খুঁজুন
, ,

দুবাই ও দাম্মাম রুটে বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইট স্থগিত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
দুবাই ও দাম্মাম রুটে বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইট স্থগিত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত

যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতির বিবেচনায় ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনার সময়সীমা আরও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই রুটে তাদের সব ফ্লাইট আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন এলাকায় অস্থিরতা ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় পতাকাবাহী এই সংস্থাটি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি গন্তব্যে নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই আকাশপথের রুটগুলোতে সাময়িক বিরতি টানা হয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার প্রেক্ষিতেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষকে। যাত্রী সাধারণের যেকোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতে এবং ফ্লাইট চলাচলের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার মানদণ্ড বজায় রাখতেই এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস নিয়মিতভাবে ঢাকা থেকে রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। এই রুটে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি যাতায়াত করেন, যার ফলে ফ্লাইট বাতিলের এই সিদ্ধান্তে প্রবাসীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হতে পারে। তবে বিমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সাথে সাথেই পুনরায় নিয়মিত সূচি অনুযায়ী ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করা হবে। যেসব যাত্রীদের টিকিট আগে থেকে বুকিং করা আছে, তাদের সাথে এয়ারলাইনসের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে অথবা তাদের সুবিধামতো পরবর্তী ফ্লাইটে ভ্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।

বিমান কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, সৌদি আরবের আকাশপথ ও বিমানবন্দরের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর তাদের নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি রয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে এবং নিরাপত্তার বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া মাত্রই ফ্লাইট চলাচলের তারিখ এগিয়ে আনা হতে পারে বা পুনরায় নিয়মিত সূচি কার্যকর করা হবে। তবে আপাতত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত কোনো ফ্লাইট ঢাকা থেকে রিয়াদ কিংবা দাম্মামের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে না। এই সময়ের মধ্যে যারা সৌদি আরবে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, তাদের বিকল্প ব্যবস্থা বা পরবর্তী নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী বৈশ্বিক উত্তেজনার ফলে বিভিন্ন এয়ারলাইনস এখন নিয়মিত রুট ও সূচি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতামূলক অবস্থান গ্রহণ করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের রুটে নিরাপত্তার মানদণ্ড নিয়ে কোনো ধরনের ছাড় দিতে রাজি নয় কর্তৃপক্ষ। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসও সেই একই নীতি অনুসরণ করে নিজেদের যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। ফ্লাইট স্থগিতের এই সময়কালে সংশ্লিষ্ট রুটগুলোতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং পরিস্থিতি কীভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে নিয়মিত আপডেট দেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে। প্রবাসী যাত্রী ও তাদের স্বজনদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে এই পরিস্থিতি সামলে ওঠার জন্য।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ২৯ অক্টোবর প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ২৯ অক্টোবর প্রকাশ

মন্ত্রিপরিষদ শিক্ষা বিভাগ আজ (২৪ অক্টোবর) জানিয়েছে যে, উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ২৯ অক্টোবর প্রকাশ করা হবে। ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীরা তাদের মার্কশিট অনলাইনে ডাউনলোড করতে পারবে এবং টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে ফলাফল প্রকাশের লাইভ কভারেজ থাকবে। ফলে, ঘরে বসে ফলাফল জানার সুবিধা পাবেন লক্ষাধিক শিক্ষার্থী।

প্রতিবেদন অনুসারে, এইবার ফলাফল প্রকাশের প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সরকারী ফলাফল পোর্টাল, মোবাইল অ্যাপ ও নির্ধারিত টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে তাদের রোল নম্বর প্রবেশ করিয়ে ফলাফল দেখতে পারবে। এছাড়া, মার্কশিটের পূর্ণাঙ্গ বিবরণও একই সময়ে ডাউনলোডের জন্য উপলব্ধ থাকবে, যা পূর্বের তুলনায় অধিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের মতে, এইবার ফলাফল প্রকাশের সময়সূচি পূর্বের বছরের তুলনায় দ্রুত নির্ধারিত হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও চাকরির আবেদন প্রক্রিয়ায় সময়মতো প্রস্তুতি নিতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, মোট প্রায় ১.৪ কোটি শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে এবং ফলাফল প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি, বৃত্তি ও চাকরির আবেদন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে।

প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ হটলাইন চালু করা হবে, যেখানে ফলাফল সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দ্রুত প্রদান করা হবে। এছাড়া, ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন সেমিনারও আয়োজন করা হবে, যেখানে ফলাফল বিশ্লেষণ ও পরবর্তী শিক্ষাগত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে।

এইচএসসি ফলাফল প্রকাশের আগে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভিন্ন মাধ্যমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি নির্দেশনা দিয়েছে। বিশেষ করে, ফলাফল যাচাইয়ের সময় রোল নম্বর ও নামের সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য সতর্কতা প্রকাশ করা হয়েছে। তাছাড়া, ফলাফল প্রকাশের পর যদি কোনো ত্রুটি বা আপত্তি থাকে, তবে তা সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে।

শিক্ষা ক্ষেত্রের বিশ্লেষকরা বলছেন, ফলাফল প্রকাশের এই স্বচ্ছ ও দ্রুত পদ্ধতি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তারা আশা করছেন যে, এই উদ্যোগের ফলে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে এবং উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের পথে তাদের প্রস্তুতি আরও সুসংগঠিত হবে।

সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পতন, অস্বীকার হুথিদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পতন, অস্বীকার হুথিদের

সৌদি আরবের পবিত্র দুই নগরী মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাতপরিচয় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ার ঘটনা ঘটেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘটনাটি নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় নিরাপত্তা সূত্র ও গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, আকাশে কোনো একটি বস্তু ধ্বংস হওয়ার পর এর টুকরোগুলো মাটিতে আছড়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইয়েমেনভিত্তিক হুথি বিদ্রোহীরা এই ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করেছিল। সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে সেটিকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার আগেই আকাশে প্রতিহত বা ধ্বংস করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের আকাশসীমায় এই ধরণের অনাকাঙ্ক্ষিত বস্তু পড়ার বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মক্কা ও মদিনার মতো অত্যন্ত সুরক্ষিত ও ধর্মীয় গুরুত্ববহ এলাকার আকাশে এমন নিরাপত্তা বিঘ্নকারী ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি কর্তৃপক্ষ বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং ধ্বংসাবশেষগুলো পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এটি নিশ্চিতভাবে কোনো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

তবে এই ঘটনার দায়ভার সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি। তাদের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় এ ধরনের কোনো হামলার সাথে তাদের সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করা হয়েছে। হুথিরা সাধারণত তাদের পরিচালিত সামরিক অভিযানের দায় স্বীকার করে থাকে, তবে এবারের ঘটনার ক্ষেত্রে তারা এমন কোনো কৌশলের কথা জানায়নি। ফলে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রকৃতপক্ষে কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইয়েমেনের অস্থিরতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এটি একটি জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

ঘটনার পরপরই সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কোনো বিবৃতি আনুষ্ঠানিকভাবে দেয়নি। তবে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকার বিষয়টি ইঙ্গিত দেয় যে, সৌদি আরবের আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখতে কোনো আপস করা হবে না। এই অঞ্চলে আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা নতুন নয়, এর আগেও বিভিন্ন সময় সৌদি আরব তার ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে যাওয়া ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে। কিন্তু পবিত্র দুই নগরীর ওপর এ ধরনের ধ্বংসাবশেষ পড়ার ঘটনা জনমনে আতঙ্ক তৈরি করে।

বর্তমানে সৌদি নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ধ্বংসাবশেষগুলো বিশ্লেষণের কাজ করছে। ক্ষেপণাস্ত্রের ধরণ এবং এর উৎক্ষেপণস্থল নির্ণয় করতে পারলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুসংহত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সরকারি সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইয়েমেনে দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধ ও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার নিরসন না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ধ্বংসাবশেষগুলো জনশূন্য বা সুরক্ষিত কোনো এলাকায় পড়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বা পরবর্তী সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার বিস্তারিত এবং প্রকৃত দায়ীদের সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সৌদি আরবের আকাশসীমা এখন স্বাভাবিক রয়েছে এবং বিমান চলাচলসহ অন্যান্য কার্যক্রমও যথারীতি চলছে বলে জানা গেছে।

রেকর্ডের ডামাডোলে শেষ ১৮তম সামার অ্যাথলেটিকস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
রেকর্ডের ডামাডোলে শেষ ১৮তম সামার অ্যাথলেটিকস

নতুন নয়টি জাতীয় রেকর্ডের সাক্ষী থাকল আরাফাত রহমান কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা। তিন দিনব্যাপী এই আসরে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছেন ইমরানুর রহমান ও শিরিন আক্তার। পদক তালিকায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে নৌবাহিনী।

ক্রীড়াঙ্গনের সব আলো কেড়ে নিয়ে সাফল্যের সাথে পর্দা নামল আরাফাত রহমান কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে অ্যাথলেটদের দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি রেকর্ড বইয়েও এল বড় পরিবর্তন। প্রতিযোগিতার ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে অ্যাথলেটরা নিজেদের ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টায় গড়েছেন নতুন নয়টি জাতীয় রেকর্ড। যা দেশের অ্যাথলেটিকসের ভবিষ্যতের জন্য এক ইতিবাচক বার্তা বয়ে এনেছে।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে অ্যাথলেটদের নৈপুণ্য ছিল দেখার মতো। বিশেষ করে স্প্রিন্ট ইভেন্টগুলোতে বরাবরই উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পুরুষ বিভাগে বরাবরের মতো নিজের আধিপত্য বজায় রেখেছেন ইমরানুর রহমান। নিখুঁত টেকনিক এবং গতির ঝলকানিতে তিনি জিতে নিয়েছেন দ্রুততম মানব হওয়ার গৌরব। তাকে টেক্কা দেওয়া বা তার কাছাকাছি পৌঁছানো অন্য অ্যাথলেটদের জন্য রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, নারী বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছেন শিরিন আক্তার। দীর্ঘদিন ধরে দেশীয় অ্যাথলেটিকসে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এই অ্যাথলেট আবারো প্রমাণ করলেন, কেন তাকে দেশের দ্রুততম মানবী বলা হয়।

সামগ্রিক পদক তালিকার দিকে তাকালে দেখা যায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। তিন দিনে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে তারা ২১টি স্বর্ণপদক নিজেদের ঝুলিতে পুরেছে। সব মিলিয়ে তাদের পদক সংখ্যা ৬০টি। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অন্যান্য দলের তুলনায় তাদের প্রস্তুতি এবং অ্যাথলেটদের পারফরম্যান্স ছিল অনেক বেশি সুসংহত। পদক জয়ের দৌড়ে অন্য দলগুলো লড়াই করলেও নৌবাহিনীর অ্যাথলেটরা একের পর এক ইভেন্টে আধিপত্য ধরে রেখে আসরের মান বাড়িয়ে দিয়েছেন।

এবারের আসরের বড় প্রাপ্তি হলো রেকর্ড ভাঙার হিড়িক। ট্র্যাকে এবং ফিল্ডে অ্যাথলেটরা তাদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, যার ফলস্বরূপ নয়টি ইভেন্টে নতুন জাতীয় রেকর্ড তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে টেকনিক্যাল ইভেন্ট এবং দৌড় প্রতিযোগিতায় নতুন অ্যাথলেটদের আগমন এবং তাদের রেকর্ডের খাতায় নাম লেখানো অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের জন্য বড় সাফল্যের বিষয়। এই রেকর্ডগুলো প্রমাণ করে যে, সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত প্রতিযোগিতার সুযোগ পেলে দেশীয় অ্যাথলেটরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ভালো করার সামর্থ্য রাখেন।

তবে কেবল পদক জয় বা রেকর্ড ভাঙাই শেষ কথা নয়, আয়োজক ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই টুর্নামেন্ট থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা অ্যাথলেটদের পরবর্তী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিশনের জন্য দারুণ কাজে আসবে। আগামী দিনগুলোতে এই অ্যাথলেটদের কীভাবে আরও উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, সেদিকে নজর দিচ্ছে ফেডারেশন। অ্যাথলেটদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিও এবারের আসরে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। সব মিলিয়ে তিন দিনের লড়াই শেষে এক উৎসবমুখর আবহে শেষ হলো অ্যাথলেটিকসের এই মহাযজ্ঞ। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রতিভার সন্ধানে এবং নিয়মিত অনুশীলনের তাগিদে এই ধরনের জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সর্বশেষ
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ২৯ অক্টোবর প্রকাশ সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পতন, অস্বীকার হুথিদের দুবাই ও দাম্মাম রুটে বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইট স্থগিত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত রেকর্ডের ডামাডোলে শেষ ১৮তম সামার অ্যাথলেটিকস প্রাথমিক শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হলো আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের আত্মত্যাগের গল্প ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা জামায়াতের ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ: মোংলা কাস্টমস কর্মকর্তার অপসারণে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি ছাড়া চূড়ান্ত খতিয়ান সংশোধনের সুযোগ নেই: হাইকোর্ট সুবর্ণচরে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু শীতের আগমনী বার্তা ও ইরানের গ্যাস সাশ্রয়ের নতুন পরিকল্পনা
Advertisement