খুঁজুন
, ,

জাপানের বুলেট ট্রেনের আধুনিকতায় যে অভাব খুঁজে পেলেন ভারতীয় পর্যটক

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
জাপানের বুলেট ট্রেনের আধুনিকতায় যে অভাব খুঁজে পেলেন ভারতীয় পর্যটক

জাপানের বুলেট ট্রেন মানেই বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির উৎকর্ষ আর আরামদায়ক ভ্রমণের এক অনন্য নাম। দেশটির রেল ব্যবস্থা সময়ের নিখুঁত হিসাব, চরম পরিচ্ছন্নতা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের জন্য পর্যটকদের কাছে সব সময় আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে। ট্রেনের ভেতরে স্বয়ংক্রিয় দরজা, আরামদায়ক আসন বিন্যাস এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শৌচাগারের মতো নানা সুযোগ-সুবিধা যাত্রীদের ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে করে তোলে আনন্দদায়ক। তবে এত আধুনিকতার ভিড়েও একজন ভারতীয় পর্যটকের মনে হয়েছে, সেখানে যেন বড় কোনো এক জিনিসের অভাব রয়েছে। আর সেই অভাবটিই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সম্প্রতি হর্ষিতা গুপ্ত নামের একজন ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর জাপানের বুলেট ট্রেনে ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। তার সেই ভিডিও এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। হর্ষিতার মতে, জাপানি ট্রেনের প্রযুক্তিগত দিক বা ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই, বরং তিনি যে অভাবটি অনুভব করেছেন তা আমাদের দেশীয় রেল ভ্রমণের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা এক আবেগের জায়গা। তিনি জানিয়েছেন, জাপানি ট্রেনে চড়ার সময় তার বারবার ভারতীয় ট্রেনের সেই চিরচেনা হাঁকডাকের কথা মনে পড়ছিল, যা যাত্রাপথে ভিন্ন এক আবহ তৈরি করে।

ভারতীয় উপমহাদেশে বিশেষ করে ট্রেনে দীর্ঘ ভ্রমণের সময় চা কিংবা কফির বিক্রেতাদের সেই পরিচিত ডাক প্রতিটি যাত্রীরই স্মৃতির অংশ। ট্রেনের কামরায় ফেরিওয়ালাদের হাঁকডাক এবং গরম চায়ের কাপের সেই আড্ডা না থাকলে যেন সফর অসম্পূর্ণ থেকে যায়। হর্ষিতা লক্ষ্য করেছেন, জাপানের অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং শান্ত পরিবেশে এই ধরনের প্রাণের স্পন্দন বা কোলাহল একেবারেই অনুপস্থিত। সেখানে সব কিছু চলে নির্দিষ্ট নিয়মে, যেখানে হকারের হাঁকডাক বা অনানুষ্ঠানিক কোনো পরিবেশের সুযোগ নেই। জাপানের ট্রেনগুলো যেমন দ্রুতগামী এবং আরামদায়ক, ঠিক তেমনি তা অনেকটাই নিস্তব্ধ এবং নিয়ন্ত্রিত। এই অতিরিক্ত শৃঙ্খলাই যেন হর্ষিতার কাছে মনে হয়েছে এক ধরণের অভাব।

সামাজিক মাধ্যমে তিনি তার এই অনুভূতি প্রকাশের পর অনেকেই তার সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন। তবে এই আলোচনা জাপানের রেল ব্যবস্থা বনাম আমাদের দেশীয় রেলের সংস্কৃতির একটি তুলনামূলক চিত্র সামনে এনেছে। একদিকে জাপানের প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিকতা, অন্যদিকে ভারতের ট্রেনের সাথে জড়িয়ে থাকা আবেগ ও সামাজিক মেলবন্ধন—এই দুইয়ের মধ্যকার পার্থক্যটিই এই ভিডিওর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জাপানের ট্রেনে আধুনিক সব সুবিধা থাকলেও সেখানে মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কের সেই অনানুষ্ঠানিক যে উষ্ণতা, তা খুঁজে পাওয়া কঠিন।

তবে পর্যটন বিশেষজ্ঞ এবং নিয়মিত জাপান ভ্রমণকারীদের মতে, জাপানের ট্রেন ব্যবস্থায় এই ‘অভাব’ মূলত তাদের সংস্কৃতিরই অংশ। জাপানিরা গণপরিবহনে অন্যের বিরক্তির কারণ হতে পছন্দ করেন না, তাই ট্রেনের ভেতরে কোলাহল বা হাঁকডাক নিষিদ্ধ বা অসামাজিক হিসেবে বিবেচিত হয়। তাদের কাছে ট্রেনের সফর মানেই বিশ্রাম কিংবা নিজের মতো সময় কাটানো। তাই হর্ষিতা যে অভাবটির কথা উল্লেখ করেছেন, তা আসলে জাপানের রেল সংস্কৃতিরই একটি প্রতিফলন। এই প্রতিবেদনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, উন্নয়ন ও আধুনিকতার সংজ্ঞা দেশভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং প্রযুক্তির উৎকর্ষ যেখানে এক ধরণের স্বাচ্ছন্দ্য আনে, সেখানে হয়তো আমাদের ফেলে আসা ছোট ছোট আনন্দের স্মৃতিগুলো কোথাও না কোথাও হারানো সুর হয়ে বেজে ওঠে।

স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, আবেদনের শেষ তারিখ ৫ নভেম্বর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
   
স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, আবেদনের শেষ তারিখ ৫ নভেম্বর

দেশের স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে যোগ্য প্রার্থী খুঁজছে তারা। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমেই আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে দেশের অন্যতম আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি একটি নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে তারা যোগ্য ও অভিজ্ঞ প্রার্থী খুঁজছে। সম্প্রতি ব্যাংকটির পক্ষ থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত এই বিজ্ঞপ্তি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক তাদের ‘হেড অব রিটেইল প্রোডাক্ট’ পদে জনবল নিয়োগ দেবে। এই পদটি ব্যাংকের রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকের বিভিন্ন খুচরা পণ্য বা রিটেইল প্রোডাক্টের ব্যবস্থাপনা, নতুন পণ্য উন্নয়ন এবং গ্রাহকদের চাহিদার ভিত্তিতে ব্যাংকিং সেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করাই হবে এই পদে দায়িত্বরত কর্মকর্তার মূল দায়িত্ব।

আগ্রহী প্রার্থীদের ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম ও শর্তাবলি মেনে আবেদন করতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল বা অনলাইনভিত্তিক করা হয়েছে। তাই আগ্রহীদের কোনো ধরনের কাগজের নথিপত্র সরাসরি ব্যাংকে জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অথবা তাদের অনুমোদিত ক্যারিয়ার পোর্টালে গিয়ে আবেদনের বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ৫ নভেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীরা এই পদের বিপরীতে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। এরপর আর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই ইচ্ছুক প্রার্থীদের হাতে থাকা সময়টুকু কাজে লাগিয়ে দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এই পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হবে। সাধারণত ব্যাংকিং খাতে ‘হেড অব রিটেইল প্রোডাক্ট’ পদের জন্য দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বদানের সক্ষমতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে প্রার্থীদের কাজের ধরণ ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ক্যারিয়ার পোর্টালগুলোতে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রার্থীদের আবেদনের আগে প্রতিটি শর্ত ভালোভাবে পড়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে যাতে কোনো ভুল না হয়।

ব্যাংকিং সেক্টরে যারা ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী এবং যাদের রিটেইল প্রোডাক্ট ব্যবস্থাপনায় দক্ষ অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ। স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার মাধ্যমে প্রার্থীরা তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন। একইসঙ্গে ব্যাংকিং খাতের আধুনিকায়ন ও গ্রাহক সেবার মানোন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখার সুযোগ থাকছে এই পদে।

নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখার লক্ষ্যে ব্যাংকটি সব ধরনের আবেদনের তথ্য যাচাই-বাছাই করবে। উপযুক্ত প্রার্থীদের বাছাই করে পরবর্তী ধাপে পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। নিয়োগসংক্রান্ত যেকোনো আপডেট জানতে নিয়মিত ব্যাংকের ওয়েবসাইট অনুসরণ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিয়োগের ব্যাপারে কোনো প্রকার গুজবে কান না দিয়ে শুধুমাত্র অফিসিয়াল চ্যানেলগুলো থেকে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য প্রার্থীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের এই নতুন নিয়োগ কার্যক্রম দেশের তরুণ ও অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার উন্মোচন করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তাই যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদনের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

মায়ের সঙ্গে মুখের মিল নিয়ে আলোচনায় স্বস্তিকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
   
মায়ের সঙ্গে মুখের মিল নিয়ে আলোচনায় স্বস্তিকা

স্বস্তিকার মুখে মায়ের আদল খুঁজে পাওয়ার প্রসঙ্গটি সামনে এসেছে। তবে উপলব্ধ তথ্যের মধ্যে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য, ঘটনার প্রেক্ষাপট বা অতিরিক্ত কোনো বিবরণ নেই।

স্বস্তিকার চেহারায় মায়ের মিল খুঁজে পাওয়ার প্রসঙ্গটি আলোচনায় এসেছে। তবে সরবরাহ করা তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে না, বিষয়টি কোন ঘটনা, ছবি বা বক্তব্যের সূত্রে সামনে এসেছে। স্বস্তিকা নিজে এ নিয়ে কী বলেছেন, কিংবা তাঁর মায়ের সঙ্গে মুখের সাদৃশ্যের কোন দিকটি আলোচনার কেন্দ্রে—সেসব তথ্যও এতে নেই।

সন্তানের চেহারায় মা-বাবার ছাপ খোঁজা পরিচিত একটি পারিবারিক আলোচনা। কারও চোখে সন্তানের মুখে মায়ের আদল স্পষ্ট, আবার কারও কাছে বাবার সঙ্গে সাদৃশ্য বেশি মনে হয়। তবে স্বস্তিকাকে ঘিরে আলোচিত নির্দিষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য না থাকায় এ বিষয়ে তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বা বক্তব্য হিসেবে কোনো কথা উল্লেখ করা যাচ্ছে না।

ঘটনার সময়, স্থান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় এবং স্বস্তিকার বক্তব্য নিশ্চিত করার মতো তথ্যও সরবরাহ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে এর বেশি বর্ণনা যোগ করলে তা অনুমাননির্ভর হয়ে পড়বে। বিস্তারিত তথ্য ছাড়া প্রতিবেদনটি ৬০০ শব্দে সম্প্রসারণ করাও নির্ভরযোগ্য সংবাদ-রচনার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

গুলশানের কিং ফিশার রেস্টুরেন্টে অভিযান, বৈধ কাগজপত্রহীন অ্যালকোহল জব্দ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
   
গুলশানের কিং ফিশার রেস্টুরেন্টে অভিযান, বৈধ কাগজপত্রহীন অ্যালকোহল জব্দ

রাজধানীর গুলশানের কিং ফিশার রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে বৈধ কাগজপত্র না থাকা বিপুল পরিমাণ অ্যালকোহল জব্দ করা হয়েছে। জব্দের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ও অভিযানের নেতৃত্বদানকারী সংস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর গুলশানে কিং ফিশার রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে বৈধ কাগজপত্র না থাকা বিপুল পরিমাণ অ্যালকোহল জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক তথ্যে অভিযানটিকে মধ্যরাতের ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে জব্দ করা অ্যালকোহলের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ, অভিযানের নেতৃত্বে থাকা সংস্থা কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রেস্টুরেন্টে অভিযান চালানোর পর কাগজপত্রবিহীন অ্যালকোহল জব্দ করা হয়। ফলে ঘটনাটির কেন্দ্রীয় বিষয় হলো প্রতিষ্ঠানটিতে পাওয়া অ্যালকোহলের বৈধ নথি ছিল না বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে। তবে কী ধরনের নথি পরীক্ষা করা হয়েছে, সেগুলো আদৌ দেখানো হয়েছিল কি না, কিংবা নথিপত্র যাচাইয়ের প্রক্রিয়া কী ছিল—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

জব্দের পরিমাণকে ‘বিপুল’ বলা হলেও বোতল, কার্টন বা অন্য কোনো এককে নির্দিষ্ট সংখ্যা জানানো হয়নি। অ্যালকোহলের ধরন, ব্র্যান্ড বা আনুমানিক মূল্য সম্পর্কেও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। এসব সংখ্যা ও বিবরণ ছাড়া জব্দের মোট পরিমাণ কিংবা এর আর্থিক মূল্য নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। তাই পরিমাণ-সংক্রান্ত দাবিটি প্রাথমিক বর্ণনার মধ্যেই সীমিত থাকছে।

অভিযানটি ঠিক কখন শুরু হয়, কতক্ষণ চলে এবং রেস্টুরেন্টের কোন অংশে অ্যালকোহল পাওয়া যায়—এ বিষয়গুলোও প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত তথ্যে স্পষ্ট নয়। মধ্যরাতের কথা উল্লেখ থাকলেও সুনির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়নি। একইভাবে, অভিযানে কতজন সদস্য অংশ নেন বা জব্দ করা পণ্য কীভাবে সেখান থেকে সরানো হয়, সে সম্পর্কেও কোনো বিবরণ পাওয়া যায়নি।

কোনো ব্যক্তিকে আটক, জিজ্ঞাসাবাদ বা অন্য কোনো আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করার মতো তথ্যও নেই। এ কারণে রেস্টুরেন্টের মালিক, ব্যবস্থাপক কিংবা কর্মীদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। কাগজপত্র না থাকার তথ্যটি জব্দের কারণ হিসেবে এসেছে; কিন্তু এর ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায় বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যায় না।

ঘটনাটির পরবর্তী অগ্রগতি বোঝার জন্য জব্দ করা অ্যালকোহলের তালিকা, নথিপত্র যাচাইয়ের ফল এবং অভিযানে অংশ নেওয়া কর্তৃপক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। তবে এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। কোনো মামলা হয়েছে কি না, জব্দ করা সামগ্রী কোথায় রাখা হয়েছে কিংবা যাচাই শেষে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে—এসব প্রশ্নের উত্তরও প্রাথমিক বিবরণে নেই।

গুলশানের এই রেস্টুরেন্টে অভিযান ও অ্যালকোহল জব্দের ঘটনাটি তাই আপাতত সীমিত কয়েকটি তথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে: অভিযান হয়েছে, স্থানটি কিং ফিশার রেস্টুরেন্ট, এবং সেখানে বৈধ কাগজপত্র না থাকা বিপুল পরিমাণ অ্যালকোহল জব্দ করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট পরিমাণ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিচয় এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ জানা গেলে ঘটনার পূর্ণ চিত্র পাওয়া যাবে। এর আগে অনিশ্চিত বিবরণকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন না করাই সমীচীন।

সর্বশেষ
স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, আবেদনের শেষ তারিখ ৫ নভেম্বর মায়ের সঙ্গে মুখের মিল নিয়ে আলোচনায় স্বস্তিকা গুলশানের কিং ফিশার রেস্টুরেন্টে অভিযান, বৈধ কাগজপত্রহীন অ্যালকোহল জব্দ চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় চোরাই ল্যাপটপ ও মোবাইলসহ গ্রেফতার এক জাপানের বুলেট ট্রেনের আধুনিকতায় যে অভাব খুঁজে পেলেন ভারতীয় পর্যটক গুগল অ্যাকাউন্টে গোপনে ফোন নম্বর যুক্ত হওয়ার সমস্যা, যেভাবে প্রতিকার পাবেন ফেসবুক লাইভে রাজনৈতিক সমালোচনার জের: ভালুকায় আটক নারী উদ্যোক্তা নোবেল না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের নিশানায় নরওয়ে আমাদের নীরব কান্না দেখার মতো কেউ নেই ব্যালন ডি’অর জয়ের আর্থিক পুরস্কার ও ট্রফির রহস্য
Advertisement