খুঁজুন
, ,

ডেঙ্গু রোধে দেশি মাছের নতুন কৌশল

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু রোধে দেশি মাছের নতুন কৌশল

ডেঙ্গু রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে নতুন দৃষ্টিকোণ উন্মোচিত হয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশীয় কিছু মাছের প্রজাতি ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশার লার্ভা শিকারের মাধ্যমে রোগের বিস্তারকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে। বিশেষ করে নাপিত খয়রা, জেব্রাফিশ এবং ব্লু পাঞ্চাক্সের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে, যা কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

গবেষণাটি ২০২৬ সালের শেষের দিকে প্রকাশিত হয় এবং এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই মাছগুলো স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন জলাশয়ে পাওয়া যায়। নাপিত খয়রা ছোট আকারের হলেও দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং মশার লার্ভা শিকারে দক্ষ। জেব্রাফিশের দেহে বিশেষ ধরনের স্কেল থাকে, যা তাকে পানির নিচে দ্রুত চলতে সহায়তা করে, ফলে লার্ভা শিকারের সুযোগ বেশি হয়। ব্লু পাঞ্চাক্স, যদিও বড় মাছ, তবে তার শিকারের পরিসর বিস্তৃত, ফলে বৃহৎ পুকুরে মশার সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পায়।

এই মাছগুলোকে সম্প্রদায়ভিত্তিক পুকুরে বা ট্যাঙ্কে রোপণ করলে, মশার প্রজননস্থল স্বাভাবিকভাবে কমে যায়। ফলে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার হ্রাস পায়, যা পরিবেশের জন্যও উপকারী। গবেষকরা উল্লেখ করেছেন যে, এই পদ্ধতি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই এবং কম খরচে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকাগুলোতে যেখানে পুকুর ও ছোট জলাশয় প্রচুর, সেখানে এই কৌশলটি দ্রুত গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

অধিকন্তু, মাছের চাষের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনাও রয়েছে। মাছের বিক্রয় থেকে আয় বাড়লে, গ্রামবাসীরা অতিরিক্ত আয় অর্জন করতে পারে, যা তাদের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে। সরকার যদি এই উদ্যোগকে সমর্থন করে, তবে ডেঙ্গু রোগের সঙ্গে সঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নের দ্বিগুণ লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, এই পদ্ধতি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রথমে স্থানীয় পরিবেশের উপযোগী মাছের প্রজাতি নির্বাচন করা দরকার, এরপর সঠিক পরিমাণে মাছের বীজ রোপণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে মাছের রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রজনন পদ্ধতি শেখানো গুরুত্বপূর্ণ। এভাবে সমন্বিত প্রচেষ্টা ডেঙ্গু রোগের বিস্তারকে কার্যকরভাবে কমাতে পারে।

চাঁদা ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি, ভাইয়ের সঙ্গে কথা না বললে ছেলেপুলে পাঠানো হবে—সাব্বির হোসেন গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
   
চাঁদা ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি, ভাইয়ের সঙ্গে কথা না বললে ছেলেপুলে পাঠানো হবে—সাব্বির হোসেন গ্রেফতার

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ এলাকায় এক ব্যক্তি চাঁদা না পেলে ছেলেপুলে পাঠানোর হুমকি দিয়ে ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা দাবি করে অপরাধের শিকড় গাঁথা ছিল। সাব্বির হোসেন, ওরফে সানি, এই হুমকি ও চাঁদা সংগ্রহের পরিকল্পনা প্রকাশের পর পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়।

সাব্বির হোসেনের দাবি ছিল, “ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলো, ছেলেপুলে পাঠালে চাঁদা ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি হয়ে যাবে”। তিনি একাধিক বার ফোনে এবং মুখোমুখি হুমকি দিয়ে শিকারকে টাকা দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেন। শিকারের পরিবারে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে, হুমকির ভিত্তিতে তিনি চাঁদা না দিলে ছেলেপুলে পাঠিয়ে শারীরিক ক্ষতি করার কথা উল্লেখ করেন।

পুলিশের জানামতে, শিকারের পরিবারে হুমকি পৌঁছানোর পর তারা অবিলম্বে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ জানায়। তদন্তের অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জে একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়। শুক্রবার রাতের দিকে, নারায়ণগঞ্জের এক ঘরে সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময়ে তার সঙ্গে কোনো অস্ত্র বা সহায়ক সামগ্রী পাওয়া যায়নি, তবে হুমকি জানাতে ব্যবহৃত ফোন রেকর্ড এবং চাঁদা সংগ্রহের নথি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের মুখ্য কর্মকর্তা জানান, “অভিযানটি শিকারের পরিবার থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পিত হয়। হুমকি ও চাঁদা সংগ্রহের প্রমাণ স্পষ্ট, তাই দ্রুত গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের হুমকি অপরাধের শিকড়ে পৌঁছাতে পারে, তাই আমরা এ ধরনের মামলায় শূন্য সহনশীলতা বজায় রাখি।”

শিকারের পরিবারে এই গ্রেফতার নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ পেয়েছে। তারা বলেছে, “সাব্বিরের হুমকি আমাদেরকে ভয় দেখিয়েছিল, কিন্তু এখন তার গ্রেফতার আমাদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে।” তারা একই সঙ্গে পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে, ভবিষ্যতে এমন ধরনের হুমকি থেকে রক্ষা পেতে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে, হুমকি দিয়ে চাঁদা সংগ্রহ করা ‘ধমকপ্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধ’ এবং ‘অবৈধ চাঁদা সংগ্রহ’ হিসেবে গৃহীত হবে। সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে সাব্বির হোসেনকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে বলে পুলিশ ও আইনি বিশ্লেষকরা প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন।

এই ঘটনা স্থানীয় সমাজে চাঁদা ও হুমকি ভিত্তিক অপরাধের বিরুদ্ধে সতর্কতা বাড়িয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, পরিবার ও সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি। পুলিশও ভবিষ্যতে এ ধরনের হুমকি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠন কাল, শ্রমমন্ত্রী ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
   
গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠন কাল, শ্রমমন্ত্রী ঘোষণা

গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে একটি বিশেষ বোর্ড গঠন করা হবে বলে আজ শ্রমমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আগামীকালই এই মজুরি বোর্ডের গঠন সম্পন্ন হবে এবং এতে শ্রমিক প্রতিনিধিরাও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বিজিএমইএ (বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন) ও বিকেএমইএ (বেংগালোর কনফেডারেশন অব ম্যানুফ্যাকচারার্স) নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি মেনে নেওয়ার ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। উভয় সংস্থার নেতারা এই সিদ্ধান্তকে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন।

গার্মেন্টস শিল্প বাংলাদেশে রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস এবং লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান সরবরাহ করে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মজুরি সংক্রান্ত অসন্তোষ এবং শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ নিয়ে নানা প্রতিবাদ দেখা গেছে। এসব সমস্যার সমাধানে সরকার ও শিল্প সংস্থাগুলি ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালিয়ে আসছে। মজুরি বোর্ডের গঠন এই আলোচনার একটি নতুন দিক নির্দেশ করে, যেখানে শ্রমিক, শিল্প সংস্থা এবং সরকারী প্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে মজুরি কাঠামো নির্ধারণে অংশ নেবে।

শ্রমমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মজুরি বোর্ডের মূল কাজ হবে বর্তমান বাজারের পরিস্থিতি, উৎপাদন খরচ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার দিক থেকে ন্যায্য মজুরি নির্ধারণ করা। এছাড়া শ্রমিকদের কল্যাণ, সামাজিক সুরক্ষা এবং কাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নীতি প্রণয়নেও এই বোর্ডের ভূমিকা থাকবে। তিনি বলেন, শ্রমিক প্রতিনিধিরা সরাসরি বোর্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের চাহিদা ও সমস্যাগুলো সরাসরি উপস্থাপন করতে পারবে, যা নীতিনির্ধারণে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার বাড়াবে।

গার্মেন্টস শিল্পের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনও এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, মজুরি বোর্ডের মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে উঠবে। তারা দাবি করেন, মজুরি নির্ধারণে শুধুমাত্র সংখ্যা নয়, কাজের সময়, অতিরিক্ত কাজের পারিশ্রমিক এবং সামাজিক সুবিধা ইত্যাদি বিষয়গুলোও বিবেচনা করা উচিত।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, গার্মেন্টস সেক্টরে মজুরি বৃদ্ধি সরাসরি রপ্তানি মূল্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, তবে শ্রমিকদের ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদনশীলতা ও কর্মী সন্তুষ্টি বাড়িয়ে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, মজুরি বোর্ডের কার্যকরী কাজের মাধ্যমে শ্রমিক ও শিল্পের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে উঠবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের গার্মেন্টস পণ্যের প্রতিযোগিতামূলকতা বজায় থাকবে।

শ্রমমন্ত্রী শেষ কথা বলেন, মজুরি বোর্ডের গঠন ও কার্যক্রমের সময়সূচি শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে এবং সকল সংশ্লিষ্ট পক্ষকে এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শ্রমিকদের মজুরি ও কল্যাণ নিশ্চিত করা দেশের সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি।

বাঁধনহারা উপন্যাসে মুক্তির সন্ধান, পাঠচক্রে তীব্র আলোচনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
বাঁধনহারা উপন্যাসে মুক্তির সন্ধান, পাঠচক্রে তীব্র আলোচনা

ঢাকার এক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আয়োজনে আজ বিকেলে ‘বাঁধনহারা’ উপন্যাসের উপর একটি পাঠচক্র অনুষ্ঠিত হয়। সঞ্চালক প্রথমে উপন্যাসের ঐতিহাসিক পটভূমি ও নজরুলের লেখনী শৈলীর সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিয়ে আলোচনা সূচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই উপন্যাসটি তৎকালীন সমাজের বন্ধন‑বিমোচনের আকাঙ্ক্ষা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার তীব্র অনুসন্ধানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।

পাঠচক্রে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন তরুণ ও মধ্যবয়সী পাঠক উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক গঠন ও তাদের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করেন। তারা বলেন, প্রধান নায়কের আত্মসচেতনতা ও তার প্রেম‑বিরহের অভিজ্ঞতা আজকের যুব সমাজের আত্মপ্রকাশের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তদুপরি, উপন্যাসে বর্ণিত সামাজিক কাঠামো—যেমন পারিবারিক বাধ্যবাধকতা, ধর্মীয় রীতিনীতি ও শোষণমূলক শাসন—কে বর্তমানের সামাজিক সমস্যার প্রতিফলন হিসেবে বিশ্লেষণ করা হয়।

আলোচনার মাঝামাঝি অংশে ব্যক্তিস্বাধীনতার থিমটি বিশেষ গুরুত্ব পায়। অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে, নজরুলের লেখায় স্বাধীনতা কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং মানসিক ও সামাজিক দিক থেকেও প্রকাশ পায়। তারা উল্লেখ করেন, উপন্যাসের নায়িকার আত্মনির্ভরশীলতা ও স্বপ্নের অনুসরণ আজকের নারীর স্বাতন্ত্র্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। একই সঙ্গে, উপন্যাসে বর্ণিত পুরুষ চরিত্রের দ্বন্দ্বও আধুনিক পুরুষের পরিচয় সংকটের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়।

পাঠচক্রের সঞ্চালক উপন্যাসের সামাজিক প্রেক্ষাপটকে আরও বিশদে তুলে ধরেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ‘বাঁধনহারা’ তে তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনের অধীনে বর্ণিত সামাজিক অস্থিরতা, শ্রমিকের শোষণ ও শিক্ষার অভাবের মতো বিষয়গুলো কীভাবে লেখকের বর্ণনায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অংশগ্রহণকারীরা এই দিকগুলোকে বর্তমানের অর্থনৈতিক বৈষম্য ও শিক্ষার সুযোগের অসমতা সঙ্গে তুলনা করে, উপন্যাসের প্রাসঙ্গিকতা পুনরায় নিশ্চিত করেন।

সেশন শেষে অংশগ্রহণকারীরা উপন্যাসের পাঠের মাধ্যমে অর্জিত নতুন দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করেন এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের সাহিত্যিক আলোচনার আয়োজনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তারা জোর দেন, এমন পাঠচক্রগুলো সমাজে সাহিত্যিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমসাময়িক সমস্যার সমাধানে সৃজনশীল চিন্তাধারা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সর্বশেষ
চাঁদা ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি, ভাইয়ের সঙ্গে কথা না বললে ছেলেপুলে পাঠানো হবে—সাব্বির হোসেন গ্রেফতার গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠন কাল, শ্রমমন্ত্রী ঘোষণা বাঁধনহারা উপন্যাসে মুক্তির সন্ধান, পাঠচক্রে তীব্র আলোচনা শর্ষে‑হলুদ শাড়িতে সাদনিমা, মিষ্টি হাসি সহ পাঁচটি ছবি মহারাষ্ট্রের পিম্পরিতে ১৮ তলা থেকে পতনে মা-ছেলের মৃত্যু, চিরকুটে দ্বিতীয় বিয়ের আহ্বান বিমানবাহিনীর সাবেক লেফটেন্যান্ট তাহসিফের রহস্যজনক মৃত্যুর ওপর স্বতন্ত্র তদন্তের দাবি ভূত চতুর্দশীর ১৪ শাক: ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভেষজ গুণের গল্প ডেঙ্গু রোধে দেশি মাছের নতুন কৌশল দীপকে ৪ দিনের রিমান্ড, তাহসিফের হত্যার মামলায় আদালত আদেশ সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফের মৃত্যুতে অবশেষে হত্যা মামলা
Advertisement