খুঁজুন
, ,

নিরাপত্তাহীনতায় স্থবির জনজীবন: সন্ধ্যা নামলেই পথচারীশূন্য সড়ক

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
নিরাপত্তাহীনতায় স্থবির জনজীবন: সন্ধ্যা নামলেই পথচারীশূন্য সড়ক

দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় নিরাপত্তা একটি মৌলিক চাহিদা হলেও, সাম্প্রতিক সময়ে একটি নির্দিষ্ট সড়কের চিত্র অত্যন্ত হতাশাজনক। এই সড়কে দিনের বেলাতেও পথচারী ও যাত্রীসাধারণ স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারছেন না। নিরাপত্তা নিয়ে যে শঙ্কা, তা এতটাই তীব্র যে সন্ধ্যা নামলেই পুরো সড়কটি জনশূন্য হয়ে পড়ে। আতঙ্কের কারণে যানবাহন চালকরা এই রুটটি এড়িয়ে চলেন, ফলে সন্ধ্যা বা রাতের বেলায় সড়ক যোগাযোগ বলতে গেলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের অভাবে মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। দিনের বেলাতেও ছিনতাই বা উত্ত্যক্ত করার মতো ঘটনার ভয়ে সাধারণ মানুষ একা ওই পথ দিয়ে যেতে সাহস পান না। ব্যবসায়িক কার্যক্রম বা নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কর্মজীবী মানুষ। সড়কটিতে নিয়মিত টহল বা নজরদারি না থাকায় অসাধু চক্রের সদস্যরা অনেকটা নিশ্চিন্তেই তাদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে সড়কের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। দিনের কর্মচঞ্চল সড়কটি রাত বাড়ার সাথে সাথে ভুতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি করে। পরিবহন শ্রমিকদের ভাষ্যমতে, সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত নামলে কোনো চালকই ঝুঁকি নিতে চান না। যাত্রী পাওয়া গেলেও নিরাপত্তার কথা ভেবে অনেকেই ওই রুটে গাড়ি নিতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে সন্ধ্যার পর থেকে ওই এলাকাটি একপ্রকার বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো হয়ে পড়ে। জরুরি প্রয়োজনেও কেউ ওই সড়কটি ব্যবহার করতে পারেন না। এ অবস্থায় রোগী পরিবহন বা জরুরি সেবামূলক কাজও থমকে যায়।

সড়কের এই শোচনীয় অবস্থার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় অর্থনীতির ওপর। দোকানপাট বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যার আগেই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ক্রেতাদের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় বাণিজ্যে বড় ধরনের ধস নেমেছে। কর্মসংস্থানের আশায় যেসব দোকানপাট গড়ে উঠেছিল, নিরাপত্তার অভাবে সেগুলো এখন বিলুপ্তির পথে। এলাকাবাসী একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও স্থায়ী কোনো সমাধান আজও মিলছে না। মাঝে মাঝে কিছু বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ দেখা গেলেও, দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তায় ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।

নিরাপত্তাহীনতার এই সংকট কেবল একটি সড়কের সমস্যা নয়, এটি স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার অধিকারের ওপরও আঘাত। সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকা এবং নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহলের অভাবই এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে স্থানীয়দের অভিমত। তারা দাবি জানিয়েছেন, অবিলম্বে সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি সড়ক আলোকায়নের মাধ্যমে ভীতি দূর করার দাবিও জোরালো হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি জনপদ সচল রাখতে হলে সড়কপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। সন্ধ্যা নামলেই যদি কোনো সড়ক যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, তবে তা সামগ্রিক এলাকার উন্নয়ন ও জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। বিষয়টি নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ না নিলে অদূর ভবিষ্যতে বড় কোনো দুর্ঘটনা বা অপরাধের ঘটনা ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। প্রশাসনের যথাযথ ও কার্যকর হস্তক্ষেপই পারে এই সড়ককে আবার প্রাণবন্ত ও চলাচল উপযোগী করে তুলতে। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টিকে কতটা গুরুত্বের সাথে দেখছে, এখন সেটাই দেখার বিষয়। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ভয় নয়, বরং ভরসার একটি সড়ক হিসেবে দ্রুতই এই পথটি আবার চালু হবে।

ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা ১৮ সোনার বারসহ গ্রেপ্তার এক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
   
ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা ১৮ সোনার বারসহ গ্রেপ্তার এক

ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে যশোরের শার্শা থেকে আনা ১৮টি সোনার বারসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সোনার বারগুলো ভারতে পাচারের পরিকল্পনা ছিল। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির পরিচয়, তাঁকে কোথা থেকে আটক করা হয়েছে এবং সোনার বারগুলোর ওজন বা আনুমানিক মূল্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিষয়ে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়েছে, সোনার বারগুলো শার্শা থেকে আনা হয়েছিল। কিন্তু সেগুলো কীভাবে আনা হয়, কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কিংবা পাচারের সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না—এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য উল্লেখ নেই। তাই ঘটনার পথ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা বা পাচারের পরিকল্পনার পরিধি নিয়ে এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

পুলিশের হাতে ১৮টি বারসহ একজনের গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া গেলেও জব্দ করা সোনার মোট ওজন, বারগুলোর বৈশিষ্ট্য এবং সেগুলোর উৎস যাচাইয়ের বিষয়ে কোনো বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হয়নি। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তাঁকে আদালতে তোলা হয়েছে কি না, কিংবা কোনো মামলা হয়েছে কি না—এ তথ্যও নিশ্চিত নয়।

সোনার বারগুলো ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল—প্রাথমিক তথ্যের মূল বিষয় এটি। তবে পাচারের সম্ভাব্য গন্তব্য, সীমান্ত পার করার পরিকল্পিত সময় বা ব্যবহৃত পথ সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত বিবরণ নেই। এসব তথ্য ছাড়া ঘটনাটির সঙ্গে বৃহত্তর কোনো চক্রের সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা অনুমান করা সমীচীন হবে না।

ঘটনার পূর্ণ বিবরণ পেতে গ্রেপ্তারের স্থান, জব্দ করা সোনার পরিমাণ ও মূল্য, অভিযুক্তের পরিচয় এবং পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি জানা প্রয়োজন। বর্তমানে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, পুলিশ ১৮টি সোনার বারসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বারগুলো শার্শা থেকে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। এর বাইরে কোনো তথ্য নিশ্চিত না হওয়ায় প্রতিবেদনে তা যোগ করা হয়নি।

শাহজালাল বিমানবন্দরে তিন যাত্রীর লাগেজ চুরির অভিযোগে জসিম গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
   
শাহজালাল বিমানবন্দরে তিন যাত্রীর লাগেজ চুরির অভিযোগে জসিম গ্রেফতার

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীবেশে তিন যাত্রীর লাগেজ চুরির অভিযোগে জসিম নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। তাঁকে কচুয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। তবে কচুয়া কোন জেলার, তা স্পষ্ট করা হয়নি।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুযায়ী, বিমানবন্দরে যাত্রী সেজে থাকা অবস্থায় তিনজনের লাগেজ চুরির অভিযোগ রয়েছে জসিমের বিরুদ্ধে। এপিবিএন তাঁকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগে তিনজন যাত্রীর লাগেজের কথা বলা হলেও তাঁদের পরিচয়, যাত্রার বিবরণ কিংবা লাগেজগুলো কখন হারায়—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

চুরির অভিযোগটি বিমানবন্দরের মতো ব্যস্ত যাত্রী চলাচলের স্থানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তবে ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নির্দিষ্ট সময়, কোন স্থানে লাগেজগুলো রাখা ছিল, কিংবা চুরির পদ্ধতি সম্পর্কে প্রকাশিত তথ্যে কিছু বলা হয়নি। ফলে এসব বিষয়ে নিশ্চিত কোনো বিবরণ দেওয়া যাচ্ছে না। যাত্রীবেশে থাকার বিষয়টি অভিযোগের অংশ; এর বাইরে অভিযুক্ত কীভাবে যাত্রীদের লাগেজের কাছে গিয়েছিলেন, সে তথ্যও জানা যায়নি।

এপিবিএনের হাতে গ্রেফতারের তথ্য পাওয়া গেলেও অভিযুক্তকে ঠিক কবে আটক করা হয়েছে, কচুয়ায় কীভাবে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা হয় এবং গ্রেফতারের সময় তাঁর কাছ থেকে কোনো লাগেজ বা অন্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর প্রকাশিত বিবরণে নেই। তাই উদ্ধার, শনাক্তকরণ বা জব্দের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

একইভাবে, তিন যাত্রীর লাগেজে কী ধরনের জিনিস ছিল, সেগুলোর আনুমানিক মূল্য কত এবং যাত্রীরা কীভাবে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন—এ বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি। ঘটনার দিন-তারিখ বা বিমানবন্দরের কোন অংশে চুরির অভিযোগ উঠেছে, তাও স্পষ্ট নয়। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, অভিযোগটি তিন যাত্রীর লাগেজ চুরিকে ঘিরে এবং এ ঘটনায় জসিম নামের এক ব্যক্তিকে এপিবিএন গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতার হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। মামলার পরবর্তী অগ্রগতি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, কিংবা তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছে কি না—এসব তথ্যও পাওয়া যায়নি। তাই জসিমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা প্রয়োজন; বিচারিক প্রক্রিয়া বা তদন্তের ফল সম্পর্কে আগাম কোনো বক্তব্য দেওয়ার অবকাশ নেই।

বিমানবন্দরে লাগেজ হারানো যাত্রীর জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে, বিশেষ করে যখন যাত্রার সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত সামগ্রী থাকে। তবে এই নির্দিষ্ট ঘটনায় যাত্রীদের কী অসুবিধা হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে কি না, কিংবা তাঁদের লাগেজ ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে কি না—কোনোটিই নিশ্চিত নয়। তাঁদের ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কেও তথ্য নেই।

ঘটনাটির পূর্ণ চিত্র পেতে চুরির অভিযোগের সময় ও স্থান, যাত্রীদের বক্তব্য, লাগেজের অবস্থা এবং গ্রেফতারের পর পুলিশের পদক্ষেপ সম্পর্কে আরও তথ্য প্রয়োজন। এসব বিবরণ ছাড়া ঘটনার ধারাবাহিকতা বা অভিযুক্তের ভূমিকা নিয়ে বাড়তি দাবি করা ঠিক হবে না। আপাতত জানা তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়, শাহজালাল বিমানবন্দরে তিন যাত্রীর লাগেজ চুরির অভিযোগে জসিমকে গ্রেফতার করেছে এপিবিএন এবং তাঁকে কচুয়া থেকে আটক করা হয়েছে।

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের আঁতাতের অভিযোগ উদ্বেগজনক: গাজী আতাউর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
   
পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের আঁতাতের অভিযোগ উদ্বেগজনক: গাজী আতাউর রহমান

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের মধ্যে আঁতাতের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী যে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন, তা জনমনে উদ্বেগ তৈরির জন্য যথেষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। বুধবার দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। এর আগের দিন রাজশাহীতে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে তথ্য তুলে ধরেছেন বলে গাজী আতাউর রহমানের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

গাজী আতাউর রহমানের মন্তব্যের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগের গুরুত্ব এবং তা ঘিরে তৈরি হতে পারে এমন উদ্বেগ। তবে তাঁর বক্তব্যের সংক্ষিপ্ত বিবরণে অভিযোগের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী তথ্য দিয়েছেন, কারা কথিত আঁতাতে জড়িত কিংবা বিষয়টি কোন সময়ের—এসব বিস্তারিত উল্লেখ নেই। ফলে অভিযোগের নির্দিষ্ট দিকগুলো সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যটি রাজশাহীর জনসভায় দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। জনসভায় তিনি পতিত স্বৈরাচার ও একটি বিরোধী দলের মধ্যে আঁতাতের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরেছেন—গাজী আতাউর রহমানের বক্তব্যে এমনটাই বলা হয়েছে। তবে জনসভার বক্তব্যের পূর্ণ বিবরণ, অভিযোগের পটভূমি কিংবা সেখানে উত্থাপিত তথ্যের প্রকৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত পাওয়া যায়নি। এ কারণে অভিযোগের বিষয়বস্তু নিয়ে এর বাইরে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

রাজনৈতিক বক্তব্যে কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে আঁতাতের অভিযোগ উঠলে সেটির নির্দিষ্টতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারা সংশ্লিষ্ট, কী ধরনের যোগাযোগ বা সমঝোতার কথা বলা হচ্ছে এবং দাবির ভিত্তি কী—এসব প্রশ্নের উত্তর থাকলে অভিযোগটি বোঝা সহজ হয়। কিন্তু এখানে পাওয়া তথ্যের মধ্যে এসব প্রশ্নের উত্তর নেই। তাই গাজী আতাউর রহমানের প্রতিক্রিয়ার বাইরে অভিযোগের ব্যাখ্যা বা সত্যতা নিয়ে নিশ্চিত বক্তব্য দেওয়া সমীচীন নয়।

গাজী আতাউর রহমান অভিযোগটিকে উদ্বেগজনক বলেছেন; তবে তাঁর বক্তব্যে এর পরবর্তী করণীয়, কোনো তদন্তের দাবি কিংবা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বিষয়ে অতিরিক্ত বক্তব্যের উল্লেখ নেই। একইভাবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার বক্তব্যের বিস্তারিতও এখানে নেই। ফলে তাঁর প্রতিক্রিয়াকে অভিযোগের বিষয়ে একটি রাজনৈতিক মন্তব্য হিসেবেই দেখা যাচ্ছে; এটি অভিযোগের পক্ষে নতুন কোনো প্রমাণ বা আলাদা তথ্য প্রকাশ করে না।

আঁতাতের অভিযোগের সঙ্গে বিরোধী দলের প্রসঙ্গ যুক্ত থাকায় বক্তব্যটি রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তবে কোন বিরোধী দলের কথা বলা হয়েছে, সেই পরিচয়ও গাজী আতাউর রহমানের বক্তব্যের সংক্ষিপ্ত বিবরণে নির্দিষ্ট করা হয়নি। একইভাবে ‘পতিত স্বৈরাচার’ বলতে কাকে বা কোন পক্ষকে বোঝানো হয়েছে, তা নিয়েও বিস্তারিত নেই। এসব পরিচয় অনুমান করে যুক্ত করলে ঘটনার তথ্যগত সীমা অতিক্রম করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষ বা বিরোধী দলের কোনো প্রতিক্রিয়ার তথ্যও পাওয়া যায়নি। তাই তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছে, ব্যাখ্যা দিয়েছে কিংবা কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে—এমন কিছু বলা যাচ্ছে না। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই হয়েছে কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত তথ্য নেই। বর্তমান তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর জনসভায় এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়ার কথা বলেছেন এবং গাজী আতাউর রহমান সেই অভিযোগকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন।

এ ধরনের রাজনৈতিক অভিযোগ নিয়ে আলোচনায় বক্তব্যের নির্দিষ্টতা ও প্রমাণের বিষয়টি আলাদা করে দেখা জরুরি। একদিকে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, অন্যদিকে রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিবের প্রতিক্রিয়া। কিন্তু অভিযোগের পূর্ণ বিবরণ, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং দাবির ভিত্তি সম্পর্কে তথ্য ছাড়া বিষয়টির বিস্তৃত মূল্যায়ন সম্ভব নয়। আপাতত গাজী আতাউর রহমানের মন্তব্যে জনমনে উদ্বেগের কথা উঠে এসেছে; অভিযোগের অন্যান্য দিক সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

সর্বশেষ
ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা ১৮ সোনার বারসহ গ্রেপ্তার এক শাহজালাল বিমানবন্দরে তিন যাত্রীর লাগেজ চুরির অভিযোগে জসিম গ্রেফতার পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের আঁতাতের অভিযোগ উদ্বেগজনক: গাজী আতাউর রহমান চাঁদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, মামলা ও গ্রেফতার হেড অব এডিসি পদে নিয়োগ দেবে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন মা ও মেয়ে, আহত ৪ বিয়ের ছয় দিনের মাথায় নববধূর মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি গ্রেপ্তার আসামে উচ্ছেদ অভিযান ও ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ ঘিরে উত্তাপ নিরাপত্তাহীনতায় স্থবির জনজীবন: সন্ধ্যা নামলেই পথচারীশূন্য সড়ক বলিউডে অভিষেকের আগেই আলোচনায় ইশা মালভিয়া
Advertisement