খুঁজুন
, ,

বৃষ্টিস্নাত বিকেলে বন্ধুসভার পাঠচক্রে সুকুমার রায়

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
বৃষ্টিস্নাত বিকেলে বন্ধুসভার পাঠচক্রে সুকুমার রায়

ঢাকার এক বৃষ্টির সন্ধ্যায়, বন্ধুসভা সমিতি সুকুমার রায়ের জন্মদিন উদযাপনের জন্য একটি বিশেষ পাঠচক্রের আয়োজন করে। হালকা বৃষ্টির ফোঁটা গাছের পাতায় নাচছিল, আর সমাবেশের স্থানটি ছিল শহরের একটি শান্ত কোণ, যেখানে গাছের ছায়া ও বৃষ্টির সুর মিলে এক অনন্য পরিবেশ তৈরি করেছিল।

সুকুমার রায়, যিনি ছড়া ও শিশুসাহিত্য ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র স্বর তৈরি করেছেন, তাঁর জন্মদিনের এই উপলক্ষে বন্ধুরা একত্রিত হয়ে তাঁর রচনার বিভিন্ন অংশ উচ্চস্বরে পাঠ করে শ্রোতাদের মনোমুগ্ধ করে তুলেছেন। উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে বেশ কয়েকজন রায়ের দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও পাঠক ছিলেন, যারা তাঁর কবিতার মধুরতা ও সৃজনশীলতার প্রশংসা করে একের পর এক কবিতা উপস্থাপন করেন।

পাঠচক্রের সূচনা হয় রায়ের কিছু জনপ্রিয় ছড়া দিয়ে, যেমন “ছোট্ট পাখি গানের সুরে” এবং “বৃষ্টির রঙিন গল্প”। প্রতিটি কবিতা পাঠের পর উপস্থিতদের মধ্যে তালি ও উল্লাসের স্রোত বয়ে যায়। বন্ধুরা রায়ের রচনায় বর্ণিত শিশুরা, প্রকৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের মিশ্রণকে প্রশংসা করে, এবং কীভাবে তার শব্দগুলো ছোট ছোট হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলে তা উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের মাঝখানে রায়ের জন্মদিনের কেক কাটা হয়, যা রঙিন বেলুন ও ফুলের সাজসজ্জার সঙ্গে সাজানো ছিল। কেকের উপর লেখা ছিল “শিশুদের স্বপ্নের রূপকথা, আপনার ছড়া আমাদের গাইড”—এটি রায়ের সৃষ্টিশীলতা ও শিশুদের প্রতি তার অটুট ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কেক কাটার পর, উপস্থিত সবাই রায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, এবং ভবিষ্যতে আরও এমন সাহিত্যিক সমাবেশের আহ্বান জানায়।

এই পাঠচক্রের মাধ্যমে বন্ধুসভা সমিতি শুধু রায়ের জন্মদিনই উদযাপন করেনি, বরং বাংলা ছড়া ও শিশুসাহিত্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি মঞ্চও তৈরি করেছে। বৃষ্টির স্নিগ্ধতা, বন্ধুত্বের উষ্ণতা এবং রায়ের সৃষ্টির মাধুর্য একসাথে মিশে একটি স্মরণীয় সন্ধ্যা গড়ে তুলেছে, যা অংশগ্রহণকারীদের হৃদয়ে দীর্ঘদিন ধরে বেঁচে থাকবে।

মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিকাণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
   
মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিকাণ্ড

ঢাকার মিরপুরের ১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের ঠিক নিচে রবিবার দুপুরে একটি অপ্রত্যাশিত অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্মচারীরা জানান, মেট্রোরেল স্টেশনের প্রবেশপথের পাশে পুলিশ গাড়ি পার্ক করা ছিল, যখন অজানা ব্যক্তিরা গাড়িতে আগুন লাগিয়ে ফেলেছে। ঘটনাটি ঘটার সময় প্রায় দুপুর ১২টার দিকে, যখন এলাকায় বেশ কিছু পোশাকশ্রমিক কাজ করছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের শিখা দ্রুত গাড়ির ধাতব অংশে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে গাড়ির বাহ্যিক অংশ জ্বলে ওঠে। কিছু সময়ের মধ্যেই গাড়ির সামনের অংশ থেকে ধোঁয়া ও ধোঁয়াটে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে, যা আশেপাশের মানুষকে আতঙ্কিত করে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন নাগরিক তৎক্ষণাৎ মোবাইল ফোনে পুলিশকে জানিয়ে দেন, তবে গাড়িতে আগুন লাগার মুহূর্তে কোনো নিরাপত্তা কর্মী বা পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি ছিল না।

অগ্নিকাণ্ডের পরপরই স্থানীয় পুলিশ ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। গাড়ির অগ্নি নিয়ন্ত্রণে তৎপরতা দেখিয়ে, তারা দ্রুত আগুন নিভিয়ে দেয় এবং এলাকায় নিরাপত্তা বজায় রাখে। তবে গাড়ির ক্ষতি ব্যাপক, গাড়ির বাহ্যিক রঙ ও যন্ত্রাংশ সম্পূর্ণভাবে পুড়েছে। গাড়ির ভিতরে থাকা কোনো সরঞ্জাম বা ডকুমেন্টের ক্ষতি হয়েছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, গাড়িতে আগুন লাগানো ব্যক্তিরা “দুর্বৃত্ত” হিসেবে চিহ্নিত, এবং তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল তা এখনও অজানা। পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সম্ভাব্য সন্দেহভাজনদের সনাক্ত করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।

এই ঘটনার পরপরই মিরপুরের আশেপাশের এলাকায় অস্থায়ীভাবে ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি হয়। মেট্রোরেল স্টেশন ব্যবহারকারী যাত্রীরা বিকল্প রুটে চলতে বাধ্য হন, ফলে দৈনন্দিন যাতায়াতের উপর প্রভাব পড়ে। স্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোও অস্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়, কারণ আগুনের ধোঁয়া ও গন্ধের কারণে গ্রাহকরা দূরে সরে যায়।

পুলিশের মুখ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, গাড়িতে আগুন লাগানোর পেছনে কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় প্রেরণা রয়েছে কিনা তা এখনো তদন্তের অধীনে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পার্কিং নীতি পুনর্বিবেচনা করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধ করা যায়।

অগ্নিকাণ্ডের ফলে কোনো প্রাণহানি বা গুরুতর শারীরিক আঘাতের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি, তবে গাড়ির সম্পূর্ণ ধ্বংসের ফলে পুলিশ বাহিনীর সম্পদে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। এই ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনার প্রতিক্রিয়ায়, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনা রোধ করা যায়।

মিরপুর‑১০-এ শ্রমিকদের প্রতিবাদে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
   
মিরপুর‑১০-এ শ্রমিকদের প্রতিবাদে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক

ঢাকার মিরপুর‑১০ এলাকায় ন্যূনতম মজুরি ৩০,০০০ টাকার দাবিতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের পর প্রায় চল্লিশ মিনিটের তীব্র সংঘর্ষের পর পুলিশ অবশেষে নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার পর সীমিতভাবে যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

শুক্রবার সকাল প্রায় একটায় শ্রমিকরা মিরপুর‑১০-এ গিয়ে রাস্তায় বাধা সৃষ্টি করে, যেখানে তারা ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি জানায়। প্রতিবাদকারীরা জানিয়েছেন, বর্তমান ন্যূনতম মজুরি তাদের জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণে অক্ষম, ফলে তারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে সরকারী ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছেন।

প্রতিবাদে অংশ নেওয়া শ্রমিকদের সংখ্যা আনুমানিক দুইশতাধিক, তবে সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি। তারা রাস্তায় বাধা দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয়, ফলে ট্রাফিক জ্যাম এবং গাড়ি চালকদের অসুবিধা দেখা দেয়। কিছু গাড়ি চালক ও যাত্রী প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে সংলাপের চেষ্টা করলেও, পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।

প্রায় চল্লিশ মিনিটের মধ্যে, মিরপুর‑১০ পুলিশ থানা থেকে অতিরিক্ত ট্যাক্সি ও রাইফেলধারী পুলিশ ইউনিট উপস্থিত হয়। তারা শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সড়ক অবরোধ ভাঙতে পদক্ষেপ নেয়। পুলিশ সদস্যরা সতর্কবস্থানে অবস্থান করে, যাতে পুনরায় অবরোধের সম্ভাবনা কমে। অবশেষে, প্রায় একটায় পুলিশ অবরোধ ভেঙে, শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার নির্দেশ দেয়।

পুলিশের মতে, অবরোধ ভাঙার সময় কোনো গুরুতর শারীরিক সংঘর্ষ ঘটেনি, তবে কিছু ছোটখাটো ধাক্কা-ধাক্কি ও শব্দের ঝগড়া রেকর্ড করা হয়েছে। শ্রমিকদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি পুলিশকে বাধা দেওয়ার জন্য সাময়িকভাবে ধরা পড়লেও, কোনো বড় আঘাতের রিপোর্ট নেই।

অবস্থান পুনরুদ্ধার হওয়ার পর, মিরপুর‑১০ রাস্তায় গাড়ি চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। তবে এখনও কিছু গাড়ি চালক ও যাত্রী সতর্কতার সঙ্গে গতি কমিয়ে চলাচল করছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, অবরোধের সময় তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ক্ষতি হয়েছে, তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

শ্রমিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন, তারা এখনও ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে পুনরায় প্রতিবাদ করার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা দাবি করেন, সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে শ্রমিকদের বাস্তবিক চাহিদা বিবেচনা করে ন্যূনতম মজুরি সমন্বয় করতে হবে।

পুলিশের মুখ্য কর্মকর্তা জানান, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের অবরোধ এড়াতে সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হবে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটন মৌসুমের সূচনা, তবে জাহাজ চলাচল এখনও স্থগিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
   
সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটন মৌসুমের সূচনা, তবে জাহাজ চলাচল এখনও স্থগিত

চট্টগ্রাম বিভাগের সেন্টমার্টিন দ্বীপে সরকারী সিদ্ধান্ত অনুসারে ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য দ্বীপটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। তবে উদ্বোধনের একই দিনে দ্বীপে কোনো পর্যটন‑বাহী জাহাজ পাঠানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতি সম্পূর্ণ না হওয়ায় জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হয়নি।

সেন্টমার্টিনের দ্বীপপুঞ্জে পর্যটন মৌসুমের প্রথম দিনেই পর্যটকবাহী জাহাজ না পৌঁছানোর বিষয়টি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভ্রমণ সংস্থাগুলোকে উদ্বিগ্ন করেছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, দ্বীপে পৌঁছানোর জন্য এখনো সড়ক‑সেতু বা বিমান পরিষেবা নেই; তাই জাহাজই একমাত্র পরিবহন মাধ্যম। অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত জাহাজের যাত্রা স্থগিত রাখা হয়েছে।

সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে যে, অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেলে ৫ বা ৬ নভেম্বরের মধ্যে পর্যটকবাহী জাহাজের সেবা পুনরায় শুরু হতে পারে। কিছু সূত্রে ৬ নভেম্বরকে নির্দিষ্ট তারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা প্রথম পাঁচ দিন (১‑৫ নভেম্বর) জাহাজের অনুপস্থিতি ব্যাখ্যা করে। এই সময়ে পর্যটকরা বিকল্পভাবে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ব্যক্তিগত নৌকা বা হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দ্বীপে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে পারেন, তবে এসব বিকল্পের খরচ ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বেশি।

সেন্টমার্টিনের স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে যে, জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হলে পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ সেবা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া, দ্বীপে পর্যটন সুবিধা যেমন হোটেল, রেস্টুরেন্ট এবং গাইড সার্ভিসের প্রস্তুতিও ত্বরান্বিত করা হচ্ছে। তবে এই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হতে কিছু সময় লাগতে পারে, তাই পর্যটকরা আগাম পরিকল্পনা করে ভ্রমণসূচি নির্ধারণ করা উচিত।

সেন্টমার্টিনের পর্যটন সম্ভাবনা বিশাল। সমুদ্রসৈকত, প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো পর্যটকদের আকর্ষণ করে। সরকার এই দ্বীপকে পর্যটন গন্তব্য হিসেবে উন্নত করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা তৈরি করেছে, যার মধ্যে পরিবহন অবকাঠামো, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ অন্তর্ভুক্ত। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জাহাজের অনুপস্থিতি একটি বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে, যা দ্রুত সমাধান না হলে পর্যটন মৌসুমের সম্ভাব্য আয় হ্রাস পেতে পারে।

পর্যটক ও ভ্রমণ সংস্থাগুলোকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যে, সেন্টমার্টিনে ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও জাহাজের সময়সূচি সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য সংগ্রহ করে নেয়া উচিত। একই সঙ্গে, নিরাপত্তা ও আর্থিক দিক থেকে সঠিক প্রস্তুতি নিয়ে ভ্রমণ করা জরুরি। ভবিষ্যতে জাহাজ পরিষেবা স্বাভাবিকভাবে চালু হলে, সেন্টমার্টিনের পর্যটন শিল্পে নতুন উচ্ছ্বাসের সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ
মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিকাণ্ড মিরপুর‑১০-এ শ্রমিকদের প্রতিবাদে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটন মৌসুমের সূচনা, তবে জাহাজ চলাচল এখনও স্থগিত ইরান তেহরান থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে হামলার হুমকি, নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে বৃষ্টিস্নাত বিকেলে বন্ধুসভার পাঠচক্রে সুকুমার রায় প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ‘বিগ‑বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ উদ্যোগের বিস্তার অবসরপ্রাপ্ত মেজর আব্দুল হাফিজকে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার এআই সাবস্ক্রিপশন: বিনামূল্য নাকি পেইড? পরিষ্কার দৃষ্টিভঙ্গি যৌবনের স্বপ্ন পুনর্জীবিত: ১৫ বছর পর গৃহবধূ রীতি খাতুনের এইচএসসি জিপিএ‑৫ ৫২তম জন্মদিনে ঐশ্বরিয়ার সেরা ফ্যাশন মুহূর্তগুলো
Advertisement