খুঁজুন
, ,

রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে রঙিন মাছের মেলায় উপচে পড়া ভিড়

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে রঙিন মাছের মেলায় উপচে পড়া ভিড়

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল তিন দিনের এক ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘অ্যাকুয়ারিয়াম ফিশ ফেয়ার ২০২৬’। ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আয়োজিত এই মেলায় চারপাশ সেজেছিল এক অপূর্ব রঙিন আবহে। কাঁচের ঘেরাটোপে বন্দি ছিল দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির মাছ, যা দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন শৌখিন মৎস্যপ্রেমী থেকে শুরু করে উৎসুক নগরবাসী। মেলায় ৪৫টিরও বেশি স্টল বসেছিল, যেখানে বাহারি সব রঙিন মাছের পাশাপাশি অ্যাকুয়ারিয়াম ও জলজ গাছপালা সাজানোর সরঞ্জামের এক বিশাল সংগ্রহ ছিল। মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতেই মনে হচ্ছিল যেন পানির নিচের এক আশ্চর্য জগতের ভেতর ঢুকে পড়েছি। স্টলগুলোতে শোভা পাচ্ছিল বাহারি রঙের মাছের মেলা। কেউ খুঁজছিলেন দুর্লভ প্রজাতির মাছ, আবার কেউবা বাড়িতে ছোট পরিসরে অ্যাকুয়ারিয়াম তৈরির পরামর্শ নিচ্ছিলেন বিক্রেতাদের কাছ থেকে।

মেলায় প্রদর্শিত মাছের বৈচিত্র্য ছিল চোখে পড়ার মতো। পরিচিত গাপ্পি, বেলুন মলি, ব্ল্যাক মলি থেকে শুরু করে ব্লু পান্ডা, অ্যাভাটার ও গোল্ডফিশের মতো মাছের চাহিদা ছিল তুঙ্গে। তবে দর্শনার্থীদের সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছিল বিচিত্র সব প্রজাতির মাছ। বিশেষ করে ফ্লাওয়ার হর্ন মাছটি ছিল অন্যতম আকর্ষণ। মাথায় ঝুটির মতো বিশাল এক উঁচু অংশ নিয়ে মাছটির স্বভাব ছিল অত্যন্ত চঞ্চল। কাঁচের বাইরে কেউ আঙুল নাড়ালে মাছটিও তার পিছু ছুটছিল। মাছটির এমন অদ্ভুত আচরণের কারণে দামেও ছিল বেশ চড়া; আকার ও গুণমান ভেদে একেকটি ফ্লাওয়ার হর্ন ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছিল। মাছের এই বিশাল সমাহারে বাদ যায়নি সিনেমাখ্যাত চরিত্রের মাছেরাও। বিশ্বখ্যাত অ্যানিমেশন মুভি ‘ফাইন্ডিং নিমো’-এর সেই কমলা-সাদা ক্লাউনফিশ দেখতে স্টলগুলোতে মানুষের লাইন ছিল দীর্ঘ। স্টলভেদে এক জোড়া ক্লাউনফিশের দাম হাঁকা হচ্ছিল ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

মেলায় বিচিত্র সব মাছের নামের তালিকায় যুক্ত ছিল ‘বাবল আই গোল্ডফিশ’। এদের চোখের দুপাশে বেলুনের মতো দুটি থলে থাকে, যা বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। এই মাছগুলো দেড় থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছিল। আবার বাজেট সাশ্রয়ী শৌখিনদের জন্য ছিল নানা চমক। যেমন ‘২৪ ক্যারেট গোল্ড’ নামের এক জোড়া মাছ বিক্রি হচ্ছিল মাত্র ৪০০ টাকায়। নাম শুনে মনে হতে পারে এটি কোনো গয়না, কিন্তু আসলে এটি ছিল চমৎকার সোনালি রঙের এক ধরণের মাছ। মাছের পাশাপাশি মেলায় ক্রেফিশ ও নানা প্রজাতির রঙিন চিংড়িও ছিল আকর্ষণের কেন্দ্রে।

দর্শনার্থীদের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে অভিভাবকেরা মেলায় ভিড় করেছিলেন। প্রযুক্তির এই যুগে ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে বাস্তব কোনো রঙিন মাছের জগৎ দেখার অভিজ্ঞতা শিশুদের জন্য ছিল নতুন ও আনন্দদায়ক। অনেকেই প্রিয়জনকে ভিডিও কলে সরাসরি মেলা দেখাচ্ছিলেন। এই মেলার আয়োজন যে কেবল বাণিজ্য ছিল না, বরং শৌখিন মাছ পালন ও জলজ অরণ্য তৈরির শিল্পকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে, তা স্পষ্ট। অ্যাকুয়ারিয়াম এখন কেবল শখ নয়, বরং ঘর সাজানোর এবং মানসিক প্রশান্তি পাওয়ার এক মাধ্যম হয়ে উঠছে। তিন দিনের এই মেলা শেষ হলেও দর্শনার্থীদের মনে রঙিন মাছের সেই স্মৃতি দীর্ঘস্থায়ী হবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রাখলেন চেম্বার আদালত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
   
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রাখলেন চেম্বার আদালত

সাবেক সংসদ সদস্য এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রভাবশালী নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের কারামুক্তির পথ সুগম হলো। উচ্চ আদালতের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনটি আজ খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে হাইকোর্ট থেকে প্রাপ্ত তার জামিন বহাল থাকছে এবং তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না বলে আইনজ্ঞরা মত দিয়েছেন।

সোমবার সকালে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালতে এই জামিন সংক্রান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনেন। এরপর আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কোনো আদেশ প্রদান না করার অর্থ হলো, হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের আদেশটি বহাল রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিন স্থগিতের আবেদন করলেও আদালত তাতে সাড়া দেননি। স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়ায়, এখন প্রয়োজনীয় নথিপত্র যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর তার কারামুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এর আগে, গত রবিবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে জামিন প্রদানের আদেশ দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করে। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি ছিল, অপরাধের ধরণ ও মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় তাকে জামিন দেওয়া সমীচীন হয়নি। তবে আজ চেম্বার আদালত রাষ্ট্রপক্ষের সেই আবেদন নাকচ করে দেওয়ায় উচ্চ আদালতের জামিন আদেশই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কারাভোগ করছিলেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। তার বিরুদ্ধে আনা মামলাগুলোর বিচার প্রক্রিয়া এখনো চলমান থাকলেও, বর্তমান জামিন আদেশটি তার জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। তার আইনজীবী প্যানেল আশা করছেন, উচ্চ আদালতের এই আদেশের কপি কারাগারে পৌঁছানোর পরপরই প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি মুক্তি পাবেন।

আইনজীবীদের মতে, চেম্বার আদালতে জামিন বহাল থাকার এই ঘটনাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মামলার মেরিট এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করেই উচ্চ আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, তার মুক্তির পরবর্তী আইনি পদক্ষেপগুলো রাষ্ট্রপক্ষ কীভাবে গ্রহণ করে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জামিনের কোনো ধরনের আইনি জটিলতা আপাতত আর নেই বলেই নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আইটি পেশার পাশাপাশি খাবারের ব্যবসায় সফল দুই তরুণ, মাসে আয় ৬ লাখ রুপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
   
আইটি পেশার পাশাপাশি খাবারের ব্যবসায় সফল দুই তরুণ, মাসে আয় ৬ লাখ রুপি

কর্পোরেট জগতের ব্যস্ততা আর আইটি খাতের গৎবাঁধা জীবন থেকে বেরিয়ে এসে ভিন্ন কিছু করার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। তবে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে সফল হওয়ার গল্প সচরাচর দেখা যায় না। সম্প্রতি ভারতের নয়ডায় এমন এক নজির স্থাপন করেছেন দুই তরুণ প্রযুক্তিবিদ। নিয়মিত চাকরির পাশাপাশি খাবারের ব্যবসায় নেমে তারা কেবল মুনাফাই অর্জন করছেন না, বরং সাধারণ মানুষের মাঝেও দারুণ সাড়া ফেলেছেন। তাদের এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে লাহাম।

নয়ডার একটি নির্দিষ্ট এলাকায় তাদের এই ছোট্ট ফুড কার্টটি এখন এলাকার অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। এই ফুড কার্টের মূল বৈশিষ্ট্য হলো তাদের বিশেষ এক আইটেম, যার নাম রাখা হয়েছে নামকিন গোশত। এটি এতটাই সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে, প্রতিদিন সন্ধ্যায় কার্ট খোলার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সব খাবার বিক্রি হয়ে যায়। স্থানীয়দের আগ্রহ এত বেশি যে, প্রায়ই দেখা যায় খাবার শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক গ্রাহককে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। গত শনিবার রাতের একটি দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ স্থানীয়দের আলোচনায় উঠে আসে। কার্টের সামনে দীর্ঘ লাইন এবং খাবার শেষ হয়ে যাওয়ার পর এক শিশুর মন খারাপ করার ঘটনা থেকেই বোঝা যায় যে, লাহামের খাবারের চাহিদা কতটা তুঙ্গে।

এই দুই তরুণের মূল পেশা মূলত তথ্যপ্রযুক্তি খাতে। দিনের বেলায় তারা আইটি কোম্পানিতে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেন এবং দিনশেষে সন্ধ্যায় সময় বের করে এই ফুড কার্টটি পরিচালনা করেন। তাদের কাজের প্রতি এই নিষ্ঠা এবং শখের কাজকে পেশাদারিত্বের সাথে মিশিয়ে ফেলার মানসিকতা অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তিবিদ হয়েও রান্নার কাজে তাদের এই পারদর্শিতা অবাক করার মতোই। তারা নিজের হাতে খাবার তৈরি এবং পরিবেশন করেন, যা গ্রাহকদের কাছে আরও আস্থাশীল করে তুলেছে।

আর্থিক দিক থেকেও তাদের এই নতুন যাত্রা অত্যন্ত সফল। সূত্র অনুযায়ী, বর্তমান ব্যবসার গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তাদের এই ফুড কার্ট থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬ লাখ রুপি আয় হচ্ছে। একটি ছোট্ট ফুড কার্টের জন্য এই অঙ্ক সত্যিই ঈর্ষণীয়। আইটি খাতের বেতনের পাশাপাশি এই বাড়তি আয় এবং নিজের উদ্যোগের সফলতা তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে তারা শুধু আয়ের দিকেই মনোযোগ দেননি, বরং খাবারের মান এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকেও যথেষ্ট সতর্ক থাকেন।

বর্তমান সময়ে চাকরির বাজারে অনিশ্চয়তা এবং ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার মধ্যে দাঁড়িয়ে এই দুই তরুণ প্রমাণ করেছেন যে, ইচ্ছা থাকলে এবং সঠিক পরিকল্পনা থাকলে যে কোনো পেশার মানুষই নিজের প্রতিভাকে নতুনভাবে মেলে ধরতে পারেন। প্রথাগত আইটি ক্যারিয়ারের পাশাপাশি তারা খাবারের ব্যবসায় যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখা তরুণদের জন্য একটি চমৎকার উদাহরণ। তবে তারা এখনই আইটি চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা করছেন কিনা, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আপাতত তাদের লক্ষ্য হলো এই সফলতাকে ধরে রাখা এবং আরও বেশি মানুষের কাছে তাদের খাবারের স্বাদ পৌঁছে দেওয়া। তাদের এই এগিয়ে চলা ভারতের স্টার্টআপ সংস্কৃতির এক নতুন ধারার সূচনা করেছে, যেখানে দক্ষ পেশাজীবীরা কেবল ডেস্কের সামনেই আটকে না থেকে সৃজনশীল কাজেও নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করছেন।

সংসদ ভবনে শপথ নেবেন নতুন দুই সংসদ সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
   
সংসদ ভবনে শপথ নেবেন নতুন দুই সংসদ সদস্য

জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নতুন করে শপথ নিতে যাচ্ছেন আরও দুই জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। আগামী মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে তারা দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। এই শপথ অনুষ্ঠানটি জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে এবং ঐদিন দুপুর ১২টায় কার্যক্রমটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সংসদ সচিবালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সূত্র থেকে জানা গেছে, শপথ গ্রহণকারী এই দুই নতুন সংসদ সদস্য হলেন ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত মির্জা ফয়সল আমীন এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য এলিজা জামান। মির্জা ফয়সল আমীন ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনী এলাকা থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর এখন আইনসভার সদস্য হিসেবে তার যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, সংরক্ষিত নারী আসনের কোটায় মনোনীত হয়ে এলিজা জামানও সংসদীয় কাজে যুক্ত হতে যাচ্ছেন।

সাধারণত জাতীয় নির্বাচনের পর আইনসভার নতুন সদস্যদের শপথ গ্রহণের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। শপথের মাধ্যমে তারা সংসদীয় কার্যক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হন এবং নিজেদের নির্বাচনী এলাকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার আইনি বৈধতা অর্জন করেন। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় স্পিকারের কার্যালয়ে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই তারা আইনসভার সদস্য হিসেবে তাদের দায়িত্ব পালন শুরু করবেন। সংশ্লিষ্ট সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নতুন এই দুই সদস্যের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছুটা বাড়তি আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকা থেকে আসা সমর্থকরা এই দিনটির দিকে তাকিয়ে আছেন। নতুন দায়িত্ব লাভের পর তারা সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখবেন বলে প্রত্যাশা করছেন তাদের দলের কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা। সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রথা অনুযায়ী সব ধরনের নিয়মকানুন অনুসরণ করা হবে। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্যরা সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করবেন। সংসদ ভবনের সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে তাদের শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ইতোমধ্যে সদস্যদের অবহিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় এবং আইনসভার কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে নতুন নির্বাচিত এই দুই সদস্যের অবদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তারা সংবিধানে বর্ণিত দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ হবেন এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে কাজ করার শপথ নেবেন।

সর্বশেষ
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রাখলেন চেম্বার আদালত আইটি পেশার পাশাপাশি খাবারের ব্যবসায় সফল দুই তরুণ, মাসে আয় ৬ লাখ রুপি সংসদ ভবনে শপথ নেবেন নতুন দুই সংসদ সদস্য রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে রঙিন মাছের মেলায় উপচে পড়া ভিড় ধর্মীয় পোশাকের আড়ালে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে: জহির উদ্দিন স্বপন উৎসবমুখর পরিবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ খুলনায় তাঁতী দল নেতা হত্যায় ছাত্রদল নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ১ মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ: সংঘাতের জেরে ৫ মামলা ও গ্রেফতারের সংখ্যা বাড়ছে লাহোরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৫ সন্তান
Advertisement