খুঁজুন
, ,

রাকসুর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি সালাহউদ্দিন আম্মারের

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৫ পূর্বাহ্ণ
রাকসুর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি সালাহউদ্দিন আম্মারের

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ১৭তম সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার আনুষ্ঠানিকভাবে তার দাপ্তরিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। নিজের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আট দিন পর তিনি রাকসু কার্যালয় ত্যাগ করেন। এই বিদায়পর্বের বিষয়টি তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। রাকসুর কোষাধ্যক্ষের দাপ্তরিক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন শেষে কার্যালয় ছাড়ার সময় সালাহউদ্দিন আম্মার মিশ্র অনুভূতির কথা জানিয়েছেন। গত ৪ নভেম্বর বুধবার রাতে ফেসবুকে নিজের প্রতিক্রিয়ায় তিনি উল্লেখ করেন যে, তিনি বড় ধরনের একটি দায়িত্ব থেকে মুক্ত হলেন। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করার এই সুযোগটি তার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময় ছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তবে একই সাথে তিনি রাকসু কেন্দ্রিক নতুন কোনো রাজনৈতিক যাত্রার আভাস দেননি। তার এই পদত্যাগ এবং কার্যালয় ছাড়ার ঘটনাটি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের মাঝে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, রাকসু সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর স্বাভাবিক নিয়মেই তার পদ খালি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রশাসনিক কিছু জটিলতা এবং কোষাধ্যক্ষের পক্ষ থেকে দাপ্তরিক চিঠি প্রদানের আগ পর্যন্ত তিনি কার্যালয়ে সক্রিয় ছিলেন। বুধবার রাতেই তিনি তার ব্যক্তিগত মালামালসহ কার্যালয় ত্যাগ করেন। দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পর এখন তিনি নিজের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সময় কাটাবেন বলে জানিয়েছেন।

ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ছিল যে, রাকসুর কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে। সালাহউদ্দিন আম্মার তার মেয়াদে শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করার চেষ্টা করেছেন বলে দাবি করেছেন। যদিও বিভিন্ন সময় নানা ইস্যুতে তাকে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল, তবুও তিনি তার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন। এখন রাকসুতে পরবর্তী নেতৃত্ব বা নতুন কোনো কার্যক্রমের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাখছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সালাহউদ্দিন আম্মার তার ফেসবুক পোস্টে রাকসুর বিগত দিনের সব সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পরবর্তী জীবনে তিনি কোনো ধরনের প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা থেকে দূরে থেকে নতুন কোনো কাজের সন্ধান করবেন। আপাতত তিনি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রেখে বিশ্রাম এবং পড়াশোনার দিকে মনোনিবেশ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত পরবর্তী নির্বাচনের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, যার ফলে রাকসু কার্যালয় আপাতত কিছুটা স্থবির থাকবে বলে মনে করছেন ক্যাম্পাস সংশ্লিষ্টরা।

মায়ের শেষ বিদায়ে প্যারোলে মুক্তি পেলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:২০ পূর্বাহ্ণ
   
মায়ের শেষ বিদায়ে প্যারোলে মুক্তি পেলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

মায়ের শেষ শয্যায় শরিক হতে কারাগার থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব। বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত মায়ের জানাজায় অংশ নেন তিনি। দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকা এই নেতা তার মায়ের জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন, যার প্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে নারায়ণগঞ্জের নাসিক ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের প্রাঙ্গণে জানাজার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে হাবিবুর রহমান হাবিব উপস্থিত থেকে তার প্রয়াত মায়ের জন্য শেষবারের মতো দোয়া ও মোনাজাতে শরিক হন। এই ঘটনা এলাকায় শোকের আবহ তৈরি করে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়।

প্রয়াত এই নারীর নাম বিলকিস আমিন, যার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি স্থানীয় নয়াআটি মুক্তিনগর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং রুহুল আমিনের স্ত্রী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মায়ের মৃত্যুসংবাদ শোনার পর থেকে হাবিবুর রহমান হাবিব মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় তাকে আনা হয়। জানাজা শেষে তাকে পুনরায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছে দায়িত্বশীল সূত্র।

উল্লেখ্য যে, হাবিবুর রহমান হাবিব বর্তমান প্রেক্ষাপটে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি কারাগারে বন্দি জীবন কাটাচ্ছিলেন। তার এই সাময়িক মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়া ও মানবিক আবেদনের আলোকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। জানাজার সময় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও স্বজনদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। শোকাতুর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মায়ের জানাজায় অংশ নিতে পেরে তিনি কিছুটা হলেও শান্তি পেয়েছেন। পুরো জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে এবং স্থানীয় পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ সময় বিশেষ নজরদারি বজায় রাখে। এই ঘটনায় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো অবনতি ঘটেনি বরং শোকের ছায়ায় স্থানীয়রা পরিস্থিতির প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন করেছেন।

নতুন প্রজন্মের মেধা ও দেশপ্রেমই উন্নত বাংলাদেশ গড়ার মূল ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:২০ পূর্বাহ্ণ
   
নতুন প্রজন্মের মেধা ও দেশপ্রেমই উন্নত বাংলাদেশ গড়ার মূল ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রী

দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের কাণ্ডারি হিসেবে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে, যেখানে প্রতিটি শিশু তার সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ পাবে এবং নিজ মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে। একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশ গঠনের ক্ষেত্রে তরুণ প্রজন্মের মেধা, কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং দেশপ্রেমই প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। রাষ্ট্রনায়ক মনে করেন, আজকের মেধাবী তরুণরাই আগামী দিনের বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সাহায্য করবে।

শিশুদের বিকাশের ক্ষেত্রে কেবল পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তার ভাষ্যমতে, খেলাধুলা সুস্থ জীবনধারা চর্চার পাশাপাশি শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং জাতীয় ঐক্যের চেতনা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে দেশপ্রেমের বীজ বপন করতে হবে, যা ভবিষ্যতে তাদেরকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। সরকারের উন্নয়ন দর্শনে এই বিষয়টি অগ্রাধিকার পাচ্ছে যে, আগামী প্রজন্ম যেন যোগ্য নেতৃত্ব দেওয়ার মতো মানসিকতা নিয়ে বড় হতে পারে।

এদিকে উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণবঙ্গ সফরের অংশ হিসেবে বাগেরহাট ও খুলনা জেলায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তিনি বাগেরহাটের মোংলা বন্দর এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়নের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। মোংলা বন্দরে দুটি নতুন কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং এর আনুষঙ্গিক আধুনিক সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নের লক্ষ্যে এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করাই এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য।

বন্দর এলাকা পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আধুনিক জেটি নির্মিত হলে মোংলা বন্দরের অপারেশনাল সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এতে করে কেবল স্থানীয় অর্থনীতি নয়, বরং পুরো দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে। প্রধানমন্ত্রী এদিন সফরকালে স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সময়মতো কাজ শেষ করার নির্দেশনা প্রদান করেন। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকারের চলমান উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্র পরিচালনায় দূরদর্শী চিন্তার প্রতিফলন হিসেবে সরকার শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং অবকাঠামো—এই তিন খাতের সমন্বয় ঘটিয়ে একটি টেকসই উন্নয়নের পরিকল্পনা সাজিয়েছে। একদিকে মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, অন্যদিকে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখবে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ও দিকনির্দেশনা জাতীয় উন্নয়নের অঙ্গীকারেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সরকারি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এই যে তারুণ্য ও অবকাঠামোর ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন, তা ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মা-ছেলের স্বপ্নের শেষ: বাংলাদেশে ডাক্তারি শিক্ষার পথে গন্তব্যে মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
মা-ছেলের স্বপ্নের শেষ: বাংলাদেশে ডাক্তারি শিক্ষার পথে গন্তব্যে মৃত্যু

বুড়িচং উপজেলার কাবিলায় বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালবেলা এক দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। জম্মু-কাশ্মীরের নিঘাত বেগম তার পুত্র আদনান আলতাফকে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশে নিয়ে এসে, এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে তার অচেনা মৃত্যুর মুখোমুখি হন। নিঘাত বেগমের উদ্দেশ্য ছিল সন্তানকে স্থানীয় কোনো মেডিকেল কলেজে ভর্তি করে শেষ পর্যন্ত ডাক্তার হিসেবে সমাজের সেবা করতে দেখা, তবে তার স্বপ্নের পথে অপ্রত্যাশিত মেঘ ছায়া ফেলেছে।

মা ও পুত্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল ভারতীয় রাজ্যের জম্মু-কাশ্মীর থেকে, যেখানে নিঘাত বেগমের পরিবার আর্থিকভাবে সীমিত ছিল। তিনি বাংলাদেশে সাশ্রয়ী শিক্ষার সুযোগের সন্ধানে ছিলেন, বিশেষ করে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার কাবিলা গ্রামকে লক্ষ্য করে। সেখানে পৌঁছে পুত্রকে স্থানীয় কোনো প্রাইভেট মেডিকেল কোর্সে ভর্তি করার পরিকল্পনা করা হয়। তবে, পুত্রের অজানা কারণে শারীরিক অবস্থা দ্রুত অবনতি ঘটায় এবং শেষ পর্যন্ত তার দেহের সঙ্গে মায়ের মুখোমুখি হওয়া হয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জানান, আদনান আলতাফের দেহে কোনো স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য পোস্টমর্টেম পরীক্ষা চালু করা হয়েছে। মায়ের মতে, পুত্রের শারীরিক অবস্থা হঠাৎ করে খারাপ হয়ে গিয়েছিল এবং তিনি কোনো চিকিৎসা সেবা নিতে পারেননি। নিঘাত বেগমের মুখে অশ্রু ভরা, তিনি বলেন, “আমি আমার সন্তানকে ডাক্তার বানাতে এখানে এসেছিলাম, কিন্তু তার শেষ দেখার সময়ই আমি তার জীবনের শেষ দেখেছি।”

স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাটিকে তদন্তের আওতায় রাখার কথা জানিয়েছে। কুমিল্লা জেলার পুলিশ প্রধান জানান, “মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হবে এবং যদি কোনো অপরাধের ইঙ্গিত পাওয়া যায় তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” বর্তমানে মায়ের সঙ্গে লাশটি স্থানীয় হসপিটালের মরণোত্তর বিভাগে রাখা হয়েছে, এবং তিনি লাশ নিয়ে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এই ঘটনা দেশের অভিবাসী ও শিক্ষার্থী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে বিদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি সেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এসেছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে নীতি নির্ধারণের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

নিঘাত বেগমের পরিবার এখন শোকাহত, তবে তিনি দাবি করছেন যে তার পুত্রের মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো সিদ্ধান্তে আসবেন না। তিনি আশা করছেন যে তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন হবে এবং সত্য উদ্ঘাটিত হবে, যাতে অন্য কোনো পরিবার একই দুঃখের মুখোমুখি না হয়।

সর্বশেষ
মায়ের শেষ বিদায়ে প্যারোলে মুক্তি পেলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা নতুন প্রজন্মের মেধা ও দেশপ্রেমই উন্নত বাংলাদেশ গড়ার মূল ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রী রাকসুর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি সালাহউদ্দিন আম্মারের মা-ছেলের স্বপ্নের শেষ: বাংলাদেশে ডাক্তারি শিক্ষার পথে গন্তব্যে মৃত্যু কটিয়াদীতে সাবেক এমপি মেজর আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা, ছুরিকাঘাতে আহত নিহত শ্রমিক তৌফিককে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ক্ষতিপূরণের দাবি নাহিদ ইসলামের দফতর ছাড়লেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার জাতীয় নাগরিক পার্টি ও জামায়াতের জোটে কি ভাঙন? রাজনৈতিক মহলে অস্বস্তি অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে গুরুত্ব দিয়ে ১৪টি জেলা চিহ্নিত করল সরকার সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে সহজ অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব