খুঁজুন
, ,

মিরপুরে টেস্ট দেখতে লাগবে না টিকিট, দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত গ্যালারি

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
মিরপুরে টেস্ট দেখতে লাগবে না টিকিট, দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত গ্যালারি

আসন্ন বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর নিয়ে এল বিসিবি। স্টেডিয়ামে কোনো টিকিট ছাড়াই সরাসরি গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা।

বাংলাদেশ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচটি ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছে। এই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দেওয়ার মতো একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে আসন্ন ম্যাচটিকে কেন্দ্র করে। আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচটিতে মাঠে বসে খেলা দেখার জন্য দর্শকদের কোনো টিকিটের প্রয়োজন হবে না। ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা আসার পর স্বাভাবিকভাবেই ক্রীড়ামোদীদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। সচরাচর আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য গ্যালারিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে টিকিটের বাধ্যবাধকতা থাকলেও, এবারের চিত্রটা একটু ভিন্ন।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম লড়াইটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স এবং টেস্ট ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলে আসছে। এই মুহূর্তে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম ম্যাচটি দেখার জন্য স্টেডিয়ামের দুয়ার সবার জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ দর্শকদের জন্য একটি বড় সুযোগ। টিকিট কাটার বিড়ম্বনা বা খরচের চিন্তা ছাড়াই সরাসরি স্টেডিয়ামে গিয়ে নিজেদের প্রিয় দলের সমর্থনে গলা ফাটানোর সুযোগ থাকছে ক্রিকেট ভক্তদের জন্য।

সাধারণত বড় ধরনের টুর্নামেন্ট বা হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের ক্ষেত্রে স্টেডিয়ামে দর্শক টানতে বিভিন্ন সময় নানান উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সম্পূর্ণ টিকিটমুক্ত প্রবেশের এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেটপ্রেমীদের স্টেডিয়ামমুখী করতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মিরপুর স্টেডিয়ামে টেস্ট ক্রিকেট দেখার আলাদা একটা আমেজ রয়েছে, বিশেষ করে যখন গ্যালারি পূর্ণ থাকে। দর্শকরা মাঠে উপস্থিত থাকলে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায় বহুগুণ। মাঠের পরিবেশ এবং দর্শকদের সমর্থন সরাসরি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এই ধরনের উদ্যোগের ফলে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে উৎসবের আমেজ ফিরে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে। বিশেষ করে যারা সশরীরে মাঠে গিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দেখার স্বপ্ন দেখেন, তাদের জন্য এটি একটি দারুণ সুযোগ। সাধারণত টিকিটের প্রাপ্যতা এবং মূল্য নিয়ে অনেক সময় সাধারণ দর্শকদের মধ্যে হতাশা কাজ করে। কিন্তু এবার কোনো টিকিট ছাড়াই খেলা দেখা যাবে, এমন ঘোষণা শোনার পর সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

সিরিজের প্রথম ম্যাচটি থেকেই দর্শকদের সরব উপস্থিতি আশা করছেন আয়োজকরা। স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। দর্শকদের জন্য গ্যালারি উন্মুক্ত থাকলেও নিরাপত্তা বলয় এবং মাঠের নিয়মাবলী কঠোরভাবে পালন করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তাই মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে দর্শকদের সাধারণ নিয়মকানুন এবং শিষ্টাচার বজায় রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। মিরপুরের মাঠে বাংলাদেশ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার এই লড়াইটি ক্রিকেটীয় দিক থেকেও বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুই দলের খেলোয়াড়রাই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে লড়াই করবেন। এমন একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ গ্যালারিতে বসে দেখার অভিজ্ঞতা মিস করতে চাইবেন না কোনো ক্রিকেট ভক্তই।

টেস্ট ক্রিকেটের জনপ্রিয়তাকে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার অংশ হিসেবেই হয়তো এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে করে টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ বাড়বে এবং মাঠের দর্শকসংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। ২৮ অক্টোবর মিরপুরের মাঠে যে উত্তেজনাপূর্ণ ক্রিকেটীয় লড়াই শুরু হতে যাচ্ছে, তাতে দর্শকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি বাড়তি মাত্রা যোগ করবে। মাঠের প্রতিটি বলের লড়াই এবং খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য সরাসরি উপভোগ করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবেন না কেউই। সব মিলিয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টটি দর্শকদের জন্য এক বিশেষ উপহার হয়েই আসছে।

পর্যটকশূন্য সাজেক উপত্যকা, থমথমে পরিস্থিতিতে স্থবির জনজীবন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
পর্যটকশূন্য সাজেক উপত্যকা, থমথমে পরিস্থিতিতে স্থবির জনজীবন

রাঙামাটির সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ থাকায় পুরো এলাকা বর্তমানে পর্যটকশূন্য। স্থানীয় পরিস্থিতি থমথমে এবং সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

রাঙামাটির পর্যটন কেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে এখন এক অদ্ভুত নীরবতা বিরাজ করছে। পাহাড়ের বুকজুড়ে মেঘের আনাগোনা, সবুজ পাহাড়ের সারি আর দিগন্তবিস্তৃত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত এই স্থানটিতে প্রতি মুহূর্তে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। পরিস্থিতি এতটাই থমথমে যে, জনজীবন যেন স্থবির হয়ে পড়েছে। এলাকাটি এখন কার্যত পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।

সরেজমিনে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সাজেক পর্যটন কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কার্যক্রম বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। পর্যটকদের আনাগোনা না থাকায় হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। পর্যটন ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। যান চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকগামী সব ধরনের যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি আটকে আছে, যার ফলে স্থানীয়দের দৈনন্দিন পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাতেও ছন্দপতন ঘটেছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিরাপত্তার খাতিরে এবং বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। রাস্তাঘাটে যানবাহন না চলায় সাজেকের সাথে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন কার্যত বিচ্ছিন্ন। পর্যটকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা কাজ করছে। পর্যটন মৌসুমে এই ধরনের পরিস্থিতি স্থানীয় অর্থনীতির জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগেও সাজেকে বিভিন্ন সময়ে অস্থিরতার কারণে পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে এবারের পরিস্থিতি স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। পর্যটকদের আপাতত সাজেক ভ্রমণের পরিকল্পনা স্থগিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। দ্রুত এই থমথমে পরিবেশ কেটে গিয়ে স্বাভাবিক জনজীবন ও পর্যটন ব্যবসা আবার চাঙ্গা হবে বলে স্থানীয়রা প্রত্যাশা করছেন।

ম্যানেজার পদে কর্মী খুঁজছে ব্র্যাক ব্যাংক, নেই বয়সসীমা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
ম্যানেজার পদে কর্মী খুঁজছে ব্র্যাক ব্যাংক, নেই বয়সসীমা

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি নতুন কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে নিয়োগের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়নি, যা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য একটি বিশেষ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি তাদের জনবল কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ম্যানেজার পদে দক্ষ ও যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেবে। ব্যাংকিং খাতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী এবং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য সুযোগ। নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাংকটি প্রার্থীদের বয়সের কোনো সীমাবদ্ধতা রাখেনি, ফলে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন যেকোনো আগ্রহী ব্যক্তি আবেদনের যোগ্য বিবেচিত হবেন।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদনের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় আবেদনের জন্য খুব বেশি সময় হাতে নেই। আগামী ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের আবেদন জমা দিতে পারবেন। নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ বা বিস্তারিত তথ্য ব্র্যাক ব্যাংকের ক্যারিয়ার পোর্টাল বা অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানা যাবে।

সাধারণত ব্যাংকিং খাতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কঠোর বয়সসীমা থাকলেও, এবার ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগের ফলে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন। তবে শুধুমাত্র বয়সসীমা নেই বলেই যে কেউ আবেদন করতে পারবেন এমন নয়, বরং প্রার্থীকে অবশ্যই ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পদে কাজের দক্ষতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পেশাগত অভিজ্ঞতার শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ব্যাংকের কাজের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে যোগ্য জনবলের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে, আর সেই লক্ষ্যেই এই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

আবেদন করতে আগ্রহী প্রার্থীদের ব্যাংকের ক্যারিয়ার সংক্রান্ত নীতিমালা এবং পদের কাজের বিবরণ সতর্কতার সাথে পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং তথ্যাদি সঠিকভাবে প্রদান করা আবশ্যক। ভুল বা অসম্পূর্ণ আবেদন বাতিল বলে গণ্য হতে পারে। তাই আগ্রহীরা নির্দিষ্ট সময়সীমার আগেই তাদের জীবনবৃত্তান্ত ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য পরামর্শ পেয়েছেন।

ব্র্যাক ব্যাংক বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের কর্মী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত স্বচ্ছতা এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখার জন্য পরিচিত। এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ব্যাংকটি দক্ষ জনশক্তিকে তাদের কাজের সাথে যুক্ত করতে চায়, যারা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, ব্যাংকিং খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অভিজ্ঞ জনবলের বিকল্প নেই। আর সেই লক্ষ্যেই বয়সসীমা শিথিল করার মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

যারা দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাংকিং সেক্টরে কাজ করছেন এবং ক্যারিয়ারের নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে চান, তাদের জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের এই ম্যানেজার পদের নিয়োগ একটি বড় সুযোগ হতে পারে। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই করবে। নির্বাচিত প্রার্থীদের ইন্টারভিউ বা লিখিত পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। যারা নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারবেন, তারাই চূড়ান্তভাবে নিয়োগ পাবেন। তাই আগ্রহী প্রার্থীদের দ্রুত আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ সংক্রান্ত যেকোনো আপডেটের জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পিএসসি সদস্যদের চায়ের দাওয়াতে ডেকে পদত্যাগের চাপের অভিযোগ জামায়াতের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
পিএসসি সদস্যদের চায়ের দাওয়াতে ডেকে পদত্যাগের চাপের অভিযোগ জামায়াতের

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্যদের চায়ের দাওয়াতের মাধ্যমে কৌশলে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির হামিদুর রহমান আযাদ।

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্যদের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কমিশনের সদস্যদের বিশেষ কৌশলে পদত্যাগে বাধ্য করার প্রক্রিয়া চলছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, সাংবিধানিক এই সংস্থার সদস্যদের রীতিমতো চায়ের দাওয়াত দিয়ে ডেকে এনে পদত্যাগপত্রে সই করতে বাধ্য করা হচ্ছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে তিনি গণতান্ত্রিক শিষ্টাচার ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তনের যে হাওয়া বইছে, তারই ধারাবাহিকতায় পিএসসি সদস্যদের বিষয়ে এমন অভিযোগ সামনে এল। যদিও সরকারি কর্ম কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, তবে বর্তমানে এর কর্মকর্তাদের ওপর যে ধরনের চাপ তৈরির কথা শোনা যাচ্ছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। হামিদুর রহমান আযাদ বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, কোনো ব্যক্তিকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিতে হলে বা পদত্যাগ করাতে হলে যে আইনি ও স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ করা প্রয়োজন, এখানে তার ব্যত্যয় ঘটছে। তিনি মনে করেন, চায়ের আড্ডার আড়ালে এমন চাপ প্রয়োগ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, পিএসসির মতো একটি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অস্থিরতা তৈরি হলে তা সামগ্রিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, এই কমিশনের ওপর নির্ভর করে দেশের মেধাবী তরুণদের ভবিষ্যৎ। যদি কমিশনের সদস্যদের মধ্যে এমন ভীতি বা চাপের পরিবেশ কাজ করে, তবে তাদের স্বচ্ছতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। জামায়াত নেতার এই মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া না গেলেও বিষয়টি যে বেশ গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কথাবার্তায় আঁচ করা যাচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সাংবিধানিক পদগুলোতে পরিবর্তনের রেওয়াজ দেখা গেছে। কিন্তু সে প্রক্রিয়া হওয়া উচিত নিয়মতান্ত্রিক। সরাসরি পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ যদি সত্য হয়, তবে তা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ও স্বায়ত্তশাসনের ওপর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে। বিশেষ করে নিয়োগ পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব যারা পালন করেন, তাদের আত্মসম্মান ও কাজের পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

হামিদুর রহমান আযাদ তার বক্তব্যে আরও জোর দিয়ে বলেন, কোনো গণতান্ত্রিক সমাজে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের এভাবে হেনস্তা করে পদত্যাগে বাধ্য করা নৈতিকতার মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হয় না। তিনি এই প্রক্রিয়ার দ্রুত অবসান দাবি করেছেন এবং সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ প্রশাসনের ওপর জোর দিয়েছেন। পুরো বিষয়টি এখন জনমনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। সরকারি কর্ম কমিশনের অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতির দিকে এখন সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন সচেতন মহল এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা।

পিএসসির সদস্যদের পদত্যাগ সংক্রান্ত এই ঘটনাটি কেবল একটি প্রশাসনিক ইস্যু নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের স্বচ্ছতা ও সুশাসনের মাপকাঠি হিসেবেও দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয় বা কোনো স্বচ্ছ ব্যাখ্যা প্রদান করে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়। কারণ, জনগুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানের ওপর আস্থা বজায় রাখা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি।

সর্বশেষ
পর্যটকশূন্য সাজেক উপত্যকা, থমথমে পরিস্থিতিতে স্থবির জনজীবন ম্যানেজার পদে কর্মী খুঁজছে ব্র্যাক ব্যাংক, নেই বয়সসীমা পিএসসি সদস্যদের চায়ের দাওয়াতে ডেকে পদত্যাগের চাপের অভিযোগ জামায়াতের মহাখালী বাস টার্মিনালে ইয়াবাসহ গ্রেফতার এক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বোমাতঙ্ক, চিরকুট ঘিরে শোরগোল মিরপুরে টেস্ট দেখতে লাগবে না টিকিট, দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত গ্যালারি গাজীপুরে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ একই পরিবারের চারজন ক্যান্টন মেলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে শ্রেণিকক্ষের দৃশ্যপট অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপে ওয়েলসের বিপক্ষে নতুন অধ্যায়ের সন্ধানে বাংলাদেশ ফ্রান্সে প্রথমবারের মতো মানুষের শরীরে শামোন্ডা ভাইরাসের সংক্রমণ, চিন্তিত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা
Advertisement