খুঁজুন
, ,

কুশিগাঙের শীর্ণ দশা—সিলেটের প্রাণবন্ত নদীর সংকট

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
কুশিগাঙের শীর্ণ দশা—সিলেটের প্রাণবন্ত নদীর সংকট

সিলেট বিভাগের কুশিঘাট এলাকায় অবস্থিত কুশিগাঙ, একসময় উত্তর‑পূর্বের বাণিজ্যিক ও পরিবহন জালের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃত ছিল। জৈন্তাপুরের হরিপুর এলাকায় হাওর থেকে উৎপত্তি হয়ে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সিলেট নগরের কুশিঘাটে সুরমা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়। তবে আজকের দিনে এই নদী তীব্র অস্তিত্বসংকটে ভুগছে; দখল, অবৈধ ভরাট এবং অনিয়মিত শোষণের ফলে তার প্রবাহ ধারাবাহিকভাবে সংকুচিত হয়েছে।

বর্ষাকালে সামান্য পরিমাণে পানির প্রবাহ থাকলেও শুষ্ক মৌসুমে কুশিগাঙের বেশিরভাগ অংশ রূপান্তরিত হয়ে সরু নালায় পরিণত হয়। এই নালার তলায় জেলেদের নৌকা অলসভাবে ভাসে, আর কখনো কখনো দুই পাড় অতিক্রম করে শাকসবজির চাষের জন্য ব্যবহার করা হয়। নদীর পানির অভাবে মাছ ধরার নৌকা শূন্য হয়ে যায়, জালের গুটিয়ে তোলা দৃশ্যই এখন এই অঞ্চলের নতুন বাস্তবতা।

কুশিগাঙের শীর্ণ দশা কেবল পরিবেশগত নয়, সামাজিক-অর্থনৈতিক দিকেও প্রভাব ফেলছে। কৃষকরা সেচের জন্য নির্ভরশীল এই নদীর পানির অভাবে ফসলের ফলন হ্রাস পেয়েছে, ফলে আয়ের ঘাটতি বাড়ছে। তীরবর্তী এলাকায় হাঁসের দলপানি পানির সন্ধানে নেমে আসে, আর নৌকাগুলো শীর্ণ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় মানুষদের জন্য নদী পারাপার কঠিন হয়ে পড়েছে। বাঁশের সাঁকো ও অগভীর পানিতে মাছ শিকারের অপেক্ষায় থাকা ক্যানি বকদুইয়ের দৃশ্য এখন একধরনের দুঃখজনক স্মৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সম্প্রতি সিলেট নগরের কুশিঘাট এলাকা ঘুরে ছবি তোলা হয়েছে, যেখানে কুশিগাঙের বর্তমান অবস্থা স্পষ্টভাবে দেখা যায়। পানির ঘাটতি, শুষ্ক তীর, এবং নৌকাগুলোর অবহেলিত অবস্থা—এই সবই নদীর শীর্ণ দশার প্রমাণ। স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ সংস্থা এখন এই সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলছে, তবে বাস্তবায়ন এখনও ধীরগতিতে চলছে।

কুশিগাঙের পুনরুজ্জীবনের জন্য মূলত দুটি দিকের কাজ প্রয়োজন: প্রথমত, অবৈধ ভরাট ও দখল বন্ধ করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধার করা; দ্বিতীয়ত, সেচ ও কৃষি ব্যবস্থার জন্য বিকল্প পানির উৎস নিশ্চিত করা। পাশাপাশি, স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও জরুরি।

কুশিগাঙের শীর্ণ দশা কেবল একটি স্থানীয় সমস্যা নয়; এটি দেশের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং গ্রামীণ জীবনের টেকসই উন্নয়নের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জের প্রতিফলন। সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই নদীর মতোই আরও বহু জলপথ শূন্যে পরিণত হতে পারে, যা দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোর ওপর গভীর প্রভাব ফেলবে।

সুন্দরবনে কেওড়ার মৌসুমের শেষের চিহ্ন, বানরদের তীব্র অনুসন্ধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
সুন্দরবনে কেওড়ার মৌসুমের শেষের চিহ্ন, বানরদের তীব্র অনুসন্ধান

সুন্দরবনের কেওড়া ফলের মৌসুমের শেষের সূচনা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গ্রীষ্মের শেষের দিকে গাছের অধিকাংশ শাখা শূন্য হয়ে গেছে, ফলে গাছের ছায়া এখনো তেমনই রয়ে গেছে, তবে কিছু গাছের ডালপালায় এখনও রসালো ফল ঝুলে আছে। এই অবশিষ্ট ফলের জন্য বানরের দলগুলো সক্রিয়ভাবে গাছগাছি ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে একবারে একাধিক ফলের সন্ধান করা যায়।

কেওড়া গাছ, যা বৈজ্ঞানিকভাবে “কেওড়া গাছ” নামে পরিচিত, সমুদ্রতটের নিকটবর্তী ম্যানগ্রোভ অঞ্চলে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ। গাছের ফল ছোট, হালকা সবুজ রঙের এবং পাকার পর স্বাদে মিষ্টি-টক স্বাদ থাকে, যা স্থানীয় প্রাণী ও পাখিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য সরবরাহ করে। ফলের পরিমাণ কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গাছের পাতা ও ডালপালার রঙও ধূসর হয়ে যায়, যা মৌসুমের সমাপ্তি নির্দেশ করে।

বানররা, বিশেষ করে রঙিন লম্বা লেজের বানর, কেওড়া ফলের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ দেখায়। ফলের গন্ধ তাদের নাকের কোণে পৌঁছালে, তারা দ্রুত গাছের দিকে অগ্রসর হয়। গাছের শাখা থেকে শাখায় লাফিয়ে, তারা ফলটি হাতে নেয় এবং দ্রুত নিচে নামিয়ে খায়। কিছু সময়ে, একাধিক বানর একসাথে গাছের শীর্ষে পৌঁছে, ফল ভাগাভাগি করে। এই আচরণটি পর্যবেক্ষকদের কাছে মুগ্ধকর দৃশ্য হিসেবে উপস্থাপিত হয়।

বন বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, কেওড়া মৌসুমের শেষের দিকে বানরের খাবার সরবরাহ কমে যাওয়ায়, তারা অন্য ফলের দিকে ঝুঁকতে পারে অথবা ম্যানগ্রোভের অন্যান্য অংশে খাবার অনুসন্ধান করতে পারে। এই পরিবর্তন স্থানীয় ইকোসিস্টেমের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া, কেওড়া ফলের অবশিষ্টাংশ মাটিতে পড়ে, যা মাটির উর্বরতা বাড়ায় এবং পরবর্তী মৌসুমের গাছের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কেওড়া মৌসুমের সমাপ্তি সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের একটি স্বাভাবিক চক্র। যদিও ফলের পরিমাণ হ্রাস পায়, তবে বানরের সক্রিয়তা এবং গাছের পুনরুৎপাদন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে যে পরবর্তী বছরেও এই প্রাকৃতিক দৃশ্য পুনরাবৃত্তি হবে। স্থানীয় পর্যটক ও গবেষকরা এই সময়ে গাছের অবশিষ্ট ফল ও বানরের আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে আগ্রহী, যা ভবিষ্যৎ সংরক্ষণ পরিকল্পনার জন্য মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে।

প্লেব্যাক থেকে বিরতির পর অরিজিৎ সিং-এর নতুন গান, শাহরুখের ‘কিং’ ছবিতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
প্লেব্যাক থেকে বিরতির পর অরিজিৎ সিং-এর নতুন গান, শাহরুখের ‘কিং’ ছবিতে

বহু বছর ধরে বলিউডের প্লেব্যাক জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে চলা গায়ক অরিজিৎ সিং, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করে প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে ভক্তদের মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি করেন। তার এই সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যক্তিগত ও পেশাগত কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত ছিল, তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে তিনি সঙ্গীতের প্রতি তার ভালোবাসা কখনোই হারাবেন না।

বিরতির কয়েক দিন পর অরিজিৎ সিং আবার মঞ্চে ফিরে আসেন, তবে এবার তিনি নতুন গানের মাধ্যমে তার ফিরে আসা চিহ্নিত করেছেন। তিনি শেয়ার করা ভিডিওতে ‘কিং’ ছবির প্রথম গানের স্বরধ্বনি গাইছেন, যা শাহরুখ খান主演 ছবির অংশ হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। গানের সুর ও কথায় দেখা যায় যে অরিজিৎ তার স্বতন্ত্র স্বরভঙ্গি বজায় রেখেছেন, যা তার পূর্বের হিট গানের সঙ্গে তুলনীয়।

‘কিং’ ছবির প্রথম গানটি ২ নভেম্বর, শাহরুখের ৬১তম জন্মদিনে মুক্তি পেতে পারে বলে সূত্র পাওয়া গেছে। এই তারিখটি শুধুমাত্র অভিনেতার জন্মদিনই নয়, বরং ছবির প্রচারাভিযানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। অরিজিৎ সিং এই গানের মাধ্যমে শুধু তার ভক্তদের নয়, বরং চলচ্চিত্রপ্রেমীদেরও নতুন সুরের স্বাদ দিচ্ছেন।

অরিজিৎ সিং-এর ক্যারিয়ারকে স্মরণ করলে দেখা যায়, তিনি এক সময় এমন একটি গানের জন্য পরিচিত ছিলেন যা তাকে ২০০ বার গাইতে হয়েছিল। সেই গানের মাধ্যমে তিনি তার কঠোর পরিশ্রম ও নিবেদনকে প্রমাণ করেছেন, যা আজও শিল্পের মধ্যে প্রশংসিত হয়। এই অভিজ্ঞতা তাকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে এবং সঙ্গীতের বিভিন্ন শৈলীতে নিজেকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করেছে।

ভক্তদের প্রতিক্রিয়া সামাজিক মিডিয়ায় তীব্র। অনেকেই অরিজিৎ সিং-এর নতুন গানের জন্য উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এবং তার ফিরে আসার জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কিছু ভক্ত তার পূর্বের প্লেব্যাক থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তবে অধিকাংশই তার সঙ্গীতের গুণগত মানে বিশ্বাস রাখেন এবং নতুন গানের প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন।

অরিজিৎ সিং নিজে এই গানের রিলিজের আগে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, “সঙ্গীত আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিরতি নেওয়া মানে থেমে থাকা নয়, বরং নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে সৃষ্টিশীলতা খুঁজে বের করা। ‘কিং’ ছবির প্রথম গানটি আমার জন্য একটি নতুন সূচনা, এবং আমি আশা করি শ्रोतারা এই সুরে আনন্দ পাবেন।”

শাহরুখ খান主演 ‘কিং’ ছবির সঙ্গীত পরিচালক ও প্রযোজকরা অরিজিৎ সিং-এর গানের জন্য ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন এবং তাকে ছবির সাউন্ডট্র্যাকের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। গানের লিরিক্স, সুর ও অরিজিৎ সিং-এর স্বরমিলনকে নিয়ে ইতিমধ্যে মিডিয়াতে ইতিবাচক আলোচনা চলছে।

সামগ্রিকভাবে, অরিজিৎ সিং-এর এই ফিরে আসা শুধু তার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের জন্য নয়, বরং বলিউডের সঙ্গীত জগতে নতুন সুরের প্রবাহের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ‘কিং’ ছবির প্রথম গানের মুক্তি হলে সঙ্গীতপ্রেমীরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে তা এখনই সময়ের প্রশ্ন, তবে অরিজিৎ সিং-এর সঙ্গীতের প্রতি অটুট নিবেদন ও ভক্তদের সমর্থন নিশ্চিতভাবে তার ভবিষ্যৎ প্রকল্পকে শক্তিশালী করবে।

ইন্দিরা গান্ধীকে দুই দেহরক্ষীর ৩০ গুলিতে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
ইন্দিরা গান্ধীকে দুই দেহরক্ষীর ৩০ গুলিতে গুলি করে হত্যা

২০২৬ সালের ১ নভেম্বর, রাত ২ টার দিকে ভারতের রাজধানী নিউ দিল্লিতে এক চমকপ্রদ ঘটনা ঘটেছে। দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে তার নিজের পছন্দের দুই দেহরক্ষী গুলিতে ৩০ গুলি করে হত্যা করা হয়। গুলির সংখ্যা ও দেহরক্ষীর পরিচয় উভয়ই সংবাদ সূত্রে উল্লেখিত হলেও, ঘটনাস্থল ও অন্যান্য বিশদ তথ্য এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।

ইন্দিরা গান্ধী, যিনি ১৯৬৬ থেকে ১৯৭৭ এবং ১৯৮০ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত দুইবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও নেতৃত্বের জন্য দেশ ও বিশ্বে প্রশংসিত ছিলেন। তার মৃত্যুর এই হঠাৎ ও রক্তাক্ত ঘটনা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে গভীর শক সৃষ্টি করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেহরক্ষী একসাথে গুলি চালিয়ে মোট ৩০টি গুলি করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানেন। গুলির সঠিক দিকনির্দেশনা ও গুলিবিদ্ধের মুহূর্তের বিবরণ এখনো তদন্তাধীন। তবে, এই ঘটনার ফলে ইন্দিরা গান্ধীর দেহ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে, যা দেশের ইতিহাসে এক অম্লান রক্তাক্ত অধ্যায়ের সূচনা করে।

এই হত্যাকাণ্ডের পর, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় বড় ধাক্কা এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে। যদিও দেহরক্ষীদের motives এখনও অজানা, তবে এই ঘটনা নিরাপত্তা প্রোটোকল ও গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।

দেহরক্ষীদের গুলি চালানোর পেছনের কারণ ও পরিকল্পনা সম্পর্কে সরকারী তদন্ত দ্রুত শুরু করেছে। তদন্তকর্তারা গুলির ক্যালিবার, গুলিবিদ্ধের সময়ের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি এবং দেহরক্ষীদের পূর্বের রেকর্ড বিশ্লেষণ করছেন। একই সঙ্গে, ইন্দিরা গান্ধীর পরিবার ও সমর্থকগণ শোক প্রকাশের পাশাপাশি দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য দায়িত্বশীলতা ও সংহতির আহ্বান জানিয়েছেন।

ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর ফলে দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। তার দীর্ঘমেয়াদী নীতি ও সংস্কারগুলো এখনো অনেকের কাছে স্মরণীয়, এবং তার অনুপস্থিতি দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নীতিতে প্রভাব ফেলবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। যদিও ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ এখনো বাকি, তবে স্পষ্ট যে এই রক্তাক্ত ঘটনা দেশের ইতিহাসে এক অম্লান দাগ রেখে যাবে।

সামগ্রিকভাবে, ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অম্লান রক্তাক্ত অধ্যায়ের সূচনা করেছে। সরকার ও সমাজের সকল স্তরে এই ঘটনার পরিণতি মোকাবিলার জন্য সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণ, তদন্তের স্বচ্ছতা এবং রাজনৈতিক সংহতির পুনর্গঠনই এই শোকের মুহূর্তে দেশের জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

সর্বশেষ
কুশিগাঙের শীর্ণ দশা—সিলেটের প্রাণবন্ত নদীর সংকট সুন্দরবনে কেওড়ার মৌসুমের শেষের চিহ্ন, বানরদের তীব্র অনুসন্ধান প্লেব্যাক থেকে বিরতির পর অরিজিৎ সিং-এর নতুন গান, শাহরুখের ‘কিং’ ছবিতে ইন্দিরা গান্ধীকে দুই দেহরক্ষীর ৩০ গুলিতে গুলি করে হত্যা বাইন্যান্সে ২০ মিনিটে ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, বিশাল হ্যাকিং আক্রমণ উন্মোচিত চিজ ও কাজুর মোলায়েম স্বাদে চিকেন মালাই কাবাব স্পিনের ফাঁদ নিজেদেরই গলার কাঁটা, মিরপুর টেস্টে টাইগারদের হতাশাজনক পরাজয় এক ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক হলে ইলন মাস্ক কী করতে পারতেন? রাজধানীর পল্টনে সাবেক সিআইডি প্রধানের গাড়িচাপায় গুরুতর আহত রিকশাচালক আজ টিভিতে যা দেখবেন (১ নভেম্বর ২০২৬)
Advertisement