খুঁজুন
, ,

সিটি করপোরেশনের আওতায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে নতুন নিয়ম ও ফি নির্ধারণ

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
সিটি করপোরেশনের আওতায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে নতুন নিয়ম ও ফি নির্ধারণ

দেশের সিটি করপোরেশন এলাকাগুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে নতুন বিধিমালা জারি করেছে সরকার। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্থানীয় সরকার বিভাগ বৃহস্পতিবার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন শহরে যান্ত্রিক ও ব্যাটারিচালিত রিকশার যে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, তা নিরসনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানিয়েছে।

নতুন এই বিধিমালার আওতায় এখন থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট ফি প্রদান করতে হবে। এতদিন এসব যানের চলাচল নিয়ে সুস্পষ্ট কোনো নীতিমালা বা আইনি কাঠামোর অভাব ছিল, যার ফলে সড়ক দুর্ঘটনা এবং যানজটের মতো সমস্যাগুলো প্রকট হয়ে উঠেছিল। সরকারের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে এখন থেকে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ রিকশা চলাচলের ওপর নজরদারি বাড়াতে পারবে। একই সঙ্গে, অবৈধ বা অনিবন্ধিত যানবাহন শনাক্ত করাও সহজ হবে বলে মনে করছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞরা।

প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই নীতিমালা দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় কার্যকর হবে। এর ফলে রিকশা মালিক ও চালকদের এখন থেকে আইন মেনে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। যারা এই প্রক্রিয়ার আওতায় আসবে, তারা আইনি বৈধতা পাওয়ার পাশাপাশি নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে তাদের পেশা পরিচালনা করতে পারবে। তবে যারা এই নিয়মের তোয়াক্কা করবে না বা নিবন্ধন করবে না, তাদের ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ থাকবে।

সড়ক পরিবহন ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাটারিচালিত রিকশা গ্রাম বা মফস্বল এলাকায় যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হলেও সিটি করপোরেশন এলাকায় এর প্রভাব অনেক সময় নেতিবাচক হয়। অনেক সময় যথাযথ প্রশিক্ষণহীন চালক এবং ত্রুটিপূর্ণ যান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। নতুন এই বিধিমালা কেবল ফি আদায়ের জন্য নয়, বরং এই যানবাহনের প্রযুক্তিগত মান এবং চালকদের সক্ষমতা যাচাইয়ের একটি সুযোগ তৈরি করবে।

তবে স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নিবন্ধনের সুনির্দিষ্ট ফি বা আবেদনের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অতি দ্রুত এই বিষয়ে নির্দেশনা আসবে এবং সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব সক্ষমতা অনুযায়ী নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু করবে। এর মাধ্যমে নগরের সড়কে বিশৃঙ্খলা কমবে এবং যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সুসংহত হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এই নতুন প্রজ্ঞাপনের ফলে সাধারণ যাত্রী এবং রিকশা চালকদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একদিকে যেমন সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা ছিল, অন্যদিকে চালকদের দাবি, ফি যেন তাদের সাধ্যের মধ্যে থাকে। স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, জনস্বার্থ এবং সড়ক নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। শিগগিরই সব সিটি করপোরেশন এলাকায় এই নতুন নির্দেশনা কার্যকর করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের কাজ শুরু হবে।

সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে নতুন নীতিমালা জারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
   
সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে নতুন নীতিমালা জারি

দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে আনতে নতুন বিধিমালা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্থানীয় সরকার বিভাগ এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মূলত সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যত্রতত্র ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও রিকশার অবাধ বিচরণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই প্রজ্ঞাপনটি জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়, যা দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য প্রযোজ্য হবে।

দীর্ঘদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন বড় শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে সড়ক দুর্ঘটনা এবং যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ ছিল। সাধারণ রিকশার পাশাপাশি ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো যথেচ্ছভাবে চলাচল করায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছিল। এসব দিক বিবেচনা করে স্থানীয় সরকার বিভাগ নতুন এই বিধিমালা প্রণয়ন করেছে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, এখন থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের ক্ষেত্রে আগের মতো অনিয়ন্ত্রিত অবস্থা বজায় থাকবে না। বরং সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এবং অনুমোদিত এলাকায়ই কেবল এই যানবাহনগুলো চলাচল করতে পারবে।

নতুন এই বিধিমালার আওতায় ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজতর করা এবং চালকদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্তাবলী নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এটি কেবল যানজট কমাতেই নয়, বরং দুর্ঘটনা হ্রাস করতেও সহায়ক হবে বলে আশা করছেন নীতি-নির্ধারকরা। প্রজ্ঞাপনে কোন কোন সড়কে এসব যান চলতে পারবে এবং কোন সড়কগুলো সংরক্ষিত থাকবে, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সড়কে ছোট ও ধীরগতির যানবাহনের অবাধ দৌরাত্ম্য অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় সরকার বিভাগের এই প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে দেশের সব সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ নিজ নিজ এলাকায় এই নতুন বিধিমালা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করবে। এর আওতায় রিকশাচালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। পাশাপাশি নিবন্ধনহীন ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগও থাকছে। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ট্রাফিক আইন মান্য করার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এই বিধিমালা একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনগুলোতে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। চালক এবং মালিকদের মধ্যেও নতুন নিয়মের ব্যাপারে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা নতুন বিধিমালার তোয়াক্কা করবে না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ব্যাটারিচালিত রিকশার পাশাপাশি অন্যন্য অসংগঠিত যানবাহনের ক্ষেত্রেও ভবিষ্যতে এমন নজরদারি বাড়ানো হবে। নগরবাসীর যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং সড়কের সার্বিক শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকারের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নগর বিশেষজ্ঞরা। সবমিলিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশার ক্ষেত্রে বর্তমানের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অবসান ঘটবে বলে সাধারণ মানুষ প্রত্যাশা করছেন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির বড় জয়: বিপুল ভোটে বিজয়ী মির্জা ফয়সল আমীন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
   
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির বড় জয়: বিপুল ভোটে বিজয়ী মির্জা ফয়সল আমীন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বড় ধরনের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই উপনির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনী এলাকার মোট ১৮৫টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত চূড়ান্ত ফলাফলে মির্জা ফয়সল আমীনের জয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সবকটি ভোটকেন্দ্রের গণনা শেষে দেখা যায় মির্জা ফয়সল আমীন মোট ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯টি ভোট পেয়েছেন। বিপরীতে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের দেলাওয়ার হোসেন দাড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৬ হাজার ৪৫৩ ভোট পেয়েছেন। ভোটের এই বিশাল ব্যবধান রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছিল। শান্তিপ্রিয় পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি, যা স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে স্বস্তি তৈরি করেছে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে ব্যালট গণনা সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রতিটি কেন্দ্রের ফলাফল পৃথকভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। কোনো কেন্দ্রে গোলযোগ বা অনিয়মের অভিযোগ ওঠেনি, ফলে ফলাফল ঘোষণায় কোনো বিলম্ব হয়নি। বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফয়সল আমীন ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি জয়ের কৃতিত্ব এলাকাবাসীকে উৎসর্গ করেছেন এবং তাদের আস্থার মর্যাদা রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের এই উপনির্বাচন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে জামায়াতের মতো দলের সঙ্গে লড়াইয়ে বিএনপির এই বড় জয় দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করে তুলেছে। নির্বাচনের এই ফলাফল স্থানীয় রাজনীতিতে বিএনপির অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল জোরদার। পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে দায়িত্ব পালন করেছে। নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়াটি নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ভোটের এই ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকরা এলাকায় আনন্দ মিছিল করেছেন। নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে কর্মী-সমর্থকদের ভিড় দেখা গেছে। এদিকে, পরাজিত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের পক্ষ থেকে ফলাফল নিয়ে কোনো তাৎক্ষণিক অভিযোগ বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো এলাকায় বিশৃঙ্খলার খবর নেই। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ফলাফল মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই বিজয়ের ফলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদীয় শূন্যতা পূরণ হলো এবং মির্জা ফয়সল আমীন এখন আনুষ্ঠানিকভাবে তার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছেন। এলাকাভিত্তিক উন্নয়নে তিনি কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। নির্বাচনী ইশতেহারে তিনি যেসব প্রতিশ্রুতির কথা বলেছিলেন, তা বাস্তবায়ন করাই হবে তার প্রধান চ্যালেঞ্জ। স্থানীয়রা আশা করছেন, নতুন সাংসদ জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এই উপনির্বাচন বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ ও ফলাফল ঘোষণার স্বচ্ছতা নিয়ে কোনো মহলের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত বড় কোনো আপত্তি ওঠেনি, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য ইতিবাচক।

ডিসেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুরের বিদ্যুৎ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
   
ডিসেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুরের বিদ্যুৎ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্রিডে সরবরাহের প্রস্তুতিতে অগ্রগতির কথা জানানো হয়েছে। তবে ডিসেম্বরের সম্ভাবনা এখনো নিশ্চিত সময়সূচি নয়।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ ডিসেম্বরেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে। ইউনিটটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং তা গ্রিডে সরবরাহের পথে প্রয়োজনীয় ফিজিক্যাল স্টার্টআপ-সংক্রান্ত অগ্রগতি হয়েছে। তবে ‘যেতে পারে’ কথাটি সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়; ডিসেম্বরেই সরবরাহ শুরু হবে—এমন নিশ্চিত ঘোষণা হিসেবে বিষয়টিকে দেখার সুযোগ নেই।

প্রথম ইউনিটকে ঘিরে এই অগ্রগতি প্রকল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা এবং সেই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে পাঠানো একই ধাপ নয়। একটি কেন্দ্র উৎপাদনের উপযোগী পর্যায়ে পৌঁছানোর পরও গ্রিডে সরবরাহের আগে নির্ধারিত কারিগরি প্রস্তুতি ও যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রূপপুরের প্রথম ইউনিটের ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি হয়েছে। তবে কোন কোন পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে, কী কাজ বাকি আছে কিংবা পরবর্তী ধাপগুলোর সময়সীমা কী—এসব বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফিজিক্যাল স্টার্টআপ বলতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়কে বোঝায়। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ ধরনের পর্যায়ে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ এবং নিরাপত্তা ও কারিগরি শর্ত পূরণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। তবে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে এই পর্যায়ের সুনির্দিষ্ট অবস্থা, কাজের অগ্রগতির মাত্রা কিংবা কোনো নির্দিষ্ট পরীক্ষার ফল সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। ফলে একটি ধাপের অগ্রগতিকে পুরো কেন্দ্রের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর সমান ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর অর্থ হলো উৎপাদিত বিদ্যুৎ দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হবে। গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাব্য সময় সামনে আসায় প্রকল্পটির পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে আগ্রহ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে সম্ভাব্য সময়ের সঙ্গে বাস্তব সরবরাহ শুরুর তারিখের পার্থক্য থাকতে পারে। কাজের অগ্রগতি, প্রয়োজনীয় যাচাই এবং প্রক্রিয়ার অন্যান্য শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত নির্দিষ্ট দিন বা সময় নিশ্চিত করে বলা যায় না। এ কারণে ডিসেম্বরের কথা সম্ভাব্য সময় হিসেবেই বিবেচনা করা প্রয়োজন।

প্রথম ইউনিটের অগ্রগতি প্রকল্পের একটি নির্দিষ্ট অংশের খবর; এটি থেকে দ্বিতীয় ইউনিটের অবস্থা বা পুরো বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনক্ষমতা সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। একইভাবে, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনার তথ্যের ভিত্তিতে সরবরাহের পরিমাণ, উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বা দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় এর প্রভাব নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। এসব বিষয়ে পরিষ্কার ধারণার জন্য ইউনিটের উৎপাদন শুরু, সরবরাহের মাত্রা এবং পরবর্তী কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্য প্রয়োজন।

রূপপুরের বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হলে তা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থায় নতুন একটি উৎস যোগ করবে—এটি সম্ভাব্য সরবরাহের অর্থ থেকে বোঝা যায়। তবে এর ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতি কতটা কমবে, কোন এলাকায় কীভাবে সরবরাহ বাড়বে কিংবা বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় কী পরিবর্তন আসবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। এমন প্রভাব নির্ভর করবে বাস্তবে কত বিদ্যুৎ উৎপাদিত ও সরবরাহ করা হচ্ছে এবং জাতীয় গ্রিডে তা কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে—সেসব বিষয়ের ওপর।

এখন মূল নজর থাকবে প্রথম ইউনিটের পরবর্তী কাজ এবং সম্ভাব্য সময়সূচির বাস্তবায়নের দিকে। ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রিডে বিদ্যুৎ পাঠানোর সম্ভাবনা জানানো হলেও তার নিশ্চয়তা বা কার্যক্রমের বিস্তারিত সময়রেখা প্রকাশিত তথ্যে স্পষ্ট নয়। ফলে নতুন অগ্রগতিকে প্রকল্পের একটি আশাব্যঞ্জক ধাপ হিসেবে দেখা যেতে পারে, কিন্তু সরবরাহ শুরুর চূড়ান্ত ঘোষণা হিসেবে নয়। ইউনিটটি কখন গ্রিডে যুক্ত হবে, তা নিশ্চিত হবে পরবর্তী কারিগরি অগ্রগতি ও আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতে।

সর্বশেষ
সিটি করপোরেশনের আওতায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে নতুন নিয়ম ও ফি নির্ধারণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে নতুন নীতিমালা জারি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির বড় জয়: বিপুল ভোটে বিজয়ী মির্জা ফয়সল আমীন ডিসেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুরের বিদ্যুৎ ‘এই লজ্জা আজীবন বয়ে বেড়াতে হবে’, শরীর প্রদর্শন বিতর্কে জাহ্নবী কাপুর ব্যাংকিং খাতের নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করলেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ জাপানি নাটকের বিষয়বস্তু নিয়ে বেইজিংয়ের কড়া আপত্তি ভুল তথ্যের মায়াজাল কাটাতে তরুণ প্রজন্মকে সচেতনতার বার্তা দিলেন ডা. জাহেদ নদীর স্রোত আর অভাবের লড়াই জয় করে জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন লিকা কমনওয়েলথ কাবাডিতে আধিপত্য বিস্তার করে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ
Advertisement