খুঁজুন
, ,

তাহসিফের মৃত্যু: দুই জনকে গ্রেফতারের পর তদন্তে নতুন মোড়

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
তাহসিফের মৃত্যু: দুই জনকে গ্রেফতারের পর তদন্তে নতুন মোড়

রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশি তদন্তের সাথে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই গ্রেফতারের পর তাহসিফের মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনে বেশ কিছু নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে তারা আশাবাদী।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে উত্তরার একটি রেস্টুরেন্টে তাহসিফসহ মোট তিন জনকে প্রবেশ করতে এবং পরে একত্রে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজে এই দৃশ্য ধরা পড়েছে। ফুটেজে দেখা যাওয়া অন্য দুই জন হলেন তাহসিফের জুনিয়র বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ এবং তার কথিত এক বান্ধবী। ঘটনার রাত ও এর পরবর্তী সময়ের ব্যবধানে কী ঘটেছিল এবং কীভাবে তাহসিফ তুরাগ নদে গিয়ে পৌঁছালেন, তা এখনও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অস্পষ্ট। ঘটনার পরদিন বিকেলে তুরাগ নদে তাহসিফের নিথর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার ভিত্তিতে পুলিশ তাদের কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করেছে। গ্রেফতার হওয়া দুই জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর তাদের গতিপথ এবং কী ধরনের আলাপচারিতা বা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। তাহসিফের মৃত্যুর কারণটি হত্যা নাকি অন্য কোনো দুর্ঘটনা—এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে ফরেনসিক রিপোর্ট এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

বিমানবাহিনীর সাবেক এই কর্মকর্তার অকাল মৃত্যুতে তার পরিবার ও পরিচিত মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাহসিফের বন্ধুদের সাথে তার শেষ মুহূর্তের অবস্থান ও কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা গুঞ্জন ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃত দুইজনের দেওয়া তথ্যের সাথে সিসিটিভি ফুটেজের মিল রয়েছে কি না, তা নিয়েও কাজ করছেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।

তদন্তকারী দল জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত মরদেহ এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে প্রতিটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট অন্য কেউ জড়িত কি না বা অন্য কোনো পক্ষকে সন্দেহ করার সুযোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ আশ্বস্ত করেছে যে, অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ও তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই রহস্য উদঘাটনে তারা কাজ করছে। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য সামনে আসবে বলেই প্রত্যাশা করছে প্রশাসন।

মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতার ছক: আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীসহ ৪৯ জন আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতার ছক: আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীসহ ৪৯ জন আটক

রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের ন্যায্য বেতন নির্ধারণের দাবিতে চলা আন্দোলনের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির একটি বড় ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেছে আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানিয়েছে, শ্রমিকদের এই যৌক্তিক আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে এলাকায় অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক নাশকতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই ঘটনায় জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১১ জন নেতাকর্মীসহ মোট ৪৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিবি মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খাঁন।

দীর্ঘ কয়েক দিন ধরেই মিরপুর এলাকায় ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনসহ বিভিন্ন দাবিতে পোশাক শ্রমিকরা রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলনকে পুঁজি করে এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল পরিস্থিতি ঘোলাটে করার পাঁয়তারা করছিল বলে গোয়েন্দা তথ্যে উঠে আসে। ডিবি পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ওই নেতাকর্মীরা শ্রমিকদের আন্দোলনে মিশে গিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল পরিকল্পিতভাবে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করা এবং দায়ভার শ্রমিকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজনদের চিহ্নিত করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ১১ জন সরাসরি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের সক্রিয় কর্মী। বাকিদের পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যে, শ্রমিকদের আন্দোলনের আড়ালে ঢাকা শহরের জনজীবন বিপর্যস্ত করার জন্য একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনা ছিল। তবে পুলিশের সতর্ক অবস্থানের কারণে তারা তাদের অপতৎপরতা বাস্তবায়নের আগেই ধরা পড়েছে।

মিরপুরের ডিসি মোহাম্মদ রাকিব খাঁন জানিয়েছেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি সহমর্মিতা থাকা সত্ত্বেও কোনো গোষ্ঠীকে বিশৃঙ্খলা তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না। যারা সাধারণ শ্রমিকদের আড়ালে থেকে নাশকতা বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করবে, তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত করছে পুলিশ। এই ঘটনার পর মিরপুর এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে কোনো বহিরাগত বা অশুভ চক্র অনুপ্রবেশ করছে কি না, তা নিয়েও সতর্ক রয়েছে প্রশাসন। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, যারা জনগণের সম্পদ নষ্ট করার বা সাধারণ মানুষের ক্ষতি করার পরিকল্পনা করছে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

কক্সবাজারে নলকূপ খননকালে গ্যাস নির্গমন ও অগ্নিকাণ্ড: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরিপ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
কক্সবাজারে নলকূপ খননকালে গ্যাস নির্গমন ও অগ্নিকাণ্ড: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরিপ শুরু

কক্সবাজারে নলকূপ খনন করতে গিয়ে ভূগর্ভস্থ স্তর থেকে গ্যাস নির্গমনের ঘটনার পর এলাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ভূগর্ভস্থ গ্যাসের উৎস ও মজুত নিরূপণের জন্য পেট্রোবাংলার বিশেষজ্ঞ দল এরই মধ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘটনাস্থলের চারপাশের অন্তত ১০০ মিটারের মধ্যে মানুষের চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন স্থানীয়ভাবে নলকূপ স্থাপনের জন্য মাটি খনন করা হচ্ছিল। নির্দিষ্ট গভীরতায় পৌঁছানোর পর হঠাৎ করেই ভূগর্ভ থেকে গ্যাস বেরিয়ে আসতে শুরু করে। তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে আগুনের শিখা জ্বলে ওঠে, যা স্থানীয়দের মধ্যে ভয়ের সঞ্চার করে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় কোনো দুর্ঘটনা রোধ করতে ওই এলাকায় অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ও জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং জননিরাপত্তায় তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই গ্যাস ঠিক কী ধরনের এবং এর মজুত কতটুকু, তা নির্ণয় করা অত্যন্ত জরুরি। প্রাথমিক জরিপের মাধ্যমে গ্যাসের স্তর ও প্রকৃতির ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার আশা করছেন তারা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূগর্ভস্থ গ্যাসের চাপ ও উপাদানের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যেন সৃষ্টি না হয়, সেজন্য পুলিশের টহল ও নিরাপত্তা চৌকি বসানো হয়েছে। এলাকাবাসীকে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রশাসন জানিয়েছে, গ্যাস নির্গমনের জায়গাটি বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, এলাকাটি হয়তো আগে থেকেই প্রাকৃতিক গ্যাসের স্তরসংলগ্ন ছিল, যা খননকার্য চালানোর সময় উন্মুক্ত হয়ে গেছে। তবে নিশ্চিতভাবে কিছু বলার আগে পেট্রোবাংলার বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রয়োজন। গ্যাস নির্গমন অব্যাহত থাকায় বা আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধির আশঙ্কায় ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তার খাতিরে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞ দলের সমন্বিত উদ্যোগে গ্যাস বা আগুনের ঝুঁকি প্রশমনে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে। এই ঘটনা ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে যেমন কৌতূহল রয়েছে, তেমনি সতর্কতার বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। পেট্রোবাংলার প্রযুক্তিগত সহায়তায় পরিস্থিতি শিগগিরই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। সরকারি এই অনুসন্ধান কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত এলাকাবাসীকে নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অব্যবস্থাপনা আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করল বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করল বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী

বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে দুই দেশের বিমান বাহিনীর অংশগ্রহণে পাঁচ দিনব্যাপী একটি যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হয়েছে। ‘এক্সারসাইজ কোপ সাউথ-২০২৬’ শিরোনামের এই মহড়াটি মূলত দুই দেশের সামরিক বাহিনীর পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি বিশেষ উদ্যোগ। এই যৌথ আয়োজনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সের (প্যাকাফ) সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই মহড়ায় দুই দেশের মোট ১৩৮ জন সামরিক সদস্য অংশগ্রহণ করছেন। মহড়াটি মূলত বিভিন্ন প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং কৌশলগত সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করবে।

সামরিক এই যৌথ অনুশীলনের মূল লক্ষ্য হলো উভয় দেশের বাহিনীর মধ্যে বিমান পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত জটিল প্রক্রিয়াগুলো নিয়ে বোঝাপড়া বৃদ্ধি করা। এ ছাড়া বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বিমান ঘাঁটির সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো মহড়ায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে। আধুনিক যুদ্ধবিমান বা পরিবহন বিমানগুলোর দক্ষ পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে এই মহড়া উভয় দেশের জন্য একটি বড় সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পাশাপাশি, দুর্যোগকালীন উদ্ধার অভিযানে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কৌশলগত অবস্থানের গুরুত্ব নিয়েও এখানে বিস্তারিত আলোচনা ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরণের যৌথ মহড়া দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুসংহত করে। এর ফলে আন্তঃদেশীয় সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সদস্যরা পেশাগত জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতাকে আরও শাণিত করার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে বিমান বাহিনীর জরুরি অপারেশন বা সংকটময় মুহূর্তে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াগুলোকে আরও দ্রুত ও নির্ভুল করার কৌশল নিয়ে এখানে কাজ চলছে। পাঁচ দিন ধরে চলতে থাকা এই মহড়াটি সামরিক কৌশল এবং প্রযুক্তিগত সমন্বয়ের দিক থেকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জন্য এই মহড়াটি বৈশ্বিক মানের অপারেশনাল কৌশল সম্পর্কে ধারণা লাভের একটি বড় মাধ্যম। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সের জন্য এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সাথে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপনের একটি অন্যতম উপায়। মহড়া শেষে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা তাদের প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা নিজ নিজ বাহিনীর কার্যক্রমে প্রয়োগ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সার্বিকভাবে, ‘এক্সারসাইজ কোপ সাউথ-২০২৬’ দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যকার পারস্পরিক আস্থা এবং সহযোগিতার এক নতুন মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। মহড়াটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন এবং নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

সর্বশেষ
মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতার ছক: আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীসহ ৪৯ জন আটক কক্সবাজারে নলকূপ খননকালে গ্যাস নির্গমন ও অগ্নিকাণ্ড: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরিপ শুরু যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করল বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে উত্তাল শিল্পাঞ্চল খুলনায় তাঁতী দলের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিবারের তাহসিফের মৃত্যু: দুই জনকে গ্রেফতারের পর তদন্তে নতুন মোড় পেশাজীবনের বাস্তবতা ও ব্যক্তিগত জীবনের সংকট এনসিপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে ধোঁয়াশা, নাজমুল আবেদীন ও নাজমুল ইসলামের নাম নিয়ে গুঞ্জন ক্রিকেটপাড়া তোলপাড় করা সেই নাজমুলের এবার নতুন পরিচয়ে রাজনীতিতে অভিষেক সুনামগঞ্জে জসীমউদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ নিয়ে পাঠচক্র
Advertisement