খুঁজুন
, ,

শূন্যতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা পূর্ণতার গল্প

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
শূন্যতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা পূর্ণতার গল্প

শরতের সন্ধ্যা। চারদিকে এক ধরনের মায়াবী আলো-আঁধারি। ঠিক এমনই এক সময়ে পুরোনো বইয়ের দোকানের দোতলার নিরিবিলি এক কোণে সময় কাটানো যেন অন্য এক অভিজ্ঞতার নাম। দোকানের ভেতরে ঢুকতেই মনে হয়, সময় যেন এখানে এসে থমকে দাঁড়িয়েছে। বাইরে শহরের ব্যস্ততা থাকলেও এই দোতলার পরিবেশটি যেন সম্পূর্ণ আলাদা, অনেকটা জলসাঘরের মতো শান্ত ও গম্ভীর। ঘরের এক কোণে একটি টেবিলের ওপর মৃদু লাল রঙের বাতি জ্বলছে, যা পুরো ঘরের আবহকে করে তুলেছে রহস্যময়।

সেই লালচে আলোর আভা এসে পড়ছে পাশের দেওয়ালে সাঁটানো একটি ঐতিহাসিক ছবির ওপর। ছবিটি যেন সেই ঘরের কেন্দ্রবিন্দু। সেখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে চারজন পুরোনো বন্ধুর তৈলচিত্র। তাঁরা সাধারণ কেউ নন, প্রাচীন গ্রিসের চার বিখ্যাত দার্শনিক। সক্রেটিস, আগাথন, আরিস্তোফানেস আর আলসিবিয়াদেস। গোল টেবিল ঘিরে তাঁদের বসে থাকার ভঙ্গি যেন আজও কোনো এক অমিমাংসিত বিষয়ের গভীর আলোচনায় মগ্ন করে রাখে দর্শকদের।

প্রশ্ন জাগে, কেন এই চারজনের ছবি এভাবে একটি পুরোনো বইয়ের দোকানের কোণে রাখা? শূন্যতা আর পূর্ণতার যে দার্শনিক তত্ত্ব, তা কি এই চিত্রের মধ্যেই লুকিয়ে আছে? সক্রেটিস এবং তাঁর সমসাময়িক এই দার্শনিকরা জীবনের যে বোধ ছড়িয়ে গিয়েছিলেন, তা আজও আমাদের নতুন করে ভাবতে শেখায়। মানুষের জীবনের অনেক না পাওয়ার ভিড়ে, অনেক শূন্যতার মাঝেও যে একটি পূর্ণতা থাকে, তা হয়তো এই চিত্রটিই মনে করিয়ে দেয়।

বইয়ের দোকানের এই পরিবেশ কোনো সাধারণ দোকানের চেয়ে আলাদা। এটি একটি চিন্তার জগৎ। বইয়ের গন্ধ আর দার্শনিকদের এই নিথর উপস্থিতি যেন দর্শনার্থীদের মনকে শান্ত করে দেয়। শহরের ইট-কাঠের যান্ত্রিকতায় যখন মানুষ হাঁপিয়ে ওঠে, তখন এ ধরনের কোনো নিরিবিলি স্থানই হতে পারে প্রশান্তির আশ্রয়। সেই লাল বাতির মৃদু আলোয় যখন দর্শনার্থীরা এই ছবির দিকে তাকান, তখন যেন মনে হয়, সময় এখানে স্থির। চারদিকে বইয়ের সারি, আর মাঝখানে প্রাচীন মনীষীদের এই আড্ডা, সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত বিষাদমাখা আনন্দ তৈরি হয়।

শূন্যতা মানেই যে হারিয়ে যাওয়া নয়, বরং নতুন করে সৃষ্টির অবকাশ—তা এখানে না আসলে বোঝা কঠিন। পুরোনো বইগুলোর পাতায় যেমন লুকিয়ে থাকে শত বছরের ইতিহাস, তেমনি এই ঘরের পরিবেশেও লুকিয়ে আছে এক দার্শনিক পূর্ণতা। শরতের এই মায়াবী সন্ধ্যা কিংবা যেকোনো নিঃসঙ্গ মুহূর্তে এ ধরনের জায়গার দেখা পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের বিষয়। এটি কোনো ভ্রমণগল্প নয়, বরং এক অনুভবের আখ্যান। যেখানে গিয়ে মানুষ নিজের ভেতরের শূন্যতাকে পূর্ণতা দিয়ে ভরিয়ে তোলার সুযোগ পায়।

সাবেক বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যুতে বন্ধু দীপ পিবিআই হেফাজতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
সাবেক বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যুতে বন্ধু দীপ পিবিআই হেফাজতে

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নতুন মোড় নিয়েছে। এই মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা পিবিআই অভিযান চালিয়েছে। ঘটনার সূত্র ধরে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা তাহসিফের বন্ধু হিসেবে পরিচিত দীপ নামে একজনকে হেফাজতে নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের বি ব্লকের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত দীপ ওই এলাকার বাসিন্দা সেলিম রেজার ছেলে।

তদন্তকারী সূত্রে জানা গেছে, তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর পর থেকে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। মৃত্যুর কারণ ও এর নেপথ্যে কোনো অশুভ সংকেত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় তাহসিফের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ওপর নজরদারি শুরু করে পিবিআই। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়েই মোহাম্মদপুরের ওই ঠিকানায় গভীর রাতে অভিযান চালানো হয়। যে বাসা থেকে দীপকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, সেটি একটি বহুতল ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট। ঘটনার দিন গভীর রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল দেখা দেয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তদন্তকারী কর্মকর্তারা মনে করছেন, তাহসিফের সঙ্গে দীপের সম্পর্ক ও তাদের শেষ মুহূর্তের কথোপকথন তদন্তের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীপকে হেফাজতে নেওয়ার পর পিবিআইয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন। মৃত্যুর ঘটনার সময় দীপ কোথায় ছিলেন এবং তার সঙ্গে তাহসিফের শেষবার কী কথা হয়েছিল, সেসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট পিবিআইয়ের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই ঘটনাটি কেবল একটি স্বাভাবিক মৃত্যু কি না, তা নিশ্চিত হতে তারা সব ধরনের কারিগরি ও ফরেনসিক প্রমাণাদি সংগ্রহ করছেন। দীপকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে এই মৃত্যুর ঘটনায় নতুন কোনো সূত্র পাওয়া যেতে পারে বলে তারা আশাবাদী। তবে তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকছেন তারা। শুক্রবার সকালের দিকে পিবিআই প্রধান এবং এই মামলার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন।

তাহসিফ সৌরির আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবার ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পর থেকেই বিচারের দাবিতে সোচ্চার স্থানীয়রা। পিবিআইয়ের এই অভিযানকে সংশ্লিষ্টরা ঘটনার রহস্য উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। খুব দ্রুতই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের ভূমিকা পরিষ্কার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে তারা সব ধরণের সক্ষমতা কাজে লাগাচ্ছে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, তাহসিফ সৌরি বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা হওয়ায় তার মৃত্যুর ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। দীপকে হেফাজতে নেওয়ার পর তাকে রিমান্ডে নেওয়া হবে কি না বা পরবর্তীতে আরও কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হবে কি না, তা তদন্তের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করছে। বর্তমানে দীপ পিবিআই হেফাজতে রয়েছেন এবং আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পুরো বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে দেখছে এবং ঘটনার নেপথ্যের কারণগুলো খতিয়ে দেখছে।

এলডিসি থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়াল জাতিসংঘ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
এলডিসি থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়াল জাতিসংঘ

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বৃদ্ধি করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সাম্প্রতিক এক সিদ্ধান্তে এই সময়সীমা পরিবর্তনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ এলডিসি বা স্বল্পোন্নত দেশের অবস্থান থেকে চূড়ান্তভাবে উত্তরণের জন্য অতিরিক্ত তিন বছর সময় পেল। আগে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের উত্তরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। নতুন সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে এখন তা পিছিয়ে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের পরবর্তী ধাপগুলো সামাল দেওয়ার প্রস্তুতির কথা বিবেচনায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পথপরিক্রমায় নানা ধরনের প্রস্তুতিমূলক কাজ চালিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করে আসছে বাংলাদেশ, যা এলডিসিভুক্ত দেশ হিসেবে পাওয়া যায়। উত্তরণের পরে এই সুবিধাগুলো আর বহাল থাকবে না। তাই বাড়তি এই তিন বছর সময় পাওয়ার ফলে দেশীয় অর্থনীতিতে বিদ্যমান কাঠামোগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের একটি সুযোগ তৈরি হলো। রপ্তানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকার জন্য যে ধরনের নীতি সহায়তা প্রয়োজন, তা এই সময়ের মধ্যে আরও জোরদার করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

উত্তরণ প্রক্রিয়ার এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বাণিজ্যের যে সুবিধাগুলো বিদ্যমান রয়েছে, তা ধরে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। একই সঙ্গে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের আধুনিকায়ন এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জনের জন্য এই সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অস্থিতিশীলতা এবং অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এই অতিরিক্ত সময় বাংলাদেশের জন্য একটি কৌশলগত সুবিধা হিসেবে কাজ করবে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এই অনুমোদনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আরও কিছুটা সময় পেল তার রপ্তানিমুখী শিল্পখাতকে ঢেলে সাজানোর জন্য। এলডিসি থেকে উত্তরণের পরবর্তীতে যে নতুন ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে, তার জন্য নিজেদের সক্ষমতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধনের জন্য এই বাড়তি তিন বছর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে এখন থেকেই এই বাড়তি সময়কে কীভাবে সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে কাজ শুরু করার তাগিদ দিচ্ছেন নীতিনির্ধারকরা। মূলত প্রস্তুতিকালীন সময়ের এই বর্ধিত মেয়াদ বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিল।

সালমান শাহ-শাবনূরের পর এবার নতুন রূপে সাইমন-মাহির আনন্দ অশ্রু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
সালমান শাহ-শাবনূরের পর এবার নতুন রূপে সাইমন-মাহির আনন্দ অশ্রু

নব্বই দশকের ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম সফল এবং দর্শকপ্রিয় একটি নাম আনন্দ অশ্রু। প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিল। শিবলি সাদিক পরিচালিত এই সিনেমাটি ১৯৯৭ সালের ১ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। মুক্তির সেই সময় থেকে আজ অবধি ছবিটির জনপ্রিয়তা এতটুকুও কমেনি, বরং সময়ের সাথে সাথে তা যেন দর্শকদের কাছে এক নস্টালজিয়ায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ছবির গানগুলো এখনো সমানতালে জনপ্রিয়, যা বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে।

সেই জনপ্রিয়তাকে সঙ্গী করে এবার নতুন আয়োজনে পর্দায় আসছে আনন্দ অশ্রু। তবে এবার আর সালমান শাহ বা শাবনূর নন, বরং নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় দুই তারকা সাইমন সাদিক এবং মাহিয়া মাহিকে দেখা যাবে এই সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে। দীর্ঘ সময় পার হলেও ছবির নাম ও গল্পের আবেদনকে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছে নতুন করে তুলে ধরতেই নির্মাতারা একই শিরোনামে নতুন সিনেমা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এই নতুন সিনেমাটির পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। যিনি এর আগে দুই নয়নের আলোসহ বেশ কিছু দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়ে নিজেকে দক্ষ নির্মাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

সিনেমাটি নিয়ে ঢালিউড পাড়ায় এরই মধ্যে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন ও আলোচনা। বিশেষ করে দুই সময়ের জনপ্রিয় দুই জুটির এই তুলনাটি ভক্তদের মনে এক মিশ্র অনুভূতির জন্ম দিয়েছে। একদিকে নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন তারকাদের রসায়ন দেখার আগ্রহ—সব মিলিয়ে সিনেমাটি নিয়ে প্রত্যাশার পারদ বেশ চড়াই। নির্মাতা মোস্তাফিজুর রহমান মানিক জানিয়েছেন, মূল গল্পের আবেগ ও দর্শনের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই বর্তমান সময়ের আবহে চিত্রনাট্য সাজানো হয়েছে। যাতে করে নবীন ও প্রবীণ উভয় প্রজন্মের দর্শকরাই ছবিটির সাথে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পারেন।

মাহিয়া মাহি এবং সাইমন সাদিক বর্তমানে ঢালিউডের অন্যতম ব্যস্ত ও পরিচিত মুখ। তাদের জুটির রসায়ন অতীতেও অনেক ছবিতে সমাদৃত হয়েছে। এবার আনন্দ অশ্রু-এর মতো একটি কালজয়ী নাম তাদের কাঁধে আসায় তারা বেশ সতর্ক এবং একইসাথে উচ্ছ্বসিত। শুটিং এবং চরিত্রের প্রস্তুতির বিষয়ে মাহিয়া মাহি জানিয়েছেন, একটি ঐতিহাসিক সিনেমার নাম ও ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে তারা তাদের সেরাটা দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছেন যাতে দর্শকদের দীর্ঘদিনের ভালোবাসার প্রতি তারা সুবিচার করতে পারেন।

চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, পুরনো জনপ্রিয় সিনেমার নামে নতুন ছবি নির্মাণের চল বিশ্বজুড়েই রয়েছে। বাংলা চলচ্চিত্রেও এমন প্রচেষ্টা নতুন নয়। তবে আনন্দ অশ্রু-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন, কারণ এই সিনেমাটি অনেকের আবেগের সাথে জড়িয়ে আছে। তাই দর্শকপ্রিয়তার পরীক্ষায় সাইমন ও মাহি কতটা সফল হন, সেটিই এখন দেখার বিষয়। সিনেমাটির নির্মাণকাজ ও মুক্তির তারিখ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা খুব শীঘ্রই আসবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই নতুন উদ্যোগ কি দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে, নাকি মূল সিনেমার অমর্যাদা হবে—সে উত্তর পেতে দর্শকদের আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে। তবে ঢালিউডের বড় পর্দায় আবারও আনন্দ অশ্রু ফিরে আসা নিশ্চিতভাবেই সিনেমার বাজারের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা।

সর্বশেষ
সাবেক বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যুতে বন্ধু দীপ পিবিআই হেফাজতে শূন্যতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা পূর্ণতার গল্প এলডিসি থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়াল জাতিসংঘ সালমান শাহ-শাবনূরের পর এবার নতুন রূপে সাইমন-মাহির আনন্দ অশ্রু শেরপুরের গারো পাহাড়ে হাজারো পুণ্যার্থীর মোমবাতি প্রজ্জ্বলেনে অনন্য ধর্মীয় উৎসব সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের রহস্যজনক মৃত্যু: বন্ধু দ্বীপ হেফাজতে বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুরের বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে নতুন আলোচনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমোদন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দেশের ছয় বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করলেন মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী
Advertisement