খুঁজুন
, ,

সংসদের আসন্ন অধিবেশনেই পাস হবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ আইন

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
সংসদের আসন্ন অধিবেশনেই পাস হবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ আইন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চলমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে, যা সংসদের আসন্ন অধিবেশনেই পাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে এবং গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সহজতর করতে এই আইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতের যে বৈশ্বিক সংকট চলছে, তা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদী বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। এর মধ্যেই সৌরবিদ্যুৎ আইনটি অন্যতম একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং সরবরাহের ঘাটতি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হচ্ছে। সরকার চেষ্টা করছে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখার জন্য, তবে রাতারাতি সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে রাখার কাজ চলমান রয়েছে। ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকরা নিজস্ব ব্যবহারের পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে বাড়তি বিদ্যুৎ প্রদানের সুযোগ পাবেন, যা বিদ্যুৎ খাতের ওপর চাপ অনেকাংশে কমিয়ে আনবে। এই উদ্দেশ্যে একটি সুনির্দিষ্ট আইন কাঠামোর অভাব ছিল, যা নতুন আইন পাসের মধ্য দিয়ে পূরণ করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই আইনটি পাস হলে বাড়ির ছাদে বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনের ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা অনেক কমে আসবে। বিদ্যুৎ গ্রাহকরা উৎসাহিত হবেন এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন নতুন বিনিয়োগ তৈরি হবে। সরকারি ও বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগে এই খাতটি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। সরকার কেবল বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে না, বরং ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র আকারে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সংস্কৃতিকেও উৎসাহিত করছে। এটি একদিকে যেমন পরিবেশবান্ধব, অন্যদিকে সাশ্রয়ী।

আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতের সংস্কারের যে প্রক্রিয়া চলমান, সেটির অংশ হিসেবেই এই সৌরবিদ্যুৎ আইনকে দেখা হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খসড়া আইনে সৌরবিদ্যুতের নেট মিটারিং পদ্ধতিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সহজ করা হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকরা সহজেই উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে পারবেন। সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী কয়েক বছরের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা। মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও উল্লেখ করেন যে, সরকারি পর্যায়ে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য নিরলসভাবে কাজ চলছে এবং নতুন আইনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হবে। সংসদের আসন্ন অধিবেশন শুরুর আগে আইনের চূড়ান্ত খসড়া নিয়ে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশে একটি সবুজ ও টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পথে সরকার আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রতিটি নাগরিকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা জরুরি: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রতিটি নাগরিকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা জরুরি: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ

ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং সামাজিকভাবে সচেতনতা তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি মনে করেন, এডিস মশার বিস্তার রোধে প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণ এবং নিজের ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা অপরিহার্য। শনিবার মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর আয়োজনে মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উপলক্ষে একটি বিশেষ রেলি অনুষ্ঠিত হয়। রেলি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু বর্তমানে একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। তিনি প্রতিটি পরিবারকে তাদের আঙিনা এবং বাসস্থানের চারপাশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখার অনুরোধ জানান। জমে থাকা স্বচ্ছ পানি এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে, তাই পানির আধারগুলো ঢেকে রাখা বা নিয়মিত পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকেও এই মশা নিধন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে এগিয়ে আসতে হবে। শুধু সরকারি দপ্তরের অপেক্ষায় না থেকে পাড়ায় পাড়ায় এবং নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা গেলে মশার উপদ্রব অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকেও রোগীদের যথাযথ পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, চিকিৎসক এবং ড্যাব-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা একযোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়ার কথা জানান। ডেঙ্গু রোগীদের সেবায় হাসপাতালগুলোতে যে ব্যবস্থাপনা রয়েছে, তা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম, তাই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য যে, বর্ষা পরবর্তী সময়ে মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের সরব উপস্থিতি এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে সহায়তা করবে বলে আয়োজকরা মনে করছেন। আগামী দিনগুলোতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ কমিয়ে আনতে নিয়মিত মশক নিধন অভিযান এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেন উপস্থিত বক্তারা। প্রতিমন্ত্রী সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন।

বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব সম্পন্ন, চূড়ান্ত লড়াই নভেম্বরের শেষে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব সম্পন্ন, চূড়ান্ত লড়াই নভেম্বরের শেষে

দেশজুড়ে মেধা ও বিজ্ঞানের জয়গান গাওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব। বিজ্ঞানমনস্ক নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উচ্চমাধ্যমিক এবং এ-লেভেল পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। রসায়ন বিষয়ের জটিল বিষয়গুলোকে সহজভাবে উপস্থাপন এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে এই বিষয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরির উদ্দেশ্যেই মূলত প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের রসায়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রতিটি কেন্দ্রে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে এই আসর বসানো হয়েছিল। অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে মেধার ভিত্তিতে সেরা দশজন করে শিক্ষার্থীকে প্রতিটি কেন্দ্রে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। বিজয়ী এই শিক্ষার্থীদের হাতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সনদ ও পদক তুলে দেওয়া হয়।

আঞ্চলিক পর্যায়ে যারা শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে, তারা এখন পরবর্তী ধাপের অপেক্ষায়। অলিম্পিয়াড সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আঞ্চলিক পর্বের সফল সমাপ্তির পর এবার চূড়ান্ত পর্বের দিকে নজর সবার। প্রতিযোগিতার জাতীয় বা চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ নভেম্বর। এই চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়া মেধাবীরাই শেষ পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ পাবেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, আঞ্চলিক পর্বের মতো চূড়ান্ত পর্বেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও বিজ্ঞানের প্রতি তাদের ভালোবাসা একই রকম থাকবে।

মূলত রসায়ন অলিম্পিয়াড কেবল একটি প্রতিযোগিতাই নয়, এটি শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানের গভীরে যাওয়ার একটি প্ল্যাটফর্ম। পাঠ্যবইয়ের সীমাবদ্ধ গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তব জীবনে রসায়নের প্রয়োগ এবং এর সৌন্দর্য নিয়ে কাজ করার সুযোগ পায় শিক্ষার্থীরা। এই ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা। আঞ্চলিক পর্বে যারা উত্তীর্ণ হতে পারেনি, তাদেরও দমে না গিয়ে ভবিষ্যতে আরও ভালো প্রস্তুতির মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগামী ২৮ নভেম্বরের চূড়ান্ত পর্বকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই শুরু হয়েছে জোর প্রস্তুতি। আয়োজক কমিটি চূড়ান্ত পর্বের বিস্তারিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে যাতে কোনো অসংগতি ছাড়াই পুরো আয়োজন সম্পন্ন করা যায়। দেশের ভবিষ্যতের রসায়নবিদ বা বিজ্ঞানীরা যেন এই অলিম্পিয়াডের মাধ্যমেই নতুন পথ খুঁজে পায়, সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াড তার পথচলা অব্যাহত রেখেছে। বিজ্ঞানচর্চার এই সংস্কৃতি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াস হিসেবেই এই প্রতিযোগিতাকে দেখছেন আয়োজক কমিটির সদস্যরা। চূড়ান্ত পর্ব শেষে বিজয়ীদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থাও থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এখন সকলের দৃষ্টি আগামী ২৮ নভেম্বরের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের দিকে, যখন নির্ধারিত হবে কে হবে এবারের রসায়ন অলিম্পিয়াডের সেরা প্রতিযোগী।

রাজধানীতে জরুরি সেবার কলে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
রাজধানীতে জরুরি সেবার কলে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে পাওয়া একটি সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের একটি টহল দলের সদস্যরা। দুর্বৃত্তদের হামলায় পুলিশের সরকারি পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন গাড়ির চালক। এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তৎপর হয়ে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন জরুরি সেবার নম্বরে কল পেয়ে হাজারীবাগ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে দ্রুত উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপরাধীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং পুলিশের টহল দলের ওপর চড়াও হয়। এসময় ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ও বিভিন্ন বস্তু ব্যবহার করে সরকারি গাড়িটির ব্যাপক ক্ষতিসাধন করা হয়। হামলায় দায়িত্ব পালনরত গাড়িচালক গুরুতর জখম হন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার আকস্মিকতায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং দ্রুত অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

তদন্তের সূত্র ধরে হাজারীবাগ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. বিল্লাল হোসেন সানি, আফসানা আক্তার রিয়া, ফাতেমা আক্তার সনিয়া, মো. রুবেল মাজি ওরফে রড রুবেল এবং মাইদুল ইসলাম তামিম। এদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেও অভিযোগ রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। জরুরি সেবার কর্মীরা যখন জনগণের সুরক্ষায় কাজ করছেন, তখন তাদের ওপর এ ধরনের আক্রমণ জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃতদের থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার পেছনের মূল উদ্দেশ্য উদঘাটনে কাজ করছে তদন্তকারী দল। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সাথে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পর বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে জানানো হবে। এই ঘটনায় এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

সর্বশেষ
ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রতিটি নাগরিকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা জরুরি: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব সম্পন্ন, চূড়ান্ত লড়াই নভেম্বরের শেষে রাজধানীতে জরুরি সেবার কলে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ স্কুল ত্যাগ করে কারখানায় কাজ করা ঝোউ চুনফেই, চীনের শীর্ষ ধনী নারী সংসদের আসন্ন অধিবেশনেই পাস হবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ আইন নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফ ও দীপের শেষ সাত ঘণ্টার রহস্য উচ্চশিক্ষায় ভর্তিতে আসন সংকট হবে না: আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর উত্তরায় তাহসিফ সাউরির নতুন সিসিটিভি ফুটেজ রাজপথে সক্রিয় বিরোধী জোট: বিভাগীয় পর্যায়ে লং মার্চ কর্মসূচিতে উত্তপ্ত রাজনীতি মুমতাহিনা টয়া ও বন্ধুরা লালাখালে আনন্দময় ভ্রমণ, ৮টি ছবি প্রকাশ
Advertisement