খুঁজুন
, ,

যশোরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরি গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
যশোরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরি গ্রেফতার

যশোরের অভয়নগর উপজেলায় এক ভয়াবহ ও ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেখানে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন এখনো পলাতক থাকলেও পুলিশ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরিকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের ঘটনায় সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রী। ঘটনার দিন স্কুল চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের ভেতরেই সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পরপরই বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত জড়িতদের শাস্তির দাবি তুলেছেন। এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন আত্মগোপনে চলে গেছেন, তাকে খুঁজে পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে নেমেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সহায়তার দায়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা জুলিয়া আফরিন এবং বিদ্যালয়ের দফতরি মোস্তাফিজুর রহমানকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। গত বুধবার রাতে নওয়াপাড়া বাজার এলাকা থেকে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদের পর বৃহস্পতিবার তাদের ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, ঘটনার সময় বিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল পদে থেকেও প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরি বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কিংবা তারা এই অনৈতিক কাজের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসন পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো একটি নিরাপদ স্থানে একজন শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ডে অভিভাবক মহলে গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। তদন্তের স্বার্থে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষক ও কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অভয়নগর থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরিকে গ্রেফতারের মাধ্যমে তদন্তের পথ প্রশস্ত হয়েছে। ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটন এবং পলাতক সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধী যেই হোক না কেন, এ ধরনের ঘৃণ্য কাজের জন্য ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও প্রশাসন আশ্বস্ত করেছে।

শিক্ষাঙ্গনে এ ধরনের অপরাধের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। একইসাথে, ওই বিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টিও নতুন করে পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন অভিভাবকরা। তারা মনে করছেন, বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে যাতে এমন ঘটনা আর কখনো না ঘটে, সেজন্য নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ আমলে নিয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক থাকায় তাকে খুঁজে বের করার জন্য বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মৌলভীবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
মৌলভীবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাবানা বেগম নামের এক গৃহবধূকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা প্রথম জজ আদালতের বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ন্যায়বিচারের এই আদেশে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নিহত গৃহবধূ সাবানা বেগমকে হত্যার মূল কারণ ছিল জমি নিয়ে পারিবারিক ও পার্শ্ববর্তী বিরোধ। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মোট ১৪ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই চারজনকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন। মামলার রায়ে অপরাধীদের অপরাধের ভয়াবহতা ও নির্মমতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।

বিচারক মো. আনোয়ারুল হক তার রায়ে উল্লেখ করেন, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে যেভাবে সাবানা বেগমকে হত্যা করা হয়েছে, তা অত্যন্ত পৈশাচিক। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অপরাধীদের এই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি জরুরি ছিল। দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে তাদের আরও সাজা ভোগ করতে হবে কি না, তা মামলার বিস্তারিত রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আদালতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল।

মামলাটি পরিচালনা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ একাধিক সাক্ষী ও আলামত উপস্থাপন করে। নিহতের পরিবার এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে, যা দীর্ঘদিনের রেষারেষির ফলশ্রুতিতে হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয়। স্থানীয়রা জানান, সাবানা বেগমের মৃত্যুতে তার পরিবারে এক গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছিল, যা এখনো বিদ্যমান। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আসামিদের শাস্তির দাবিতে তারা সোচ্চার ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, এই মামলার মোট ১৪ জন আসামির মধ্যে চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অন্য দুই আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের কী ধরনের সাজা দেওয়া হয়েছে, তা পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর জানা যাবে। আদালত প্রাঙ্গণে আজ রায় শোনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মানুষ আইনের এই রায়ে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন।

মৌলভীবাজারসহ সিলেট বিভাগে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা অতীতেও ঘটেছে, তবে সাবানা বেগম হত্যা মামলাটি ছিল বেশ স্পর্শকাতর। পুলিশ মামলার তদন্তকালে যে চার্জশিট দাখিল করেছিল, আদালত সেটির ওপর ভিত্তি করেই আজকের এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছেন। এখন আইন অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন কি না, তা তাদের ওপর নির্ভর করবে। আপাতত আদালতের এই রায় সংশ্লিষ্ট সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং এটি একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: চুয়াডাঙ্গায় স্কুল অফিস সহায়ক কারাগারে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: চুয়াডাঙ্গায় স্কুল অফিস সহায়ক কারাগারে

চুয়াডাঙ্গায় এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্কুল অফিস সহায়ক শাহজামালকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

চুয়াডাঙ্গায় এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে এক স্কুল অফিস সহায়ককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত থাকলেও তার বিরুদ্ধে গুরুতর সব অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালীন গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

তদন্তকারী সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, ওই অফিস সহায়ক শুধু প্রশ্নফাঁসের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন না, বরং বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়েও তার হস্তক্ষেপ ছিল উদ্বেগজনক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকায় রয়েছে সাবেক প্রধান শিক্ষকদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করার মতো গুরুতর অপরাধ। এছাড়া বিদ্যালয়ের মাস্টার রোলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, শিক্ষার্থী ভর্তি সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি এবং বিদ্যালয়ের শিফট পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার বিস্তারিত তথ্যে জানা যায়, নির্বাচনী পরীক্ষার পবিত্রতা বজায় রাখতে স্কুল কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট থাকলেও অভ্যন্তরীণ কিছু অসাধু চক্রের কারণে গোপনীয়তা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিষয়টি প্রশাসনিক পর্যায়ে জানাজানি হওয়ার পর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করা হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় স্থানীয় প্রশাসন। পরবর্তীতে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত শুনানি শেষে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহল মনে করছেন, এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার মতো একটি সংবেদনশীল বিষয়ে যারা জালিয়াতি করে, তারা পুরো শিক্ষাব্যবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। প্রশ্নফাঁসের কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেমন পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমতে পারে, তেমনি মেধাবী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নও বাধাগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়কের মতো পদে থেকে শিক্ষকদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করার মতো ধৃষ্টতা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে দুর্নীতির শিকড় কতটা গভীরে বিস্তৃত, তা নির্দেশ করে।

স্থানীয় প্রশাসন ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো প্রভাবশালীর হস্তক্ষেপ কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে অপরাধীকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়ায় স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গার এই ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষা বিভাগও নড়েচড়ে বসেছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সার্বিক কর্মকাণ্ড এবং ওই অফিস সহায়কের দীর্ঘদিনের কাজের তালিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আর কী কী অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তা তদন্তের স্বার্থে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানে চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আমন্ত্রণে আয়োজিত এই সফরটি কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সফর শেষে আজ রাতে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো প্রসারিত করা। বিশেষ করে অর্থনৈতিক খাতে গতিশীলতা আনা এবং জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করার বিষয়টি এই সফরের অন্যতম এজেন্ডা ছিল। সফরকালে তিনি জাপানের বিভিন্ন পর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সাথে বৈঠক করেছেন এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরেছেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে যে চমৎকার সম্পর্ক বিদ্যমান, এই সফর তা আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। জাপানি বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রযুক্তির আদান-প্রদান এবং বাণিজ্য প্রসারের যে সম্ভাবনা রয়েছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সফর শেষে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা দেশবাসীর মধ্যে বিশেষ করে অর্থনৈতিক মহলে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

সফর থেকে ফিরে আসার পর প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দর থেকে সরাসরি নিজের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি তার সরকারি বাসভবনে ফিরে গেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, প্রধানমন্ত্রী গত সোমবার জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন। চার দিনের এই সফরসূচিতে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন আলোচনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পর্যায়ের বৈঠকগুলোও অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, এই সফর থেকে অর্জিত সমঝোতা ও প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা দ্রুত এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়। সামগ্রিকভাবে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য জাপান যে বড় ধরনের অংশীদার হতে পারে, সেই বার্তাটিই এই সফরের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

সর্বশেষ
মৌলভীবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: চুয়াডাঙ্গায় স্কুল অফিস সহায়ক কারাগারে জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী যাত্রাবাড়ীতে এসআরবির অভিযানকালে তরুণের মৃত্যু, বাড়ছে উত্তজনা যশোরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরি গ্রেফতার জাপান সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় প্রাণ হারালেন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি ইঞ্জিন ছাড়াই পিছু হটল কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, আতঙ্ক যাত্রীদের মধ্যে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান প্রকল্পের এলাকায় পৌঁছাল দীর্ঘ এক বছর পর শারীরিক গঠন নিয়ে করা মন্তব্যের জবাব দিলেন তামান্না ভাটিয়া
Advertisement