খুঁজুন
, ,

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া ডিসেম্বরে শুরুর আশা মন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ পূর্বাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া ডিসেম্বরে শুরুর আশা মন্ত্রীর

আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। প্রবাসী কর্মীদের জন্য এই যাত্রাপথ সুগম করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মূলত, বিনা খরচে বা ফ্রি অফ কস্টে কর্মীদের বিদেশে পাঠাতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন বছরের শেষ মাসেই এই প্রক্রিয়া আলোর মুখ দেখবে। রাজধানীর ইস্কাটনে অবস্থিত প্রবাসী কল্যাণ ভবনের মিলনায়তনে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এই ঘোষণা দেন। সভায় এফডাব্লিউসিএমএস বা ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের তালিকাভুক্ত রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে নানাবিধ আলোচনা ও জটিলতা বিদ্যমান ছিল। তবে সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সরকার সেই জটিলতা কাটিয়ে ওঠার একটি ইঙ্গিত দিল। মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান সরকার অভিবাসন ব্যয় কমানোর ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশেষ করে শ্রমিকদের হয়রানি কমাতে এবং তাদের সঠিক উপায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দিতেই এই নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সঙ্গে বৈঠকে তিনি শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন, যাতে কেউ অবৈধ কোনো পন্থায় টাকা লেনদেন করতে না পারে বা কোনোভাবেই শ্রমিকরা প্রতারণার শিকার না হন।

বৈঠকে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী আরও বলেন যে, সরকারি পর্যায়ে কর্মীদের বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে কোনো অসাধু উপায় অবলম্বন করা যাবে না। যারা নিয়ম মেনে কর্মী পাঠাবেন, তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, যারা সরকারি ব্যবস্থাপনার বাইরে নিজ উদ্যোগে বা ব্যক্তিগত পর্যায়ে বিদেশে যেতে ইচ্ছুক, তাদের ক্ষেত্রেও সরকার নজরদারি বাড়াবে যেন কোনোভাবেই অতিরিক্ত খরচ বা অমানবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়। সরকারের পক্ষ থেকে ফ্রি অফ কস্টে পাঠানোর পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন হলে তা প্রান্তিক পর্যায়ের কর্মীদের জন্য বিশাল এক স্বস্তির সংবাদ হয়ে আসবে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর ডিসেম্বর মাসে কর্মী পাঠানোর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সভায় উপস্থিত এজেন্সিদের দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান এবং প্রতিটি প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অভিবাসন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না এবং সরকারি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে, ডিসেম্বরের মধ্যে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের যাত্রা শুরু হওয়ার বার্তাটি দেশের শ্রম বাজারে এক নতুন গতির সঞ্চার করেছে। আগামী দিনগুলোতে এই প্রক্রিয়া কতটা মসৃণভাবে সম্পন্ন হয়, সেদিকেই এখন সবার নজর।

চীনের সঙ্গে বিএনপির রাজনৈতিক সমঝোতা: বেইজিং সফরের প্রভাব ও কূটনৈতিক তৎপরতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ পূর্বাহ্ণ
   
চীনের সঙ্গে বিএনপির রাজনৈতিক সমঝোতা: বেইজিং সফরের প্রভাব ও কূটনৈতিক তৎপরতা

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পটভূমিতে চীনের সঙ্গে বিএনপির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। গত ২৫ জুন চীনের বেইজিংয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পারস্পরিক রাজনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, বেইজিং সফরকালে এই রাজনৈতিক সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক দলের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ-বিষয়ক উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। অন্যদিকে, চীনের পক্ষে ছিলেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সেন্ট্রাল কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং। দুই পক্ষের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বের এই উপস্থিতিতে সম্পন্ন হওয়া সমঝোতাটি ভবিষ্যতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে এই রাজনৈতিক সমঝোতা স্মারকটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ। বিশেষ করে, বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেইজিংয়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং বড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমঝোতা ভবিষ্যতে কোন পথে এগোবে, সে বিষয়টি এখন দেখার বিষয়। উল্লেখ্য যে, এই কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়, যার মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির প্রত্যাবর্তনের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে বেইজিংয়ে স্বাক্ষরিত এই সমঝোতা স্মারকটি মূলত দুই দলের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে আরও সুদৃঢ় করার একটি প্রয়াস হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আন্তর্জাতিক রাজনীতির মেরুকরণে চীন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য চীনের সঙ্গে এই ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বেইজিংয়ের আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিংয়ের সঙ্গে এই সমঝোতা সইয়ের মাধ্যমে বিএনপি তাদের আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন গতি আনার চেষ্টা করছে বলে প্রতীয়মান হয়। তবে এই সমঝোতা কেবলই একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তিতে সীমাবদ্ধ থাকবে নাকি ভবিষ্যতে বড় কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে, তা সময়ই বলে দেবে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের এই ধারা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদক্ষেপ দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরিশেষে, বেইজিংয়ের এই সফর ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর এখন সাধারণ মানুষের নজর এখন বিএনপির পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপের দিকে। দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে এই ধরনের সমঝোতা কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে নানামুখী প্রত্যাশা ও প্রশ্ন রয়েছে সাধারণ মানুষের মনে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে সতর্কতা ও পর্যবেক্ষণের সুযোগ রয়েছে, কারণ বৈদেশিক সম্পর্কের বিষয়টি জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সামনের দিনগুলোতে এই সমঝোতার বাস্তবায়নের গতি প্রকৃতিই নির্ধারণ করবে চীন ও বিএনপির মধ্যকার রাজনৈতিক সম্পর্কের গভীরতা কতদূর পৌঁছাবে।

আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেভাবে (৬ নভেম্বর, ২০২৬)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেভাবে (৬ নভেম্বর, ২০২৬)

ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ঘটনাবহুল। প্রতিটি দিনের সূচনার সঙ্গে সঙ্গেই ভক্তরা অপেক্ষায় থাকেন প্রিয় দলের খেলা দেখার জন্য। টেলিভিশনের পর্দার সামনে সময় কাটানো এখন আর কেবল বিনোদন নয়, বরং অনেকের কাছেই এটি একটি আবেগ ও আবেশ। বিশেষ করে যখন বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বড় সিরিজ চলে, তখন পুরো দেশের ক্রিকেটানুরাগীদের নজর থাকে টিভি স্ক্রিনের দিকে। আজ ৬ নভেম্বর, ২০২৬, বুধবার। দিনটিকে ঘিরে ক্রিকেট ও ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা তুঙ্গে। আজকের এই দিনে কোন চ্যানেলে কোন খেলাটি সরাসরি সম্প্রচারিত হবে, তা জেনে নেয়া যাক বিস্তারিতভাবে।

আজকের দিনের প্রধান আকর্ষণ হলো বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। আজ ম্যাচের দ্বিতীয় দিন। সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে ক্রিকেটপ্রেমীরা সরাসরি এই ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন টি স্পোর্টসের পর্দায়। টেস্ট ক্রিকেট ধৈর্যের পরীক্ষা নেয় এবং এই ম্যাচে বাংলাদেশ দল কতটা লড়াই করতে পারে, সেটি দেখার অপেক্ষায় আছেন সমর্থকরা। সিরিজের গুরুত্ব বিবেচনায় এই ম্যাচটি টাইগারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় দিনের খেলা কেমন হবে, উইকেটের চরিত্র কেমন আচরণ করবে এবং বাংলাদেশি ব্যাটার বা বোলাররা কেমন পারফর্ম করবেন—সব মিলিয়ে টানটান উত্তেজনার একটি দিন অপেক্ষা করছে ক্রিকেট ভক্তদের জন্য। অফিসে বা ঘরে বসেও অনেকেই রেডিও বা অনলাইন আপডেটের চেয়ে সরাসরি টিভি সম্প্রচারকেই প্রাধান্য দেন, যা খেলার মাঠের আবহকে বসার ঘরে নিয়ে আসে।

ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবল ভক্তদের জন্যও থাকছে দারুণ কিছু মুহূর্ত। লা লিগার রোমাঞ্চকর ম্যাচে আজ মুখোমুখি হতে যাচ্ছে সেভিয়া এবং আলাভেস। বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচারিত হবে টি স্পোর্টসে। লা লিগার মতো ইউরোপীয় লিগের ফুটবল দর্শকদের কাছে সবসময়ই বাড়তি উন্মাদনার সৃষ্টি করে। দিনের কর্মব্যস্ততা শেষে গভীর রাতে হলেও ইউরোপিয়ান ফুটবলের এই লড়াই উপভোগ করতে ভুল করেন না বাংলার অগণিত ফুটবল ভক্ত। সেভিয়া বনাম আলাভেসের এই ম্যাচে কার জয় হবে, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

সব মিলিয়ে আজকের দিনের এই খেলাগুলো ক্রীড়াঙ্গনের দর্শকদের জন্য বেশ আনন্দদায়ক হতে যাচ্ছে। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন সারা বিশ্বের খেলা সরাসরি দেখা অনেকটাই সহজ। আধুনিক সময়ে খেলাধুলা কেবল মাঠে দেখার বিষয় নয়, টেলিভিশন এবং সম্প্রচার মাধ্যমের দৌলতে তা এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। টি স্পোর্টসের মতো চ্যানেলগুলো বিশ্বমানের খেলার সম্প্রচার নিশ্চিত করে দর্শকদের সেই সুযোগটিই করে দিচ্ছে। খেলাধুলা মানুষের মন ভালো রাখার অন্যতম মাধ্যম এবং আজকের এই দুটি ম্যাচ—একটি টেস্ট ক্রিকেটের ধ্রুপদী লড়াই এবং অন্যটি লা লিগার দ্রুতগতির ফুটবল—দর্শকদের দুই ধরনের অভিজ্ঞতাই প্রদান করবে। যারা নিয়মিত খেলাধুলা দেখেন, তারা জানেন যে সময়ের সাথে খাপ খাইয়ে খেলা দেখা কতটা আনন্দদায়ক। তাই হাতে রিমোট নিয়ে প্রস্তুত হোন এবং আজকের সব রোমাঞ্চকর মুহূর্ত উপভোগ করুন। তবে মনে রাখবেন, খেলার মাঠে খেলোয়াড়দের মানসিক শক্তি এবং কৌশলই সব, আর আমরা কেবল তার সাক্ষী হওয়ার অপেক্ষায় থাকি। নিয়মিত এই আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের চেষ্টা থাকে ক্রীড়াপ্রেমীদের সঠিক তথ্য সরবরাহ করার। তাই সব ধরনের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন আমাদের খেলার পাতায়। দিনটি আনন্দময় হোক সকল ক্রীড়াপ্রেমীর জন্য।

হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে চার দেশের ওপর থেকে কড়াকড়ি তুলল ইরান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ
   
হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে চার দেশের ওপর থেকে কড়াকড়ি তুলল ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ইরান। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম ব্যস্ততম নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চারটি নির্দিষ্ট দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য এই কড়াকড়ি তুলে নেওয়া হয়েছে, যার ফলে ওই দেশগুলোর জন্য এখন এই পথ দিয়ে চলাচল আগের চেয়ে সহজ হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতসহ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর জাহাজগুলো এখন বাড়তি জটিলতা ছাড়াই ওই অঞ্চল দিয়ে চলাচল করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইরানের এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্বকে বড় করে দেখা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালী বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের প্রধান রুটগুলোর মধ্যে অন্যতম। এখানে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ বা অস্থিরতা তৈরি হলে তা বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। ইরানের তরফ থেকে নেওয়া এই পদক্ষেপে চারটি দেশের নাম উল্লেখ করা হলেও বাকি দেশগুলোর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট করা হয়নি। তবে ভারত এই তালিকায় থাকায় নয়াদিল্লি ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক স্তরের বোঝাপড়া ও আলোচনার বিষয়টি সামনে উঠে আসছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে যে ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে, তাতে যেকোনো দেশের জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার ঝুঁকি বা বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন হয়। ইরান কর্তৃপক্ষ যখন তাদের আকাশ বা সমুদ্রসীমায় কোনো বিধিনিষেধ দেয়, তখন তা সাধারণত নিরাপত্তার স্বার্থেই করা হয়। এবার বিশেষ এই ছাড় দেওয়ার অর্থ হলো, তেহরান ওই চারটি দেশের সাথে তাদের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই পদক্ষেপটি আঞ্চলিক বাণিজ্যের জন্য ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

হরমুজ প্রণালী বরাবরই ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে টানাপোড়েনের একটি কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। এই জলপথের দখল ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অতীতেও নানা সময় বাগবিতণ্ডা হয়েছে। তবে এবার বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখা ইরানের একটি কৌশলগত চাল হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ইরান সম্ভবত আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি বার্তাও দিতে চেয়েছে যে, তারা কেবল বৈরী সম্পর্ক নয়, বরং বন্ধুত্বপূর্ণ বা নিরপেক্ষ দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য ও যোগাযোগের পথ উন্মুক্ত রাখতে চায়।

ভারতের জন্য এই সিদ্ধান্ত বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির একটি বড় অংশ এই সমুদ্রপথ দিয়ে আসে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়টি ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই ইরানের এই ঘোষণা নয়াদিল্লির জন্য একটি স্বস্তির খবর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, চলমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও বাণিজ্যিক রুটগুলোর স্বাভাবিকতা বজায় রাখার এই প্রচেষ্টা বিশ্ব অর্থনীতি ও জাহাজ চলাচলকারী দেশগুলোর জন্য জরুরি। ইরান কর্তৃপক্ষের এই শিথিলতা দীর্ঘমেয়াদে কতটা কার্যকর থাকে, তা দেখার বিষয়। তবে আপাতত এই চারটি দেশের বাণিজ্যিক নৌ-চলাচল আগের তুলনায় আরও সুগম হলো বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া ডিসেম্বরে শুরুর আশা মন্ত্রীর চীনের সঙ্গে বিএনপির রাজনৈতিক সমঝোতা: বেইজিং সফরের প্রভাব ও কূটনৈতিক তৎপরতা আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেভাবে (৬ নভেম্বর, ২০২৬) হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে চার দেশের ওপর থেকে কড়াকড়ি তুলল ইরান সাভার-আশুলিয়ায় অস্থিরতা নিরসনে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমিক নেতাদের গাজীপুর সাফারি পার্কে নতুন অতিথির আগমন: নীলগাইয়ের চার শাবকের জন্ম টেকনাফে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান, নিহত সেনাসদস্য শিশু অধিকার সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন সংশোধনের লক্ষ্যে সংসদীয় ককাসের কার্যক্রম শুরু বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিটে ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ১৬টি প্রকল্পের প্রদর্শন বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বাড়ার আভাস, অর্থনীতিতে নতুন চাপের মুখে বাংলাদেশ