রাজধানীর মহাখালী রেলগেট এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় রায়হান (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দুর্ঘটনার পর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
রায়হান মহাখালী এলাকার ফুটপাতের একটি হোটেলে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। দুর্ঘটনার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান ওই হোটেলের মালিক নজরুল ইসলাম এবং তার পরিচিত আকাশ হোসেন। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রেলগেট এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত হওয়ার পর রায়হানকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।
ঘটনার সময় ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে যে তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে দুর্ঘটনাটি ঘটে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এবং হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় রাত ৯টার দিকে। অর্থাৎ দুর্ঘটনার পর তাকে চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তার চিকিৎসার ধরন, শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত কিংবা চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
রায়হানের বয়স ২৫ বছর বলে জানা গেছে। তিনি মহাখালী এলাকার একটি ফুটপাতের হোটেলে কাজ করতেন। তার কাজের সময়সূচি, দুর্ঘটনার আগে তিনি কোথায় যাচ্ছিলেন বা রেলগেট এলাকায় কী কারণে ছিলেন—এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই। ফলে দুর্ঘটনার ঠিক আগে তার চলাচল বা অবস্থান সম্পর্কে কোনো নির্দিষ্ট বর্ণনা দেওয়া যাচ্ছে না।
দুর্ঘটনাটি মহাখালী রেলগেট এলাকায় ঘটেছে বলে জানা গেলেও রেললাইনের কোন অংশে ঘটনাটি ঘটে, ট্রেনটি কোন দিক থেকে আসছিল কিংবা সেটির গন্তব্য কোথায় ছিল—এসব বিবরণ পাওয়া যায়নি। ট্রেনের পরিচয়, চলাচলের সময়সূচি এবং চালকের বিষয়ে কোনো তথ্যও নিশ্চিত করা হয়নি। এসব তথ্য ছাড়া ঘটনাটির পরিস্থিতি সম্পর্কে এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।
হোটেল মালিক নজরুল ইসলাম ও তার পরিচিত আকাশ হোসেন আহত রায়হানকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্যে দুর্ঘটনার স্থান ও হাসপাতালে নেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে তাঁরা কীভাবে ঘটনাটি দেখেছেন, দুর্ঘটনার মুহূর্তে তাঁরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন কি না, অথবা রায়হানকে কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়—এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। তাই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তাঁদের ভূমিকা সম্পর্কে অনুমান করার সুযোগ নেই।
রায়হানকে কোন পথে বা কীভাবে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য নেই। হাসপাতালে পৌঁছানোর সুনির্দিষ্ট সময় জানা না থাকায় দুর্ঘটনার পর চিকিৎসা শুরু হতে কতটা সময় লেগেছিল, তা নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, তিনি আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং রাত ৯টার দিকে সেখানে মারা যান।
রেলগেট এলাকায় দুর্ঘটনার পর আশপাশের যানবাহন বা ট্রেন চলাচলে কোনো প্রভাব পড়েছিল কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কিংবা রেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কথাও নিশ্চিত নয়। তাই এসব বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য নেই।
রায়হানের পরিবারের সদস্যদের পরিচয়, তাঁর বাড়ি কোথায়, কিংবা মৃত্যুর পর মরদেহের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এসব তথ্যও জানা যায়নি। তাঁর কর্মস্থলের বাইরে ব্যক্তিগত জীবন বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়েও কোনো নিশ্চিত বিবরণ পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে বাড়তি কোনো তথ্য যোগ করা হচ্ছে না।
ঘটনার বিবরণে দুর্ঘটনার সময়, স্থান, আহত যুবকের পরিচয় ও বয়স, তাঁর পেশা এবং হাসপাতালে মৃত্যুর সময় জানা গেলেও দুর্ঘটনার কারণ স্পষ্ট নয়। ট্রেনের ধাক্কা কী পরিস্থিতিতে লাগে, রেললাইনের কাছে রায়হান কী করছিলেন কিংবা ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করার মতো আর কেউ ছিলেন কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি। নিশ্চিত তথ্যের বাইরে গিয়ে কোনো কারণ নির্ধারণ করা ঠিক হবে না।
এ পর্যন্ত পাওয়া বিবরণে ঘটনাটির কেন্দ্রীয় তথ্য হলো, বুধবার সন্ধ্যায় মহাখালী রেলগেট এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত হন ২৫ বছর বয়সী হোটেলকর্মী রায়হান। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং রাত ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার আরও বিস্তারিত পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না থাকায় ঘটনার ধারাবাহিকতা এর বাইরে বিস্তৃত করা যাচ্ছে না।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ । ১:১৪ অপরাহ্ণ