খুঁজুন
, ,

কুরআনের আলো ছড়িয়ে দিতে ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

আলোকিত সারাদেশ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
কুরআনের আলো ছড়িয়ে দিতে ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি :পবিত্র কুরআনের হিফজ ও সুমধুর তিলাওয়াতের চর্চা ছড়িয়ে দিতে ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে মারকাযুল হুফফাজ বাংলাদেশের রংপুর বিভাগীয় ২য় হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতার জেলা বাছাইপর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

বুধবার (২১ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও রোডের বায়তুল আমান ইজাব উদ্দীন হাফেজিয়া মাদ্রাসা মসজিদ কমপ্লেক্সে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ১৭২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

প্রতিযোগিতা শেষে প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে ৭ জন করে মোট ২১ জন শিক্ষার্থী পরবর্তী পর্বের জন্য নির্বাচিত হয়।

আগামী ২১ নভেম্বর ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে পরবর্তী পর্ব। এতে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলার নির্বাচিতসহ মোট ৮৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন দিনাজপুর নিউটাউন মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ ক্বারী আবু সায়েম, দিনাজপুর দারুল আরকাম লি-তাহফিজিল কুরআন মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ ক্বারী আব্দুল্লাহ, নীলফামারীর দারুল উলুম হামিউস সুন্নাহ মাদ্রাসার পরিচালক ক্বারী আব্দুস সালাম এবং মারকাযুল হুফফাজ বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ক্বারী রাফিউল ইসলাম রাফি।

এছাড়াও সহকারী বিচারক হিসেবে ছিলেন মারকাযুল হুফ্ফাজ বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় বিচারক মন্ডলী
হাফেজ ক্বারী মাওলানা সুহাইল আহমাদ, হাফেজ মাওলানা মুহাইমিন ইসলাম, এইচ. এম. মুহিব্বুল্লাহ, হাফেজ মাওলানা হাবিবুর রহমান, হাফেজ রাজু আহমেদ, হাফেজ আরিফুল ইসলাম,

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও সদর পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল ইসলাম শরীফ। প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. মাহমুদ হাসান রাজু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ মো. ইউনুস আলী, আলহাজ মো. আবু সালাম, মো. ইয়াকুব আলী ও ক্বারী মো. আব্দুল মোমিন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মারকাযুল হুফফাজ বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের শুরা প্রধান হযরত মাওলানা এমদাদুল হক (শাহী হুজুর)।

মারকাযুল হুফফাজ বাংলাদেশের রংপুর বিভাগীয় মজলিসে শুরার সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কুরআন হিফজ ও সুমধুর কণ্ঠে তিলাওয়াতের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুভেচ্ছান্তে ছিলেন মারকাযুল হুফফাজ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাফেজ ক্বারী আব্দুস সামাদ আজাদী।
আয়োজনে ছিলেন, মারকাযুল হুফফাজ বাংলাদেশ।

ময়মনসিংহে ব্যাংক লুটের চেষ্টার সময় আটক এক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
ময়মনসিংহে ব্যাংক লুটের চেষ্টার সময় আটক এক

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত কৃষি ব্যাংকের সোহাগী বাজার শাখায় একটি দুর্ধর্ষ ডাকাতির চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। ব্যাংকটির ভল্টের তালা ভাঙার সময় এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। ঘটনার প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, গভীর রাতে ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে অচল করার লক্ষ্য নিয়ে একদল দুর্বৃত্ত সেখানে প্রবেশ করে। নিরাপত্তা কর্মীকে বেঁধে ফেলার পর তারা সরাসরি ভল্টের দিকে এগিয়ে যায় এবং তালা ভাঙার কাজে হাত দেয়। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মূল হোতাদের একজন পুলিশের জালে আটকা পড়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে জানা গেছে, এই ঘটনার নেপথ্যে ব্যক্তিগত আর্থিক সংকট এবং ব্যাংক থেকে ঋণ না পাওয়ার ক্ষোভ কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ধৃত ব্যক্তি ব্যাংকের কার্যপদ্ধতি ও নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য আগেই সংগ্রহ করেছিল। রাতের অন্ধকারে ব্যাংকে ঢুকে কোনো প্রকার হৈচৈ না করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। ব্যাংক লুটের এই অদ্ভুত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতি নিয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে পুলিশ জানায়, ওই রাতে ব্যাংকের ভেতরে অস্বাভাবিক শব্দ এবং নড়াচড়া টের পাওয়া যায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই নিরাপত্তা কর্মীকে দুর্বৃত্তরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এবং তার হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তারা ভল্টের কক্ষের ভেতর ঢুকে তালা ভাঙার চেষ্টা চালায়। ভল্টের তালা ভাঙার সময় সৃষ্ট শব্দ এবং নিরাপত্তা কর্মীর ধস্তাধস্তিতে বাইরে থেকে সতর্ক থাকা লোকজন বিষয়টি টের পায়। স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে বাকি সহযোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও একজনকে হাতেনাতে আটক করা সম্ভব হয়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কৃষি ব্যাংকের এই শাখাটি সোহাগী বাজার এলাকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এলাকাটি তুলনামূলক জনবহুল হওয়ায় রাতের বেলা এমন দুঃসাহসিক ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং স্থানীয়ভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভল্টের কোনো ক্ষতি বা কোনো টাকা খোয়া গেছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার অন্যান্য সহযোগীদের নাম এবং তাদের মূল পরিকল্পনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে এটি একটি পরিকল্পিত ডাকাতির প্রচেষ্টা বলেই মনে হচ্ছে। স্থানীয় থানা পুলিশ বাদি হয়ে এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ঈশ্বরগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এই ধরনের ঘটনা ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা আবারও সামনে এনেছে। ব্যাংকের ভেতরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা কর্মী থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দুর্বৃত্তরা এত কাছে পৌঁছে গেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, আটককৃত ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই ঘটনার সাথে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলমান। খুব দ্রুতই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে পুলিশ।

সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফের গুলিবর্ষণ: তিন হাজার পর্যটক উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফের গুলিবর্ষণ: তিন হাজার পর্যটক উদ্ধার

রাঙামাটি জেলার পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে এক অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় গঙ্গারাম বাজার এলাকায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সশস্ত্র সদস্যরা পর্যটকবাহী যানবাহন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর গুলিবর্ষণ করেছে বলে নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এই হামলার ফলে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে সেখানে বেড়াতে আসা প্রায় তিন হাজার পর্যটক দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ অবস্থায় পড়েন। পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং পর্যটকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর যৌথ তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

ঘটনার সূত্রপাত হয় বৃহস্পতিবার সকালের দিকে। সাজেকে পর্যটকদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং তাদের নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ নিয়মিত টহল দিয়ে আসছিল। আইএসপিআর-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সকালে অবরোধকারীরা সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। এ সময় ইউপিডিএফের স্থানীয় সদস্যরা সাধারণ জনগণকে জোরপূর্বক মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সড়ক অবরোধ করে রাখে। এটি ছিল পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোর পথে এক বড় ধরণের প্রতিবন্ধকতা। পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করলে সেনাবাহিনীর টহল দল ও পুলিশ সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হয়ে আলোচনার মাধ্যমে অবরোধকারীদের রাস্তা থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও জনদুর্ভোগ লাঘব করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য।

পরিস্থিতি যখন আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথে ছিল, ঠিক তখনই পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে যায়। আইএসপিআর-এর ভাষ্যমতে, সকাল পৌনে ১১টার দিকে ইউপিডিএফের প্ররোচনায় অবরোধকারীরা হঠাৎ করেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এই অতর্কিত হামলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে এবং অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল পর্যটকদের যানবাহনের জন্য রাস্তা পুনরায় উন্মুক্ত করা।

তবে পরিস্থিতি এখানেই শেষ হয়নি। সকাল ১১টার দিকে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এমন পরিস্থিতিতে পর্যটকদের জীবনের নিরাপত্তা ও নিজেদের আত্মরক্ষার স্বার্থে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর টহল দল পাল্টা গুলি চালাতে বাধ্য হয়। এরপর সশস্ত্র ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। এরপর সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগে সড়ক থেকে প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে নেওয়া হয় এবং অবরুদ্ধ তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে খাগড়াছড়ির দিকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।

পর্যটন মৌসুমে সাজেকে এই ধরণের সহিংসতা ও পর্যটকদের জিম্মি করার ঘটনা জনমনে গভীর শঙ্কা তৈরি করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি বজায় রাখতে এবং পর্যটনের মতো একটি সম্ভাবনাময় শিল্পের নিরাপত্তায় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বদ্ধপরিকর। পর্যটকদের কোনো প্রকার ক্ষতি ছাড়াই উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, পাহাড়ি এলাকায় এ ধরনের সশস্ত্র তৎপরতা পর্যটন খাতের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পর্যটকদের অবাধ চলাচল বজায় রাখতে তারা সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বর্তমানে ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পর্যটকরা যেন নির্ভয়ে ভ্রমণ করতে পারেন, সেজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি পাহাড়ি অঞ্চলের বর্তমান অস্থিরতার চিত্র তুলে ধরেছে এবং এই ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

গণতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
   
গণতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যেকোনো দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ভিত মজবুত করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি মনে করেন, ইতিবাচক ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে বড় ধরনের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

সম্প্রতি এক আলোচনায় রাষ্ট্রপতি গণমাধ্যমকে গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যম কেবল তথ্যের আদান-প্রদান করে না, বরং জনমত গঠন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণকে অর্থবহ করে তোলে। আধুনিক গণতান্ত্রিক বিশ্বে গণমাধ্যমের নিরপেক্ষতা এবং সততার ওপর রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা অনেকটাই নির্ভর করে। রাষ্ট্রপতির ভাষ্যমতে, সঠিক তথ্য প্রচার এবং গঠনমূলক সমালোচনা করার মাধ্যমে গণমাধ্যম দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নিরবচ্ছিন্ন কাজ চালিয়ে যেতে পারে।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সাংবাদিকদের আরও বেশি সচেতন এবং দায়িত্বশীল হতে হবে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি গুজবের বিস্তার রোধ এবং অপপ্রচার থেকে সমাজকে মুক্ত রাখতে গণমাধ্যমের ভূমিকা পালন করা এখন সময়ের দাবি। তিনি উল্লেখ করেন, যখন গণমাধ্যম নির্ভীক ও সত্যনিষ্ঠ থাকে, তখন সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা অনেক সহজতর হয়।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন সত্তা একে অপরের পরিপূরক। এই স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতির মতে, একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি গণমাধ্যমের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা জরুরি। বিশেষ করে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গণমাধ্যমের ইতিবাচক অংশগ্রহণ দেশের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

পরিশেষে, রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দেশের গণমাধ্যমগুলো আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেমের সাথে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তিনি মনে করেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও গণমাধ্যমকে সৃজনশীল হতে হবে। গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে ও দেশের সংবিধানের মূল চেতনা রক্ষায় গণমাধ্যম ও রাষ্ট্র—উভয়কেই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে।

সর্বশেষ
ময়মনসিংহে ব্যাংক লুটের চেষ্টার সময় আটক এক সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফের গুলিবর্ষণ: তিন হাজার পর্যটক উদ্ধার কুরআনের আলো ছড়িয়ে দিতে ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গণতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি গাজায় ভয়াবহ খাদ্যসংকট: ত্রাণ সহায়তা কমিয়ে দিল ডাব্লিউএফপি সৌদি আরবে স্বাভাবিক বিমান চলাচল, ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালু খেলাধুলা জাতীয় ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করে: প্রধানমন্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় গুণ যাকে বুক দেখায়, তাকে পিঠ দেখায় না — মির্জা ফয়সল প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় ভাঙার চেষ্টা: গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতা ইশরাকের পদত্যাগে মেয়র নির্বাচনের পথ কি সুগম হলো?
Advertisement