খুঁজুন
, ,

আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেখানে

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ
আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেখানে

অক্টোবর মাসের শেষ দিনটিতে খেলাধুলার দুনিয়ায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের জন্য টেলিভিশনের পর্দায় আজ থাকছে বেশ জমজমাট সব আয়োজন। যারা ঘরের বসে সরাসরি খেলা উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য আজকের দিনের সূচিটি বেশ আকর্ষণীয়। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ এবং ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল ম্যাচটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ কাজ করছে।

ক্রিকেট বিশ্বের বড় আসরগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্ট সিরিজের লড়াই আজ চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। দুই দলের লড়াইয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তটি দেখার জন্য ক্রিকেট ভক্তদের চোখ থাকবে টেলিভিশনের পর্দায়। ম্যাচটির গতিপথ কোন দিকে মোড় নেয় এবং খেলোয়াড়রা আজ কেমন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন ভক্তরা। খেলাটি সরাসরি উপভোগ করা যাবে টি স্পোর্টস চ্যানেলে, বাংলাদেশ সময় সকাল নয়টা ত্রিশ মিনিটে।

টেস্ট ক্রিকেটের পাশাপাশি আজ আরও একটি বড় উত্তেজনার নাম ত্রিদেশীয় সিরিজ। আজ এই সিরিজের চূড়ান্ত ফয়সালার দিন। ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। দুই শক্তিশালী দলের লড়াইয়ে শিরোপা কার হাতে ওঠে, তা দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। দুই দলেরই সাম্প্রতিক ফর্ম বেশ ভালো হওয়ায় একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের প্রত্যাশা করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। এই ফাইনাল ম্যাচটি সরাসরি উপভোগ করা যাবে বিকেল পাঁচটা থেকে।

টেলিভিশনের পর্দায় প্রতিদিনের মতো আজও খেলাধুলার এই সরাসরি সম্প্রচারগুলো দর্শকদের জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতার খোরাক যোগাবে। যারা ঘরে বসে খেলার আমেজ নিতে চান, তাদের জন্য এই ম্যাচগুলো মিস করার মতো নয়। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে খেলাগুলো যেহেতু গুরুত্বপূর্ণ, তাই সম্প্রচারের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতায় থাকছে সংশ্লিষ্ট চ্যানেলগুলো। খেলাধুলা মানেই আনন্দ আর উত্তেজনা, আর সেই আনন্দের সঙ্গী হতে আজকের সূচিটি নজরে রাখা প্রয়োজন।

তবে খেলাধুলার এই সূচি অনেক সময় চ্যানেল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে। তাই দর্শকদের অনুরোধ করা হচ্ছে, খেলা শুরুর ঠিক আগে সংশ্লিষ্ট চ্যানেলগুলোর আপডেট দেখে নেয়ার জন্য। তাছাড়া, বৃষ্টির বাগড়া বা প্রতিকূল আবহাওয়া খেলা শুরুর ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি না করলে সূচি অনুযায়ীই ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে আজকের দিনটি ক্রিকেট ভক্তদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি উৎসবের দিন হতে যাচ্ছে।

রাজধানীর কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণ: আটক চার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২০ পূর্বাহ্ণ
   
রাজধানীর কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণ: আটক চার

রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণের মতো একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রাস্তায় হঠাৎ বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সন্দেহভাজন চার ব্যক্তিকে আটক করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই এলাকাটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

কলাবাগান থানার দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডের আশেপাশের এলাকায় আকস্মিক এই ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশের সড়কে হঠাৎ বেশ কয়েকটি ককটেল ছুড়ে মারা হয়। এ সময় বিকট শব্দে ককটেলগুলো বিস্ফোরিত হতে থাকলে পথচারী এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে কলাবাগান থানা পুলিশের একটি দল।

থানা পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পরপরই পুলিশ দ্রুত তৎপরতা শুরু করে। ঘটনাস্থলের আশেপাশে তল্লাশি চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার মূল রহস্য এবং কারা এর পেছনে জড়িত তা বের করার চেষ্টা চলছে। আটককৃতদের নাম-পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কোনো বড় ধরনের নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।

ঘটনার পরপরই এলাকাটি ঘিরে ফেলে পুলিশ। ঘটনাস্থলের আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার কাজ চলছে বলে জানা গেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়েছেন কি না তা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জনমনে স্বস্তি ফেরাতে পুলিশের টহল দল নিয়মিত টহল দিচ্ছে এবং সন্দেহজনক কাউকে দেখলেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

ব্যস্ততম সময়ে এ ধরনের ঘটনা জননিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের বিষয়। তবে পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ এবং সক্রিয়তায় বড় কোনো বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন। ঘটনার মূল কারণ এবং অপরাধীদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এছাড়া, এই ককটেলগুলো কোথা থেকে এলো এবং এর পেছনে অন্য কোনো বড় পরিকল্পনা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

কলাবাগান এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। যেকোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তুর উপস্থিতি লক্ষ্য করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় খবর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নগরীর শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের এই বিশেষ কার্যক্রম আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, বিস্ফোরণের শব্দে স্থানীয় বাসিন্দারা কিছুটা আতঙ্কিত হলেও বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে জনজীবন অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসতে শুরু করেছে। তবে বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রাস্তাগুলোতে পুলিশের বাড়তি সতর্কাবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। পুরো বিষয়টি এখন তদন্তাধীন থাকায় কোনো তথ্যই এড়িয়ে যাচ্ছে না পুলিশ। এই ঘটনার পর রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে যাতে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল অস্থিরতা তৈরির সুযোগ না পায়।

লন্ডনে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে ধরিয়ে দিতে বড় পুরস্কার ঘোষণা পুলিশের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
লন্ডনে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে ধরিয়ে দিতে বড় পুরস্কার ঘোষণা পুলিশের

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের একটি স্পর্শকাতর যৌন নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, পলাতক এই দুই ব্যক্তিকে ধরিয়ে দিতে সাহায্যকারীকে দশ হাজার পাউন্ডের আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হবে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই মামলার তদন্তে নতুন গতি আনতে পুলিশ এই বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে ২০২৪ সালে পূর্ব লন্ডনের একটি এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, সে সময় এক ভয়াবহ যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনার তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকেই মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দারা অভিযুক্তদের শনাক্ত করার কাজ চালিয়ে আসছিলেন। ব্যাপক তদন্ত ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তারা দুই ব্যক্তির নাম ও পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন ৩৪ বছর বয়সী জাহিদুল হাসান জায়গিরদার এবং ৩১ বছর বয়সী শওকত।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, অপরাধের ঘটনার পরপরই এই দুই ব্যক্তি লন্ডনের অবস্থান থেকে সটকে পড়েন। গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে যে, তারা কেবল যুক্তরাজ্যই ছাড়েননি, বরং ইতিমধ্যে বাংলাদেশসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আত্মগোপন করেছেন। তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার আশায় পুলিশ এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সহযোগিতা কামনা করছে।

মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অপরাধীদের বিচারিক কাঠামোর আওতায় আনার জন্য তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। অভিযুক্তরা যেন কোনোভাবেই আইনের হাত থেকে রেহাই না পায়, সেজন্যই জনসাধারণের কাছে এই বড় অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য পুলিশের বিশ্বাস, এই ঘোষণা সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করবে এবং তাদের কাছে থাকা কোনো তথ্য যদি তদন্তে সাহায্য করে, তবে প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার করা সহজতর হবে।

পুলিশের এই বিশেষ অভিযানে লন্ডনের প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও উদ্বেগ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সুনাম ও নিরাপত্তার প্রশ্নে এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন। পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযান অত্যন্ত সংবেদনশীল। যেকোনো ব্যক্তি যদি অভিযুক্তদের বিষয়ে সঠিক তথ্য দিতে পারেন, তবে তিনি পুলিশের দেওয়া ঘোষিত এই আর্থিক পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন।

বর্তমানে মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি বিশেষ দল এই মামলার তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন। তারা অভিযুক্তদের বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করতে আন্তঃরাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, অপরাধী যেই হোক, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পলাতক ব্যক্তিদের ছবি এবং পরিচয় ব্যাপকভাবে প্রচার করা হচ্ছে যাতে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে কেউ তাদের দেখে থাকলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে পারেন। এই পুরস্কারের মাধ্যমে মামলার জট দ্রুত উন্মোচিত হবে বলে আশা করছে পুলিশ।

নেসেটে শপথের প্রথম দিনেই স্পিকার ওহানাকে সরানোর পরিকল্পনা বিরোধীদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
নেসেটে শপথের প্রথম দিনেই স্পিকার ওহানাকে সরানোর পরিকল্পনা বিরোধীদের

ইসরায়েলের রাজনীতিতে ফের নতুন উত্তেজনার আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটে আগামী ১০ নভেম্বর নতুন সদস্যদের শপথ গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। এই দিনটিকে কেন্দ্র করেই প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরোধীরা এক অভিনব কৌশল গ্রহণ করেছে। বিরোধী জোটের মূল লক্ষ্য হলো, নতুন নেসেট কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিনেই বর্তমান স্পিকার আমির ওহানাকে তার পদ থেকে অপসারণ করা। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা ইতিমধ্যে পারস্পরিক সমঝোতায় পৌঁছেছে।

নেতানিয়াহুর বর্তমান প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ লিকুদ পার্টির নেতা আমির ওহানার বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। তবে সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক দাবার চাল যখন জমে উঠেছে, ঠিক তখনই এমন একটি কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তারা শাসক গোষ্ঠীকে কোণঠাসা করার বার্তা দিতে চাইছে। বিরোধী পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নেসেট অধিবেশন শুরুর পরপরই স্পিকার পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তাদের দাবি, বর্তমান স্পিকার সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে নিরপেক্ষতা বজায় রাখছেন না, যার ফলে পার্লামেন্টের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

এই অভূতপূর্ব উদ্যোগে শামিল হয়েছে বিভিন্ন ঘরানার বিরোধী দল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চেঞ্জ ব্লকভুক্ত বেশ কিছু রাজনৈতিক দল। ইসরায়েল বেইতেনু, দ্য ডেমোক্রেটস এবং যেশারসহ আরও কিছু ছোট-বড় দলের সমন্বয়ে গঠিত এই জোটটি দীর্ঘদিন ধরেই নেতানিয়াহু সরকারের নানা নীতির সমালোচনা করে আসছে। শুধু তাই নয়, আরব নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট লিস্ট এবং রামের মতো দলগুলোও এই পরিকল্পনাকে সমর্থন জানিয়েছে। সাধারণত ইসরায়েলি রাজনীতিতে আরব দলগুলোর সাথে মূলধারার বিরোধী দলগুলোর কৌশলগত ঐকমত্য খুব একটা দেখা যায় না। কিন্তু স্পিকার অপসারণের ইস্যুতে যেভাবে তারা এক কাতারে শামিল হয়েছে, তা ইসরায়েলি রাজনীতির সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এটি শুধু স্পিকার অপসারণের বিষয় নয়, বরং এটি নেতানিয়াহুর প্রতি অনাস্থা প্রকাশের একটি বড় লক্ষণ। যদি বিরোধীরা প্রথম দিনেই এমন একটি সফল মোশন বা প্রস্তাব আনতে পারে, তবে তা প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিকভাবে বড় ধরনের ধাক্কা হবে। বিশেষ করে যখন সরকার গঠন প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত রূপ পায়নি এবং জোট শরিকদের সাথে দেনদরবার চলছে, এমন পরিস্থিতিতে পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয় শাসক দল লিকুদ পার্টির অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে লিকুদ পার্টির পক্ষ থেকে এখনো সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও নেসেটের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এটি বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলো মনে করছে, যদি স্পিকারের মতো সাংবিধানিক পদে তাদের পছন্দমতো কাউকে বসানো সম্ভব হয়, তবে পরবর্তী আইন প্রণয়ন ও পার্লামেন্টারি তদন্ত কমিটিগুলোতে তাদের প্রভাব বাড়বে।

আগামী ১০ নভেম্বরের সেই অধিবেশনটি ইসরায়েলি রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে শপথ গ্রহণ এবং স্পিকার পরিবর্তনের নাটকীয়তা সেখানে দেখা যেতে পারে। বিরোধী দলগুলোর এই একাট্টা অবস্থান শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর হয় এবং শাসক দল কীভাবে পাল্টা কৌশল অবলম্বন করে, তা দেখার অপেক্ষায় এখন পুরো দেশ। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট, নতুন নেসেটের সূচনা হতে যাচ্ছে চরম রাজনৈতিক রেষারেষি এবং ক্ষমতার লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে। কোনো পক্ষই একে অপরকে ছাড় দিতে নারাজ এবং আগামী দিনগুলোতে পার্লামেন্টের ভেতরে বড় ধরনের বিতর্কের সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে।

সর্বশেষ
রাজধানীর কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণ: আটক চার লন্ডনে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে ধরিয়ে দিতে বড় পুরস্কার ঘোষণা পুলিশের নেসেটে শপথের প্রথম দিনেই স্পিকার ওহানাকে সরানোর পরিকল্পনা বিরোধীদের ইসরায়েলের নতুন পার্লামেন্টে প্রথম দিনেই স্পিকার অপসারণের পরিকল্পনা বিরোধীদের গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে রবিবার থেকে কার্যকর হবে নতুন বোর্ড আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেখানে প্রাপ্তবয়স্কদের বিচার ও পারিবারিক জটিলতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব প্রভা বিজ্ঞাপনে এআই প্রযুক্তির প্রভাব, গুগলের বাজারমূল্যে বড় ধাক্কা কুকুর পোষা ও ইসলাম: প্রচলিত ধারণার বাস্তবতা ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি কক্সবাজারের উখিয়া ইনানীতে গ্যাসের আগুন জ্বলে, পেট্রোবাংলা রিলিফ কূপের পরিকল্পনা জানাল
Advertisement