খুঁজুন
, ,

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বিপর্যয়, অকৃতকার্য ৩১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বিপর্যয়, অকৃতকার্য ৩১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এবারের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয়ের চিত্র উঠে এসেছে। প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিগত বছরগুলোর তুলনায় পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এবারে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি কোনো বিষয়ে পাস করতে সক্ষম হয়নি, যা স্থানীয় শিক্ষাঙ্গন ও অভিভাবকদের মাঝে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

বোর্ড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিভাগের ছয়টি জেলার মোট ৩৫০টি কলেজ থেকে ৫৭ হাজার ৯১২ জন পরীক্ষার্থী চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। অর্থাৎ, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩১ হাজার ৯৯ জনেরও বেশি পরীক্ষার্থী সফল হতে পারেনি। এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি বোর্ডের সামগ্রিক শিক্ষার মান ও প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। পাশাপাশি জিপিএ-৫ পাওয়ার হারও আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। পুরো বোর্ড থেকে এবার মাত্র ৯৫০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জনে সক্ষম হয়েছে, যা গতবারের তুলনায় বেশ কম।

ফলাফলের এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বোর্ডটি এবার পাসের হারের দিক থেকে যেমন পিছিয়ে আছে, তেমনি সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তবে এই সামগ্রিক ব্যর্থতার মধ্যেও ব্যতিক্রমী কিছু ফলাফল দেখা গেছে। বোর্ডের অধীনে থাকা ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই এবারের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি, যা হতাশাজনক। অন্যদিকে, বিপরীত চিত্র দেখা গেছে বরিশাল ক্যাডেট কলেজের ক্ষেত্রে। শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করার গৌরব ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরীক্ষার ফলাফলের এই ধস শুধু কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়, বরং সামগ্রিক পাঠদান প্রক্রিয়ার দুর্বলতাকেও নির্দেশ করে। বিশেষ করে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়াটা একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন শিক্ষাবিদরা। কেন এত বড় একটি অংশ পাস করতে ব্যর্থ হলো এবং শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কোথায় ঘাটতি রয়ে গেছে, তা খতিয়ে দেখার সময় এসেছে।

ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই বরিশাল অঞ্চলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। একদিকে অভিভাবকরা সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন, অন্যদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের বর্তমান পাঠদান পদ্ধতি ও কার্যক্রম পুনর্বিবেচনা করতে হচ্ছে। শিক্ষা বোর্ড এখন এই ব্যর্থতার কারণগুলো বিশদভাবে বিশ্লেষণের পাশাপাশি পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে আপাতত এই ফলাফল যে সংশ্লিষ্ট সবার জন্যই একটি বড় ধাক্কা, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এখন দেখার বিষয়, আগামীতে বরিশাল বোর্ড এই ফলাফল বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে কোন কৌশল গ্রহণ করে এবং শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আসে কি না।

ভূত চতুর্দশীর ১৪ শাক: ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভেষজ গুণের গল্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
   
ভূত চতুর্দশীর ১৪ শাক: ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভেষজ গুণের গল্প

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে ভূত চতুর্দশী নামে পরিচিত একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসবের সন্ধ্যায় বিশেষ একটি রীতি পালন করা হয়। ঐ সন্ধ্যায় পরিবারগুলো ১৪টি ছোটো প্রদীপ জ্বালায় এবং একই সঙ্গে ১৪টি ভিন্ন ভিন্ন শাকের পদ প্রস্তুত করে খায়। এই শাকগুলোকে “১৪ শাক” বলা হয় এবং প্রাচীনকালের বিশ্বাস অনুসারে এদের ভেষজ গুণের কারণে শরীরের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় বলে ধরা হয়।

ভূত চতুর্দশী মূলত শীতকালীন সময়ে পালিত হয়, যখন শীতের তীব্রতা বাড়ে এবং মানুষ শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময়ে শাক-সবজির স্বল্পতা থাকে, তবু এই উৎসবে বিশেষভাবে ১৪টি শাক সংগ্রহ করে রান্না করা হয়। শাকের নির্বাচন সাধারণত স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য, ঋতুভিত্তিক এবং পুষ্টিকর গুণসম্পন্ন হয়। যদিও বিভিন্ন অঞ্চলে শাকের তালিকা কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে, তবে সব ক্ষেত্রেই শাকের ভেষজ গুণের ওপর জোর দেওয়া হয়।

প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ১৪ শাকের মধ্যে রয়েছে পলং শাক, শালগম, মুলা, লোহার শাক, হরিতকি, কাঁচা লঙ্কা, বেগুনের পাতা, কুমড়ার পাতা, তেঁতুলের পাতা, মেথি, সরিষা পাতা, শসা পাতা, চিলেকা এবং কাঁচা পেঁয়াজ। এই শাকগুলোতে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ থাকে, যা শীতের সময় শারীরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। তবে উল্লেখযোগ্য যে, শাকের তালিকা অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হতে পারে এবং উপরের তালিকা শুধুমাত্র একটি উদাহরণস্বরূপ সংগ্রহ।

এই রীতির মূল উদ্দেশ্য কেবল শারীরিক স্বাস্থ্যের নয়, বরং পারিবারিক ঐক্য ও সামাজিক বন্ধনকে মজবুত করা। সন্ধ্যায় একত্রে ১৪টি প্রদীপ জ্বালিয়ে শাকের খাবার ভাগ করে খাওয়া মানে পরিবারে আনন্দের পরিবেশ তৈরি করা এবং একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। একই সঙ্গে, শাকের বৈচিত্র্য বজায় রাখার মাধ্যমে কৃষকেরা বিভিন্ন ফসল চাষে উৎসাহিত হন, যা কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়ায়।

আধুনিক সময়ে বিজ্ঞানিক গবেষণাও শাকের ভেষজ গুণকে সমর্থন করে। পলং শাকের লোহার পরিমাণ, মেথির অ্যান্টি‑ইনফ্ল্যামেটরি গুণ এবং সরিষা পাতার অ্যান্টি‑ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী প্রমাণিত হয়েছে। ফলে, ভূত চতুর্দশীর ১৪ শাকের রীতি শুধুমাত্র ঐতিহ্য নয়, বরং প্রাকৃতিক পুষ্টি সরবরাহের একটি কার্যকর পদ্ধতি হিসেবেও বিবেচিত হয়।

আজকের দিনে, শহুরে এলাকায়ও এই রীতি পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী খাবারকে আধুনিক রেসিপির সঙ্গে মিশিয়ে নতুন স্বাদ তৈরি করা হচ্ছে, যাতে শাকের গুণ বজায় থাকে এবং খাবারটি আরও আকর্ষণীয় হয়। এভাবে, ভূত চতুর্দশীর ১৪ শাকের গল্প প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চারিত হচ্ছে এবং বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে রয়ে গেছে।

ডেঙ্গু রোধে দেশি মাছের নতুন কৌশল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
   
ডেঙ্গু রোধে দেশি মাছের নতুন কৌশল

ডেঙ্গু রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে নতুন দৃষ্টিকোণ উন্মোচিত হয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশীয় কিছু মাছের প্রজাতি ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশার লার্ভা শিকারের মাধ্যমে রোগের বিস্তারকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে। বিশেষ করে নাপিত খয়রা, জেব্রাফিশ এবং ব্লু পাঞ্চাক্সের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে, যা কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

গবেষণাটি ২০২৬ সালের শেষের দিকে প্রকাশিত হয় এবং এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই মাছগুলো স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন জলাশয়ে পাওয়া যায়। নাপিত খয়রা ছোট আকারের হলেও দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং মশার লার্ভা শিকারে দক্ষ। জেব্রাফিশের দেহে বিশেষ ধরনের স্কেল থাকে, যা তাকে পানির নিচে দ্রুত চলতে সহায়তা করে, ফলে লার্ভা শিকারের সুযোগ বেশি হয়। ব্লু পাঞ্চাক্স, যদিও বড় মাছ, তবে তার শিকারের পরিসর বিস্তৃত, ফলে বৃহৎ পুকুরে মশার সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পায়।

এই মাছগুলোকে সম্প্রদায়ভিত্তিক পুকুরে বা ট্যাঙ্কে রোপণ করলে, মশার প্রজননস্থল স্বাভাবিকভাবে কমে যায়। ফলে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার হ্রাস পায়, যা পরিবেশের জন্যও উপকারী। গবেষকরা উল্লেখ করেছেন যে, এই পদ্ধতি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই এবং কম খরচে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকাগুলোতে যেখানে পুকুর ও ছোট জলাশয় প্রচুর, সেখানে এই কৌশলটি দ্রুত গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

অধিকন্তু, মাছের চাষের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনাও রয়েছে। মাছের বিক্রয় থেকে আয় বাড়লে, গ্রামবাসীরা অতিরিক্ত আয় অর্জন করতে পারে, যা তাদের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে। সরকার যদি এই উদ্যোগকে সমর্থন করে, তবে ডেঙ্গু রোগের সঙ্গে সঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নের দ্বিগুণ লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, এই পদ্ধতি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রথমে স্থানীয় পরিবেশের উপযোগী মাছের প্রজাতি নির্বাচন করা দরকার, এরপর সঠিক পরিমাণে মাছের বীজ রোপণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে মাছের রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রজনন পদ্ধতি শেখানো গুরুত্বপূর্ণ। এভাবে সমন্বিত প্রচেষ্টা ডেঙ্গু রোগের বিস্তারকে কার্যকরভাবে কমাতে পারে।

দীপকে ৪ দিনের রিমান্ড, তাহসিফের হত্যার মামলায় আদালত আদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
   
দীপকে ৪ দিনের রিমান্ড, তাহসিফের হত্যার মামলায় আদালত আদেশ

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে গতকাল একটি গুরুত্বপূর্ণ রিম্যান্ড আদেশ শোনা যায়। বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির লাশ উদ্ধার সংক্রান্ত হত্যার মামলায় রেজা দ্বীপ, যাকে মামলায় “বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই রিম্যান্ডের ভিত্তি টঙ্গী নৌ‑পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর ফিরোজ উদ্দিনের আবেদন, যা আদালত যথাযথভাবে বিবেচনা করে অনুমোদন করেছে।

মামলাটি মূলত তাহসিফের লাশ উদ্ধারকালে ঘটিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত, যেখানে তদন্তকারী দল রেজা দ্বীপের সঙ্গে সরাসরি সংযোগের ইঙ্গিত পেয়েছে। তদন্তের সময় প্রমাণ সংগ্রহের জন্য রেজা দ্বীপের কাছ থেকে বিস্তারিত বিবরণ ও সাক্ষ্য নেওয়া প্রয়োজনীয় বলে মনে করা হয়, তাই আদালতকে রিম্যান্ডের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদে উপস্থিত করার অনুমতি চাওয়া হয়।

আদালতে উপস্থিত ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াসের বিচারিক রায়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রেজা দ্বীপের গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদে কোনো ধীরগতি না ঘটাতে রিম্যান্ডের সময়সীমা চার দিন নির্ধারিত হয়েছে। রিম্যান্ডের সময়কালে তাকে যথাযথভাবে পুলিশ স্টেশনে রাখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। রিম্যান্ডের শর্তাবলিতে কোনো শর্তাবলী যুক্ত না থাকলেও, রেজা দ্বীপকে তার অধিকার সম্পর্কে অবহিত করা হবে।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই সাইফুল ইসলাম রিম্যান্ডের তথ্য নিশ্চিত করে আদালতে উপস্থাপন করেন এবং রেজা দ্বীপের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত তদন্তের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, রিম্যান্ডের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য মামলার মূল দিকগুলো স্পষ্ট করতে সহায়ক হবে এবং মামলার দ্রুত সমাধানে অবদান রাখবে। এদিকে, রেজা দ্বীপের আইনজীবী এখনও রিম্যান্ডের শর্তাবলী নিয়ে আপত্তি তুলেননি, তবে তিনি রিম্যান্ডের সময়কালে ক্লায়েন্টের অধিকার রক্ষার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান।

এই রিম্যান্ড আদেশের ফলে মামলাটি নতুন মোড় নেবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। রেজা দ্বীপের গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদে যদি নতুন প্রমাণ উঠে আসে, তবে তাহসিফের হত্যার পেছনের মূল দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। আদালতের এই দ্রুত পদক্ষেপকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে প্রশংসা করা হয়েছে, এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জনসাধারণকে সময়মতো জানাতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ
ভূত চতুর্দশীর ১৪ শাক: ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভেষজ গুণের গল্প ডেঙ্গু রোধে দেশি মাছের নতুন কৌশল দীপকে ৪ দিনের রিমান্ড, তাহসিফের হত্যার মামলায় আদালত আদেশ সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফের মৃত্যুতে অবশেষে হত্যা মামলা চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে সিটি ব্যাংকের মুনাফা ৮৬৭ কোটি টাকা বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বিপর্যয়, অকৃতকার্য ৩১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভয়ঙ্কর ধাওয়ার মুখে নদীতে ঝাঁপ, নিখোঁজ তরুণের সন্ধানে তল্লাশি শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন: শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর মন্তব্য তাহসিফের মৃত্যুর মামলায় নৌ‑পুলিশের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় অতিষ্ঠ হয়ে গলায় ফাঁস দিলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তি
Advertisement