খুঁজুন
, ,

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাস কোর্সের ১৯ বিষয়ের সিলেবাস আধুনিকায়নের উদ্যোগ

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাস কোর্সের ১৯ বিষয়ের সিলেবাস আধুনিকায়নের উদ্যোগ

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও কর্মমুখী করার লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে চলমান তিন বছর মেয়াদি স্নাতক পাস ডিগ্রি প্রোগ্রামের ১৯টি বিষয়ের সিলেবাস ও কারিকুলাম পরিবর্তনের কাজ শুরু হয়েছে। মূলত বর্তমান সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো পাঠ্যক্রমকে আরও আধুনিক এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করে গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক বা বিএনকিউএফ অনুসরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই ফ্রেমওয়ার্কের ভিত্তিতে আউটকাম বেজড এডুকেশন বা ওবিই পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। এর ফলে পাস কোর্সের শিক্ষার্থীরা কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞানই নয়, বরং বাস্তব জীবনে প্রয়োগযোগ্য দক্ষতায় নিজেদের সমৃদ্ধ করতে পারবে।

গত শনিবার গাজীপুরে অবস্থিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে এই পরিবর্তনের রূপরেখা ও প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষাবিষয়ক নীতিনির্ধারকরা এই আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনা করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের প্রচলিত সিলেবাসের পরিবর্তন বর্তমান সময়ের শ্রমবাজারের চাহিদার সাথে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে সহায়ক হবে। উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার সক্ষমতা তৈরি করতে এই উদ্যোগ একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

উল্লেখ্য যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী সাধারণ ডিগ্রি বা পাস কোর্সে পড়াশোনা করে থাকেন। বিশাল এই জনগোষ্ঠীর শিক্ষাগত উৎকর্ষ সাধনে পাঠ্যক্রমের আধুনিকায়ন অত্যন্ত জরুরি ছিল। নতুন সিলেবাস তৈরির কাজ শেষ হলে তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় শুধু বিষয়বস্তু বা সিলেবাস নয়, বরং শিক্ষার সামগ্রিক পদ্ধতি ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল এবং সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো এই রূপান্তরের সার্বিক প্রক্রিয়া তদারকি করবে।

শিক্ষাবিদদের মতে, ওবিই বা ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষায় একটি স্বীকৃত মডেল। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এই মডেলে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে। সিলেবাস পুনর্গঠনের এই কাজ শেষ হলে শিক্ষার্থীরা যেমন আধুনিক জ্ঞান অর্জনে সক্ষম হবে, তেমনি তাদের ডিগ্রি অর্জনের সার্থকতাও বৃদ্ধি পাবে। আগামী দিনগুলোতে এই নতুন কারিকুলাম কীভাবে কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত রূপরেখা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক থেকে আর্থিক খাত সংস্কারের জন্য ৪৫ কোটি ডলার ঋণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
বিশ্বব্যাংক থেকে আর্থিক খাত সংস্কারের জন্য ৪৫ কোটি ডলার ঋণ

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে আর্থিক খাতের সংস্কার কর্মসূচির জন্য ৪৫ কোটি ডলার (প্রায় ৪৮০ কোটি টাকা) ঋণ প্রদান করবে বলে জানানো হয়েছে। এই ঋণটি দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা খাতের কাঠামোগত উন্নয়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি ইত্যাদি লক্ষ্যকে সমর্থন করবে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ঋণগ্রহীতা পাঁচ বছরের রেয়াতকাল পাবেন, যার মধ্যে মূলধন পরিশোধে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না। রেয়াতকাল শেষ হওয়ার পর থেকে মোট ২৫ বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধের সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে। এই শর্তাবলী ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক চাপ কমিয়ে প্রকল্পের বাস্তবায়নে মনোযোগী হতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশের আর্থিক খাত সম্প্রতি বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে; তহবিলের প্রবাহের স্বচ্ছতা, ডিফল্ট রেটের হ্রাস এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার প্রসার এগুলোতে অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বব্যাংকের এই আর্থিক সহায়তা সরকারকে এই সমস্যাগুলো সমাধানে কাঠামোগত সংস্কার চালাতে প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ করবে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (SME) তে ঋণপ্রাপ্তি সহজতর করা, গ্রামীণ ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করা এবং আর্থিক প্রযুক্তি (ফিনটেক) উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করা এই প্রকল্পের মূল দিক।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, এই ঋণটি দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থার সমর্থন পাওয়া মানে দেশের নীতি ও নিয়মাবলী আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হচ্ছে, যা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে।

সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে কিছু মূল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ব্যাংকিং সেক্টরে ক্যাপিটাল রিজার্ভের অনুপাত বাড়ানো, অ-প্রদত্ত ঋণের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য নতুন নিয়মাবলী প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া, ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের বিস্তৃতি এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবার উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা বলছেন, এই ঋণটি শুধুমাত্র আর্থিক সহায়তা নয়, বরং প্রযুক্তিগত পরামর্শ ও নীতি গঠনে সহযোগিতার অংশও হবে। তারা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মানের আর্থিক কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করবে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় এই ঋণকে দেশের আর্থিক সংস্কার পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচনা করছে। তারা উল্লেখ করেছেন, ঋণ গ্রহণের পরপরই সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করা হবে, যা সময়মতো অগ্রগতি নিশ্চিত করবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ আর্থিক খাতে আরও স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং অন্তর্ভুক্তি অর্জন করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত, এই ঋণটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামোকে শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

তরুণ প্রজন্মের ক্ষমতায়নে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
তরুণ প্রজন্মের ক্ষমতায়নে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য বড় ধরণের সুখবর নিয়ে এলেন সরকারপ্রধান। উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অসামান্য অবদান ও তাদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নতুন করে ৫০০ কোটি টাকার একটি স্টার্টআপ তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, আজকের তরুণরাই আগামী দিনের উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রধান কারিগর। স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ের নানামুখী সংকট মোকাবিলায় দেশের যুবসমাজ সবসময়ই সম্মুখভাগে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

রোববার জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তরুণদের এই প্রাণশক্তিকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, যেকোনো দেশের সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির পেছনে যুবশক্তির ভূমিকা অপরিসীম। রাষ্ট্র পরিচালনায় তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও কর্মস্পৃহাকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই আর্থিক সহায়তার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মূলত যেসব তরুণ উদ্যোক্তা নতুন কিছু করার স্বপ্ন দেখেন বা প্রযুক্তিগত কোনো সমাধান নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী, তাদের সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে অর্থায়নের ব্যবস্থা করবে এই নতুন তহবিল।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, গত কয়েক দশকে দেশ অর্থনৈতিকভাবে যে অবস্থানে পৌঁছেছে, তাতে যুবকদের অংশগ্রহণ ছিল অনস্বীকার্য। বিশ্বায়নের এই যুগে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য। স্টার্টআপ সংস্কৃতির প্রসারের মাধ্যমে কেবল কর্মসংস্থান তৈরিই নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি আরও মজবুত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণ উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার তাদের পাশে থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতি সহায়তা প্রদান করবে।

অনুষ্ঠানে সরকারি নীতি-নির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা জানিয়েছেন, এই স্টার্টআপ তহবিলটি কীভাবে পরিচালিত হবে এবং কোন কোন শর্তাবলি পূরণ করলে উদ্যোক্তারা এই অর্থ সহায়তা পাবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত নীতিমালা দ্রুতই প্রকাশ করা হবে। ডিজিটাল ইকোনমির এই যুগে দেশের তরুণরা যেন বিশ্বমানের সেবা ও পণ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের প্রমাণ করতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার ফলে প্রযুক্তি খাতের স্টার্টআপগুলো এক নতুন উদ্দীপনা পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

উল্লেখ্য যে, সারা দেশে গত কয়েক বছর ধরে স্টার্টআপ বা নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগের সংখ্যা বাড়ছে। এই তহবিল সেই গতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে। যুব দিবসকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ ঘোষণা সাধারণ মানুষের মাঝে বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তরুণ সমাজ এখন এই প্রণোদনা ব্যবহার করে নিজেদের স্বপ্ন পূরণের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে এই উদ্যোগের যথাযথ বাস্তবায়ন তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতিনিধিরা।

৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলীয় সভাপতি হাসানুল হক ইনুর মুক্তির দাবি জানাল জাসদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলীয় সভাপতি হাসানুল হক ইনুর মুক্তির দাবি জানাল জাসদ

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাদের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে। শনিবার দেশজুড়ে কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা শাখাগুলোতে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করা হয়। তবে এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর মুক্তির দাবি। দলটির নেতাকর্মীরা রাজপথে সরব থেকে তাদের শীর্ষ নেতাকে কারামুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি বিশেষ আলোচনার আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসে এবার একটি প্রতিকূল সময়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে হচ্ছে। তারা দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর কারাবাসের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, তিনি কেবল দলের একজন নেতা নন, বরং দেশের গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাজনীতির অন্যতম প্রতীক। তাকে কারাবন্দি করে রাখাটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি করেন নেতারা।

আলোচনা সভায় বক্তারা আরও বলেন, জাসদের জন্ম হয়েছে শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকার নিয়ে। রাজাকার এবং সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লড়াইয়ে জাসদ বরাবরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এসেছে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সময়েও জনস্বার্থ রক্ষা ও দেশের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে জাসদ তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখবে। দলের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের নেতারা তৃণমূল কর্মীদের উজ্জীবিত করতে গিয়ে বলেন, প্রতিকূলতা দেখে পিছিয়ে যাওয়ার পাত্র জাসদ নয়। হাসানুল হক ইনুর নিঃশর্ত মুক্তি এবং জনগণের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে দল সর্বশক্তি নিয়োগ করবে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, স্থানীয় পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা শাখাগুলোও নিজ নিজ এলাকায় আলোচনা সভা, র‌্যালি ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে স্থানীয় দলীয় কার্যালয়গুলোতে সমবেত হন। এসব কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতাদের কণ্ঠেও কেন্দ্রীয় নেতাদের সুর শোনা গেছে। হাসানুল হক ইনুর মুক্তি ছাড়া জাসদের আন্দোলন থামবে না বলে তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। কর্মীরা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার হাতে নিয়ে দলের সভাপতির মুক্তির পক্ষে শ্লোগান দেন।

জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী দিনগুলোতেও শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই তারা তাদের নেতার মুক্তির দাবি জানিয়ে যাবে। দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে এবং সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান ঠেকাতে জাসদ অতীতে যেমন ভূমিকা রেখেছে, ভবিষ্যতেও একই অবস্থানে অটল থাকবে বলে সভায় দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে জাসদ নেতাকর্মীরা নতুন করে শপথ নিয়েছেন যে, কোনো ভয়ভীতি বা বাধা জাসদকে তার আদর্শিক লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সকল কর্মসূচিতে জাসদ নেতাকর্মীদের উপস্থিতি এবং স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দলের তৃণমূলের শক্তিশালী অবস্থানেরই জানান দিয়েছে।

সর্বশেষ
বিশ্বব্যাংক থেকে আর্থিক খাত সংস্কারের জন্য ৪৫ কোটি ডলার ঋণ তরুণ প্রজন্মের ক্ষমতায়নে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলীয় সভাপতি হাসানুল হক ইনুর মুক্তির দাবি জানাল জাসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর পরিবারে শঙ্কা, রাতে স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন নারী সদস্যরা হ্যালোউইন পার্টিতে শ্রীদেবীর স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন জাহ্নবী কাপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাস কোর্সের ১৯ বিষয়ের সিলেবাস আধুনিকায়নের উদ্যোগ ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রতিটি নাগরিকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা জরুরি: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব সম্পন্ন, চূড়ান্ত লড়াই নভেম্বরের শেষে রাজধানীতে জরুরি সেবার কলে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ স্কুল ত্যাগ করে কারখানায় কাজ করা ঝোউ চুনফেই, চীনের শীর্ষ ধনী নারী
Advertisement