খুঁজুন
, ,

মিউনিখে আর্সেনালের লড়াই, বায়ার্নকে আটকে পয়েন্ট ভাগাভাগি

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
মিউনিখে আর্সেনালের লড়াই, বায়ার্নকে আটকে পয়েন্ট ভাগাভাগি

ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দুই দল বায়ার্ন মিউনিখ এবং আর্সেনালের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কোনো জয়ী দল পাওয়া গেল না। জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখের ঘরের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে দুই দলই ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল উত্তাপ এবং কৌশলের লড়াই। এই ম্যাচের আগে বায়ার্ন শিবিরে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ভিনসেন্ট কোম্পানি এবং অভিজ্ঞ গোলরক্ষক মানুয়েল ন্যয়ার দলের সঙ্গেই ছিলেন। তবে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের।

ম্যাচের শুরুর দিকে দুই দলই বেশ সতর্ক ছিল। বায়ার্ন মিউনিখ গত ম্যাচের লাল কার্ডের কারণে মাইকেল ওলিসেকে ছাড়াই একাদশ সাজিয়েছিল, যার ফলে আক্রমণে গুছিয়ে নিতে তাদের কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। খেলার শুরুতেই অবশ্য বড় এক ধাক্কা খায় আর্সেনাল। সাত মিনিটের মাথায় চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন দলের অধিনায়ক বুকায়ো সাকা। তবে তার পরিবর্তে মাঠে নামা এবেরেচি এজে দ্রুতই দলের হাল ধরেন। ম্যাচের ২৫ মিনিটের মাথায় মার্টিন ওডেগার্ডের কাছ থেকে আসা এক লম্বা পাস অসাধারণ দক্ষতায় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন এজে এবং বায়ার্নের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক মানুয়েল ন্যয়ারকে পরাস্ত করে আর্সেনালকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

পিছিয়ে পড়ার পর বায়ার্ন মিউনিখ মরিয়া হয়ে আক্রমণে ওঠে। পিছিয়ে পড়ার দশ মিনিটের মধ্যেই অবশ্য ম্যাচে সমতা ফেরাতে সক্ষম হয় স্বাগতিকরা। ৩৫ মিনিটের মাথায় মাঝমাঠ থেকে হ্যারি কেইন এক দুর্দান্ত পাস দেন আলফোনসো ডেভিয়েসের উদ্দেশ্যে। আর্সেনালের রক্ষণভাগের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ডেভিয়েস বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন এবং ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষক দাভিদ রায়াকে পরাস্ত করে স্কোরলাইন ১-১ করেন। এই গোলটি করার নেপথ্যে থাকা হ্যারি কেইনের অ্যাসিস্টটি ছিল চলতি মৌসুমে তার সপ্তম, যা ইউরোপের শীর্ষ পাঁচটি লিগের পরিসংখ্যানে তাকে বেশ এগিয়ে রেখেছে।

বিরতির পর লড়াই আরও জমে ওঠে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই দুই দলই গোল পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ৪৮ মিনিটের মাথায় আর্সেনালের ডেকলান রাইসের কর্নার থেকে ব্রুনো গিমারাইসের একটি হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন মানুয়েল ন্যয়ার, বলটি ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ঠিক তার পরের মিনিটেই বায়ার্নের উপামেকানোর একটি হেড দারুণ ক্ষিপ্রতায় আটকে দেন গোলরক্ষক দাভিদ রায়া। গোলকিপারদের নৈপুণ্যে দুই দলই তখন সমানে সমান লড়াই করছিল।

খেলার ৬১ মিনিটের মাথায় আর্সেনালের ডিফেন্ডার ইয়ুরিয়েন টিম্বার নিজেদের বক্সে বল ব্লক করতে গিয়ে হাত লাগিয়ে বসেন। রেফারি ভিএআর যাচাইয়ের পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে বায়ার্ন মিউনিখকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন। গোলরক্ষক দাভিদ রায়ার বিপরীত দিকে শট নিয়ে বল জালে জড়ান ইংলিশ এই স্ট্রাইকার। তবে বায়ার্নের এগিয়ে থাকার আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ম্যাচে ফেরার লড়াইয়ে থাকা আর্সেনাল শেষ পর্যন্ত সমতাসূচক গোলটি আদায় করে নেয় ৮২ মিনিটের মাথায়। ভিক্টর ইয়োকেরেসের সঙ্গে আক্রমণ সাজিয়ে বল ডেকলান রাইসের কাছে পাঠান ননি মাদুয়েক। বক্সের ডান দিক থেকে নেওয়া রাইসের শট বায়ার্নের জালে জড়ালে সমতায় ফেরে আর্সেনাল। নির্ধারিত সময়ের বাকি অংশে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-২ সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দুই পরাশক্তিকে।

রাজপরিবারের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরতে আগ্রহী প্রিন্সেস ডায়ানাপুত্র হ্যারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
রাজপরিবারের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরতে আগ্রহী প্রিন্সেস ডায়ানাপুত্র হ্যারি

ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে প্রিন্স হ্যারির সম্পর্কের সমীকরণ দীর্ঘ সময় ধরেই বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানো এবং এর পরবর্তী নানা ঘটনার জেরে রাজপ্রাসাদের অন্দরমহল থেকে বেশ কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে হ্যারির। তবে সাম্প্রতিক নানা গুঞ্জন ও পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এখন শোনা যাচ্ছে যে, হ্যারি তার পারিবারিক সম্পর্কের সেই তিক্ততা মুছে আবারও স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরতে চাইছেন। দীর্ঘদিনের এই দূরত্ব কমিয়ে রাজপরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পুনরায় সুসম্পর্ক স্থাপনের একটি জোরালো আকাঙ্ক্ষা তার পক্ষ থেকে প্রকাশ পেয়েছে।

প্রিন্স হ্যারির এই মানসিক পরিবর্তনের পেছনে তার জীবনের বড় একটি ট্র্যাজেডি বা ঘটনার প্রভাব রয়েছে বলে মনে করা হয়। মাত্র ১২ বছর বয়সে যখন হ্যারি তার মা প্রিন্সেস ডায়ানাকে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় হারান, তখন থেকেই তার জীবনের মোড় অনেকটা ঘুরে গিয়েছিল। জীবনের সেই কঠিন সময়ে মায়ের অকাল প্রস্থান তার ওপর কতটা গভীর প্রভাব ফেলেছিল, তা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আলাপচারিতায় উঠে এসেছে। বিশেষ করে কোনো সংবাদমাধ্যম বা সাক্ষাৎকারের আলাপচারিতায় নিজের শৈশব, মায়ের স্মৃতি এবং সেই সময়ের মানসিক অবস্থার কথা বলতে গিয়ে তিনি বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। রাজপরিবারের কঠোর নিয়মকানুন এবং মিডিয়ার নিরন্তর নজরদারি কীভাবে তার মায়ের জীবনের ওপর প্রভাব ফেলেছিল, তা নিয়ে হ্যারির মনে এক ধরনের চাপা ক্ষোভ ও বেদনার মিশ্র অনুভূতি কাজ করে আসছিল দীর্ঘদিন।

অনেকের মতে, মায়ের মৃত্যুর সেই বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা হ্যারিকে এক ধরনের আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে ঠেলে দিয়েছিল। রাজকীয় জীবনধারা এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নানা প্রথার প্রতি তিনি এক সময় বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে রাজপরিবার থেকে বেরিয়ে আসার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে তিনি দ্বিধাবোধ করেননি। তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা হয়তো হ্যারির প্রত্যাশা মতো ছিল না। পরিবারের আপনজনদের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা এবং নিয়মিত সমালোচনার মুখে পড়ার বিষয়টি দীর্ঘমেয়াদে তার সম্পর্কের সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চিন্তাভাবনা এবং অগ্রাধিকার বদলে যায়। প্রিন্স হ্যারিও হয়তো বর্তমানে তার জীবনের এক ভিন্ন ধাপে দাঁড়িয়ে আছেন। পরিবারের যে সদস্যদের সঙ্গে তার মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল, তাদের সঙ্গে আবার নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ দেখছেন তিনি। এই উদ্যোগটি কেবল ব্যক্তিগত শান্তি বা পারিবারিক নিরাপত্তার জন্যই নয়, বরং রাজপরিবারের ঐতিহ্য ও মর্যাদার প্রেক্ষাপটেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। রাজপরিবারের সদস্যরাও হ্যারির এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গিকে কীভাবে গ্রহণ করবেন, তা নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই। তবে সম্পর্কের বরফ গলানোর প্রক্রিয়া যে সহজ হবে না, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

প্রিন্স হ্যারির এই আকস্মিক ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে রাজপরিবার অনুরাগী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ কৌতূহল বিরাজ করছে। অনেকে মনে করছেন, এটি রাজকীয় পরিবারের ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লাগানোর প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভ ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটানো খুব একটা সহজসাধ্য হবে না। যদিও শেষ পর্যন্ত সম্পর্কের সমীকরণ কোন পথে এগোবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে এটি নিশ্চিত যে, প্রিন্স হ্যারি এখন অতীতের তিক্ততাকে পেছনে ফেলে ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে চাইছেন এবং রাজপরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক নতুন করে সাজানোর একটি সুযোগ খুঁজছেন। সব মিলিয়ে ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাম্প্রতিকতম এই নতুন মোড় বিশ্ব রাজনীতির পাশাপাশি বিনোদন জগতেও আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে।

এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে, সরব বিরোধীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে, সরব বিরোধীরা

জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে ভারতের মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর দেশটির বিরোধী রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রকাশিত অন্তত দুটি ছবিতে দুজনকে একটি টেবিলে মুখোমুখি বসে থাকতে দেখা যায়। ছবিগুলো প্রকাশের পর বিরোধীরা বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন।

ছবিতে পুরিকে স্যুট পরা অবস্থায় এবং এপস্টিনকে কালো সোয়েটার পরা অবস্থায় দেখা গেছে। তাঁরা একই টেবিলের দুই পাশে বসে আছেন। তবে প্রকাশিত ছবির সঙ্গে বৈঠকের তারিখ, স্থান, উদ্দেশ্য কিংবা সেখানে আর কারা উপস্থিত ছিলেন—এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ছবিগুলো সামনে আসার পর বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া তৈরি হলেও তাঁদের বক্তব্যের বিস্তারিত, নির্দিষ্ট প্রশ্ন বা দাবির তথ্য এখানে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। একইভাবে, পুরি বা তাঁর দপ্তরের পক্ষ থেকে ছবিগুলো নিয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও যাচাই করা তথ্য নেই। ফলে ছবিতে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা গেলেও, তাঁদের সাক্ষাতের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

ছবি প্রকাশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে ছবিতে একসঙ্গে উপস্থিতি নিজে থেকেই বৈঠকের কারণ বা আলোচনার বিষয় প্রমাণ করে না। এ বিষয়ে আরও তথ্য প্রকাশিত হলে সাক্ষাতের সময়, স্থান ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে অচল বহু ওয়েবসাইট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে অচল বহু ওয়েবসাইট

সাইবার নিরাপত্তার বড় ধরনের ঝুঁকি ও সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে নড়েচড়ে বসেছে বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের জেরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বহু ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। সাইবার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কোনো বড় ধরনের ডিজিটাল আক্রমণ বা তথ্যের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি এড়াতেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের বড় একটি অংশ বর্তমানে এমন এক সতর্ক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে সরকারি দপ্তরের সাইট থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোও নাগালের বাইরে চলে গেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রক্ষণাবেক্ষণ বা নিরাপত্তার অজুহাতে সাইটগুলো বন্ধ রাখা হলেও, এর পেছনে সাইবার হামলার আশঙ্কাই প্রধান কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, হ্যাকারদের কোনো বড় গোষ্ঠী বা রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সাইবার আক্রমণের সম্ভাবনা থেকেই প্রতিষ্ঠানগুলো এই সতর্কতামূলক অবস্থানে রয়েছে।

সাধারণত এ ধরনের ঘটনা ঘটে যখন কোনো বৃহৎ নেটওয়ার্কে অস্বাভাবিক ট্রাফিক বা সন্দেহজনক কোনো কোডিং শনাক্ত করা হয়। সাইবার অপরাধীরা বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভাণ্ডারে হানা দেওয়ার চেষ্টা করছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতেই বিশ্বের প্রযুক্তিগত অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের সিস্টেম অফলাইন করে দিয়েছে। এতে করে সাধারণ ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন, তবে নিরাপত্তার খাতিরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, বর্তমান সময়ে ডিজিটাল যুদ্ধ কোনো কাল্পনিক বিষয় নয়। কোনো রাষ্ট্র বা বড় কোনো হ্যাকার গোষ্ঠী যদি কোনো দেশের গুরুত্বপূর্ণ সার্ভার হ্যাক করতে সক্ষম হয়, তবে তা রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। সাম্প্রতিক এই পরিস্থিতির জেরে বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ও সাইবার ইউনিটগুলো বাড়তি নজরদারি শুরু করেছে। তারা সাধারণ ব্যবহারকারীদেরও অনলাইনে লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।

এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে জানা না গেলেও, ধারণা করা হচ্ছে যে কোনো বিশেষ সফটওয়্যারের দুর্বলতা (Vulnerability) কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা বড় ধরনের হামলার ছক কষেছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরেই অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের সার্ভার বা ওয়েবসাইট সুরক্ষিত করার জন্য সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। এই পরিস্থিতি কতদিন স্থায়ী হবে বা ঠিক কতগুলো ওয়েবসাইট এই সাইবার ঝুঁকির আওতায় রয়েছে, তা নিয়ে এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত তারা ঝুঁকি নিতে নারাজ।

সামগ্রিক এই পরিস্থিতি ইন্টারনেটের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিয়ে পুনরায় বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রযুক্তিগত নির্ভরতা যেখানে বাড়ছে, সেখানে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো জানিয়েছে, তারা এই হামলা বা হুমকি মোকাবিলায় তাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সিস্টেম আপডেট করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুতই ওয়েবসাইটগুলো আবার সচল হবে এবং স্বাভাবিক সেবা ফিরে আসবে। ততক্ষণ পর্যন্ত নাগরিকদেরও সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ
রাজপরিবারের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরতে আগ্রহী প্রিন্সেস ডায়ানাপুত্র হ্যারি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে, সরব বিরোধীরা সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে অচল বহু ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি: মেটাকে বিশাল অংকের জরিমানা মিউনিখে আর্সেনালের লড়াই, বায়ার্নকে আটকে পয়েন্ট ভাগাভাগি লাইপজিগের বিপক্ষে বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর মঞ্চ প্রস্তুত রিয়াল মাদ্রিদের ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের উন্নয়নে ঐক্যের ডাক প্রধানমন্ত্রীর খুলনা ও মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, বন্দর ও জ্বালানি খাতে উন্নয়নের বার্তা বাংলাদেশি পরিচয়েই সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী খুলনা ও মোংলা সফরে প্রধানমন্ত্রী: বন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশেষ গুরুত্ব
Advertisement