খুঁজুন
, ,

রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান প্রকল্পের এলাকায় পৌঁছাল

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান প্রকল্পের এলাকায় পৌঁছাল

দেশের জ্বালানি খাতের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য আমদানিকৃত পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালানটি সফলভাবে প্রকল্পের নির্ধারিত স্থানে এসে পৌঁছেছে। এই ঘটনা রূপপুর প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের কাজকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই জ্বালানি পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন যে, নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, পারমাণবিক জ্বালানির এই বিশেষ চালানটি গত সোমবার ঢাকায় পৌঁছায়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর অত্যন্ত কঠোর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এটি সড়কপথে রূপপুর প্রকল্প এলাকায় নিয়ে আসা হয়। এরপর মঙ্গলবার চালানটি আনুষ্ঠানিকভাবে রূপপুর প্রকল্প এলাকায় খালাস করা হয়। দেশের কোনো পারমাণবিক প্রকল্পে তেজস্ক্রিয় জ্বালানি পরিবহনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুসরণ করা হয়, যা এই চালানের ক্ষেত্রেও একইভাবে বজায় রাখা হয়েছিল। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রসাটমের সহযোগিতায় এই জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে, যারা শুরু থেকেই প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে আসছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পটি মূলত দুটি ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত। প্রতিটি ইউনিটের সক্ষমতা প্রায় ১২০০ মেগাওয়াট। দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার একটি বড় অংশ মেটাতে সক্ষম এই প্রকল্পটি বর্তমানে নির্মাণের চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রথম ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি লোড করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সেটি এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রস্তুতির শেষ ধাপে রয়েছে। এখন দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য জ্বালানি আসায় প্রকল্পের সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হলো। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, এই চালানটি আসার মানে হলো দ্বিতীয় ইউনিটের রিঅ্যাক্টর বা পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি ভরার প্রাথমিক ধাপটি সম্পন্ন হওয়ার পথ সুগম হলো।

প্রসঙ্গত, পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল স্থাপনা। এখানে ব্যবহৃত জ্বালানি পরিবহনের জন্য আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএর নিয়মাবলী কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। রূপপুর প্রকল্পের জন্য এই জ্বালানি রাশিয়া থেকে আসার পথে আকাশ ও সড়কপথে যে সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা হয়, তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী পরিচালিত। সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, পারমাণবিক সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ এবং প্রকল্পের নিজস্ব নিরাপত্তা দল সমন্বিতভাবে এই কাজটি সম্পন্ন করেছে। প্রকল্পটি যখন পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে যাবে, তখন এটি জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের বিদ্যুতের জোগান দেবে এবং দেশের লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছে সরকার।

বর্তমানে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নীতিনির্ধারকরা। প্রথম ইউনিটের কার্যক্রম শুরুর পাশাপাশি দ্বিতীয় ইউনিটের এই অগ্রগতি প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনে সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী দিনে এই জ্বালানি চুল্লিতে স্থাপনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হবে। সাধারণ মানুষ এবং দেশের শিল্প খাত এই প্রকল্প থেকে সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়ার আশায় রয়েছে। এই চালানটির নিরাপদ পৌঁছানো দেশি-বিদেশি সকল অংশীজনের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে যে, রূপপুর প্রকল্প তার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে চলছে।

যাত্রাবাড়ীতে এসআরবির অভিযানকালে তরুণের মৃত্যু, বাড়ছে উত্তজনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
যাত্রাবাড়ীতে এসআরবির অভিযানকালে তরুণের মৃত্যু, বাড়ছে উত্তজনা

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার ধলপুরে এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এসআরবির একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় সেখানে মারুফ ওরফে দুখু মিয়া নামে এক তরুণ গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে, যা স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার আকস্মিকতায় এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং ওই তরুণ কীভাবে এবং কাদের গুলিতে প্রাণ হারালেন তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও ধোঁয়াশা।

প্রাথমিক তথ্যানুসারে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ যাত্রাবাড়ীর ধলপুর এলাকায় এসআরবি সদস্যরা তাদের পূর্বনির্ধারিত একটি অভিযান পরিচালনা করতে যান। অভিযানের এক পর্যায়ে সেখানে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে এবং এতে মারুফ নামের ওই তরুণ গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত তরুণের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, অভিযানের সময় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে অকারণে বা অসতর্কতায় গুলির আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা অভিযানে অংশগ্রহণকারী এসআরবি সদস্যদের পক্ষ থেকে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ বা গুলির উৎস সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা এখনো জনসমক্ষে আনা হয়নি।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পরই স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হতে থাকেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ধলপুর এলাকার পরিবেশ এখন থমথমে। মারুফের মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধান এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার দাবি উঠেছে সব মহল থেকে। তরুণ মারুফের স্বজনদের দাবি, নিছক অভিযানের নামে যে এভাবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটবে তা মেনে নেওয়া কঠিন। তারা ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন যাতে প্রকৃত দোষীরা আইনের আওতায় আসে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছেন বলে জানা গেছে। তবে এই মুহূর্তে গুলির প্রকৃত উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া না গেলেও, ঘটনার সময় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীর বয়ান বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনের জন্য যাবতীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন অভিযান পরিচালনার সময় নিরাপত্তা বলয় কতটা জোরদার ছিল এবং অভিযানের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছিল কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ। মারুফ ওরফে দুখু মিয়ার মৃত্যুতে তার পরিবারে চলছে শোকের মাতম। এলাকাবাসী এখন ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতির জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকাটিতে এখন অতিরিক্ত সতর্কতা ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

যশোরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরি গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
যশোরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরি গ্রেফতার

যশোরের অভয়নগর উপজেলায় এক ভয়াবহ ও ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেখানে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন এখনো পলাতক থাকলেও পুলিশ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরিকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের ঘটনায় সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রী। ঘটনার দিন স্কুল চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের ভেতরেই সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পরপরই বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত জড়িতদের শাস্তির দাবি তুলেছেন। এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন আত্মগোপনে চলে গেছেন, তাকে খুঁজে পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে নেমেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সহায়তার দায়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা জুলিয়া আফরিন এবং বিদ্যালয়ের দফতরি মোস্তাফিজুর রহমানকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। গত বুধবার রাতে নওয়াপাড়া বাজার এলাকা থেকে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদের পর বৃহস্পতিবার তাদের ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, ঘটনার সময় বিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল পদে থেকেও প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরি বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কিংবা তারা এই অনৈতিক কাজের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসন পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো একটি নিরাপদ স্থানে একজন শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ডে অভিভাবক মহলে গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। তদন্তের স্বার্থে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষক ও কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অভয়নগর থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরিকে গ্রেফতারের মাধ্যমে তদন্তের পথ প্রশস্ত হয়েছে। ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটন এবং পলাতক সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধী যেই হোক না কেন, এ ধরনের ঘৃণ্য কাজের জন্য ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও প্রশাসন আশ্বস্ত করেছে।

শিক্ষাঙ্গনে এ ধরনের অপরাধের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। একইসাথে, ওই বিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টিও নতুন করে পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন অভিভাবকরা। তারা মনে করছেন, বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে যাতে এমন ঘটনা আর কখনো না ঘটে, সেজন্য নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ আমলে নিয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক থাকায় তাকে খুঁজে বের করার জন্য বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জাপান সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
জাপান সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

জাপান সফর সফলভাবে সম্পন্ন করে আজ দিবাগত রাত দুইটা ৪৮ মিনিটে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

জাপান সফর সফলভাবে সম্পন্ন করে আজ দিবাগত রাত দুইটা ৪৮ মিনিটে রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটটি নিরাপদে বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও উন্নয়ন সহযোগী রাষ্ট্র জাপানে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের গভীর অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি বিনিময় এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে জাপান বরাবরই বাংলাদেশের পাশে থেকেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ সম্পর্কের নতুন পথ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সফরকালে দুই দেশের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের ওপর আলোকপাত করেছেন।

বিমানবন্দরে অবতরণের পর প্রটোকল অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হয়। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের এই সফর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করেছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে নেওয়া সিদ্ধান্তসমূহ এবং আলোচনাগুলো বাস্তবায়িত হলে তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও শিল্পায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান দাতা দেশ হিসেবে পরিচিত এবং প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সেই দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন।

সফরকালীন কর্মযজ্ঞ শেষ করে প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত ফ্লাইটেই ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। বিমানবন্দরে তার পৌঁছানোর মাধ্যমে সফরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। এখন দেশবাসী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি থাকবে এই সফর থেকে অর্জিত সাফল্যগুলো কীভাবে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত হয়, তার ওপর। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যেকার এই গভীর সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে, এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

সর্বশেষ
যাত্রাবাড়ীতে এসআরবির অভিযানকালে তরুণের মৃত্যু, বাড়ছে উত্তজনা যশোরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরি গ্রেফতার জাপান সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় প্রাণ হারালেন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি ইঞ্জিন ছাড়াই পিছু হটল কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, আতঙ্ক যাত্রীদের মধ্যে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান প্রকল্পের এলাকায় পৌঁছাল দীর্ঘ এক বছর পর শারীরিক গঠন নিয়ে করা মন্তব্যের জবাব দিলেন তামান্না ভাটিয়া উপনির্বাচনের ফলাফলে ধর্মীয় রাজনীতির জনপ্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন নিয়ে বিআরটিএ ও পিডিবির মুখোমুখি অবস্থান তুরাগ নদে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ: হত্যা নাকি দুর্ঘটনা, প্রশ্নের মুখে তদন্ত
Advertisement