খুঁজুন
, ,

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দ্রুতগতির দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় দুইজনের পরিচয় পাওয়া গেলেও একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন তরুণ। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেপরোয়া গতির দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। মহাসড়কের ব্যস্ত এই পথে যাতায়াতের সময় হঠাৎ করেই মোটরসাইকেল দুটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ঘটনাস্থলেই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তারা হলেন যশোর সদর উপজেলার মণ্ডলগাতী গ্রামের শামিম হোসেনের ছেলে সিয়াম হোসেন এবং যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম জয়। তবে দুর্ঘটনায় নিহত তৃতীয় ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করেন এবং লাশগুলো উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছেন। অজ্ঞাতপরিচয় ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করার জন্য পুলিশ কাজ করছে বলে জানা গেছে।

মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে বেপরোয়া গতি ও অসতর্কতা প্রতিনিয়ত মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে প্রায়ই দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে দুর্ঘটনা ঘটে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে চালকদের উদাসীনতা ও ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা এই ধরণের প্রাণহানির মূল কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিশেষ করে তরুন প্রজন্মের মধ্যে হাইস্পিডে মোটরসাইকেল চালানোর প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে হতাহতদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দেন। দুর্ঘটনার পরপরই মহাসড়কে যান চলাচল কিছুটা সময়ের জন্য ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ এসে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। এই দুর্ঘটনার সঠিক কারণ উদ্ঘাটনে হাইওয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মোটরসাইকেলগুলোর গতি অনেক বেশি থাকায় চালকরা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন।

নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ময়নাতদন্ত শেষে এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, মহাসড়কে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করতে নিয়মিত নজরদারি এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন। অন্যথায়, এমন মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতেই থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য: কারাগারে যুবক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
   
প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য: কারাগারে যুবক

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে এক যুবককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের সফর ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে এক যুবককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে একটি বিতর্কিত মন্তব্য করার প্রেক্ষিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে আটক করে এবং পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। শুক্রবার রাজধানী ঢাকার একটি আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় প্রধানমন্ত্রীর একটি নির্ধারিত সফরকে কেন্দ্র করে। নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে ওই যুবক অনলাইনে স্নাইপার সংক্রান্ত একটি মন্তব্য করেন, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং জনমনে উদ্বেগের সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন আশঙ্কায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তৎপর হয়ে ওঠে এবং ওই যুবককে শনাক্ত করে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

আইনজীবীদের মতে, স্পর্শকাতর কোনো বিষয়ে, বিশেষ করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো মন্তব্য করার আগে সচেতন থাকা প্রয়োজন। যাচাই-বাছাই না করে বা আইনত নিষিদ্ধ কোনো তথ্য প্রকাশ করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড সাইবার নিরাপত্তা আইনের আওতায় পড়ে, যা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। সংশ্লিষ্ট যুবক ঠিক কী উদ্দেশ্যে বা কোন পরিস্থিতিতে ওই মন্তব্য করেছিলেন, তা তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এই ঘটনার পাশাপাশি গত কয়েকদিনে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক উদ্যোগ নিয়েও দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার তিন বছর বয়সী শিশু আবু বক্করের চোখের চিকিৎসার পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জন্মগতভাবে চোখের জটিল ত্রুটি নিয়ে বেড়ে ওঠা শিশুটির পরিবার চরম দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করছে। স্থানীয়রা জানান, শিশুটির চোখের চিকিৎসায় ইতোমধ্যে কয়েকবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে, তবে পুরোপুরি সুস্থতার জন্য আরও উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল। প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক সহায়তায় পরিবারটি নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারগুলো সম্পন্ন করা গেলে শিশুটির দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। রাষ্ট্রপ্রধানের এই সংবেদনশীলতা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

তবে প্রধানমন্ত্রীর সফরকেন্দ্রিক বিতর্কিত মন্তব্য ও এর ফলে সৃষ্ট আইনি পদক্ষেপটি বর্তমানে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ নিশ্চিত করতে প্রশাসন যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, তা এই ঘটনার মধ্য দিয়ে পুনরায় স্পষ্ট হলো। আদালতে রিমান্ডের কোনো আবেদন ছিল কি না, কিংবা বিবাদী পক্ষের আইনজীবীরা কী যুক্তি তুলে ধরেছেন, সে বিষয়ে এখনই বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মামলার পরবর্তী শুনানিতে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে জানা গেছে।

সাইবার সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সফর বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত না করে তা সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। অহেতুক আতঙ্ক ছড়ানোর পরিণাম যে আইনি জটিলতা হতে পারে, এই ঘটনাটি তার একটি বড় উদাহরণ। মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

মৌলভীবাজারে অনলাইন অ্যাপে ভাড়া করা ফ্ল্যাট থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার, যুবক আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
   
মৌলভীবাজারে অনলাইন অ্যাপে ভাড়া করা ফ্ল্যাট থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার, যুবক আটক

মৌলভীবাজার শহরের উত্তর কলিমাবাদ এলাকায় একটি চারতলা ভবনের ফ্ল্যাট থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকেলে ওই ফ্ল্যাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, ওই নারী এবং এক যুবক অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে আসবাবপত্রসহ ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন। পুলিশ প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত না হতে পারলেও ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ওই নারীর পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় ওই যুবকের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে। তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত তার বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করেনি।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শহরের উত্তর কলিমাবাদ এলাকায় অবস্থিত আরজু ভিলা নামক একটি বহুতল ভবনে এই ঘটনা ঘটে। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অস্থায়ীভিত্তিতে ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়ার বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। মৃত নারীর পরিচয় উদঘাটনে পুলিশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ শুরু করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পুলিশ জানিয়েছে, ওই ফ্ল্যাট থেকে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির কোনো আলামত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে পুলিশ আশা করছে।

এ ঘটনায় আটককৃত যুবকের সাথে নিহত নারীর সম্পর্ক কী ছিল, বা তারা কতদিন ধরে ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করছিলেন, সেই বিষয়গুলো পুলিশের তদন্তের প্রধান অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে ফ্ল্যাট ভাড়ার প্রক্রিয়াটির কোনো আইনি ফাঁকফোকর আছে কি না, তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে পড়েছে। সাধারণত অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে ভাড়া নেওয়া ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে অনেক সময় প্রশ্ন ওঠে, এই ঘটনার পর সেই আলোচনা আবারও সামনে এসেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এই মুহূর্তে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আটক ব্যক্তিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এলাকাবাসী জানান, ভবনের ফ্ল্যাটে এমন অস্বাভাবিক ঘটনার খবর শুনে তারা বেশ আতঙ্কিত। অপরিচিত কেউ যাতে সহজে এমন ভাড়ার সুযোগ নিয়ে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতে না পারে, সেজন্য ভবনের মালিক ও কেয়ারটেকারদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।

মৌলভীবাজার মডেল থানার পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। নারীর পরিচয় শনাক্তের জন্য আশেপাশের থানা এবং নিখোঁজ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ আছে কি না, সে বিষয়েও যোগাযোগ করা হচ্ছে। এছাড়া অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে ফ্ল্যাট মালিকের সাথে তাদের চুক্তির নথিপত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সার্বক্ষণিক মনিটর করছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়া মাত্রই তদন্তের পরবর্তী গতিপথ নির্ধারণ করা হবে এবং সে অনুযায়ী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্তের খাতিরে এখন এর চেয়ে বেশি তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পূজার বিশেষ সময়সীমা শেষ, পূর্বের নিয়মেই ফিরলো দোকানপাট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
পূজার বিশেষ সময়সীমা শেষ, পূর্বের নিয়মেই ফিরলো দোকানপাট

শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসবমুখর পরিবেশ উপলক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখার যে সাময়িক বিশেষ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। এর ফলে শুক্রবার থেকে আবারও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়ম কার্যকর হয়েছে। এখন থেকে দেশের সব মার্কেট, শপিং মল এবং অন্যান্য দোকানপাট নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রাত ৮টার মধ্যেই বন্ধ করতে হবে।

এর আগে গত ৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। সেই নির্দেশনায় জানানো হয়েছিল যে, দুর্গাপূজার আনন্দ উদযাপনের অংশ হিসেবে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত মার্কেট ও শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই বিশেষ ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এখন থেকে আগের নিয়ম অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার বাধ্যবাধকতা আবার বহাল হলো।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে এর আগেও দোকানপাট ও শপিং মল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশনা কার্যকর ছিল। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সেই নির্দেশনায় সাময়িক পরিবর্তন এনে রাত ১০টা পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল। তবে পূজার ছুটির আমেজ কেটে যাওয়ায় এবং নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ায় এখন ব্যবসায়ীরা আবারও আগের সেই পুরনো নিয়মের আওতায় ফিরে এসেছেন।

রাজধানীসহ সারা দেশের ব্যবসায়িক সংগঠনগুলো সরকারি এই নির্দেশনার প্রতি ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে এখন থেকে ব্যবসায়ীদের যথাযথভাবে রাত ৮টার মধ্যে সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তবে এই নিয়মের কোনো ব্যত্যয় ঘটছে কি না, তা স্থানীয় প্রশাসন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে বলেও জানা গেছে।

ব্যবসায়ীদের একাংশের মতে, বিশেষ উৎসবের সময় রাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা গেলে কেনাকাটার ধুম পড়ে এবং বিক্রির পরিমাণও বৃদ্ধি পায়, যা সার্বিক অর্থনীতিতে কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জাতীয় লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সকল মহলে কার্যকর করার তাগিদ রয়েছে। এখন থেকে স্বাভাবিক সময়সূচি মেনে দোকানপাট ও শপিং মল পরিচালনার জন্য ব্যবসায়ী ও ক্রেতা সাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, সরকারি নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এখন থেকে আর রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা যাবে না। প্রতিটি দোকান ও শপিং মল কর্তৃপক্ষকে রাত ৮টার আগেই তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম গুটিয়ে ফেলতে হবে। অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিতে আগের মতোই কঠোর অবস্থানে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে পূজার বিশেষ আমেজ শেষে স্বাভাবিক ব্যবসায়িক দিনলিপি এখন নতুন করে ছন্দে ফিরছে।

সর্বশেষ
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য: কারাগারে যুবক মৌলভীবাজারে অনলাইন অ্যাপে ভাড়া করা ফ্ল্যাট থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার, যুবক আটক পূজার বিশেষ সময়সীমা শেষ, পূর্বের নিয়মেই ফিরলো দোকানপাট খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি: কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন রাজধানীর খিলক্ষেতে প্রাইভেটকারচাপায় পথচারী নিহত কক্সবাজারে ভারুয়াখালী খালের সেতুর সংযোগ সড়কে ১.৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন গাজীপুরে শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ও ধামাচাপার চেষ্টা: মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেফতার মোবাইল ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে কিশোর অপ্রতিম হত্যায় ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট বগুড়ার শিশু আবু বক্করের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
Advertisement