খুঁজুন
, ,

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ, মাজারের খুঁটি ভাঙচুর

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ, মাজারের খুঁটি ভাঙচুর

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে কবরস্থানের গাছ কাটা ও মাজারের সিমেন্টের খুঁটি এবং সাইনবোর্ড ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় এক পক্ষের বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ এবং অপর পক্ষের বিরুদ্ধে কেটে রাখা গাছ সরিয়ে নেওয়া ও মাজারের স্থাপনা ভাঙচুরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে পার্শ্ববর্তী আদর্শ বাজারের কাছ থেকে কর্তন করা গাছগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৭ থেকে ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলাধীন শুখানপুকুরী ইউনিয়নের পশ্চিম শুখানপুকুরী (মুন্সিপাড়া) গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম শুখানপুকুরী (মুন্সিপাড়া) এলাকায় ২ একর ৩৬ শতক খাস খতিয়ানভুক্ত জমির মধ্যে জান্নাতুল বাকী নামে একটি কবরস্থান রয়েছে। কবরস্থানটির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মো. ইউনুছ আলী (৫০)। তিনি ওই গ্রামের সদরুপাড়ার মৃত সদরুর ছেলে।

কবরস্থানের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে প্রায় ১৮-১৯ বছর আগে মারা যাওয়া হযরত শাহ সুফি শেখ নমির উদ্দিন পীর সাহেবের কবর রয়েছে। তাঁর পিতার নাম মৃত হাবিল উদ্দিন মুন্সী। পরিবারের সদস্যরা ওই কবরকে মাজার শরিফ হিসেবে নামকরণ করেছেন। তাঁর ১০ ছেলের মধ্যে বর্তমানে ৯ জন জীবিত রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অষ্টম ছেলে মো. বেলাল হোসেন ও তাঁর আপন খালাতো ভাই মো. মনছুর আলী মাজারের খাদেম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৭ ও ২৮ অক্টোবর বেলাল হোসেন তাঁর অন্য ভাইদের নিয়ে মাজারের পাশে থাকা ছয়টি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে ফেলেন। বিষয়টি জানতে পেরে কবরস্থানের সভাপতি ইউনুছ আলীর বড় ভাই মো. দারাজ উদ্দিন (৬০) এবং কবরস্থান পরিচালনা কমিটির অন্য সদস্যরা সেখানে গিয়ে গাছ কাটতে বাধা দেন। এ সময় মাজারের লোকজন কাটা গাছগুলো সেখানে রেখেই চলে যান।

এরপর গত ২৯ অক্টোবর রাতের কোনো এক সময় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা কেটে রাখা গাছগুলো সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। একই সঙ্গে মাজারের সিমেন্টের খুঁটি ও সাইনবোর্ড ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় মাজারের খাদেম মো. বেলাল হোসেন ও মো. মনছুর আলীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অভিযোগ করেন, কবরস্থানের সভাপতি ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা কেটে রাখা গাছগুলো নিয়ে গেছেন এবং মাজারের খুঁটি ও সাইনবোর্ড ভাঙচুর করেছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত পক্ষের লোকজন বলেন, ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচন থাকায় দিনভর নির্বাচনী কার্যক্রম শেষে তাঁরা বাড়িতে ফিরে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। রাতে সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। এ ঘটনার সঙ্গে তাঁরা কোনোভাবেই জড়িত নন। তাঁদের দাবি, হয়রানি ও ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে প্রতিপক্ষ নিজেরাই এমন ঘটনা সাজিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন।

কবরস্থানের সভাপতি ইউনুছ আলী জানান, কবরস্থানের সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য তাঁরা নিজেরাই এসব ইউক্যালিপটাস গাছ রোপণ করেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে গাছগুলো কবরস্থানের জায়গায় বেড়ে উঠছিল। তাঁদের দাবি, কমিটির সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা অনুমতি ছাড়াই মাজারের লোকজন ছয়টি গাছ কেটে ফেলেছেন। এতে তাঁরা বাধা দিলে পরবর্তীতে কাটা গাছ বিষয়ে নির্বাচনের পরে স্থানীয় ভাবে বসার কথা ছিল।

আরও বলেন, রাতের আঁধারে কাটা গাছ সরিয়ে নেওয়া এবং মাজারের খুঁটি ও সাইনবোর্ড ভাঙচুরের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

খবর পেয়ে ভূল্লী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশ অভিযোগকারী, মাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে। পরে পার্শ্ববর্তী আদর্শ বাজারের কাছ থেকে কর্তন করা গাছগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কবরস্থান ও মাজারের জায়গা, গাছপালা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ও মতবিরোধ রয়েছে। এ ছাড়া মাজারকেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও স্থানীয়দের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে সাম্প্রতিক এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কবরস্থান ও মাজারের মতো ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে স্পর্শকাতর স্থাপনাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উচিত নয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

ভূল্লী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ঘটনাটি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পার্শ্ববর্তী আদর্শ বাজারের কাছ থেকে কর্তন করা গাছগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন: শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর মন্তব্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
   
শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন: শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর মন্তব্য

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ৩১ অক্টোবর রাজধানীর একটি সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কাজ করছে বলে সতর্কবার্তা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে শ্রমিক সংগঠনগুলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর হাতিয়ার বানিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার প্রচেষ্টা চলছে।

মন্ত্রীর বক্তব্যের মূল উদাহরণ হিসেবে তিনি মিরপুরে ঘটিত পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের ঘটনাকে তুলে ধরেছেন। গত সপ্তাহে মিরপুরের কিছু গার্মেন্টস ইউনিটের কর্মীরা বেতন, কাজের শর্ত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত দাবি নিয়ে রাস্তায় বাধা সৃষ্টি করে, যা শহরের ট্রাফিককে ব্যাহত করে এবং স্থানীয় ব্যবসায়িক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলেছে।

চৌধুরী জানান, এই ধরনের প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী কর্মীদের মধ্যে কে সত্যিকারের শ্রমিক, আর কে রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সহায়তায় কাজ করছে, তা মিডিয়ার কাছে ইতিমধ্যে স্পষ্ট। তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, এই তথ্যগুলো প্রকাশ করে জনসাধারণকে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করতে।

মন্ত্রীর মতে, শ্রমিক আন্দোলনকে রাজনৈতিক ইন্ধন দিয়ে চালিত করা হলে তা শুধুমাত্র শ্রমিকদের স্বার্থের ক্ষতি নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক পরিবেশকে অস্থির করে তুলতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করবে, তবে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অনুমতি দেবে না।

এই মন্তব্যের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও শ্রমিক সংগঠন থেকে ভিন্নমত প্রকাশ পেয়েছে। কিছু বিশ্লেষক দাবি করেন, শ্রমিকদের বেতন ও কাজের শর্তের উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তাদের প্রতিবাদ স্বাভাবিক এবং বৈধ। অন্যদিকে, কিছু শ্রমিক সংগঠন মন্ত্রীর মন্তব্যকে “অবৈধ দমন” হিসেবে সমালোচনা করেছে।

সরকার ইতিমধ্যে মিরপুরে অবরোধের সময় গৃহীত পদক্ষেপগুলো ব্যাখ্যা করেছে। পুলিশকে অবরোধ ভাঙতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং কিছু কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। তবে মন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, এই পদক্ষেপগুলো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রতিক্রিয়া নয়, বরং শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনের শেষে চৌধুরী উল্লেখ করেন, শ্রমিক আন্দোলনের প্রকৃত উদ্দেশ্য যদি সত্যিই শ্রমিকের অধিকার রক্ষায় হয়, তবে তা রাজনৈতিক মঞ্চে ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি মিডিয়াকে আহ্বান জানান, শ্রমিক ও রাজনৈতিক বিষয়ের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করে জনমতকে বিভ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকতে।

এই ঘটনায় দেশের বিভিন্ন অংশে শ্রমিকদের অধিকার ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা তীব্রতর হয়েছে। বিশেষ করে গার্মেন্টস শিল্পের কর্মীরা দীর্ঘ সময়ের জন্য ন্যূনতম মজুরি, নিরাপত্তা মান এবং সামাজিক সুরক্ষার দাবি তুলে ধরছে, যা সরকারকে নীতি নির্ধারণে নতুন দৃষ্টিকোণ প্রদান করতে পারে।

শেষ পর্যন্ত, শ্রমিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক ইন্ধনের মধ্যে সীমানা নির্ধারণের জন্য সরকার, শ্রমিক সংগঠন এবং মিডিয়ার সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। মন্ত্রীর মন্তব্য এই আলোচনার সূচনা মাত্র, এবং ভবিষ্যতে কী ধরনের নীতি ও পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা সময়ই বলে দেবে।

তাহসিফের মৃত্যুর মামলায় নৌ‑পুলিশের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
   
তাহসিফের মৃত্যুর মামলায় নৌ‑পুলিশের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন

ঢাকা শহরে সাম্প্রতিক সময়ে এক শকিং অপরাধের খবর ছড়িয়ে পড়েছে। বিমান বাহিনীর প্রাক্তন কর্মকর্তা তাহসিফ সৌরির লাশ উদ্ধার হওয়ার পর, তার হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। তদন্তকারী নৌ‑পুলিশের ফাঁড়ি ইন্সপেক্টর ফিরোজ উদ্দিনের নেতৃত্বে গৃহীত পদক্ষেপের মধ্যে অন্যতম হলেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের ওপর রিমান্ডের আবেদন।

তাহসিফের লাশের উদ্ধার ঘটেছিল যখন স্থানীয় পুলিশ ও সামরিক কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান অভিযান চালানো হয়। লাশের অবস্থান ও মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের পর, তদন্তকারী দল দ্রুত সন্দেহভাজনদের তালিকায় দীপকে অন্তর্ভুক্ত করে। দীপকে মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে কারণ তিনি তাহসিফের ‘বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং ঘটনাস্থলে তার উপস্থিতি সন্দেহজনক বলে চিহ্নিত হয়েছে।

নৌ‑পুলিশের ফাঁড়ি ইন্সপেক্টর ফিরোজ উদ্দিন রিমান্ডের আবেদনটি নিশ্চিত করে জানান যে, দীপের জিজ্ঞাসাবাদে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান রিমান্ডের সময়সীমা অপর্যাপ্ত এবং তদন্তের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ৭ দিনের অতিরিক্ত রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। এই আবেদনটি সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউশন অফিসার সি.আই. সাইফুল ইসলামের সমর্থন পেয়েছে, যিনি জানান যে, মামলাটি ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবের অধীনে চলমান।

প্রসিকিউশন বিভাগের সি.আই. সাইফুল ইসলাম মামলার জটিলতা ও প্রমাণ সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে রিমান্ডের অনুমোদনের পক্ষে মত প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, তদন্তে নতুন সূত্র ও সাক্ষীর সাক্ষাৎকার নেওয়া দরকার, যা বর্তমান রিমান্ডের সময়সীমার মধ্যে সম্ভব নয়। তাই, রিমান্ডের সময় বাড়িয়ে তদন্তকে সুষ্ঠু ও সম্পূর্ণ করা হবে, তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

দীপের আইনজীবী পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে সূত্র অনুযায়ী তিনি রিমান্ডের আবেদনকে স্বীকার করে আদালতে উপস্থিত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলাটির পরবর্তী শুনানির তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে আদালত দ্রুতই রিমান্ডের অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত নেবে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি একত্রে কাজ করে অপরাধের মূল কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সনাক্ত করার চেষ্টা করছে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, এমন ধরনের উচ্চপ্রোফাইল মামলায় দ্রুত ও সঠিক তদন্তের গুরুত্ব অপরিসীম, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায় এবং সমাজে অপরাধের প্রতি শূন্য সহনশীলতা বজায় থাকে।

মামলাটি এখনও চলমান এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের কাছ থেকে আরও তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন রয়েছে। নৌ‑পুলিশের রিমান্ডের আবেদন এবং আদালতের অনুমোদন মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় অতিষ্ঠ হয়ে গলায় ফাঁস দিলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তি

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ
   
ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় অতিষ্ঠ হয়ে গলায় ফাঁস দিলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে রাজকুমার চন্দ্র বর্মন (৫৫) নামে এক ব্যক্তি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে নিজ বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রাজকুমার চন্দ্র বর্মন ভূল্লী উপজেলার ছোট বালিয়া (দধির মেম্বারপাড়া) এলাকার মৃত সুমারু চন্দ্র বর্মনের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজকুমার চন্দ্র বর্মন দীর্ঘদিন ধরে কিডনিসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। বেশ কিছুদিন ধরে পেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও যন্ত্রণায় ভুগছিলেন তিনি। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে সময়মতো চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়েছিল। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা ও শারীরিক যন্ত্রণায় তিনি কষ্টে দিন কাটাচ্ছিলেন।

ঘটনার দিন শনিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে তার স্ত্রী রত্না রানী তাকে নরম করে ভাত খাওয়ান। পরে তিনি পারিবারিক কাজে বাড়ির বাইরে যান। সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে বাড়িতে ফিরে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে স্বামীকে ঘরের বাঁশের সরের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তার চিৎকারে বড় ছেলে রতন বর্মন, ছোট ছেলে তপন বর্মনসহ আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে তারা তাকে নিচে নামিয়ে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

খবর পেয়ে ভূল্লী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সুরতহালসহ প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করে।

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সর্বশেষ
শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন: শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর মন্তব্য তাহসিফের মৃত্যুর মামলায় নৌ‑পুলিশের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় অতিষ্ঠ হয়ে গলায় ফাঁস দিলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তি ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ, মাজারের খুঁটি ভাঙচুর এইচএসসি পরীক্ষায় বিদেশের কেন্দ্রে নজরকাড়া সাফল্য, পাসের হার নব্বই শতাংশের বেশি মিরপুরে ধুঁকছে বাংলাদেশ, জয়ের পথে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাপানে নিজের হাতে ট্রেন চালানোর রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, ২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস ফ্লোরিডায় নির্বাচনী প্রচারণায় বিক্ষোভের মুখে ট্রাম্প, মেজাজ হারিয়ে গালি দিলেন প্রতিবাদীকে যশোর বোর্ডে এইচএসসির ফলাফলে বড় ধস, একে ‘সঠিক মূল্যায়ন’ বলছে শিক্ষা বোর্ড
Advertisement