ বছর বয়সে যখন হ্যারি তার মা প্রিন্সেস ডায়ানাকে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় হারান, তখন থেকেই তার জীবনের মোড় অনেকটা ঘুরে গিয়েছিল। জীবনের সেই কঠিন সময়ে মায়ের অকাল প্রস্থান তার ওপর কতটা গভীর প্রভাব ফেলেছিল, তা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আলাপচারিতায় উঠে এসেছে। বিশেষ করে কোনো সংবাদমাধ্যম বা সাক্ষাৎকারের আলাপচারিতায় নিজের শৈশব, মায়ের স্মৃতি এবং সেই সময়ের মানসিক অবস্থার কথা বলতে গিয়ে তিনি বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। রাজপরিবারের কঠোর নিয়মকানুন এবং মিডিয়ার নিরন্তর নজরদারি কীভাবে তার মায়ের জীবনের ওপর প্রভাব ফেলেছিল, তা নিয়ে হ্যারির মনে এক ধরনের চাপা ক্ষোভ ও বেদনার মিশ্র অনুভূতি কাজ করে আসছিল দীর্ঘদিন।

অনেকের মতে, মায়ের মৃত্যুর সেই বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা হ্যারিকে এক ধরনের আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে ঠেলে দিয়েছিল। রাজকীয় জীবনধারা এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নানা প্রথার প্রতি তিনি এক সময় বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে রাজপরিবার থেকে বেরিয়ে আসার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে তিনি দ্বিধাবোধ করেননি। তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা হয়তো হ্যারির প্রত্যাশা মতো ছিল না। পরিবারের আপনজনদের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা এবং নিয়মিত সমালোচনার মুখে পড়ার বিষয়টি দীর্ঘমেয়াদে তার সম্পর্কের সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চিন্তাভাবনা এবং অগ্রাধিকার বদলে যায়। প্রিন্স হ্যারিও হয়তো বর্তমানে তার জীবনের এক ভিন্ন ধাপে দাঁড়িয়ে আছেন। পরিবারের যে সদস্যদের সঙ্গে তার মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল, তাদের সঙ্গে আবার নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ দেখছেন তিনি। এই উদ্যোগটি কেবল ব্যক্তিগত শান্তি বা পারিবারিক নিরাপত্তার জন্যই নয়, বরং রাজপরিবারের ঐতিহ্য ও মর্যাদার প্রেক্ষাপটেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। রাজপরিবারের সদস্যরাও হ্যারির এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গিকে কীভাবে গ্রহণ করবেন, তা নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই। তবে সম্পর্কের বরফ গলানোর প্রক্রিয়া যে সহজ হবে না, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

প্রিন্স হ্যারির এই আকস্মিক ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে রাজপরিবার অনুরাগী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ কৌতূহল বিরাজ করছে। অনেকে মনে করছেন, এটি রাজকীয় পরিবারের ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লাগানোর প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভ ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটানো খুব একটা সহজসাধ্য হবে না। যদিও শেষ পর্যন্ত সম্পর্কের সমীকরণ কোন পথে এগোবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে এটি নিশ্চিত যে, প্রিন্স হ্যারি এখন অতীতের তিক্ততাকে পেছনে ফেলে ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে চাইছেন এবং রাজপরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক নতুন করে সাজানোর একটি সুযোগ খুঁজছেন। সব মিলিয়ে ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাম্প্রতিকতম এই নতুন মোড় বিশ্ব রাজনীতির পাশাপাশি বিনোদন জগতেও আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে।

এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে, সরব বিরোধীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে, সরব বিরোধীরা

জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে ভারতের মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর দেশটির বিরোধী রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রকাশিত অন্তত দুটি ছবিতে দুজনকে একটি টেবিলে মুখোমুখি বসে থাকতে দেখা যায়। ছবিগুলো প্রকাশের পর বিরোধীরা বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন।

ছবিতে পুরিকে স্যুট পরা অবস্থায় এবং এপস্টিনকে কালো সোয়েটার পরা অবস্থায় দেখা গেছে। তাঁরা একই টেবিলের দুই পাশে বসে আছেন। তবে প্রকাশিত ছবির সঙ্গে বৈঠকের তারিখ, স্থান, উদ্দেশ্য কিংবা সেখানে আর কারা উপস্থিত ছিলেন—এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ছবিগুলো সামনে আসার পর বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া তৈরি হলেও তাঁদের বক্তব্যের বিস্তারিত, নির্দিষ্ট প্রশ্ন বা দাবির তথ্য এখানে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। একইভাবে, পুরি বা তাঁর দপ্তরের পক্ষ থেকে ছবিগুলো নিয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও যাচাই করা তথ্য নেই। ফলে ছবিতে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা গেলেও, তাঁদের সাক্ষাতের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

ছবি প্রকাশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে ছবিতে একসঙ্গে উপস্থিতি নিজে থেকেই বৈঠকের কারণ বা আলোচনার বিষয় প্রমাণ করে না। এ বিষয়ে আরও তথ্য প্রকাশিত হলে সাক্ষাতের সময়, স্থান ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে অচল বহু ওয়েবসাইট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে অচল বহু ওয়েবসাইট

সাইবার নিরাপত্তার বড় ধরনের ঝুঁকি ও সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে নড়েচড়ে বসেছে বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের জেরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বহু ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। সাইবার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কোনো বড় ধরনের ডিজিটাল আক্রমণ বা তথ্যের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি এড়াতেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের বড় একটি অংশ বর্তমানে এমন এক সতর্ক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে সরকারি দপ্তরের সাইট থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোও নাগালের বাইরে চলে গেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রক্ষণাবেক্ষণ বা নিরাপত্তার অজুহাতে সাইটগুলো বন্ধ রাখা হলেও, এর পেছনে সাইবার হামলার আশঙ্কাই প্রধান কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, হ্যাকারদের কোনো বড় গোষ্ঠী বা রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সাইবার আক্রমণের সম্ভাবনা থেকেই প্রতিষ্ঠানগুলো এই সতর্কতামূলক অবস্থানে রয়েছে।

সাধারণত এ ধরনের ঘটনা ঘটে যখন কোনো বৃহৎ নেটওয়ার্কে অস্বাভাবিক ট্রাফিক বা সন্দেহজনক কোনো কোডিং শনাক্ত করা হয়। সাইবার অপরাধীরা বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভাণ্ডারে হানা দেওয়ার চেষ্টা করছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতেই বিশ্বের প্রযুক্তিগত অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের সিস্টেম অফলাইন করে দিয়েছে। এতে করে সাধারণ ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন, তবে নিরাপত্তার খাতিরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, বর্তমান সময়ে ডিজিটাল যুদ্ধ কোনো কাল্পনিক বিষয় নয়। কোনো রাষ্ট্র বা বড় কোনো হ্যাকার গোষ্ঠী যদি কোনো দেশের গুরুত্বপূর্ণ সার্ভার হ্যাক করতে সক্ষম হয়, তবে তা রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। সাম্প্রতিক এই পরিস্থিতির জেরে বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ও সাইবার ইউনিটগুলো বাড়তি নজরদারি শুরু করেছে। তারা সাধারণ ব্যবহারকারীদেরও অনলাইনে লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।

এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে জানা না গেলেও, ধারণা করা হচ্ছে যে কোনো বিশেষ সফটওয়্যারের দুর্বলতা (Vulnerability) কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা বড় ধরনের হামলার ছক কষেছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরেই অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের সার্ভার বা ওয়েবসাইট সুরক্ষিত করার জন্য সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। এই পরিস্থিতি কতদিন স্থায়ী হবে বা ঠিক কতগুলো ওয়েবসাইট এই সাইবার ঝুঁকির আওতায় রয়েছে, তা নিয়ে এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত তারা ঝুঁকি নিতে নারাজ।

সামগ্রিক এই পরিস্থিতি ইন্টারনেটের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিয়ে পুনরায় বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রযুক্তিগত নির্ভরতা যেখানে বাড়ছে, সেখানে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো জানিয়েছে, তারা এই হামলা বা হুমকি মোকাবিলায় তাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সিস্টেম আপডেট করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুতই ওয়েবসাইটগুলো আবার সচল হবে এবং স্বাভাবিক সেবা ফিরে আসবে। ততক্ষণ পর্যন্ত নাগরিকদেরও সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ
রাজপরিবারের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরতে আগ্রহী প্রিন্সেস ডায়ানাপুত্র হ্যারি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে, সরব বিরোধীরা সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে অচল বহু ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি: মেটাকে বিশাল অংকের জরিমানা মিউনিখে আর্সেনালের লড়াই, বায়ার্নকে আটকে পয়েন্ট ভাগাভাগি লাইপজিগের বিপক্ষে বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর মঞ্চ প্রস্তুত রিয়াল মাদ্রিদের ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের উন্নয়নে ঐক্যের ডাক প্রধানমন্ত্রীর খুলনা ও মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, বন্দর ও জ্বালানি খাতে উন্নয়নের বার্তা বাংলাদেশি পরিচয়েই সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী খুলনা ও মোংলা সফরে প্রধানমন্ত্রী: বন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশেষ গুরুত্ব
Advertisement