খুঁজুন
, ,

টিভির পর্দায় আজকের খেলা: ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
টিভির পর্দায় আজকের খেলা: ২৪ অক্টোবর ২০২৬

আজ ২৪ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার। সাপ্তাহিক ছুটির এই দিনে ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের জন্য টেলিভিশনের পর্দায় থাকছে দারুণ সব ফুটবল লড়াই। দেশের ঘরোয়া ফুটবলের উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচগুলো উপভোগ করার সুযোগ থাকছে আজ। খেলার মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখতে মুখিয়ে থাকা দর্শকদের জন্য টি স্পোর্টসের পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের একাধিক ম্যাচ।

আজকের খেলার সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ফুটবল লিগের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব এবং ঢাকা ওয়ান্ডারার্স। ঐতিহ্যবাহী এই দুই ক্লাবের লড়াইয়ের উত্তাপ মাঠে কতটা ছড়ায়, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন সমর্থকরা। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে আজ দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে। টি স্পোর্টস চ্যানেলের মাধ্যমে দর্শকরা ঘরে বসেই এই রোমাঞ্চকর লড়াই উপভোগ করতে পারবেন।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বসুন্ধরা কিংস এবং চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেড (চট্টগ্রাম এফসি)। বর্তমান ঘরোয়া ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দল বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে চট্টগ্রাম এফসির পারফরম্যান্স কেমন হয়, তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে ফুটবল ভক্তদের মধ্যে। এই ম্যাচটি শুরু হবে আজ বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে। খেলাটি সরাসরি দেখা যাবে টি স্পোর্টস চ্যানেলে।

প্রতিদিনের ব্যস্ততায় অনেকে সরাসরি মাঠে গিয়ে প্রিয় দলের খেলা দেখার সুযোগ পান না। তাদের জন্য টেলিভিশন ও অনলাইন স্ট্রিমিং সেবাগুলো বড় ভূমিকা পালন করে। আজকের এই ফুটবল ম্যাচগুলো মূলত দেশীয় লিগের মানোন্নয়ন ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। ফুটবল প্রেমীদের জন্য আজ বিকালের পুরো সময়টা তাই বিনোদনে কাটানোর দারুণ সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ছুটির দিনের এই ব্যস্ততাহীন সময়ে ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করার বাড়তি আনন্দ থাকে দর্শকদের মধ্যে।

খেলার সূচি পরিবর্তন বা সম্প্রচার সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য দর্শক ও পাঠকদের নিয়মিত সংশ্লিষ্ট চ্যানেল বা প্ল্যাটফর্মের আপডেট চেক করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আজকের এই ম্যাচগুলোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের পয়েন্ট তালিকায় বড় ধরনের কোনো রদবদল হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়। টি স্পোর্টস ছাড়াও অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও এসব খেলার আপডেট নিয়মিত পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাই ফুটবল ভক্তরা আজ দুপুর এবং বিকালের এই ম্যাচগুলো মিস করবেন না বলে আশা রাখছি।

কক্সবাজারে ভারুয়াখালী খালের সেতুর সংযোগ সড়কে ১.৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
কক্সবাজারে ভারুয়াখালী খালের সেতুর সংযোগ সড়কে ১.৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন

কক্সবাজার সদর উপজেলায় ভারুয়াখালী খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ বিষয়ে গত ১৫ অক্টোবর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-২ শাখা থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নতুন অনুমোদনের সঙ্গে একই কাজের জন্য আগে দেওয়া জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদনও বাতিল করা হয়েছে। ২০২১ সালের ১১ মার্চ ৩ দশমিক ১৫৬৭ একর জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এবার অনুমোদিত জমির পরিমাণ ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর। দুই পরিমাণের ব্যবধান ১ দশমিক ২৬২ একর।

প্রজ্ঞাপনের সিদ্ধান্তে প্রকল্পটির জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক পরিসর আগের অনুমোদনের তুলনায় কমেছে। তবে অনুমোদনের পরিমাণ বদলের কারণ কী, আগের প্রস্তাবের কোন অংশ সংশোধন করা হয়েছে কিংবা নতুন পরিমাণ নির্ধারণে কী বিবেচনা কাজ করেছে—প্রকাশিত তথ্যের বিবরণে তা উল্লেখ নেই। তাই পরিবর্তনের কারণ নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

ভারুয়াখালী খালের ওপর সেতুটি নির্মাণাধীন। সেতুর সঙ্গে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্যই জমি অধিগ্রহণের এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সিদ্ধান্তটি সেতুর পাশাপাশি সড়ক-সংযোগের কাজের প্রয়োজনীয় জমি নিয়ে। তবে কোন মৌজা বা দাগের জমি অধিগ্রহণ করা হবে, জমির মালিক কারা কিংবা জমির সুনির্দিষ্ট অবস্থান—এসব বিষয়ে পাওয়া তথ্যের মধ্যে বিস্তারিত নেই।

প্রশাসনিক অনুমোদন এবং জমির দখল নেওয়া বা অধিগ্রহণ সম্পন্ন হওয়া এক বিষয় নয়। এই সিদ্ধান্তের অর্থ হলো, নির্ধারিত পরিমাণ জমি অধিগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রশাসনিক অনুমতি দিয়েছে। অধিগ্রহণের পরবর্তী ধাপ কখন শুরু হবে, জমির মালিকদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে কি না, ক্ষতিপূরণের হিসাব কীভাবে হবে কিংবা জমি বুঝে নেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে কি না—এসব তথ্যও এখানে জানানো হয়নি।

২০২১ সালের ১১ মার্চের অনুমোদনে জমির পরিমাণ ছিল ৩ দশমিক ১৫৬৭ একর। সেই অনুমোদন বাতিল করে ১ দশমিক ৮৯৪৭ একরের নতুন অনুমোদন দেওয়ায় প্রকল্পের জন্য জমির হিসাব হালনাগাদ হয়েছে—এটুকুই সিদ্ধান্ত থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়। পুরোনো অনুমোদনের ভিত্তিতে কোনো অধিগ্রহণের কাজ হয়েছিল কি না, কিংবা তা হলে কতটুকু জমি অন্তর্ভুক্ত ছিল, সে বিষয়ে প্রকাশিত বিবরণে তথ্য নেই।

সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য জমি প্রয়োজন হওয়ায় অধিগ্রহণ-সংক্রান্ত অনুমোদন প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ধাপ। তবে নতুন অনুমোদনের পর মাঠপর্যায়ে কী কী কাজ বাকি রয়েছে, তার সময়সূচি কী এবং সড়ক নির্মাণ কবে শুরু বা শেষ হবে—এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা পাওয়া যায়নি। ফলে অনুমোদনকে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

প্রজ্ঞাপনটি স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-২ শাখা থেকে জারি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্তে জমির পরিমাণ এবং আগের অনুমোদন বাতিলের বিষয়টি স্পষ্ট হলেও প্রকল্পের ব্যয়, সেতুর দৈর্ঘ্য, সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য কিংবা সম্ভাব্য উপকারভোগীর সংখ্যা সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই। এসব তথ্য ছাড়া প্রকল্পের সামগ্রিক অগ্রগতি বা প্রভাব নিয়ে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক হবে না।

এখন পর্যন্ত নিশ্চিত তথ্য হলো, কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর সংযোগ সড়কের জন্য ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণে প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং ২০২১ সালের ১১ মার্চের ৩ দশমিক ১৫৬৭ একরের আগের অনুমোদন বাতিল হয়েছে। পরবর্তী অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া, জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ এবং নির্মাণকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে প্রকল্পটির বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপ আরও স্পষ্ট হবে।

গাজীপুরে শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ও ধামাচাপার চেষ্টা: মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
গাজীপুরে শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ও ধামাচাপার চেষ্টা: মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেফতার

গাজীপুর মহানগরীর গাছা এলাকায় এক শিশু মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার ও পরবর্তীতে সেই ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন ওই মাদ্রাসার শিক্ষক এবং অন্যজন মাদ্রাসাটির পরিচালক। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি কওমী মাদ্রাসায় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে এবং তার বয়স আট বছর বলে জানা গেছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে ওই মাদ্রাসাছাত্রকে শিক্ষক তার কক্ষে নিয়ে যৌন নিপীড়ন চালাতেন। অভিযোগ রয়েছে, শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বাধ্য করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি শিশুটি অসুস্থ বোধ করলে এবং তার শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ্য করলে বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি তার ওপর ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের বর্ণনা দেয়। এরপরই ক্ষুব্ধ অভিভাবক মাদ্রাসার পরিচালকের কাছে প্রতিকার চাইতে যান।

অভিযোগ রয়েছে, মাদ্রাসা পরিচালক ঘটনার ন্যায়বিচার করার বদলে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। উল্টো ভুক্তভোগীর পরিবারকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহায়তা নিয়ে ঘটনাটি আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ। কোনো উপায় না দেখে শিশুটির পরিবার শেষ পর্যন্ত পুলিশের আশ্রয় নেয়। গাছা থানায় এসে তারা এজাহার দায়ের করলে পুলিশ মামলাটি গ্রহণ করে এবং তদন্ত শুরু করে।

গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রব্বানী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পরই অভিযুক্ত শিক্ষক ও মাদ্রাসা পরিচালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার এজাহারে মোট তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী শিশুকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি আদালতের মাধ্যমে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। তদন্তের স্বার্থে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনও জানানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সাথে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামিদের ধরতে সম্ভাব্য সব স্থানে অভিযান চালাচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। মাদ্রাসার মতো একটি পবিত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনা সমাজকে স্তম্ভিত করেছে। ঘটনার সাথে জড়িতরা যাতে কোনোভাবেই পার না পায়, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

মোবাইল ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে কিশোর অপ্রতিম হত্যায় ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
মোবাইল ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে কিশোর অপ্রতিম হত্যায় ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অবশেষে আইনি প্রক্রিয়ায় বড় অগ্রগতি হয়েছে। মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার সময় বাধা দেওয়ায় তাকে হত্যা করার অভিযোগের মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনার দীর্ঘ তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে পুলিশ প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

ঘটনা ও তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পুলিশ গত ২০ অক্টোবর আদালতে এই চার্জশিট জমা দিয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চার্জশিট দাখিলের বিষয়টি সামনে আসায় এখন বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে পরিবার এবং এলাকাবাসী। পুলিশের ভাষ্যমতে, তারা তাদের দায়িত্বের অংশ হিসেবে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন এবং এখন আইনি বাধ্যবাধকতা ও বিচারবিভাগীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপগুলো গৃহীত হবে।

উল্লেখ্য যে, ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম মাত্র ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর ছিল। মোবাইল ছিনতাইয়ের মতো একটি জঘন্য ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে অপ্রতিমকে প্রাণ দিতে হয়, যা পুরো এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও শোকের সৃষ্টি করেছিল। ঘটনার পরপরই পরিবারের পক্ষ থেকে বিচার দাবি করা হয়েছিল এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছিল। তদন্তকালে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের মাধ্যমে পুলিশ চারজন অপরাধীর সম্পৃক্ততা খুঁজে পেয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

হত্যার এই ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবিতে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা গিয়েছিল। একজন মেধাবী এবং সম্ভাবনাময় কিশোরের এমন অকাল মৃত্যুতে পরিবারের শোক কাটিয়ে ওঠা কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন আদালতের মাধ্যমে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হলে অপরাধীরা তাদের কর্মকাণ্ডের উপযুক্ত শাস্তি পাবে বলে আশা করছেন নিহতের স্বজনরা। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চার্জশিট দাখিলের পরবর্তী ধাপগুলোতে সব ধরনের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে যাতে বিচারপ্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ এবং দ্রুত সম্পন্ন হয়।

সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টি এখানে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রকাশ্য দিবালোকে বা সাধারণ সময়ে মোবাইল ছিনতাইয়ের মতো ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে যে কেউ এমন প্রাণঘাতী হামলার শিকার হতে পারে, তা এই হত্যাকাণ্ডের পর মানুষের মনে নতুন করে ভয়ের সঞ্চার করেছে। তবে, চার্জশিট দাখিলের মাধ্যমে পুলিশের এই পদক্ষেপ বিচারপ্রত্যাশীদের জন্য কিছুটা স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। এখন ন্যায়বিচার পাওয়ার অপেক্ষায় পুরো দেশ। অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান করলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।

সর্বশেষ
কক্সবাজারে ভারুয়াখালী খালের সেতুর সংযোগ সড়কে ১.৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন গাজীপুরে শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ও ধামাচাপার চেষ্টা: মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেফতার মোবাইল ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে কিশোর অপ্রতিম হত্যায় ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট বগুড়ার শিশু আবু বক্করের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী টিভির পর্দায় আজকের খেলা: ২৪ অক্টোবর ২০২৬ জর্ডানে গির্জায় সশস্ত্র হামলা: নিহত ৭, আহত ৪০ অবিশ্বাস্য প্রাণশক্তি: পায়ে ক্ষত নিয়ে নিজেই অস্ত্রোপচার, ড্রোন ব্যবহার করে মৃত্যুপুরী থেকে ফেরা ইউক্রেনীয় সেনা ফ্রান্সে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাট ভালো বন্ধু নির্বাচনে সচেতনতা এবং ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি অনলাইন বিনিয়োগের নামে ১১ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চীনা নাগরিকসহ চারজন রিমান্ডে
Advertisement