খুঁজুন
, ,

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রাখলেন চেম্বার আদালত

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রাখলেন চেম্বার আদালত

সাবেক সংসদ সদস্য এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রভাবশালী নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের কারামুক্তির পথ সুগম হলো। উচ্চ আদালতের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনটি আজ খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে হাইকোর্ট থেকে প্রাপ্ত তার জামিন বহাল থাকছে এবং তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না বলে আইনজ্ঞরা মত দিয়েছেন।

সোমবার সকালে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালতে এই জামিন সংক্রান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনেন। এরপর আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কোনো আদেশ প্রদান না করার অর্থ হলো, হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের আদেশটি বহাল রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিন স্থগিতের আবেদন করলেও আদালত তাতে সাড়া দেননি। স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়ায়, এখন প্রয়োজনীয় নথিপত্র যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর তার কারামুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এর আগে, গত রবিবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে জামিন প্রদানের আদেশ দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করে। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি ছিল, অপরাধের ধরণ ও মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় তাকে জামিন দেওয়া সমীচীন হয়নি। তবে আজ চেম্বার আদালত রাষ্ট্রপক্ষের সেই আবেদন নাকচ করে দেওয়ায় উচ্চ আদালতের জামিন আদেশই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কারাভোগ করছিলেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। তার বিরুদ্ধে আনা মামলাগুলোর বিচার প্রক্রিয়া এখনো চলমান থাকলেও, বর্তমান জামিন আদেশটি তার জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। তার আইনজীবী প্যানেল আশা করছেন, উচ্চ আদালতের এই আদেশের কপি কারাগারে পৌঁছানোর পরপরই প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি মুক্তি পাবেন।

আইনজীবীদের মতে, চেম্বার আদালতে জামিন বহাল থাকার এই ঘটনাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মামলার মেরিট এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করেই উচ্চ আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, তার মুক্তির পরবর্তী আইনি পদক্ষেপগুলো রাষ্ট্রপক্ষ কীভাবে গ্রহণ করে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জামিনের কোনো ধরনের আইনি জটিলতা আপাতত আর নেই বলেই নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালানের মামলায় মিনহাজের পাঁচ দিনের রিমান্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
   
বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালানের মামলায় মিনহাজের পাঁচ দিনের রিমান্ড

রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিনব কৌশলে স্বর্ণ পাচারের অভিযোগে আটক মোহাম্মাদ মিনহাজ নামের এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালতে শুনানি শেষে এই আদেশ দেওয়া হয়। মামলার নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ধৃত মিনহাজ গত কয়েকদিন আগে বিমানবন্দর দিয়ে ভ্রমণের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে পড়েন। তল্লাশির এক পর্যায়ে তার পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ডিম্বাকৃতির স্বর্ণের পেস্ট জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা এই স্বর্ণের ওজন প্রায় ১ কেজি ৬৬২ গ্রাম বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। অবৈধভাবে দেশে স্বর্ণ প্রবেশের চেষ্টার ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তদন্তকারী সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক মো. হাবিবুল হাসিব আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছিলেন। আদালতে উপস্থাপন করা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আটক ব্যক্তি এই চোরাচালানের সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য কি না, বা কারা এর নেপথ্যে কাজ করছে, তা উদ্ঘাটন করা জরুরি। এ ছাড়াও উদ্ধার করা স্বর্ণ কার কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল, তা নিশ্চিত হতে মিনহাজকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। শুনানি শেষে বিচারক আবেদন পর্যালোচনা করে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আসামি মিনহাজ স্বর্ণ পাচারের বিষয়টি গোপনীয় রাখার জন্য শরীরের অত্যন্ত সংবেদনশীল অংশে ডিমের মতো আকৃতি দিয়ে বিশেষ মণ্ড তৈরি করে লুকিয়ে রেখেছিলেন। এয়ারপোর্টের স্ক্যানিং ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি চালানো হলে বিষয়টি ধরা পড়ে। পরবর্তীতে জব্দ করা স্বর্ণের মণ্ড থেকে বিশদ প্রক্রিয়া চালিয়ে মূল স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় বিমানবন্দর এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিনহাজ নিজের অপরাধের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য দিয়েছে, তবে সেসব তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং এই চক্রের মূল হোতাদের খুঁজে বের করার লক্ষ্যে রিমান্ডে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে থেকেই বিমানবন্দর দিয়ে স্বর্ণ চোরাচালান বন্ধে শুল্ক গোয়েন্দা ও বিমানবন্দর পুলিশ তৎপর রয়েছে। এই ঘটনার পর পাচারকারী চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আদালতে হাজির করার পর মিনহাজকে এখন পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই ঘটনায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রিমান্ড চলাকালীন প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয় ঠেকাতে ভেটো ক্ষমতার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
   
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয় ঠেকাতে ভেটো ক্ষমতার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতার ভারসাম্যের লড়াই এখন তুঙ্গে। নির্বাচনী প্রচারণার শেষ পর্যায়ে এসে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। বিশেষ করে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় দলই মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা জয়ী হয়ে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হলে তিনি কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন। ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, যদি ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের কোনো কক্ষ বা উভয় কক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, তবে তাদের উত্থাপিত যেকোনো বিল আটকে দিতে তিনি তার সাংবিধানিক ভেটো ক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগাবেন। তিনি নিজেকে মিস্টার ভেটো হিসেবে অভিহিত করে জানিয়েছেন, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এজেন্ডা বাস্তবায়নের পথে তিনি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে প্রস্তুত আছেন।

নির্বাচনী বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্য মার্কিন রাজনীতির মেরুকরণকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। সাধারণত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের জনপ্রিয়তা ও কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ বড় হয়ে দাঁড়ায়। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। ট্রাম্পের এই হুশিয়ারি মূলত তার নিজের সমর্থকদের চাঙ্গা করার একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন অনেকে। ডেমোক্র্যাটরা যদি আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় আধিপত্য বিস্তার করতে পারে, তবে হোয়াইট হাউসের সাথে কংগ্রেসের দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হতে পারে। সে কারণেই ট্রাম্প আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে রাখলেন যে, তিনি কোনো অবস্থাতেই ডেমোক্র্যাটদের নিরঙ্কুশ দাপট মেনে নেবেন না।

এদিকে, শুধু কেন্দ্রীয় রাজনীতিই নয়, স্থানীয় পর্যায়েও রিপাবলিকানদের আধিপত্য বজায় রাখা বা ভাঙার লড়াই বেশ জোরেশোরে চলছে। বিশেষ করে টেক্সাসের মতো রাজ্যগুলোতে রিপাবলিকানদের দীর্ঘদিনের একচ্ছত্র আধিপত্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। সেখানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা উঠেপড়ে লেগেছেন পুরনো দুর্গগুলো ভেঙে নতুন করে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে। টেক্সাসের নির্বাচনী রাজনীতিতে ৩৭ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী টালারিকোর মতো তরুণ নেতৃত্বের উত্থান বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই লড়াই কেবল স্থানীয় নয়, বরং জাতীয় রাজনীতির গতিপ্রকৃতি নির্ধারণেও ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, দুই দলের প্রার্থীদের কথার লড়াই ততই তীব্র হচ্ছে। ডেমোক্র্যাটরা প্রচার চালাচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা, অর্থনীতি এবং সামাজিক নিরাপত্তার মতো ইস্যুগুলোতে। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা মূলত অভিবাসন নীতি, অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং ট্রাম্পের গৃহীত প্রকল্পগুলোর ওপর ভিত্তি করে ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভেটো দেওয়ার ঘোষণা একদিকে যেমন তার দলের কর্মীদের আশ্বস্ত করছে, অন্যদিকে বিরোধী পক্ষ এটিকে ক্ষমতার অপব্যবহারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে। তবে নির্বাচনী ফলাফল শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলা কঠিন। ভোটারদের রায়ই নির্ধারিত করবে আগামী দিনে আমেরিকার রাজনীতি কোন পথে হাঁটবে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা কতটা কার্যকর হবে। সমগ্র বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে মার্কিন নির্বাচনের ফলাফলের দিকে।

এক মাসের ব্যবধানে ফের বাড়ল এলপিজির দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
   
এক মাসের ব্যবধানে ফের বাড়ল এলপিজির দাম

দেশের বাজারে আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম। এক মাসের ব্যবধান না পেরোতেই ফের জ্বালানি পণ্যটির বাড়তি দরে চাপে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক ঘোষিত নতুন এই মূল্যতালিকা আজ সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে। রেগুলেটরি বডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এবার ২২৩ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগে এই সিলিন্ডারের মূল্য ছিল ১ হাজার ৮৩৭ টাকা, যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬০ টাকায়। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কেবল ১২ কেজির সিলিন্ডারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং অটোগ্যাসের দামের ওপরও পড়েছে।

বাজারে গ্যাসের সংকটের দোহাই দিয়ে জ্বালানি পণ্যের লাগামহীন দাম বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের বাজারে গ্যাসের এই মূল্যবৃদ্ধিকে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর বাড়তি চাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মাসিক খরচের হিসাব উলটপালট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের অস্থিরতাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে দেশের বাজারে এলপিজির দাম বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলছে।

বিইআরসির ঘোষণা অনুযায়ী, অটোগ্যাসের দামেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা। এর আগে অটোগ্যাসের দাম ছিল ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা। এভাবে ক্রমাগত দাম বাড়ার ফলে পরিবহন খাতের ওপরও পরোক্ষ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ অটোগ্যাসের দাম বাড়লে পরিবহনের খরচ বেড়ে যেতে পারে, যার শেষ পরিণতি গিয়ে পড়বে যাত্রীসাধারণের ওপর। গণপরিবহনের ভাড়ায় এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

দেশজুড়ে বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে এলপিজি গ্যাস নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি কাজ করছে। মাঝেমধ্যেই সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ পাওয়া যায়, যার ফলে নির্ধারিত দামের চেয়েও অনেক সময় বেশি দামে গ্যাস কিনতে হয় সাধারণ ভোক্তাদের। এবার সরাসরি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক দাম বাড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টি ভোক্তাদের জন্য বাড়তি বিপত্তি নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলপিজি খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় বিইআরসির তদারকি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

এদিকে জ্বালানি গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে প্রতি মাসেই নতুন নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ করছে। অথচ বিশ্ববাজারে দাম কমলে তার প্রতিফলন দেশীয় বাজারে সবসময় সমানুপাতিক হারে দেখা যায় না। বর্তমান সময়ে এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কষ্টকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। বিইআরসির এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর থেকেই বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সাধারণ ভোক্তারা এখন সরকারের কাছে এই জ্বালানি পণ্যটির দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছেন। তবে জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাজারের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। সবমিলিয়ে গ্যাসের এই নতুন দাম এখন আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

সর্বশেষ
বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালানের মামলায় মিনহাজের পাঁচ দিনের রিমান্ড মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয় ঠেকাতে ভেটো ক্ষমতার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের এক মাসের ব্যবধানে ফের বাড়ল এলপিজির দাম সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক শুরু কুমিল্লায় আবাসিক মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার শিক্ষক ওমর আবদুল্লাহর বিয়ে নিয়ে ধর্মীয় বিতর্ক: অবৈধ দাবির নেপথ্যে কী? মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রাখলেন চেম্বার আদালত আইটি পেশার পাশাপাশি খাবারের ব্যবসায় সফল দুই তরুণ, মাসে আয় ৬ লাখ রুপি সংসদ ভবনে শপথ নেবেন নতুন দুই সংসদ সদস্য রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে রঙিন মাছের মেলায় উপচে পড়া ভিড়
Advertisement