খুঁজুন
, ,

কুকুর পোষা ও ইসলাম: প্রচলিত ধারণার বাস্তবতা ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
কুকুর পোষা ও ইসলাম: প্রচলিত ধারণার বাস্তবতা ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা বেশ প্রচলিত রয়েছে যে, কুকুর পোষা পাপের কাজ এবং বিড়াল পোষা একটি সুন্নত বা পুণ্যময় আমল। এই বিশ্বাসের কারণে অনেকে কুকুরকে এড়িয়ে চলেন বা ঘৃণার চোখে দেখেন, আবার বিড়ালকে পরম যত্নে বাড়িতে স্থান দেন। কিন্তু এই ধারণাটি ইসলামী আইন বা শরীয়াহর আলোকে কতটা সঠিক, তা যাচাই করা প্রয়োজন। আসলে ইসলামে প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা বা অযথা ঘৃণা প্রদর্শনের কোনো স্থান নেই।

ইসলামের দৃষ্টিতে কুকুর বা বিড়াল কোনোটিই পাপ বা পুণ্যের মাপকাঠি নয়। বরং ইসলামে প্রতিটি প্রাণীর প্রতি দয়া প্রদর্শনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। বিড়ালের বিষয়ে প্রচলিত ধারণার কারণ হলো, রাসূলুল্লাহ (সা.) বিড়াল পছন্দ করতেন এবং সাহাবীদের মধ্যে কেউ কেউ বিড়াল পুষতেন বলে ইতিহাসে বর্ণিত আছে। তবে বিড়াল পোষা ওয়াজিব বা সুন্নতে মুয়াক্কাদা কোনোটিই নয়। এটি মূলত একটি ব্যক্তিগত পছন্দ বা শখের বিষয়। কেউ যদি বিড়াল পোষেন এবং সেটির সঠিক যত্ন ও খোরপোশের ব্যবস্থা করেন, তবে তিনি সওয়াব পেতে পারেন। কিন্তু এটিকে সরাসরি সুন্নত মনে করা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝির ফল।

কুকুরের বিষয়ে আমাদের সমাজে যে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে, তার পেছনে বেশ কিছু ভুল ব্যাখ্যা কাজ করে। অনেক মানুষ মনে করেন কুকুর স্পর্শ করা বা কুকুর পালন করা পুরোপুরি হারাম। অথচ ফিকহ শাস্ত্রের বিশদ আলোচনায় দেখা যায়, প্রয়োজনের খাতিরে কুকুর পালনের অনুমতি রয়েছে। যেমন, নিরাপত্তার প্রয়োজনে, কৃষিকাজে বা শিকারের কাজে কুকুর ব্যবহারের বৈধতা ইসলামে রয়েছে। তবে বিনা প্রয়োজনে ঘরের ভেতরে কুকুর রাখা ফেরেশতাদের রহমত থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণ হতে পারে বলে অনেক আলেম অভিমত দিয়েছেন। তাই বলে কুকুরকে ঘৃণা করা বা তাকে আঘাত করা ইসলামের শিক্ষা নয়।

ইসলামের ইতিহাস ও রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনাদর্শ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তিনি প্রাণীদের প্রতি দয়ালু ছিলেন। এমনকি তৃষ্ণার্ত কুকুরকে পানি পান করিয়ে এক নারী জান্নাত লাভ করেছিলেন—এমন ঘটনা হাদীসের কিতাবগুলোতে স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে। এই ঘটনাটিই প্রমাণ করে যে, কুকুর কোনো ঘৃণিত প্রাণী নয়, বরং আল্লাহর সৃষ্টি। আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি দয়া প্রদর্শন করা ইসলামের একটি অন্যতম শিক্ষা। তাই কুকুরকে অকারণে ঘৃণা করা বা তাকে কষ্ট দেওয়া ইসলামী মূল্যবোধের পরিপন্থী।

আজকের সময়ে কুকুর ও বিড়াল পোষা মূলত মানুষের জীবনধারা ও শখের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসলাম শখের এই বিষয়গুলোকে নিষিদ্ধ করেনি, তবে তা যেন ধর্মীয় রীতিনীতি বা পবিত্রতা রক্ষার ক্ষেত্রে অন্তরায় না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে। কুকুর বা বিড়াল পোষার ক্ষেত্রে মূল সতর্কতা হলো তাদের যথাযথ খাবার ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা। ইসলামে অকারণে কোনো প্রাণীকে আটকে রেখে কষ্ট দেওয়া নিষেধ। যদি কেউ প্রাণী পুষতে গিয়ে তার অধিকার ক্ষুণ্ণ করে বা তাকে অভুক্ত রাখে, তবে তা অবশ্যই পাপের কাজ হিসেবে গণ্য হবে।

পরিশেষে বলা যায়, কুকুর পোষা পাপ এবং বিড়াল পোষা সুন্নত—এ ধরনের অতিরঞ্জিত ও ভুল ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। ইসলামের শিক্ষা হলো প্রতিটি প্রাণীর প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া। বিড়াল বা কুকুর কোনোটিই ধর্মীয় ইবাদতের শর্ত নয়। বরং এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাথে জড়িত প্রাণী। এদের প্রতি দয়া ও মায়া দেখানো মানবিক গুণ। সমাজ ও ধর্মীয় আলোচনায় এ ধরনের বিষয়গুলোতে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন যাতে মানুষ ভ্রান্ত বিশ্বাসের বশবর্তী হয়ে অহেতুক কোনো প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রদর্শন না করে।

ইসরায়েলের নতুন পার্লামেন্টে প্রথম দিনেই স্পিকার অপসারণের পরিকল্পনা বিরোধীদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
ইসরায়েলের নতুন পার্লামেন্টে প্রথম দিনেই স্পিকার অপসারণের পরিকল্পনা বিরোধীদের

ইসরায়েলের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে অস্থিরতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আগামী ১০ নভেম্বর দেশটির নতুন পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই দিনটি একদিকে যেমন নতুন নির্বাচিত আইনপ্রণেতাদের শপথ গ্রহণের জন্য নির্ধারিত, অন্যদিকে সেটিই হতে যাচ্ছে দেশটির ক্ষমতার লড়াইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অংকের হিসাব অনুযায়ী, পার্লামেন্টের প্রথম দিনেই স্পিকার অপসারণের লক্ষ্যে একটি বড় ধরনের জোট গড়ে তুলেছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরোধী দলগুলো। চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই বিরোধীদের সাথে সুর মিলিয়ে স্পিকারকে সরানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ইসরায়েলের আরব দলগুলোও।

নির্বাচন পরবর্তী সময়ে ইসরায়েলে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ও পার্লামেন্টের অভ্যন্তরে ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। একদিকে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, অন্যদিকে তার বিরোধীপক্ষ পার্লামেন্টের কাঠামোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনের প্রথম ধাপ হিসেবে তারা বর্তমান স্পিকারকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরুর দিনটিতেই এই প্রস্তাব আনার জন্য বিরোধী শিবিরগুলো নিজেদের মধ্যে ঐক্যমত্যে পৌঁছেছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পার্লামেন্টে এই ধরণের পদক্ষেপের অর্থ হলো শুরু থেকেই বর্তমান সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি তৈরি করা। স্পিকার পদটি সাধারণত অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং পার্লামেন্টের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিরোধী দলগুলো মনে করছে, যদি প্রথম দিনেই স্পিকার অপসারণের মতো বড় কোনো সিদ্ধান্তে তারা সফল হতে পারে, তবে তা সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় বা সরকার পরিচালনায় নেতানিয়াহু জোটের জন্য বড় একটি ধাক্কা হবে। তবে এই পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে পার্লামেন্টে উপস্থিত সদস্যদের ভোটাভুটির ওপর।

বিশেষ করে আরব দলগুলোর এই বিশেষ অবস্থানে যুক্ত হওয়া ইসরায়েলের রাজনীতির মেরুকরণে নতুন সমীকরণ যোগ করেছে। সাধারণত ইসরায়েলের ডানপন্থী এবং বামপন্থী বা আরব দলগুলোর মধ্যে আদর্শিক দূরত্ব অনেক বেশি থাকে। কিন্তু এই মুহূর্তে স্পিকার অপসারণের মতো একটি সাধারণ লক্ষ্যে তারা যে এক কাতারে এসেছে, তা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অবাক করেছে। এটি স্পষ্ট করে যে, ক্ষমতার অংকে টিকে থাকতে বা প্রতিপক্ষকে কাবু করতে দলগুলো তাদের পুরনো দলাদলি বা আদর্শিক অবস্থান থেকে সরে এসে কৌশলগত সমঝোতায় যেতে দ্বিধা করছে না।

আগামী ১০ নভেম্বরের সেই অধিবেশনে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা নিয়ে ইসরায়েলের সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল কাজ করছে। একদিকে নতুন সদস্যদের শপথ গ্রহণ, যা একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ, অন্যদিকে স্পিকার অপসারণের নোটিশ ঘিরে উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা—সব মিলিয়ে দেশটির পার্লামেন্ট একটি অগ্নিপরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে। সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চলমান থাকলেও, পার্লামেন্টের কার্যক্রমের প্রথম দিনেই ক্ষমতার এই লড়াই দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে এটি নিশ্চিত যে, নতুন পার্লামেন্ট বেশ উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাধ্যমেই তার পথচলা শুরু করতে চলেছে।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে রবিবার থেকে কার্যকর হবে নতুন বোর্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে রবিবার থেকে কার্যকর হবে নতুন বোর্ড

গার্মেন্টস শিল্প খাতের শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের লক্ষ্যে সরকার বড় ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান এবং শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী রবিবার (১ নভেম্বর) থেকে এই বোর্ডের গঠনমূলক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনে অবস্থিত শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে শুক্রবার রাতে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ আলোচনার পর শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে এই অগ্রগতির কথা জানান। তিনি জানান, দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবং শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সমন্বয় সাধনের উদ্দেশ্যে নতুন এই মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা আগামী রবিবার থেকেই তার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে যাচ্ছে।

বৈঠকে মূলত তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের বর্তমান বাস্তব অবস্থা এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে তাদের ওপর যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শ্রমিক সংগঠনের নেতারা মন্ত্রীর কাছে শ্রমিকদের জীবনধারণের ব্যয় ও মজুরি কাঠামোর অসামঞ্জস্যতার বিষয়টি তুলে ধরেন। মন্ত্রী তাদের দাবির যৌক্তিকতা স্বীকার করে দ্রুত মজুরি বোর্ড গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, মজুরি বোর্ডের কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে শ্রমিকদের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য ও যৌক্তিক মজুরি নির্ধারণের পথ প্রশস্ত হবে।

মজুরি বোর্ড গঠনের পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের জন্য আবাসন ও বাড়িভাড়া নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বর্তমান সময়ে শিল্পাঞ্চলে বাড়িভাড়া বৃদ্ধির প্রবণতা শ্রমিকদের ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি করেছে। এই বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রী শ্রমিক প্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, শিল্পাঞ্চলে যেন কোনোভাবেই অযৌক্তিকভাবে বাড়িভাড়া বাড়ানো না হয়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এ বিষয়ে তদারকি জোরদার করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য যে, গার্মেন্টস শিল্প দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। এই শিল্পের সাথে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের জীবন-জীবিকা জড়িত। সময়ের প্রয়োজনে বারবার মজুরি কাঠামো পরিবর্তন করতে হয় যাতে শ্রমিকদের জীবনমান বজায় থাকে এবং শিল্পের উৎপাদনশীলতাও অক্ষুণ্ণ থাকে। সরকার আশা করছে, রবিবার থেকে কার্যক্রম শুরু হতে যাওয়া এই নতুন মজুরি বোর্ড শ্রমিক ও মালিক উভয়ের জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান নিয়ে আসবে। বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এটি তাদের সুপারিশ চূড়ান্ত করবে। এরপর সরকারের অনুমোদনের মাধ্যমে তা কার্যকর করা হবে।

মজুরি বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। তারা বলছেন, বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির বাজারে এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। তবে তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, মজুরি বোর্ড যেন শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে এবং প্রকৃত অর্থে শ্রমিকদের বাস্তব চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে মজুরি নির্ধারণ করে। শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, মজুরি বোর্ডে সরকার, মালিক এবং শ্রমিক প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হবে। আগামী রবিবারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর বোর্ডের পূর্ণাঙ্গ কমিটি এবং তাদের কর্মপরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হবে।

আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেখানে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেখানে

অক্টোবর মাসের শেষ দিনটিতে খেলাধুলার দুনিয়ায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের জন্য টেলিভিশনের পর্দায় আজ থাকছে বেশ জমজমাট সব আয়োজন। যারা ঘরের বসে সরাসরি খেলা উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য আজকের দিনের সূচিটি বেশ আকর্ষণীয়। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ এবং ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল ম্যাচটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ কাজ করছে।

ক্রিকেট বিশ্বের বড় আসরগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্ট সিরিজের লড়াই আজ চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। দুই দলের লড়াইয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তটি দেখার জন্য ক্রিকেট ভক্তদের চোখ থাকবে টেলিভিশনের পর্দায়। ম্যাচটির গতিপথ কোন দিকে মোড় নেয় এবং খেলোয়াড়রা আজ কেমন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন ভক্তরা। খেলাটি সরাসরি উপভোগ করা যাবে টি স্পোর্টস চ্যানেলে, বাংলাদেশ সময় সকাল নয়টা ত্রিশ মিনিটে।

টেস্ট ক্রিকেটের পাশাপাশি আজ আরও একটি বড় উত্তেজনার নাম ত্রিদেশীয় সিরিজ। আজ এই সিরিজের চূড়ান্ত ফয়সালার দিন। ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। দুই শক্তিশালী দলের লড়াইয়ে শিরোপা কার হাতে ওঠে, তা দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। দুই দলেরই সাম্প্রতিক ফর্ম বেশ ভালো হওয়ায় একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের প্রত্যাশা করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। এই ফাইনাল ম্যাচটি সরাসরি উপভোগ করা যাবে বিকেল পাঁচটা থেকে।

টেলিভিশনের পর্দায় প্রতিদিনের মতো আজও খেলাধুলার এই সরাসরি সম্প্রচারগুলো দর্শকদের জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতার খোরাক যোগাবে। যারা ঘরে বসে খেলার আমেজ নিতে চান, তাদের জন্য এই ম্যাচগুলো মিস করার মতো নয়। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে খেলাগুলো যেহেতু গুরুত্বপূর্ণ, তাই সম্প্রচারের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতায় থাকছে সংশ্লিষ্ট চ্যানেলগুলো। খেলাধুলা মানেই আনন্দ আর উত্তেজনা, আর সেই আনন্দের সঙ্গী হতে আজকের সূচিটি নজরে রাখা প্রয়োজন।

তবে খেলাধুলার এই সূচি অনেক সময় চ্যানেল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে। তাই দর্শকদের অনুরোধ করা হচ্ছে, খেলা শুরুর ঠিক আগে সংশ্লিষ্ট চ্যানেলগুলোর আপডেট দেখে নেয়ার জন্য। তাছাড়া, বৃষ্টির বাগড়া বা প্রতিকূল আবহাওয়া খেলা শুরুর ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি না করলে সূচি অনুযায়ীই ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে আজকের দিনটি ক্রিকেট ভক্তদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি উৎসবের দিন হতে যাচ্ছে।

সর্বশেষ
ইসরায়েলের নতুন পার্লামেন্টে প্রথম দিনেই স্পিকার অপসারণের পরিকল্পনা বিরোধীদের গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে রবিবার থেকে কার্যকর হবে নতুন বোর্ড আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেখানে প্রাপ্তবয়স্কদের বিচার ও পারিবারিক জটিলতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব প্রভা বিজ্ঞাপনে এআই প্রযুক্তির প্রভাব, গুগলের বাজারমূল্যে বড় ধাক্কা কুকুর পোষা ও ইসলাম: প্রচলিত ধারণার বাস্তবতা ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি কক্সবাজারের উখিয়া ইনানীতে গ্যাসের আগুন জ্বলে, পেট্রোবাংলা রিলিফ কূপের পরিকল্পনা জানাল প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: ৬৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা ওয়াটারএইড বাংলাদেশের ৪০ বছর পূর্ণে ‘সুখ ফুটেছে মুখের রেখায়’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন শ্রমমন্ত্রী ঘোষণা: রোববার গঠন হবে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি বোর্ড
Advertisement