খুঁজুন
, ,

ধর্মীয় পোশাকের আড়ালে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে: জহির উদ্দিন স্বপন

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
ধর্মীয় পোশাকের আড়ালে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে: জহির উদ্দিন স্বপন

বর্তমানে সমাজে এক শ্রেণির মানুষের মধ্যে ধর্মীয় লেবাস বা পোশাক ব্যবহার করে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যকে পুঁজি করে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ফায়দা লোটার যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, তা দেশের সামগ্রিক নৈতিক কাঠামোর জন্য হুমকি স্বরূপ। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন এমন মন্তব্য করে এই প্রবণতার বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, আজকাল অনেক ক্ষেত্রেই ধর্মের চর্চাকে প্রকৃত উপাসনা হিসেবে না দেখে একটি অভিনয় বা মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

সোমবার বরিশাল নগরীর একটি মিলনায়তনে আয়োজিত সম্প্রীতি বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ধর্মীয় অনুভূতির সুযোগ নিয়ে অনেকে নিজের আখের গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত। বিশেষ করে ওয়াজের ময়দানে ইসলাম ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা প্রচারের পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিকৃত কথাবার্তা ছড়ানো হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ধর্মের পবিত্রতাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। ধর্মের মূল কথা হলো শান্তি, সততা ও মানবিকতা, অথচ বর্তমান সময়ে ধর্মের খোলস পরে যারা এসব কাজ করছে, তারা শুরু থেকেই মূল শিক্ষা ও আদর্শকে উপেক্ষা করে আসছে।

জহির উদ্দিন স্বপন উল্লেখ করেন যে, ধর্মীয় লেবাস কেবল পোশাকের ওপর নির্ভর করে না, এটি হৃদয়ের বিশ্বাসের বিষয়। যখন কোনো ব্যক্তি ধর্মীয় পোশাককে সামাজিক স্ট্যাটাস বা নিজের অন্ধকার জগৎ আড়াল করার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন, তখন তা পুরো ধর্মপ্রাণ জনগোষ্ঠীর জন্য অসম্মানের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে ধর্মকে পুঁজি করে স্বার্থসিদ্ধির এই অপচেষ্টা কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি একটি সামাজিক ব্যাধিতে রূপ নিচ্ছে। তিনি সমাজের সচেতন মহলকে এই ধরনের ভণ্ডামির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারাও বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে বলেন, ধর্মের নামে উগ্রবাদ বা ব্যবসায়িক মনোভাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মচর্চার নামে যারা নাটকীয়তা করছে, তাদের শনাক্ত করে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব রাষ্ট্রের পাশাপাশি পরিবারেরও রয়েছে। জহির উদ্দিন স্বপন তার বক্তব্যে আরও জোর দিয়ে বলেন, অশুভ শক্তির এই প্রতিযোগিতা রোধ করতে হলে ধর্মীয় শিক্ষার সঠিক প্রচার নিশ্চিত করতে হবে। ধর্মের অপব্যবহার বন্ধ করে সমাজে প্রকৃত ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সহমর্মিতা ফিরিয়ে আনার বিকল্প নেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সাধারণ মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন এবং তারা ধর্মের নামে যারা অসংলগ্ন বা অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে, তাদের বয়কট করতে শুরু করেছে। ধর্মের পবিত্রতা বজায় রাখতে এবং যারা এটিকে পুঁজি করে ফায়দা লুটছে তাদের মুখোশ উন্মোচনে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রাখলেন চেম্বার আদালত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
   
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রাখলেন চেম্বার আদালত

সাবেক সংসদ সদস্য এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রভাবশালী নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের কারামুক্তির পথ সুগম হলো। উচ্চ আদালতের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনটি আজ খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে হাইকোর্ট থেকে প্রাপ্ত তার জামিন বহাল থাকছে এবং তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না বলে আইনজ্ঞরা মত দিয়েছেন।

সোমবার সকালে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালতে এই জামিন সংক্রান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনেন। এরপর আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কোনো আদেশ প্রদান না করার অর্থ হলো, হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের আদেশটি বহাল রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিন স্থগিতের আবেদন করলেও আদালত তাতে সাড়া দেননি। স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়ায়, এখন প্রয়োজনীয় নথিপত্র যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর তার কারামুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এর আগে, গত রবিবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে জামিন প্রদানের আদেশ দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করে। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি ছিল, অপরাধের ধরণ ও মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় তাকে জামিন দেওয়া সমীচীন হয়নি। তবে আজ চেম্বার আদালত রাষ্ট্রপক্ষের সেই আবেদন নাকচ করে দেওয়ায় উচ্চ আদালতের জামিন আদেশই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কারাভোগ করছিলেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। তার বিরুদ্ধে আনা মামলাগুলোর বিচার প্রক্রিয়া এখনো চলমান থাকলেও, বর্তমান জামিন আদেশটি তার জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। তার আইনজীবী প্যানেল আশা করছেন, উচ্চ আদালতের এই আদেশের কপি কারাগারে পৌঁছানোর পরপরই প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি মুক্তি পাবেন।

আইনজীবীদের মতে, চেম্বার আদালতে জামিন বহাল থাকার এই ঘটনাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মামলার মেরিট এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করেই উচ্চ আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, তার মুক্তির পরবর্তী আইনি পদক্ষেপগুলো রাষ্ট্রপক্ষ কীভাবে গ্রহণ করে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জামিনের কোনো ধরনের আইনি জটিলতা আপাতত আর নেই বলেই নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আইটি পেশার পাশাপাশি খাবারের ব্যবসায় সফল দুই তরুণ, মাসে আয় ৬ লাখ রুপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
   
আইটি পেশার পাশাপাশি খাবারের ব্যবসায় সফল দুই তরুণ, মাসে আয় ৬ লাখ রুপি

কর্পোরেট জগতের ব্যস্ততা আর আইটি খাতের গৎবাঁধা জীবন থেকে বেরিয়ে এসে ভিন্ন কিছু করার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। তবে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে সফল হওয়ার গল্প সচরাচর দেখা যায় না। সম্প্রতি ভারতের নয়ডায় এমন এক নজির স্থাপন করেছেন দুই তরুণ প্রযুক্তিবিদ। নিয়মিত চাকরির পাশাপাশি খাবারের ব্যবসায় নেমে তারা কেবল মুনাফাই অর্জন করছেন না, বরং সাধারণ মানুষের মাঝেও দারুণ সাড়া ফেলেছেন। তাদের এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে লাহাম।

নয়ডার একটি নির্দিষ্ট এলাকায় তাদের এই ছোট্ট ফুড কার্টটি এখন এলাকার অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। এই ফুড কার্টের মূল বৈশিষ্ট্য হলো তাদের বিশেষ এক আইটেম, যার নাম রাখা হয়েছে নামকিন গোশত। এটি এতটাই সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে, প্রতিদিন সন্ধ্যায় কার্ট খোলার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সব খাবার বিক্রি হয়ে যায়। স্থানীয়দের আগ্রহ এত বেশি যে, প্রায়ই দেখা যায় খাবার শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক গ্রাহককে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। গত শনিবার রাতের একটি দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ স্থানীয়দের আলোচনায় উঠে আসে। কার্টের সামনে দীর্ঘ লাইন এবং খাবার শেষ হয়ে যাওয়ার পর এক শিশুর মন খারাপ করার ঘটনা থেকেই বোঝা যায় যে, লাহামের খাবারের চাহিদা কতটা তুঙ্গে।

এই দুই তরুণের মূল পেশা মূলত তথ্যপ্রযুক্তি খাতে। দিনের বেলায় তারা আইটি কোম্পানিতে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেন এবং দিনশেষে সন্ধ্যায় সময় বের করে এই ফুড কার্টটি পরিচালনা করেন। তাদের কাজের প্রতি এই নিষ্ঠা এবং শখের কাজকে পেশাদারিত্বের সাথে মিশিয়ে ফেলার মানসিকতা অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তিবিদ হয়েও রান্নার কাজে তাদের এই পারদর্শিতা অবাক করার মতোই। তারা নিজের হাতে খাবার তৈরি এবং পরিবেশন করেন, যা গ্রাহকদের কাছে আরও আস্থাশীল করে তুলেছে।

আর্থিক দিক থেকেও তাদের এই নতুন যাত্রা অত্যন্ত সফল। সূত্র অনুযায়ী, বর্তমান ব্যবসার গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তাদের এই ফুড কার্ট থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬ লাখ রুপি আয় হচ্ছে। একটি ছোট্ট ফুড কার্টের জন্য এই অঙ্ক সত্যিই ঈর্ষণীয়। আইটি খাতের বেতনের পাশাপাশি এই বাড়তি আয় এবং নিজের উদ্যোগের সফলতা তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে তারা শুধু আয়ের দিকেই মনোযোগ দেননি, বরং খাবারের মান এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকেও যথেষ্ট সতর্ক থাকেন।

বর্তমান সময়ে চাকরির বাজারে অনিশ্চয়তা এবং ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার মধ্যে দাঁড়িয়ে এই দুই তরুণ প্রমাণ করেছেন যে, ইচ্ছা থাকলে এবং সঠিক পরিকল্পনা থাকলে যে কোনো পেশার মানুষই নিজের প্রতিভাকে নতুনভাবে মেলে ধরতে পারেন। প্রথাগত আইটি ক্যারিয়ারের পাশাপাশি তারা খাবারের ব্যবসায় যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখা তরুণদের জন্য একটি চমৎকার উদাহরণ। তবে তারা এখনই আইটি চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা করছেন কিনা, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আপাতত তাদের লক্ষ্য হলো এই সফলতাকে ধরে রাখা এবং আরও বেশি মানুষের কাছে তাদের খাবারের স্বাদ পৌঁছে দেওয়া। তাদের এই এগিয়ে চলা ভারতের স্টার্টআপ সংস্কৃতির এক নতুন ধারার সূচনা করেছে, যেখানে দক্ষ পেশাজীবীরা কেবল ডেস্কের সামনেই আটকে না থেকে সৃজনশীল কাজেও নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করছেন।

সংসদ ভবনে শপথ নেবেন নতুন দুই সংসদ সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
   
সংসদ ভবনে শপথ নেবেন নতুন দুই সংসদ সদস্য

জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নতুন করে শপথ নিতে যাচ্ছেন আরও দুই জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। আগামী মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে তারা দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। এই শপথ অনুষ্ঠানটি জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে এবং ঐদিন দুপুর ১২টায় কার্যক্রমটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সংসদ সচিবালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সূত্র থেকে জানা গেছে, শপথ গ্রহণকারী এই দুই নতুন সংসদ সদস্য হলেন ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত মির্জা ফয়সল আমীন এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য এলিজা জামান। মির্জা ফয়সল আমীন ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনী এলাকা থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর এখন আইনসভার সদস্য হিসেবে তার যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, সংরক্ষিত নারী আসনের কোটায় মনোনীত হয়ে এলিজা জামানও সংসদীয় কাজে যুক্ত হতে যাচ্ছেন।

সাধারণত জাতীয় নির্বাচনের পর আইনসভার নতুন সদস্যদের শপথ গ্রহণের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। শপথের মাধ্যমে তারা সংসদীয় কার্যক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হন এবং নিজেদের নির্বাচনী এলাকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার আইনি বৈধতা অর্জন করেন। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় স্পিকারের কার্যালয়ে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই তারা আইনসভার সদস্য হিসেবে তাদের দায়িত্ব পালন শুরু করবেন। সংশ্লিষ্ট সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নতুন এই দুই সদস্যের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছুটা বাড়তি আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকা থেকে আসা সমর্থকরা এই দিনটির দিকে তাকিয়ে আছেন। নতুন দায়িত্ব লাভের পর তারা সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখবেন বলে প্রত্যাশা করছেন তাদের দলের কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা। সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রথা অনুযায়ী সব ধরনের নিয়মকানুন অনুসরণ করা হবে। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্যরা সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করবেন। সংসদ ভবনের সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে তাদের শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ইতোমধ্যে সদস্যদের অবহিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় এবং আইনসভার কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে নতুন নির্বাচিত এই দুই সদস্যের অবদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তারা সংবিধানে বর্ণিত দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ হবেন এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে কাজ করার শপথ নেবেন।

সর্বশেষ
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রাখলেন চেম্বার আদালত আইটি পেশার পাশাপাশি খাবারের ব্যবসায় সফল দুই তরুণ, মাসে আয় ৬ লাখ রুপি সংসদ ভবনে শপথ নেবেন নতুন দুই সংসদ সদস্য রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে রঙিন মাছের মেলায় উপচে পড়া ভিড় ধর্মীয় পোশাকের আড়ালে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে: জহির উদ্দিন স্বপন উৎসবমুখর পরিবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ খুলনায় তাঁতী দল নেতা হত্যায় ছাত্রদল নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ১ মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ: সংঘাতের জেরে ৫ মামলা ও গ্রেফতারের সংখ্যা বাড়ছে লাহোরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৫ সন্তান
Advertisement