খুঁজুন
, ,

সাজেক রুটে পাল্টাপাল্টি অবরোধে স্থবির যান চলাচল, চরম ভোগান্তিতে পর্যটক ও স্থানীয়রা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
সাজেক রুটে পাল্টাপাল্টি অবরোধে স্থবির যান চলাচল, চরম ভোগান্তিতে পর্যটক ও স্থানীয়রা

রাঙামাটির পর্যটন এলাকা সাজেকের সাথে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা আবারো বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সাজেকগামী দীঘিনালা-সাজেক-বাঘাইছড়ি সড়কে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে যান চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে। মূলত দুটি সংগঠনের ডাকা পূর্বনির্ধারিত অবরোধ কর্মসূচি একদিনের জন্য শিথিল করার ঘোষণা এলেও, নতুন করে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের ডাকা ধর্মঘটের কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্র ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সাজেক সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার কোনো লক্ষণ আপাতত দেখা যাচ্ছে না। এর ফলে সাজেক ভ্রমণে আসা অসংখ্য পর্যটক আটকা পড়েছেন এবং স্থানীয় বাসিন্দারা যাতায়াত করতে গিয়ে নানামুখী সংকটে পড়েছেন। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পর্যটকদের আনাগোনা বেশি থাকায় এই অবরোধের নেতিবাচক প্রভাব আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে মূলত বিভিন্ন সংগঠনের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে। সাজেক রুটে গাড়ি চালক ও শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার দাবিতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। রোববার সকাল থেকেই এই ধর্মঘট কার্যকর হয়েছে, যার ফলে দীঘিনালা থেকে সাজেক এবং বাঘাইছড়ি পর্যন্ত কোনো ধরনের যানবাহন চলতে দেখা যায়নি। ধর্মঘট আহ্বানকারী সংগঠনের দাবি, তাদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবিগুলো বারবার উপেক্ষিত হওয়ার কারণে তারা কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এর আগে সাজেক সড়কে যে অবরোধ চলছিল, সেটি শিথিল করার ঘোষণা আসার পরপরই পরিবহন শ্রমিকদের এই পাল্টা কর্মসূচি সড়কে নতুন করে অচলাবস্থা তৈরি করেছে।

তবে আন্তজেলা যোগাযোগের ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রাঙামাটি থেকে খাগড়াছড়িসহ বিভিন্ন জেলায় যাত্রীবাহী বাস চলাচল আপাতত স্বাভাবিক রয়েছে। শুধুমাত্র সাজেক রুটের নির্দিষ্ট অংশেই এই অচলাবস্থা বিদ্যমান। হঠাৎ করে এমন ধর্মঘটের ঘোষণায় পর্যটন ব্যবসার সাথে জড়িত স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। পর্যটন মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনেক পর্যটক গাড়ি না পেয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়ে ফেরত যেতে বাধ্য হচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করলেও এখনো কোনো সুরাহা মেলেনি।

সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেক উপত্যকায় আটকা পড়া পর্যটকদের খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যারা দুর্গম এলাকায় অবস্থান করছেন, তারা নিরুপায় হয়ে পড়েছেন। নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথা জানানো হয়েছে, তবে কবে নাগাদ এই অচলাবস্থা কেটে যাবে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। স্থানীয় জনগণ ও ভুক্তভোগী পরিবহন চালকরা সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আসার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগ দ্রুত নিরসন করা সম্ভব হয়। যাত্রী ও পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সমাধানের পথ খোঁজার তাগিদ দিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

মিরপুরে পরিস্থিতির উন্নতি, স্বাভাবিক যান চলাচল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
   
মিরপুরে পরিস্থিতির উন্নতি, স্বাভাবিক যান চলাচল

দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার অস্থিরতা ও উত্তেজনার পর অবশেষে মিরপুরের পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। পোশাক শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়া সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সকাল থেকে এলাকাটিতে যে থমথমে ভাব বিরাজ করছিল, বর্তমানে তা কেটে গেছে এবং সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকালের দিকে হঠাৎ করেই মিরপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এক পর্যায়ে এই বিক্ষোভ থেকে সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এর ফলে রাজধানী ঢাকার এই অন্যতম ব্যস্ত এলাকায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে আশপাশের এলাকাগুলোতেও। টানা কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা দফায় দফায় সংঘর্ষের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তির শিকার হন কর্মজীবী ও সাধারণ যাত্রীরা।

পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে নামে। তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। শ্রমিকদের শান্ত করার পাশাপাশি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা বিপুল সংখ্যায় মোতায়েন করা হয়। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বিক্ষোভকারীরা সড়ক থেকে সরে যাওয়ার পরই মূলত যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়। বর্তমানে মিরপুরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সড়কে যেন নতুন করে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল দিচ্ছে এবং তল্লাশি চালাচ্ছে।

সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করে তাদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার জানিয়েছেন যে, পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পোশাক শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে কোনো সংঘাত যেন বড় কোনো অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে না পারে, সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে যারা সরাসরি জড়িত ছিল, তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য বিশেষ তৎপরতা চালাচ্ছে দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহিনী।

এদিকে সড়ক স্বাভাবিক হওয়ার পর মিরপুরের জনজীবন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় খুলতে দেখা গেছে। গণপরিবহন চলাচল শুরু করায় দীর্ঘ ভোগান্তির অবসান ঘটেছে। তবে এলাকাটি জুড়ে এখনও পুলিশের কড়া নজরদারি লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হঠাৎ করে শুরু হওয়া এই বিশৃঙ্খলায় তারা বেশ ভীত ছিলেন, তবে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় এখন কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। আপাতত মিরপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরবর্তী যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন অব্যাহত রাখা হয়েছে।

আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় শিবচরে জামায়াত নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
   
আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় শিবচরে জামায়াত নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর এক স্থানীয় নেতাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাইজুল ইসলাম নামের ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয়রা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এই ঘটনার জেরে রবিবার সকালে উপজেলার নিলখী ইউনিয়নের পশ্চিম চরকামারকান্দি গ্রামে তাইজুল ইসলামের বসতবাড়িতে হামলা চালানো হয়। উত্তেজিত জনতা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে গুঁড়িয়ে দেন।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, তাইজুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর নিলখী ইউনিয়ন শাখার একজন সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে তাকে নিয়ে একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়লে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। রবিবার সকালে শত শত নারী-পুরুষ সংঘবদ্ধ হয়ে ওই জামায়াত নেতার বাড়িতে চড়াও হন। এক পর্যায়ে তারা বাড়িটি ঘিরে ফেলে ভাঙচুর শুরু করেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা একাধিক ব্যক্তি জানান, পরিস্থিতি এক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং বিক্ষুব্ধ মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে ভাঙচুর চালায়। এ সময় ওই নেতা ও তার পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে দেখা যায়নি। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ জড়ো হয়ে ওই নেতার কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুরের মাধ্যমে তাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। ঘটনার আকস্মিকতায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনো মামলার তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে জনমনে এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক নেতা হওয়া সত্ত্বেও এমন একটি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ স্থানীয়রা মেনে নিতে পারছেন না। অভিযুক্ত ওই নেতা ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও গ্রামজুড়ে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি না, তা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নানা গুঞ্জন চলছে। তবে কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেয়নি।

এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণ প্রক্রিয়া শুরু: আবেদনের সময়সীমা ও বিস্তারিত নির্দেশিকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
   
এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণ প্রক্রিয়া শুরু: আবেদনের সময়সীমা ও বিস্তারিত নির্দেশিকা

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণ বা উত্তরপত্র পুনরায় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য এই আবেদনের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। যারা পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট নন অথবা যাদের প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে কোনো সংশয় রয়েছে, তারা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বোর্ড নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ফল পুনর্নিরীক্ষণের এই আবেদন প্রক্রিয়া আজ ১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এই সুবিধার আওতায় আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে তাদের আবেদন জমা দিতে পারবেন। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে। তাই আগ্রহীদের অবশ্যই এই সময়ের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদনের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল এবং অনলাইনভিত্তিক করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের আবেদনের জন্য শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট লিঙ্কে গিয়ে শিক্ষার্থীর রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে ইনপুট দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর প্রদর্শিত নির্দেশিকা অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করে আবেদন সম্পন্ন করা যাবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য বোর্ডের নির্ধারিত ফি বা চার্জ অনলাইনে বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এই পুনর্নিরীক্ষণ বা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে। অনেকে দেখা যায় পরীক্ষার সময় যেমনটি আশা করেছিলেন, মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সে অনুযায়ী নম্বর পাননি। এ ধরনের জটিলতা নিরসনে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে শিক্ষা বোর্ডগুলো এই প্রক্রিয়াটি সহজতর করেছে। বোর্ডের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, আবেদনকারীদের প্রতিটি খাতার নম্বর পুনরায় যাচাই করা হবে এবং কোনো অসামঞ্জস্য পাওয়া গেলে তা সংশোধন করে ফলাফল আপডেট করা হবে।

শিক্ষার্থীদের সতর্ক করা হয়েছে যে, আবেদন করার সময় রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর যেন নির্ভুলভাবে দেওয়া হয়। কোনো ধরনের ভুল তথ্যের কারণে আবেদন প্রক্রিয়া বাতিল হয়ে যেতে পারে। এছাড়া মোবাইল নম্বর সঠিকভাবে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে, যাতে পরবর্তীতে বোর্ডের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য বা আপডেট থাকলে তা সহজেই শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানো যায়। আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো সমস্যায় পড়লে শিক্ষার্থীরা সরাসরি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের হেল্পলাইন বা ওয়েবসাইটের সহায়তায় যোগাযোগ করতে পারবেন।

পরীক্ষার খাতা পুনরায় দেখার এই সুযোগ শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় ইতিবাচক দিক। যদিও এর মাধ্যমে কেবল প্রাপ্ত নম্বর যোগফল বা বাদ পড়া প্রশ্নের উত্তরের মূল্যায়ন পুনরায় পরীক্ষা করা হয়, এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি আস্থার জায়গা তৈরি করে। সাত দিনের এই সময়সীমার মধ্যে যারা পুনর্নিরীক্ষণ করতে ইচ্ছুক, তাদের দ্রুততার সাথে আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দিচ্ছে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ। আশা করা হচ্ছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ফলাফল সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ
মিরপুরে পরিস্থিতির উন্নতি, স্বাভাবিক যান চলাচল আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় শিবচরে জামায়াত নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণ প্রক্রিয়া শুরু: আবেদনের সময়সীমা ও বিস্তারিত নির্দেশিকা চোটের কারণে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে ছিটকে গেলেন রোনান সুলিভান সাজেক রুটে পাল্টাপাল্টি অবরোধে স্থবির যান চলাচল, চরম ভোগান্তিতে পর্যটক ও স্থানীয়রা রাজনৈতিক দলগুলোতে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের সংকট: মনোনয়ন বাণিজ্য ও পারিবারিক নেতৃত্বের আধিপত্য মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিকাণ্ড মিরপুর‑১০-এ শ্রমিকদের প্রতিবাদে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটন মৌসুমের সূচনা, তবে জাহাজ চলাচল এখনও স্থগিত ইরান তেহরান থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে হামলার হুমকি, নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে
Advertisement