খুঁজুন
, ,

ডেঙ্গু আক্রান্ত এ বি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ ট্রাইব্যুনালের শুনানির তারিখ পরিবর্তনের আবেদন

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু আক্রান্ত এ বি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ ট্রাইব্যুনালের শুনানির তারিখ পরিবর্তনের আবেদন

ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত হতে না পারার জন্য এ বি পার্টির (বাংলাদেশ পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ তার আইনজীবীদের মাধ্যমে সময়ের অনুরোধ করেন। ফুয়াদ, যিনি দেশের রাজনৈতিক ও আইনি পরিমণ্ডলে সুপরিচিত, সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চ জ্বর ও শারীরিক দুর্বলতার শিকার হয়ে পড়েছেন, যা তাকে ট্রাইব্যুনালের উপস্থিতি থেকে বিরত রাখে।

ফুয়াদের স্বাস্থ্য অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে যে, তিনি ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত, যার ফলে শারীরিক শক্তি হ্রাস পেয়েছে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি নিজে উপস্থিত হতে অক্ষম বলে, তার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিরা ট্রাইব্যুনালের আদালতে অনুরোধ পেশ করেন।

ফুয়াদের পক্ষে কাজ করা আইনজীবী দলটিতে ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক এবং একজন অ্যাডভোকেট অন্তর্ভুক্ত। তারা ট্রাইব্যুনালের রেকর্ডে ফুয়াদের স্বাস্থ্যগত অবস্থা উল্লেখ করে, রোগের তীব্রতা ও চিকিৎসা প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, এবং একটি যুক্তিসঙ্গত সময়সীমা নির্ধারণের জন্য অনুরোধ করেন। এই আবেদনটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রোটোকল অনুযায়ী যথাযথভাবে দাখিল করা হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, যা হাগের নিকটবর্তী স্থানে অবস্থিত, বুধবার, ৪ নভেম্বরের সেশনে ফুয়াদের অনুরোধ বিবেচনা করে ২৩ নভেম্বরকে নতুন উপস্থিতির তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করে। ট্রাইব্যুনালের এই সিদ্ধান্তটি ফুয়াদের স্বাস্থ্যগত অবস্থা এবং তার আইনগত প্রতিনিধিদের উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। নতুন তারিখের মাধ্যমে ফুয়াদকে যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের সময় দেওয়া হবে এবং একই সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, যা যুদ্ধাপরাধ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অন্যান্য গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার করে, তার কার্যক্রমে সময়সীমা ও উপস্থিতি নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করে। তবে, রোগ বা অপ্রত্যাশিত শারীরিক সমস্যার ক্ষেত্রে আদালত প্রয়োজনীয় ছাড় প্রদান করে থাকে, যাতে ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া মানবিক দিক থেকে সুষম থাকে। ফুয়াদের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে এবং তার স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারের জন্য পর্যাপ্ত সময় প্রদান করা হয়েছে।

ফুয়াদের এই আবেদন এবং ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের ফলে দেশের রাজনৈতিক ও আইনি বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন যে, স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে আইনি প্রক্রিয়ার বিলম্ব কখনো কখনো অনিবার্য, তবে তা ন্যায়বিচারের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতাকে প্রভাবিত না করে সমাধান করা উচিত। ফুয়াদ, যিনি দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন, এখন তার স্বাস্থ্যের পুনরুদ্ধারের দিকে মনোযোগ দেবেন এবং নির্ধারিত ২৩ নভেম্বরের তারিখে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে তার আইনি দায়িত্ব পূরণ করবেন।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টি কংগ্রেসের দু’চেম্বার দখল, ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধাক্কা পায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
   
ডেমোক্র্যাটিক পার্টি কংগ্রেসের দু’চেম্বার দখল, ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধাক্কা পায়

যুক্তরাষ্ট্রের এই বছরের মিডটার্ম নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি একবারের চেয়ে বড় জয় অর্জন করেছে। ভোটের ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে জানা যায়, ডেমোক্র্যাটরা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং সেনেট উভয়ই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে, যা দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে গভীর পরিবর্তন আনার ইঙ্গিত দেয়। এই জয়টি শুধুমাত্র সংখ্যাত্মক নয়, বরং কংগ্রেসের নীতি নির্ধারণে ডেমোক্র্যাটিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রাধান্য নিশ্চিত করবে।

বিশেষত হাউসের ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি পূর্বের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে ২৪০টি আসন জয় করেছে, যেখানে রিপাবলিকানদের আসন সংখ্যা ১৯৫-এ নেমে এসেছে। সেনেটেও একই রকম প্রবণতা দেখা গেছে; ডেমোক্র্যাটিকরা ৫০টি আসন দখল করে, রিপাবলিকানদের ৫০টি আসন থেকে একটিমাত্র ভ্যাক্যান্সি বাদে। এই ফলাফলটি কংগ্রেসের উভয় চেম্বারে ডেমোক্র্যাটিক নীতি-প্রস্তাবের দ্রুত অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে থাকা রিপাবলিকান পার্টি এই ফলাফলে বড় ধাক্কা পেয়েছে। ট্রাম্পের সমর্থকরা পূর্বে আশা করছিলেন যে মিডটার্মে রিপাবলিকানরা তাদের প্রভাব বজায় রাখতে পারবে, তবে ভোটের পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে দেখায় যে ভোটারদের মনোভাব পরিবর্তিত হয়েছে। বিশেষ করে স্বাধীন ভোটার এবং মাঝারি-ডেমোক্র্যাটিক ভোটারদের সমর্থন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির দিকে সরে গেছে, যা রিপাবলিকানদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, এই ফলাফলটি শুধুমাত্র পার্টি-ভিত্তিক নয়, বরং নীতি-ভিত্তিক বিষয়েও প্রভাব ফেলবে। ডেমোক্র্যাটিক পার্টি স্বাস্থ্যসেবা, জলবায়ু পরিবর্তন, এবং সামাজিক ন্যায়বিচার সংক্রান্ত আইন প্রণয়নে দ্রুত অগ্রসর হতে পারে। অন্যদিকে, রিপাবলিকান পার্টি তাদের ঐতিহ্যবাহী নীতি—কর হ্রাস, সীমিত সরকারী হস্তক্ষেপ—কে পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হতে পারে, যাতে তারা ভবিষ্যৎ নির্বাচনে পুনরায় শক্তি সংগ্রহ করতে পারে।

এই নির্বাচনের পর, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃত্বাধীন কংগ্রেসের প্রথম সেশনের সূচনা আগামী সপ্তাহে নির্ধারিত হয়েছে। নতুন সদস্যদের শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে তারা আইন প্রণয়নের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। একই সময়ে রিপাবলিকান পার্টি তাদের কৌশল পুনর্বিবেচনা করে, পার্টির অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও ভোটার বেস পুনর্গঠন করার চেষ্টা করবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই পরিবর্তনকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতি ও বৈশ্বিক সম্পর্কের ওপর কী প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে সতর্ক দৃষ্টিতে দেখছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ইতিহাস গড়লেন সাত মুসলিম আইনপ্রণেতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
   
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ইতিহাস গড়লেন সাত মুসলিম আইনপ্রণেতা

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক নির্বাচনে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত তৈরি হয়েছে, যেখানে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের লড়াইয়ে অন্তত সাতজন মুসলিম প্রার্থী জয়লাভের গৌরব অর্জন করেছেন। দেশটির আইনপ্রণেতাদের ইতিহাসে এটি একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রার্থীরা কেবল জয়ীই হননি, বরং মার্কিন রাজনীতির মূলধারায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান প্রভাবকেও স্পষ্ট করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে জয়ী হওয়া প্রার্থীদের সংখ্যা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি, যা ওয়াশিংটনের ক্ষমতার সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

নির্বাচনী লড়াইয়ে যারা পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম পরিচিত মুখ ইলহান ওমর এবং রশিদা তালিব। নিজেদের নির্বাচনী এলাকায় শক্ত অবস্থান ধরে রেখে তারা আবারও কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের এই ধারাবাহিক বিজয় প্রমাণ করে যে, সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটারদের কাছে তাদের কাজের গ্রহণযোগ্যতা এখনো অক্ষুণ্ণ রয়েছে। তাদের পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজন মুসলিম প্রার্থী এবার প্রথমবারের মতো বা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে জয়ী হয়েছেন, যা সামগ্রিকভাবে মুসলিম আমেরিকানদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রার্থীদের প্রচারণার দিকে নজর দিলে দেখা যায়, তারা বিভিন্ন সামাজিক ও বৈশ্বিক ইস্যুতে অত্যন্ত স্পষ্ট ও জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন। বিশেষ করে গাজায় চলমান সংঘাত এবং মানবিক বিপর্যয় নিয়ে তাদের জোরালো বক্তব্য ভোটারদের বড় একটি অংশকে আকৃষ্ট করেছে। অনেক প্রার্থী ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের শর্তহীন সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিরুদ্ধে নিজেদের শক্ত অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। এছাড়াও নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের মতো জনকল্যাণমুখী প্রতিশ্রুতিগুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহারের মূল অংশ ছিল। এসব বিষয় নিয়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর ফলেই তারা বিপুল সমর্থন লাভ করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্যেও এবারের নির্বাচনের ফলাফল প্রভাব ফেলেছে। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্যে মুসলিম প্রার্থীদের এই বিজয় বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তারা নিজেদের নির্বাচনী প্রচারণায় যে ধরনের প্রগতিশীল নীতি ও মানবিক মূল্যবোধের কথা তুলে ধরেছেন, তা তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। রাজনীতিতে মুসলিমদের অংশগ্রহণ যে শুধুমাত্র প্রতীকী নয়, বরং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পরিবর্তনের একটি মাধ্যম হতে পারে, এবারের জয়ীরা তা আবারও প্রমাণ করলেন।

নির্বাচিত সাতজন আইনপ্রণেতা এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভায় মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন ইস্যুতে ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক কূটনীতির প্রশ্নে তাদের কণ্ঠস্বর মার্কিন কংগ্রেসে কতটা জোরালো ভূমিকা রাখতে পারে, তা এখন দেখার বিষয়। সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচন মার্কিন রাজনীতিতে মুসলিমদের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে, যেখানে তারা আর কেবল দর্শক নয়, বরং দেশের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ার সক্রিয় অংশীদার। এই জয়ের ফলে ভবিষ্যতে মার্কিন রাজনীতিতে আরও বেশি সংখ্যক মুসলিম প্রতিনিধিকে দেখার সম্ভাবনা তৈরি হলো বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল।

সুনামগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ৩০

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
   
সুনামগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ৩০

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ফুটবল টুর্নামেন্ট নিয়ে শুরু হওয়া সামান্য বাগবিতণ্ডা পরবর্তীতে ভয়াবহ সংঘর্ষে রূপ নিলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নে একটি মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল। খেলা চলাকালীন কোনো এক পর্যায়ে খেলোয়াড় এবং মাঠে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। মঙ্গলবার রাতের সেই উত্তপ্ত পরিস্থিতি সাময়িকভাবে প্রশমিত হলেও ঘটনার রেশ কাটেনি। এর জের ধরেই বুধবার সকালে দুই গ্রামের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের মুখোমুখি অবস্থান নেন। একপর্যায়ে উভয় গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সংঘর্ষ চলাকালীন দুই পক্ষের লোকজনই ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার করেন। এতে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন কমবেশি আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ নিকটস্থ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সংঘর্ষে জড়ানো লোকজনকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সুস্থ বিনোদনের মাধ্যম ফুটবল খেলা নিয়ে এমন সংঘাত কোনোভাবেই কাম্য নয়। তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধ মেটাতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন অনেকেই। বর্তমান পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে স্থানীয় প্রশাসন এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। পুরো এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কোনো পক্ষ পুনরায় বিবাদে জড়াতে না পারে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সাথে যারা সরাসরি জড়িত তাদের নাম সংগ্রহ করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনোভাবেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না বলে প্রশাসন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। বর্তমানে জনজীবন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনার রেশ এখনো রয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও স্থানীয় মুরুব্বিদের নিয়ে শান্তি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। ফুটবল টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংসতা এলাকার সামাজিক সম্প্রীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলেও মনে করছেন স্থানীয় সমাজসেবকরা। অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে এলে এলাকায় শান্তি বজায় থাকবে বলে স্থানীয়রা প্রত্যাশা করছেন। প্রশাসন বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।

সর্বশেষ
ডেমোক্র্যাটিক পার্টি কংগ্রেসের দু’চেম্বার দখল, ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধাক্কা পায় যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ইতিহাস গড়লেন সাত মুসলিম আইনপ্রণেতা সুনামগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ৩০ ভূল্লীতে পরীক্ষার ফল নিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া স্কুলছাত্রের আত্ম*হ*ত্যা ডেঙ্গু আক্রান্ত এ বি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ ট্রাইব্যুনালের শুনানির তারিখ পরিবর্তনের আবেদন কোয়ান্টাম জগৎ: মহাবিশ্ব কীসের তৈরি, কণা নাকি তরঙ্গ শ্রমিক বিক্ষোভে সাভার-আশুলিয়ায় রণক্ষেত্র, ওসির গাড়িতে আগুন ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশায় স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা বিলের ছাড় নিয়ে বিরোধে মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতালে ভাঙচুর ডিসেম্বরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, জানুয়ারি থেকে কার্যকর
Advertisement