খুঁজুন
, ,

দুবাইয়ে বিশ্বরেকর্ড: ১৬.৫ কেজি ওজনের স্বর্ণের ঝুমকায় বাজিমাত

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
দুবাইয়ে বিশ্বরেকর্ড: ১৬.৫ কেজি ওজনের স্বর্ণের ঝুমকায় বাজিমাত

বিশ্বের অন্যতম আধুনিক শহর দুবাই সবসময়ই চমকপ্রদ সব উদ্ভাবন আর রেকর্ড গড়ার জন্য পরিচিত। এবার অলঙ্কার শিল্পে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করল শহরটি। সম্প্রতি দুবাইয়ের গোল্ড ডিস্ট্রিক্টে প্রদর্শিত হয়েছে একজোড়া বিশাল স্বর্ণের ঝুমকা, যা ওজনে ১৬.৫ কেজি। চোখ ধাঁধানো এই অলঙ্কারটি কেবল সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং এটি দুটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড নিজের ঝুলিতে ভরে নিয়েছে। বিশাল এই কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করতে লেগেছে ৫৫ জন দক্ষ কারিগরের অক্লান্ত পরিশ্রম। নিখুঁত কারুকার্যে ভরা এই ঝুমকা তৈরি করতে তাদের মোট সময় ব্যয় হয়েছে ৫ হাজার ৮৪০ ঘণ্টা।

প্রথাগত অলঙ্কারকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে জয়ালুক্কাস জুয়েলারি এই অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। দীর্ঘ কয়েক মাসের নিবিড় পরিকল্পনায় তৈরি ২২ ক্যারেটের এই স্বর্ণের শিল্পকর্মটির নাম দেওয়া হয়েছে ময়ূর সহস্র। অলঙ্কারটির নকশায় ময়ূরের মোটিফ ব্যবহার করা হয়েছে, যা এর নান্দনিকতাকে আরও ফুটিয়ে তুলেছে। এটি তৈরির প্রতিটি পর্যায়ে সূক্ষ্ম কারুকার্যের ছাপ স্পষ্ট। এত বিশাল ও ভারী একটি অলঙ্কার নিখুঁতভাবে তৈরি করা যেকোনো জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ, কিন্তু সেই চ্যালেঞ্জ জয় করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।

গত ২৪ অক্টোবর দুবাই গোল্ড ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত জুয়েল অব জয় শোরুমে এই অসাধারণ ঝুমকাটি আনুষ্ঠানিকভাবে জনসমক্ষে উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানের উপস্থিতিতে এর কারিগরি দিক এবং নকশার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা দেওয়া হয়। স্থানীয় গালফ নিউজের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, এই উন্মোচন অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ছিল, যেখানে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ এই অলঙ্কারটির ওজন, বিশুদ্ধতা এবং তৈরির কারিগরি দক্ষতার মূল্যায়ন করে দুটি আলাদা বিভাগে স্বীকৃতি দিয়েছে। সোনা বা গয়না শিল্পের ইতিহাসে এটি একটি বিরল ঘটনা। সাধারণত এত ওজনের অলঙ্কার ব্যবহারযোগ্য হওয়ার চেয়ে প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যেই বেশি তৈরি করা হয়। তবে এই ঝুমকাটি তৈরির মূল উদ্দেশ্য ছিল অলঙ্কার শিল্পের ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে নতুন করে তুলে ধরা এবং আধুনিক কারিগরি কৌশলের সাথে ঐতিহ্যবাহী নকশার মেলবন্ধন ঘটানো।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অর্জনের ফলে দুবাইয়ের স্বর্ণ ও অলঙ্কার বাজারের মর্যাদা আন্তর্জাতিক মহলে আরও সুসংহত হলো। পর্যটকদের জন্য এখন এই ঝুমকাটি দুবাই ভ্রমণের নতুন আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। ৫৫ জন কারিগরের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং জয়ালুক্কাস জুয়েলারির দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ফসল হিসেবে এই রেকর্ডটি আগামী অনেক বছর অলঙ্কারপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই বিশাল ঝুমকাটির প্রতিটি অংশ, ঝালর এবং ময়ূরের পালকের সূক্ষ্ম নকশা অত্যন্ত যত্নের সাথে খোদাই করা হয়েছে। এত ভারী হওয়ার পরও এর গঠনশৈলী এমনভাবে রাখা হয়েছে যেন এটি প্রদর্শনীর সময় ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে। রেকর্ড গড়ার এই আনন্দ কেবল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নয়, বরং সংযুক্ত আরব আমিরাতের অলঙ্কার শিল্পের জন্যও এক বড় অর্জন। বিশ্বের সেরা গয়না কারিগরদের মানচিত্র এখন দুবাইয়ের এই সাফল্যের দিকেই নির্দেশ করছে।

শীতের আগমনী বার্তা ও ইরানের গ্যাস সাশ্রয়ের নতুন পরিকল্পনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
শীতের আগমনী বার্তা ও ইরানের গ্যাস সাশ্রয়ের নতুন পরিকল্পনা

শীতকাল আসার আগেই দেশজুড়ে গ্যাসের ব্যবহার ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান। এ সাশ্রয়ী উদ্যোগে সাড়া দিয়ে যারা গ্যাসের ব্যবহার হ্রাস করবেন, তাদের জন্য আর্থিক প্রণোদনার ব্যবস্থাও রেখেছে দেশটির সরকার।

ইরানে শীতের তীব্রতা বাড়ার আগে দেশজুড়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনার জন্য নাগরিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারি পর্যায়ে এই সাশ্রয় নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো সাধারণ নাগরিকদের উৎসাহিত করার পরিকল্পনা। দেশটির গ্যাস কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আসন্ন শীত মৌসুমে গ্যাসের বাড়তি চাহিদা সামাল দিতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।

দেশটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের আলোচনায় উঠে এসেছে যে, শীতকালে সাধারণত ঘর গরম রাখার জন্য এবং অন্যান্য গৃহস্থালি কাজে গ্যাসের ব্যবহার বহুগুণ বেড়ে যায়। এই অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে গিয়ে অনেক সময় সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপের সৃষ্টি হয়, যা সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে নাগরিকদের গ্যাস ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এই সাশ্রয় নীতিকে জনপ্রিয় করতে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে একটি আকর্ষণীয় প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যারা তাদের স্বাভাবিক ব্যবহারের চেয়ে গ্যাসের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে সক্ষম হবেন, তাদের জন্য বিশেষ আর্থিক পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্যাস সাশ্রয়ের বিপরীতে যে পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হবে, তা সরাসরি সেই নাগরিকের ব্যাংক হিসাবে জমা করে দেওয়া হবে। এই উদ্যোগটি মূলত জ্বালানি সাশ্রয়ের মানসিকতাকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচ কমানোর একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইরানের স্পিকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তাদের মতে, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ অপরিহার্য। বিশেষ করে শীত মৌসুমে যখন জ্বালানির প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি হয়, তখন প্রতিটি পরিবারের ছোট ছোট সাশ্রয় জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের অবদান রাখতে পারে। সরকারের এই নতুন পরিকল্পনায় গ্যাস বিল পরিশোধের প্রক্রিয়া ও সাশ্রয়ের হিসাব কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালাও প্রণয়ন করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি খাতে ইরান যে ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, তাতে এই ধরনের সাশ্রয়ী উদ্যোগ একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান হতে পারে। এর ফলে কেবল রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর চাপ কমবে তা নয়, বরং জ্বালানি বণ্টনে সমতা বজায় রাখা সম্ভব হবে। শীতকালীন প্রস্তুতি হিসেবে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখার পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সরকার নানা সচেতনতামূলক প্রচারণাও শুরু করেছে।

সাধারণ মানুষ যদি সরকারি এই আহবানে সাড়া দেয়, তবে শীতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইরান আরও আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে থাকতে পারবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশজুড়ে গ্যাস সাশ্রয়ের এই মানসিকতা যদি দীর্ঘমেয়াদে বজায় থাকে, তবে তা ইরানের জ্বালানি খাতের ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক সংকেত বহন করবে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই আর্থিক প্রণোদনা প্রকল্পটির বিস্তারিত রূপরেখা নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

আপিল বিভাগের চেম্বার জজ-২ আদালতের চলতি সপ্তাহের শুনানি কার্যক্রম স্থগিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
আপিল বিভাগের চেম্বার জজ-২ আদালতের চলতি সপ্তাহের শুনানি কার্যক্রম স্থগিত

অনিবার্য কারণবশত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজ-২ আদালতে এই সপ্তাহের নির্ধারিত সব শুনানির কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনিবার্য কিছু কারণবশত আপিল বিভাগের চেম্বার জজ-২ আদালতের চলতি সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত সব শুনানির কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। আদালতের পক্ষ থেকে এমন তথ্য জানানো হয়েছে। সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে চেম্বার আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মামলার জরুরি শুনানি ও নিষ্পত্তি হয়ে থাকে। তবে চলতি সপ্তাহে এই নির্দিষ্ট আদালতের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় সংশ্লিষ্ট বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের নির্ধারিত শুনানির জন্য পরবর্তী সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আইন অঙ্গনের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে, চেম্বার আদালতের কার্যক্রম মূলত উচ্চ আদালতের জরুরি আইনি জটিলতা নিরসনে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত আদালত ও চেম্বার আদালতের মাধ্যমে বিচার বিভাগ তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। সেখানে এ ধরনের স্থগিতাদেশের ঘটনা নিয়মিত না হলেও প্রশাসনিক বা অনিবার্য কোনো কারণে এটি কখনো কখনো ঘটতে পারে। যদিও এই স্থগিতাদেশের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা হয়নি, তবে আদালত প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সাধারণত আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে জামিন সংক্রান্ত বিষয়, স্থগিতাদেশের আবেদন কিংবা জরুরি নিষেধাজ্ঞার মতো বিষয়গুলোর দ্রুত সুরাহা করা হয়। তাই এই সপ্তাহের কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় যেসব মামলার শুনানি নির্ধারিত ছিল, সেগুলোর বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের আদালতের নতুন নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকতে হবে। এই স্থগিতাদেশটি কেবল বর্তমান সপ্তাহের জন্য কার্যকর থাকবে বলে আপাতত ধারণা করা হচ্ছে। সপ্তাহের কার্যদিবস শেষে বা পরবর্তী নির্দেশনায় আদালত পুনরায় তাদের স্বাভাবিক সূচি অনুযায়ী শুনানি শুরু করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষ এবং আইনজীবীদের বিষয়টি অবগত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের সিদ্ধান্তে সবসময়ই বিচারপ্রার্থীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বর্তমানে আপিল বিভাগের সামগ্রিক বিচারিক কার্যক্রম চলমান থাকলেও চেম্বার জজ-২ আদালতের এই সাময়িক বিরতি আইনি প্রক্রিয়ায় বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আদালতের নতুন সূচি বা পরবর্তী শুনানির তারিখ কবে নাগাদ নির্ধারণ করা হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শাখার পক্ষ থেকে নোটিশের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

দুই মাস বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশে আবারও বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করলো নেপাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
দুই মাস বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশে আবারও বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করলো নেপাল

বন্যায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে ক্ষয়ক্ষতির কারণে দীর্ঘ দুই মাস বন্ধ থাকার পর ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি প্রক্রিয়া চালু করেছে নেপাল। শুক্রবার থেকে দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দীর্ঘ দুই মাসের অচলাবস্থা কাটিয়ে বাংলাদেশে আবারও বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছে নেপাল। আকস্মিক বন্যার কবলে পড়ে দেশটির বিভিন্ন জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সৃষ্টি হওয়ায় গত বেশ কিছুদিন ধরে প্রতিবেশী দেশ থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। শুক্রবার থেকে এই বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রক্রিয়া পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বিদ্যুৎ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নেপালের এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদার ক্ষেত্রে বড় ধরনের স্বস্তি বয়ে আনবে।

সূত্র মারফত জানা গেছে, গত কয়েক মাস আগে নেপালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যার কারণে দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা কমে যাওয়ায় রপ্তানি কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছিল নেপাল কর্তৃপক্ষ। সেই সময় বিদ্যুৎ অবকাঠামো মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলায় আন্তঃদেশীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন দিয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আসার পথ বন্ধ ছিল। তবে দেশটির প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টায় ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রগুলো পুনরায় সচল করা সম্ভব হয়েছে।

শুক্রবার থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রক্রিয়া পুনরায় সচল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট মহলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরেছে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত বিশ্লেষকদের মতে, নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে, বর্তমানে বাংলাদেশের বিদ্যুতের যে চাহিদা রয়েছে, তা মেটাতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে এই ধরনের সহযোগিতা অত্যন্ত ফলপ্রসূ।

এর আগে নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যুৎ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থেকেই উভয় দেশের মধ্যে জ্বালানি খাতে সহযোগিতার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। হিমালয়ের দেশ থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করার এই উদ্যোগ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককেও আরও গভীর করার সুযোগ তৈরি করেছে। বর্তমানে নেপালের উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি অংশ বাংলাদেশে আসার ফলে জাতীয় গ্রিডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সাময়িক বিঘ্ন ঘটলেও, নেপাল কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ে তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা মেরামত করে রপ্তানি পুনরায় শুরু করায় দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতার মনোভাব আরও একবার প্রমাণিত হলো। আশা করা হচ্ছে, সামনের দিনগুলোতে এই সরবরাহ প্রক্রিয়া কোনো প্রকার বিঘ্ন ছাড়াই নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকবে, যা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সর্বশেষ
শীতের আগমনী বার্তা ও ইরানের গ্যাস সাশ্রয়ের নতুন পরিকল্পনা আপিল বিভাগের চেম্বার জজ-২ আদালতের চলতি সপ্তাহের শুনানি কার্যক্রম স্থগিত দুই মাস বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশে আবারও বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করলো নেপাল বাড়িতে গুলিবর্ষণ, রোহিত শেঠি ‘বিগ বস’ মঞ্চে গুলিবর্ষণ‑সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা বললেন বঙ্গোপসাগরে সুইডিশ বিনিয়োগ ও পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারে সহযোগিতার আহ্বান স্পিকারের দুবাইয়ে বিশ্বরেকর্ড: ১৬.৫ কেজি ওজনের স্বর্ণের ঝুমকায় বাজিমাত সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড: আজ পর্যন্ত আমাকে কিছু জানানো হয়নি, খোঁজ নিতে আসেনি কেউ শাড়ি আত্মসাতের মামলায় তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সিআইডি তদন্তের আদেশ রাজউকের ১৪১৩ প্লট নিয়ে তোলপাড়, অনিয়মের অভিযোগে হাজারো নথি স্থগিত বরিশালের মাঠে গড়াবে ডি-থ্রি ট্রফির উদ্বোধনী ও ফাইনাল
Advertisement