খুঁজুন
, ,

টেকনাফে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান, নিহত সেনাসদস্য

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:২১ পূর্বাহ্ণ
টেকনাফে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান, নিহত সেনাসদস্য

কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারী সশস্ত্র চক্রের কবল থেকে জিম্মিদের উদ্ধার করতে গিয়ে এক সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যানুযায়ী, মানবপাচারকারী চক্রের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সেখানে অভিযান শুরু হয়। এই অভিযানে ৫৭ জন জিম্মিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং আটক করা হয়েছে চক্রের পাঁচ সদস্যকে। তবে অভিযানের একপর্যায়ে পাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর মো. তিতাস শেখ নামে ২৭ বছর বয়সী এক সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, টেকনাফের রঙ্গীখালী এলাকার পাহাড়গুলোতে দীর্ঘ দিন ধরে একটি শক্তিশালী মানবপাচারকারী চক্র সক্রিয় রয়েছে। তারা নানা কৌশলে সাধারণ মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে জিম্মি করে রাখে এবং মুক্তিপণ আদায় করে। এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। অভিযানের সময় সশস্ত্র পাচারকারীরা যৌথ বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাল্টা জবাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও গুলি চালায়। গোলাগুলির এই পর্যায়ে তিতাস শেখ গুলিবিদ্ধ হন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া হলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

অভিযান চলাকালীন সশস্ত্র পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও যৌথ বাহিনী এলাকাটি ঘিরে রাখে। অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৫৭ জনকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, মানবপাচার প্রতিরোধে এবং দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে এই অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আটককৃত পাঁচজনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় তৈরি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নিহত সেনাসদস্য মো. তিতাস শেখের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পরপরই ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পুরো এলাকাটি কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আনা হয়েছে। ওই পাহাড়ি অঞ্চলে আর কোনো সন্ত্রাসী বা পাচারকারী লুকিয়ে আছে কি না, তা নিশ্চিত হতে যৌথ বাহিনী তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সীমান্ত এলাকা দিয়ে মানবপাচার রোধে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। স্থানীয় জনসাধারণ যৌথ বাহিনীর এই তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়েছে, তবে সেনাসদস্যের এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ পেয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

সাভার-আশুলিয়ায় অস্থিরতা নিরসনে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমিক নেতাদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
সাভার-আশুলিয়ায় অস্থিরতা নিরসনে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমিক নেতাদের

সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে কয়েকদিন ধরে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ এবং এর ফলে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে মাঠপর্যায়ে দীর্ঘমেয়াদী আন্দোলনের বাস্তবতা না থাকায়, শ্রমিকদের পুনরায় কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের প্রধান দাবি ছিল মজুরি বোর্ড গঠন এবং নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা। সেই দাবির প্রেক্ষিতে সরকারি উদ্যোগের বিষয়টি সামনে আসায় এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

শিল্পাঞ্চলের একাধিক শ্রমিক নেতা জানিয়েছেন, তাদের আন্দোলনের মূল লক্ষ্য অর্জিত হওয়ার পথে। মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা এবং নতুন মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় এখন আর রাস্তায় নামার যৌক্তিক কারণ নেই বলে মনে করছেন তারা। বরং শিল্পকারখানাগুলো সচল থাকলে উৎপাদন অব্যাহত থাকবে, যা দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার পাশাপাশি শ্রমিকদের নিজেদের জীবনজীবিকার জন্য অত্যাবশ্যক। উৎপাদন বন্ধ থাকলে শেষ পর্যন্ত শ্রমিকরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন বলে তারা মনে করিয়ে দিয়েছেন।

তবে কাজে ফেরার আহ্বানের পাশাপাশি শ্রমিকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন নেতারা। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, শ্রমিকরা কাজে ফিরে গেলেও তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। গত কয়েকদিনের অস্থিরতায় কর্মক্ষেত্রে যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা দূর করার দায়িত্ব মালিকপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। শ্রমিকরা যেন কর্মস্থলে কোনো ধরণের হয়রানি বা ভীতির শিকার না হন, সেটি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

শিল্প সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকদের মতে, সাভার ও আশুলিয়া অঞ্চলের কারখানাগুলোতে অস্থিরতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রপ্তানি আদেশেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিক নেতাদের এই আহ্বান অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন অনেকে। এর ফলে কারখানাগুলোতে পুনরায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শ্রমিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সরকার ও মালিকপক্ষ তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলে দীর্ঘমেয়াদে এই শিল্পাঞ্চলে শান্তি ফিরে আসবে।

শ্রমিক নেতারা আরও জানিয়েছেন যে, কেবল কাজে ফেরা নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করাই তাদের একমাত্র পথ। কোনো অবস্থাতেই তৃতীয় কোনো পক্ষ যেন ফায়দা নিতে না পারে, সেদিকে শ্রমিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। আগামী দিনগুলোতে কারখানায় সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলে উৎপাদন ব্যবস্থা দ্রুতই স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন। সামগ্রিকভাবে, শিল্পাঞ্চলে শান্তি বজায় রাখতে শ্রমিক, মালিক এবং সরকার তিন পক্ষকেই পারস্পরিক সমঝোতা ও সহনশীলতার পরিচয় দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন সংশ্লিষ্ট সবাই।

গাজীপুর সাফারি পার্কে নতুন অতিথির আগমন: নীলগাইয়ের চার শাবকের জন্ম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
গাজীপুর সাফারি পার্কে নতুন অতিথির আগমন: নীলগাইয়ের চার শাবকের জন্ম

গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে বন্যপ্রাণীর বংশবিস্তারের ধারায় যুক্ত হয়েছে এক নতুন সাফল্য। পার্কের নীলগাইয়ের পালে জন্ম নিয়েছে চারটি নতুন শাবক। সুদূর অতীত থেকে আমাদের প্রকৃতি ও পরিবেশের সাথে মিশে থাকা এই প্রাণীর প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পার্ক কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই প্রতিফলন হিসেবে এই নতুন অতিথিদের আগমনকে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, পার্কের অভ্যন্তরে অবস্থিত কোর সাফারির হরিণ সাফারি বেষ্টনীতে এই শাবকগুলোর জন্ম হয়েছে। তবে জন্মের পরপরই এদের প্রকাশ্যে আনা হয়নি। প্রায় দেড় মাস আগে পার্কের রক্ষণাবেক্ষণকারী কর্মীরা প্রথমবারের মতো শাবকগুলোকে মায়ের সাথে বিচরণ করতে দেখেন।

বন্যপ্রাণীর নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় কর্তৃপক্ষ প্রথমদিকে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ করেনি। শাবকগুলো যেন সুস্থ ও স্বাভাবিক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে এবং মানুষের উপস্থিতি বা কোলাহলে কোনো বিরূপ প্রভাব না পড়ে, সে কারণেই এই সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে পার্ক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সুখবরটি গণমাধ্যমকে জানানো হয়। বর্তমানে শাবকগুলো মায়ের কাছাকাছি থেকে পার্কের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে দিনভর ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

তবে শাবকগুলোর লিঙ্গ পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি। প্রাণীগুলো অত্যন্ত লাজুক স্বভাবের হওয়ায় এদের কাছাকাছি যাওয়া বা শারীরিক পরীক্ষা করা কঠিন। পার্কের ভেটেরিনারি সার্জন ও কর্মীরা দূর থেকে এদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছেন। আপাতত শাবকগুলোর কোনো লিঙ্গ নির্ধারণের চেষ্টা না করে তাদের অবাধ বিচরণ ও স্বাস্থ্যের উন্নতির দিকেই বেশি নজর দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। পার্কের প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং খাদ্যাভ্যাস যে নীলগাইয়ের প্রজননের জন্য অনুকূল, তা এই নতুন শাবকগুলোর জন্মের মাধ্যমেই পুনরায় প্রমাণিত হলো।

নীলগাই সাধারণত দলবদ্ধভাবে থাকতে পছন্দ করে। গাজীপুর সাফারি পার্কে নীলগাইয়ের যে আবাসস্থল তৈরি করা হয়েছে, সেখানে তারা বেশ মানিয়ে নিয়েছে। গত দেড় মাস ধরে মায়ের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে শাবকগুলো ভালো আছে এবং কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়নি। পার্ক কর্তৃপক্ষ আশা করছে, কোনো প্রকার বাধার সম্মুখীন না হলে শাবকগুলো অচিরেই সুস্থ-সবল পূর্ণবয়স্ক নীলগাই হিসেবে বড় হবে। আগামী দিনগুলোতে এই শাবকগুলোর সংখ্যা আরও বাড়বে এবং এটি দেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে। পার্ক পরিদর্শনে আসা দর্শনার্থীরা যাতে দূর থেকে হলেও এই সুন্দর দৃশ্যটি উপভোগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেও কর্তৃপক্ষ বাড়তি সতর্কতা বজায় রেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। শাবকগুলোর আগমন পার্কের জীববৈচিত্র্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা।

শিশু অধিকার সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন সংশোধনের লক্ষ্যে সংসদীয় ককাসের কার্যক্রম শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
শিশু অধিকার সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন সংশোধনের লক্ষ্যে সংসদীয় ককাসের কার্যক্রম শুরু

দেশের শিশুদের সার্বিক অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জাতীয় সংসদের নবগঠিত শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাস। এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করতে গিয়ে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য একটি নিরাপদ ও শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা বর্তমান সময়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত এক সভায় ডেপুটি স্পিকার শিশু অধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, আইন ও নীতিমালার ফাঁকফোকর দূর করে সেগুলোর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। সভায় তিনি আরও বলেন, নির্বাহী বিভাগে কোনো আইনি বা প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা থাকলে সংসদ সদস্যরা তাদের নিজস্ব সাংবিধানিক ক্ষমতার বলে বেসরকারি বিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধনী সংসদে উত্থাপন করতে পারেন। এই আইনি প্রক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে শিশু অধিকার বিষয়ক আইনগুলোকে আরও যুগোপযোগী করা সম্ভব বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

ককাসের এই নতুন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জাতীয় পর্যায়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এই ধরনের সক্রিয়তা শিশুদের প্রতি সহিংসতা, অবহেলা ও শোষণের হার কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে। ককাসের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা ধারাবাহিকভাবে বিদ্যমান আইনগুলোর প্রতিটি ধারা চুলচেরা বিশ্লেষণ করবেন এবং যেখানেই অসামঞ্জস্য বা আধুনিক সময়ের দাবি অনুযায়ী পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে, সেখানে দ্রুত সংস্কারের প্রস্তাব আনা হবে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তার বক্তব্যে আরও যোগ করেন যে, সংসদীয় ককাস শুধু আইন পরিবর্তনের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং শিশু অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদসমূহ এবং দেশের সংবিধানের মূল চেতনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে কীভাবে নীতিমালাগুলো বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়েও তদারকি বজায় রাখবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদ সদস্যদের এই সম্মিলিত প্রয়াস দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের শিশুদের অধিকার রক্ষায় একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

সভায় উপস্থিত অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার এই উদ্যোগের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত শিশু অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। সভায় অংশগ্রহণকারী নীতিনির্ধারকরা প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে প্রতিটি শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সংসদীয় ককাস তাদের সরব উপস্থিতি বজায় রাখবে এবং শিশু অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় সকল আইনি কাঠামো সংস্কারে কোনো গাফিলতি রাখা হবে না। সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সংসদীয় এই ককাস দেশের শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাষ্ট্র বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ
সাভার-আশুলিয়ায় অস্থিরতা নিরসনে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমিক নেতাদের গাজীপুর সাফারি পার্কে নতুন অতিথির আগমন: নীলগাইয়ের চার শাবকের জন্ম টেকনাফে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান, নিহত সেনাসদস্য শিশু অধিকার সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন সংশোধনের লক্ষ্যে সংসদীয় ককাসের কার্যক্রম শুরু বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিটে ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ১৬টি প্রকল্পের প্রদর্শন বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বাড়ার আভাস, অর্থনীতিতে নতুন চাপের মুখে বাংলাদেশ বাংলাদেশের স্কোয়াড গভীরতা নিয়ে মুগ্ধ ভুটানের কোচ অধ্যক্ষর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স দীর্ঘ ২৩ বছর পর পরিবর্তন লক্ষ্মীপুর জামায়াতের নেতৃত্বে, নতুন আমির এ আর হাফিজ উল্লাহ কপ-৩১ সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়নে অনুদানের ওপর জোর দেবে বাংলাদেশ