খুঁজুন
, ,

সংসদ ভবনে শপথ নেবেন নতুন দুই সংসদ সদস্য

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
সংসদ ভবনে শপথ নেবেন নতুন দুই সংসদ সদস্য

জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নতুন করে শপথ নিতে যাচ্ছেন আরও দুই জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। আগামী মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে তারা দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। এই শপথ অনুষ্ঠানটি জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে এবং ঐদিন দুপুর ১২টায় কার্যক্রমটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সংসদ সচিবালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সূত্র থেকে জানা গেছে, শপথ গ্রহণকারী এই দুই নতুন সংসদ সদস্য হলেন ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত মির্জা ফয়সল আমীন এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য এলিজা জামান। মির্জা ফয়সল আমীন ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনী এলাকা থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর এখন আইনসভার সদস্য হিসেবে তার যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, সংরক্ষিত নারী আসনের কোটায় মনোনীত হয়ে এলিজা জামানও সংসদীয় কাজে যুক্ত হতে যাচ্ছেন।

সাধারণত জাতীয় নির্বাচনের পর আইনসভার নতুন সদস্যদের শপথ গ্রহণের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। শপথের মাধ্যমে তারা সংসদীয় কার্যক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হন এবং নিজেদের নির্বাচনী এলাকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার আইনি বৈধতা অর্জন করেন। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় স্পিকারের কার্যালয়ে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই তারা আইনসভার সদস্য হিসেবে তাদের দায়িত্ব পালন শুরু করবেন। সংশ্লিষ্ট সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নতুন এই দুই সদস্যের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছুটা বাড়তি আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকা থেকে আসা সমর্থকরা এই দিনটির দিকে তাকিয়ে আছেন। নতুন দায়িত্ব লাভের পর তারা সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখবেন বলে প্রত্যাশা করছেন তাদের দলের কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা। সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রথা অনুযায়ী সব ধরনের নিয়মকানুন অনুসরণ করা হবে। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্যরা সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করবেন। সংসদ ভবনের সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে তাদের শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ইতোমধ্যে সদস্যদের অবহিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় এবং আইনসভার কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে নতুন নির্বাচিত এই দুই সদস্যের অবদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তারা সংবিধানে বর্ণিত দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ হবেন এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে কাজ করার শপথ নেবেন।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক শুরু

রাজধানীর সচিবালয়ে সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এই বৈঠকটি আজ দুপুর গড়িয়ে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শুরু হয়। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে নিয়মিত এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।

বৈঠকটিতে সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত এই বৈঠকে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে উত্থাপিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

প্রশাসনিক কর্মপন্থা নির্ধারণ এবং বিভিন্ন নতুন আইনের খসড়া অনুমোদনের বিষয়টিও আজ বৈঠকের আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে। মন্ত্রিসভার প্রতিটি বৈঠকের মতোই জনগুরুত্বপূর্ণ ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খসড়া আইন ও নীতিমালার বিষয়ে আজ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতে পারে। সাধারণত মন্ত্রিসভার এই ধরনের বৈঠকে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন পরিস্থিতি এবং মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কাজের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা করা হয়।

বৈঠকটি শেষ হওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানানো হতে পারে। মন্ত্রিসভার এই বৈঠককে কেন্দ্র করে সচিবালয় এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা লক্ষ করা গেছে। সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে মন্ত্রিসভার এই সাপ্তাহিক বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে, যেখানে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও জনস্বার্থমূলক বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কুমিল্লায় আবাসিক মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার শিক্ষক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
কুমিল্লায় আবাসিক মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার শিক্ষক

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় এক ভয়াবহ ও ন্যক্কারজনক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার একটি আবাসিক হাফেজিয়া মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে ধারাবাহিক ধর্ষণের অভিযোগে কবির হোসেন নামের এক শিক্ষককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্ত কবির হোসেনের বাড়ি জেলার বরুড়া উপজেলায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের কঠোর শাস্তির দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা সোচ্চার হয়ে উঠেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করার পর পুলিশ তদন্তে নামে। অভিযোগ রয়েছে যে, মাদ্রাসাটির শিক্ষক কবির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে কৌশলে ওই দুই ছাত্রকে ভয়ভীতি দেখিয়ে শারীরিক নির্যাতনের শিকার করতেন। ধারাবাহিক এসব নির্যাতনের বিষয়টি ভুক্তভোগীরা গোপনে তাদের পরিবারের সদস্যদের জানালে অভিভাবকরা হতবাক ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপরই তারা স্থানীয় প্রশাসন ও থানা পুলিশের শরণাপন্ন হন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার উপজেলার সংশ্লিষ্ট হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে শিক্ষক কবির হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আইনি প্রক্রিয়ায় গ্রেফতার দেখানো হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই শিক্ষক নিজের অপরাধের কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে মাদ্রাসাটিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে। অনেকেই তাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।

এ ধরনের ঘটনা ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার প্রশ্নটিকে পুনরায় সামনে নিয়ে এসেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বা পরিচালনা পর্ষদের নজরদারি এড়িয়ে কীভাবে একজন শিক্ষক দিনের পর দিন এমন অমানবিক কাজ চালিয়ে গেলেন, তা নিয়েও স্থানীয় মহলে প্রশ্ন উঠছে। শিশু নির্যাতনের মতো এমন জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপকে স্থানীয়রা স্বাগত জানালেও, ভবিষ্যতে যেন কোনো শিক্ষার্থী আর এমন পরিস্থিতির শিকার না হয়, সে ব্যাপারে কঠোর নজরদারির আহ্বান জানিয়েছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল।

চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত কবির হোসেনকে রিমান্ডে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। তার সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা এই ধরনের কোনো চক্র জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ভুক্তভোগী শিশুদের আইনি সহায়তা প্রদান ও তাদের চিকিৎসার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত চলছে এবং পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ওমর আবদুল্লাহর বিয়ে নিয়ে ধর্মীয় বিতর্ক: অবৈধ দাবির নেপথ্যে কী?

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
ওমর আবদুল্লাহর বিয়ে নিয়ে ধর্মীয় বিতর্ক: অবৈধ দাবির নেপথ্যে কী?

জম্মু-কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এবং সাংবাদিক নিধি রাজদানের বিয়ের ঘোষণা নিয়ে ভারতের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম হয়েছে। তাদের বিয়ের সংবাদ প্রকাশের মাত্র দুই দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামায়াত। সংগঠনের সভাপতি মাওলানা মুফতি শাহাবুদ্দিন রজভি বরেলভি এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন যে, ইসলামের শরিয়াহ আইন অনুযায়ী এই বিবাহ বৈধ হওয়ার কোনো অবকাশ নেই। তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

মাওলানা মুফতি শাহাবুদ্দিন রজভির ভাষ্য অনুযায়ী, ইসলামি পারিবারিক আইন বা শরিয়াহর নির্দেশিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। বিয়ের ক্ষেত্রে বর এবং কনে উভয় পক্ষকেই মুসলিম হতে হবে অথবা বিবাহের পূর্বশর্ত হিসেবে অমুসলিম পক্ষকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে। তিনি দাবি করেন যে, বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই বিয়ে ইসলামি বিধিবিধানের পরিপন্থী। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড মুসলিম সমাজের ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করতে পারে এবং এটি কেবল একটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, বরং ধর্মীয় অখণ্ডতা রক্ষার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবশ্য এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ওমর আবদুল্লাহ বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ধর্মীয় রক্ষণশীল অনেক মহলেই এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘায়িত হচ্ছে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের আলেম ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা বলছেন, ব্যক্তিগত পছন্দের স্বাধীনতা থাকলেও রাষ্ট্রের উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নিয়মকানুন মানার প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশি থাকে। অন্যদিকে, অনেকে এটিকে একান্তই ব্যক্তিগত জীবনের সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন এবং এর সাথে ধর্মীয় জটিলতা যুক্ত করাকে অপ্রয়োজনীয় মনে করছেন। তবে মুফতি শাহাবুদ্দিন রজভি বরেলভি তার অবস্থানে অটল থেকে জানিয়েছেন, শরিয়াহ আইনের কোনো ব্যাখ্যায় এই ধরনের বিবাহকে ইসলামি বৈধতা দেওয়া সম্ভব নয়।

ওমর আবদুল্লাহ জম্মু-কাশ্মিরের রাজনীতিতে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। তার ব্যক্তিগত জীবনের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও বিভক্ত। একটি অংশ মনে করছেন, এই বিতর্কটি মূলত আগামী দিনের রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে রক্ষণশীল ভোটব্যাংকগুলোতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবার অনেকের মতে, ব্যক্তিগত জীবনের এই বিতর্ক মূলধারার রাজনীতিতে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না। কিন্তু বর্তমানে ডিজিটাল যুগের প্রভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এ ধরনের খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি বড় আকারের বিতর্কে রূপ নিয়েছে।

পুরো ঘটনার প্রেক্ষাপটে এখন দেখার বিষয় হলো, ওমর আবদুল্লাহ কি এই বিতর্কের প্রেক্ষিতে কোনো বক্তব্য দেবেন, নাকি ব্যক্তিগত জীবনকে লোকচক্ষুর অন্তরালেই রাখবেন। আপাতত অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামায়াতের আপত্তির বিষয়টি এখন বড় ধরনের ধর্মীয় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যা ভারতের সংবাদমাধ্যমে বেশ আলোচনার খোরাক জোগাচ্ছে। বিষয়টি এখন কেবল আইনি নয়, বরং ধর্মীয় ও সামাজিক দিক থেকেও পর্যালোচনার দাবি রাখছে।

সর্বশেষ
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক শুরু কুমিল্লায় আবাসিক মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার শিক্ষক ওমর আবদুল্লাহর বিয়ে নিয়ে ধর্মীয় বিতর্ক: অবৈধ দাবির নেপথ্যে কী? মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রাখলেন চেম্বার আদালত আইটি পেশার পাশাপাশি খাবারের ব্যবসায় সফল দুই তরুণ, মাসে আয় ৬ লাখ রুপি সংসদ ভবনে শপথ নেবেন নতুন দুই সংসদ সদস্য রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে রঙিন মাছের মেলায় উপচে পড়া ভিড় ধর্মীয় পোশাকের আড়ালে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে: জহির উদ্দিন স্বপন উৎসবমুখর পরিবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ
Advertisement