খুঁজুন
, ,

যাত্রাবাড়ীতে এসআরবির অভিযানকালে তরুণের মৃত্যু, বাড়ছে উত্তজনা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
যাত্রাবাড়ীতে এসআরবির অভিযানকালে তরুণের মৃত্যু, বাড়ছে উত্তজনা

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার ধলপুরে এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এসআরবির একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় সেখানে মারুফ ওরফে দুখু মিয়া নামে এক তরুণ গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে, যা স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার আকস্মিকতায় এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং ওই তরুণ কীভাবে এবং কাদের গুলিতে প্রাণ হারালেন তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও ধোঁয়াশা।

প্রাথমিক তথ্যানুসারে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ যাত্রাবাড়ীর ধলপুর এলাকায় এসআরবি সদস্যরা তাদের পূর্বনির্ধারিত একটি অভিযান পরিচালনা করতে যান। অভিযানের এক পর্যায়ে সেখানে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে এবং এতে মারুফ নামের ওই তরুণ গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত তরুণের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, অভিযানের সময় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে অকারণে বা অসতর্কতায় গুলির আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা অভিযানে অংশগ্রহণকারী এসআরবি সদস্যদের পক্ষ থেকে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ বা গুলির উৎস সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা এখনো জনসমক্ষে আনা হয়নি।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পরই স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হতে থাকেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ধলপুর এলাকার পরিবেশ এখন থমথমে। মারুফের মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধান এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার দাবি উঠেছে সব মহল থেকে। তরুণ মারুফের স্বজনদের দাবি, নিছক অভিযানের নামে যে এভাবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটবে তা মেনে নেওয়া কঠিন। তারা ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন যাতে প্রকৃত দোষীরা আইনের আওতায় আসে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছেন বলে জানা গেছে। তবে এই মুহূর্তে গুলির প্রকৃত উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া না গেলেও, ঘটনার সময় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীর বয়ান বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনের জন্য যাবতীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন অভিযান পরিচালনার সময় নিরাপত্তা বলয় কতটা জোরদার ছিল এবং অভিযানের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছিল কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ। মারুফ ওরফে দুখু মিয়ার মৃত্যুতে তার পরিবারে চলছে শোকের মাতম। এলাকাবাসী এখন ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতির জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকাটিতে এখন অতিরিক্ত সতর্কতা ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

মৌলভীবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
মৌলভীবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাবানা বেগম নামের এক গৃহবধূকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা প্রথম জজ আদালতের বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ন্যায়বিচারের এই আদেশে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নিহত গৃহবধূ সাবানা বেগমকে হত্যার মূল কারণ ছিল জমি নিয়ে পারিবারিক ও পার্শ্ববর্তী বিরোধ। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মোট ১৪ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই চারজনকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন। মামলার রায়ে অপরাধীদের অপরাধের ভয়াবহতা ও নির্মমতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।

বিচারক মো. আনোয়ারুল হক তার রায়ে উল্লেখ করেন, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে যেভাবে সাবানা বেগমকে হত্যা করা হয়েছে, তা অত্যন্ত পৈশাচিক। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অপরাধীদের এই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি জরুরি ছিল। দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে তাদের আরও সাজা ভোগ করতে হবে কি না, তা মামলার বিস্তারিত রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আদালতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল।

মামলাটি পরিচালনা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ একাধিক সাক্ষী ও আলামত উপস্থাপন করে। নিহতের পরিবার এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে, যা দীর্ঘদিনের রেষারেষির ফলশ্রুতিতে হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয়। স্থানীয়রা জানান, সাবানা বেগমের মৃত্যুতে তার পরিবারে এক গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছিল, যা এখনো বিদ্যমান। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আসামিদের শাস্তির দাবিতে তারা সোচ্চার ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, এই মামলার মোট ১৪ জন আসামির মধ্যে চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অন্য দুই আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের কী ধরনের সাজা দেওয়া হয়েছে, তা পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর জানা যাবে। আদালত প্রাঙ্গণে আজ রায় শোনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মানুষ আইনের এই রায়ে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন।

মৌলভীবাজারসহ সিলেট বিভাগে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা অতীতেও ঘটেছে, তবে সাবানা বেগম হত্যা মামলাটি ছিল বেশ স্পর্শকাতর। পুলিশ মামলার তদন্তকালে যে চার্জশিট দাখিল করেছিল, আদালত সেটির ওপর ভিত্তি করেই আজকের এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছেন। এখন আইন অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন কি না, তা তাদের ওপর নির্ভর করবে। আপাতত আদালতের এই রায় সংশ্লিষ্ট সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং এটি একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: চুয়াডাঙ্গায় স্কুল অফিস সহায়ক কারাগারে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: চুয়াডাঙ্গায় স্কুল অফিস সহায়ক কারাগারে

চুয়াডাঙ্গায় এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্কুল অফিস সহায়ক শাহজামালকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

চুয়াডাঙ্গায় এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে এক স্কুল অফিস সহায়ককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত থাকলেও তার বিরুদ্ধে গুরুতর সব অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালীন গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

তদন্তকারী সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, ওই অফিস সহায়ক শুধু প্রশ্নফাঁসের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন না, বরং বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়েও তার হস্তক্ষেপ ছিল উদ্বেগজনক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকায় রয়েছে সাবেক প্রধান শিক্ষকদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করার মতো গুরুতর অপরাধ। এছাড়া বিদ্যালয়ের মাস্টার রোলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, শিক্ষার্থী ভর্তি সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি এবং বিদ্যালয়ের শিফট পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার বিস্তারিত তথ্যে জানা যায়, নির্বাচনী পরীক্ষার পবিত্রতা বজায় রাখতে স্কুল কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট থাকলেও অভ্যন্তরীণ কিছু অসাধু চক্রের কারণে গোপনীয়তা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিষয়টি প্রশাসনিক পর্যায়ে জানাজানি হওয়ার পর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করা হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় স্থানীয় প্রশাসন। পরবর্তীতে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত শুনানি শেষে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহল মনে করছেন, এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার মতো একটি সংবেদনশীল বিষয়ে যারা জালিয়াতি করে, তারা পুরো শিক্ষাব্যবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। প্রশ্নফাঁসের কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেমন পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমতে পারে, তেমনি মেধাবী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নও বাধাগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়কের মতো পদে থেকে শিক্ষকদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করার মতো ধৃষ্টতা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে দুর্নীতির শিকড় কতটা গভীরে বিস্তৃত, তা নির্দেশ করে।

স্থানীয় প্রশাসন ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো প্রভাবশালীর হস্তক্ষেপ কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে অপরাধীকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়ায় স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গার এই ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষা বিভাগও নড়েচড়ে বসেছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সার্বিক কর্মকাণ্ড এবং ওই অফিস সহায়কের দীর্ঘদিনের কাজের তালিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আর কী কী অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তা তদন্তের স্বার্থে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানে চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আমন্ত্রণে আয়োজিত এই সফরটি কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সফর শেষে আজ রাতে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো প্রসারিত করা। বিশেষ করে অর্থনৈতিক খাতে গতিশীলতা আনা এবং জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করার বিষয়টি এই সফরের অন্যতম এজেন্ডা ছিল। সফরকালে তিনি জাপানের বিভিন্ন পর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সাথে বৈঠক করেছেন এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরেছেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে যে চমৎকার সম্পর্ক বিদ্যমান, এই সফর তা আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। জাপানি বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রযুক্তির আদান-প্রদান এবং বাণিজ্য প্রসারের যে সম্ভাবনা রয়েছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সফর শেষে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা দেশবাসীর মধ্যে বিশেষ করে অর্থনৈতিক মহলে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

সফর থেকে ফিরে আসার পর প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দর থেকে সরাসরি নিজের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি তার সরকারি বাসভবনে ফিরে গেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, প্রধানমন্ত্রী গত সোমবার জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন। চার দিনের এই সফরসূচিতে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন আলোচনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পর্যায়ের বৈঠকগুলোও অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, এই সফর থেকে অর্জিত সমঝোতা ও প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা দ্রুত এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়। সামগ্রিকভাবে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য জাপান যে বড় ধরনের অংশীদার হতে পারে, সেই বার্তাটিই এই সফরের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

সর্বশেষ
মৌলভীবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: চুয়াডাঙ্গায় স্কুল অফিস সহায়ক কারাগারে জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী যাত্রাবাড়ীতে এসআরবির অভিযানকালে তরুণের মৃত্যু, বাড়ছে উত্তজনা যশোরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরি গ্রেফতার জাপান সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় প্রাণ হারালেন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি ইঞ্জিন ছাড়াই পিছু হটল কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, আতঙ্ক যাত্রীদের মধ্যে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান প্রকল্পের এলাকায় পৌঁছাল দীর্ঘ এক বছর পর শারীরিক গঠন নিয়ে করা মন্তব্যের জবাব দিলেন তামান্না ভাটিয়া
Advertisement