খুঁজুন
, ,

সিলেট বিভাগের সর্বোচ্চ চূড়ায় (কালা পাহাড়) একদিন

ভ্রমণ ডেস্ক
প্রকাশিত: Wednesday, 8 January, 2025, 11:13 pm
সিলেট বিভাগের সর্বোচ্চ চূড়ায় (কালা পাহাড়) একদিন

সময়টা ছিল ১ ডিসেম্বর,২০২৪।শীতের শুরু,হালকা কুয়াশাচ্ছন্ন সন্ধ্যা।সামনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা।পড়ার চিন্তায় কিছুই ভালো লাগছিলো না। তাই,বেরিয়ে পড়লাম বন্ধুদের সাথে কিছুক্ষন আড্ডা দেওয়ার জন্য।আড্ডা ফাঁকে হঠাৎই সিদ্ধান্ত নিলাম আজকে রাতেই ট্যুরের যাবো।যেই কথা সেই কাজ বেরিয়ে পড়লাম ৩ জন বন্ধু মিলে কমলাপুর রেল স্টেশনের উদ্দেশ্যে।গন্তব্য কুলাউড়া।পৌঁছাতে একটু দেরি হওয়ায় রাত ১০ টার সিলেটগামী উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনটা মিস করলাম।কি আর করার,ইচ্ছা না থাকার সত্ত্বেও সায়দাবাদ বাস টার্মিনালের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।সেখান থেকে রাত ১১:৩০ এর রূপসী বাংলা বাসে উঠে বসলাম।ঠিক সকাল ৮ টায় বাস আমাদের কুলাউড়া নামিয়ে দিলো।কুলাউড়া থেকে আমাদের সাথে আর ২ জন সাথী যোগ হলো।রিজার্ভ সিএনজিতে করে আজগরাবাদ চা বাগানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলাম,গন্তব্য সিলেট বিভাগ এবং মৌলভীবাজার জেলার সর্বোচ্চ চূড়া কালা পাহাড়,যার উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০৯৮ ফুট। স্থানীয়রা এ পাহাড়কে লংলার পাহাড় নামেও চিনে।

আজগরাবাদ চা বাগানের গেট থেকে হাটা শুরু করলাম।দুপাশে চায়ের বাগান আর মাঝখানে গ্রামীণ মেঠো পথ,সে এক নয়নাভিরাম দৃশ্য। স্থানীয় মানুষজনকে রাস্তা জিজ্ঞেস করে সামনে আগাতে থাকলাম,একের পর এক বাঁশের সাকো পার হয়ে প্রায় ১ ঘণ্টা হাঁটার পর এসে পৌছালাম বেগুনছড়া পুঞ্জিতে।এটি একটি খাসিয়া পুঞ্জি।খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে থাকে।এই বেগুনছড়া পুঞ্জির পর থেকেই মূলত আসল পাহাড় ট্রেকিং শুরু।

ট্রেকিং এর শুরুতে পেলাম একটা ঝিরি পথ।ঝিরির পানির অনবরত বয়ে চলা ও কল কল ধনী যে কাউকেই মুগ্ধ করবে। কোথাও উঁচু কোথাওনিচু ,কোথাও বা পিচ্ছিল খাড়াপথ।ঝিরির পানির মধ্যে দিয়ে হাঁটা এ এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা। হাঁটার এক পর্যায়ে একটা খাড়া পথের সামনে এসে থামলাম,বুজলাম এবার খাড়া পাহাড় বাইতে হবে।পাহাড়ি খাড়া পথ বেয়ে অনেক পরিশ্রমের পর উপরে এসে পৌঁছলাম।এভাবেই একবার খাড়া আরেকবার ঢালু পথের মধ্য দিয়ে অনবরত হেঁটে চলেছি।অবশেষে অনেক কষ্টের পর একটা চূড়ায় এসে পৌছালাম কিন্তু ম্যাপে দেখানো কালা পাহাড়ের চূড়া আর এই চূড়া এক নয়।বুজলাম,পথ ভুল করেছি।অনেক খোঁজাখুজির পরেও কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। একে তো পথ হারালাম তারউপর পাহাড়ি বুনো হাতির ভয় মনে বাসা বুনতে শুরু করলো। হঠাৎই আমাদের এক সাথী (ইউসুফ) অফলাইন ম্যাপ দেখে কালা পাহাড়ের চূড়ার উদ্দেশ্যে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হাঁটা শুরু করলো।আমিও চার পাঁচ না ভেবেই তাকে অনুসরণ করা শুরু করলাম।সেদিন পাহাড়ে আমরা ছাড়া কোনো অভিযাত্রী দল ছিল না। মনের মধ্যে চাপা ভয় ও উৎকন্ঠা নিয়ে রিজলাইন ধরে হাঁটছি তো হাঁটছি,এ পথ যেনো শেষ হবার নয়।অবশেষে,অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে প্রায় দুপুর ১ টা ১০ মিনিটের দিকে সেই বহুল কাঙ্ক্ষিত কালা পাহাড়ের চূড়ার দেখা পেলাম।মনের মধ্যে এক অন্যরকম প্রশান্তি খুঁজে পেলাম।

কিছুক্ষণ বিশ্রাম ও ফটোশুট শেষে আবার একই পথে ফিরতে শুরু করলাম।নামার পথ বেশিরভাগ সময়ই ঢালু ছিলো ,তাই পথ চিনতে অসুবিধা হয়নি।সন্ধ্যার পর আমরা কুলাউড়া এসে পৌছালাম।রাতে বাজারের আশে পাশে কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করলাম এবং রাতের খাবার সেরে নিলাম। কুলাউড়ার বাজার এবং স্টেশনের আশে পাশে কিছু মধ্যম মানের হোটেল রয়েছে।ইচ্ছে করলে সেখানে রাত্রি যাপন করা যায়,এর মধ্যে হোটেল হলিডে এক্সপ্রেস এর রিভিউ সবচেয়ে ভালো।আমরা রাত ৯:৩০ এর রূপসী বাংলা বাসে করে ঢাকা অভিমুখে যাত্রা শুরু করি।

সতর্কতা:

১.পাহাড়ে দুপুরে দুপুরে খাবার মত কিছুই পাবেন না।তাই, আগে থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনো খাবার নিয়ে যাবেন।

২.প্রত্যেকে সাথে অন্তত ১লিটার পানি নিবেন।

৩.শিশু এবং বয়স্কদের এ ভ্রমণে না যাওয়াই ভালো।

৪.ভালো মানের ট্রেকিং জুতা নিবেন।

দৌড়ের ছন্দে ঠাকুরগাঁও—রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Friday, 28 August, 2026, 4:13 pm
   
দৌড়ের ছন্দে ঠাকুরগাঁও—রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:  দৌড় শুধু শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য নয়। কখনো কখনো দৌড় হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধন তৈরির ভাষা। আর সেই দৌড়ের ছন্দেই এবার এক হলো দেশের ৩০ জেলার মানুষ।

রাষ্ট্রপতির জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত হলো হাফ ম্যারাথন। যে আয়োজন উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলাদেশের ২৩ তম নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। স্বাস্থ্য, সম্প্রীতি আর বন্ধুত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া এই আয়োজন ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ে ছিল উৎসবের আমেজ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরের আলো তখনও পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি। নীরব শহরটায় হঠাৎই যেন ছন্দের জন্ম হলো। আব্দুর রশিদ ডিগ্রী কলেজ থেকে  কেউ ছুটছেন নিজের রেকর্ড ভাঙতে, কেউ ছুটছেন সুস্থ থাকার প্রত্যয়ে।

আবার কারও কাছে—এই দৌড়, মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধুত্বের এক নতুন গল্পের সূচনা। দেশের ৩০ জেলা থেকে আসা দৌড়বিদদের পদচারণায় মুখর ঠাকুরগাঁও।

ম্যারাথনে অংশ নেয়া ঢাকা থেকে আসা কিশোরী জিন্নাথ পারভীন বলেন, এ ম্যারাথন শুধুই একটি প্রতিযোগিতা নয় একটি জেলার সঙ্গে আরেকটি জেলার,

একজন মানুষের সঙ্গে আরেকজন মানুষের হৃদয়ের সংযোগ। ‘সুস্থতা, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের জয়গানে’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও রানার্সের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে ‘ঠাকুরগাঁও হাফ ম্যারাথন ২০২৬’। আর আয়োজনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে মেসার্স গার্ডেনিয়া। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি আবেগের গল্প। রাষ্ট্রপতির জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত এই হাফ ম্যারাথন উৎসর্গ করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে

আয়োজকদের ভাষ্য—একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে যেমন তিনি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছেন, তেমনি খেলাধুলার সঙ্গেও রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়ামোদী রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জানাতেই এই আয়োজনকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

তরুন রানার এলিন খান বলেন,  একজন দৌড়বিদের কাছে প্রতিটি কিলোমিটার মানে নতুন এক চ্যালেঞ্জ। শ্বাস ভারী হওয়া।পা ক্লান্ত হয়ে যাওয়া। কিন্তু থেমে যাওয়া না। কারণ গন্তব্য শুধু ফিনিশিং লাইন নয়—গন্তব্য নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করা। আর সেই জয়কে উদযাপন করতেই যেন একসঙ্গে ছুটছি আমরা।

তবে ঠাকুরগাঁওয়ের এই আয়োজনের গল্প শুধু দৌড়েই শেষ হয়নি। অতিথি ও দৌড়বিদদের মন প্রফুল্ল রাখতে তাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর প্রকৃতির সৌন্দর্য। আয়োজক কমিটি দৌড়ের পাশাপাশি দৌড়বিদদের ঘুরে দেখিয়েছে  ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো। একদিকে শরীরচর্চা,

অন্যদিকে একটি জনপদকে নতুন করে চেনানোর প্রয়াস থেকেই এ উদ্যোগ নিয়েছে কমিটি।

একজন মানুষ যখন অন্য জেলার মাটিতে দৌড়ান,

তখন শুধু তার পায়ের ছাপ পড়ে না সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে পরিচয়, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা। ঠাকুরগাঁও তাই এবার শুধু একটি ম্যারাথনের আয়োজক নয়;

৩২ জেলার মানুষের মিলনমেলারও সাক্ষী।

ঠাকুরগাঁও রানারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক নুর ই শাহাদাত স্বজন বলেন, “আমরা চাই খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষকে একত্রিত করতে। রাষ্ট্রপতির জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওকে সামনে তুলে ধরতে এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতেই আমাদের এই আয়োজন।”

পরে দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে  বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন l ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন(ইএসডিওর) নির্বাহী পরিচালক ড. শহীদ উজ জামান। এ সময় শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বাবু

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 9:37 pm
   
ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বাবু

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু সাঈদ নূর আলম বাবু। নতুন এই দায়িত্বের মধ্য দিয়ে ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনে সংগঠিত ও নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রমের পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ পরিষদ গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবু সাঈদ নূর আলম বাবুর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় উপজেলার ক্রীড়াপ্রেমী ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন নেতৃত্বে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন বাড়ানোর পাশাপাশি ইউনিয়ন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে।

ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণের সুযোগ এবং খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে ভূল্লী উপজেলা থেকেই ভবিষ্যতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের মানসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখার সুযোগ তৈরি হবে।

ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নূর আলম বাবু বলেন, “আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করব। সকলের সহযোগিতা নিয়ে ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ করতে চাই। তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা, নিয়মিত প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হবে আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভূল্লী উপজেলা থেকে ভবিষ্যতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের ভালো মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে আশা করি।”

ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন বলেন, “ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নূর আলম বাবুর নেতৃত্বে বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়দের সম্পৃক্ত করে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ক্যাসিনো সম্রাট নূর আলম গ্রেপ্তার

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 3:16 pm
   
ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ক্যাসিনো সম্রাট নূর আলম গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. নূর আলম (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ২৭ আগস্ট রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার নূর আলম ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার হাজীপাড়া-শিলুলতলা এলাকার মো. সুফিয়ার রহমানের ছেলে। ডিবি পুলিশ জানায়, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ক্যাসিনো সংক্রান্ত ২০টি অ্যাপ পাওয়া গেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নূর আলমের বিরুদ্ধে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় এর আগে তাকে রংপুরে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ডিবি পুলিশ আরও জানায়, নূর আলম রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও এলাকায় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার বিস্তার ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।