খুঁজুন
, ,

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের উন্নয়নে ঐক্যের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৬ পূর্বাহ্ণ
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের উন্নয়নে ঐক্যের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে দেশবাসীর প্রতি সম্মিলিত প্রচেষ্টার ডাক দিয়েছেন তিনি। সরকারি এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, দেশের প্রতিটি মানুষের ঘাম ও পরিশ্রমের মাধ্যমেই গড়ে উঠবে আমাদের কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতির পথ। বিভেদ ভুলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়েই জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে জাতীয় সংহতি ও উন্নয়নের বার্তায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ক্রীড়াক্ষেত্র। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, খেলাধুলা কেবল প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনো বিষয় নয়। এটি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান, সম্প্রীতি এবং দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। মাঠের খেলা যেমন খেলোয়াড়দের মধ্যে ঐক্য ও শৃঙ্খলা শেখায়, তেমনি বৃহত্তর পরিসরেও এই মূল্যবোধগুলো চর্চার মাধ্যমে জাতীয় চরিত্র গঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, খেলার মাঠ থেকে পাওয়া এই ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের চেতনা যদি আমাদের প্রতিদিনের কর্মজীবনে প্রতিফলিত হয়, তবেই দেশ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে।

তারেক রহমান তার বক্তব্যে স্মরণ করিয়ে দেন যে, বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণের মানুষ যুগ যুগ ধরে মিলেমিশে বসবাস করছে। এই বৈচিত্র্যই আমাদের শক্তির উৎস। বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে দেশ গঠন ও আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ। কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা ধর্মের মানুষ নয়, বরং আপামর জনসাধারণের অংশগ্রহণ ছাড়া দেশের সামগ্রিক কল্যাণ সম্ভব নয়। তাই সংকীর্ণতাকে পেছনে ফেলে উদার ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ার যে যাত্রা শুরু হয়েছে, সেখানে সবার অবদান সমান গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ। ক্রীড়াচর্চা ও স্বাস্থ্যকর বিনোদনের মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদকমুক্ত ও আদর্শবান করে তোলা সরকারের একটি বড় লক্ষ্য। খেলাধুলা কেবল শরীর চর্চা নয়, বরং এটি তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি ও শৃঙ্খলাবোধ তৈরি করে। তাই গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত প্রতিটি প্রান্তে খেলার মাঠ নিশ্চিত করা এবং ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।

প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানকে জাতীয় সংহতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষক মহল। দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার যে বার্তা তিনি দিয়েছেন, তা সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে সবার সম্মিলিত পরিশ্রম ও দেশপ্রেমই পারে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে এক উচ্চাসনে আসীন করতে।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুনরায় দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, দেশের মাটিতে আমাদের পরিচয় কেবল বাংলাদেশি হিসেবে। ধর্মের পরিচয় নিজের, কিন্তু দেশ সবার। এই পরিচয়কে পুঁজি করেই আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে নিজের বক্তব্য শেষ করেন।

ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি: মেটাকে বিশাল অংকের জরিমানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি: মেটাকে বিশাল অংকের জরিমানা

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা এবং গোপনীয়তা নীতিমালা নিয়ে কড়াকড়ি আরোপের অংশ হিসেবে নতুন করে আলোচনায় এল ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের একটি আদালত মেটাকে বিপুল পরিমাণ অর্থ জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে। মূলত ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা না করা এবং নিজস্ব নীতিমালার ব্যাপারে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশনের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আদালতের রায়ে মেটাকে ২৫ বিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার জরিমানা পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

প্রযুক্তি বিশ্বে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা সবসময়ই একটি সংবেদনশীল বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। ব্যবহারকারীদের তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা যেকোনো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তবে অভিযোগ উঠেছে যে, মেটা তাদের প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা সংক্রান্ত বিষয়ে যথাযথ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। একইসঙ্গে ফেসবুকের গোপনীয়তা নীতিমালা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মাঝে ধোঁয়াশা তৈরি করা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের বিষয়টিও আদালত আমলে নিয়েছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড সরাসরি নিয়ম লঙ্ঘনের শামিল বলে গণ্য করা হয়েছে।

নিউ মেক্সিকোর ওই আদালতের বিচারক দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, মেটা তাদের ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে এবং দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের আচরণ নিশ্চিত করতে পারেনি। এই জরিমানার অংকটি প্রযুক্তি খাতের ইতিহাসে অন্যতম বড় একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আদালত স্পষ্ট করেছে যে, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কোনো আপোষযোগ্য বিষয় নয় এবং নিয়ম ভঙ্গ করলে বড় অংকের মাশুল গুনতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই রায়টি শুধুমাত্র মেটার জন্য নয় বরং পুরো প্রযুক্তি শিল্পের জন্য একটি বড় বার্তা। গত কয়েক বছরে ফেসবুকের বিরুদ্ধে তথ্যের অপব্যবহার, ভুয়া তথ্য ছড়ানো এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের মতো নানা অভিযোগ উঠেছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো প্রতিনিয়ত তাদের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি বাড়াচ্ছে। এই রায়টি সেই চলমান প্রক্রিয়ারই একটি শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ। যদিও মেটার পক্ষ থেকে এই রায় নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি, তবে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

বর্তমানে ইন্টারনেটের ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার বিষয়টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মেটার মতো একটি বড় প্রতিষ্ঠান যদি দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়, তবে তা কোটি কোটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারে। নিউ মেক্সিকোর আদালত যে রায় দিয়েছে, তা ভবিষ্যতে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সচেতন ও সতর্ক হতে বাধ্য করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জরিমানার এই বিশাল অংক মেটার আর্থিক স্থিতিশীলতা বা শেয়ার বাজারের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা নানা হিসেব কষছেন। তবে আইনি এবং ব্যবসায়িক দিক থেকে এটি নিশ্চিত যে, আগামী দিনগুলোতে মেটাকে আরও কঠোর নজরদারির মধ্য দিয়ে চলতে হবে। ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। আদালত তার রায়ে সেই দাবিকেই পুনর্ব্যক্ত করল এবং তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পরিণতি যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তার উদাহরণ তৈরি করল।

মিউনিখে আর্সেনালের লড়াই, বায়ার্নকে আটকে পয়েন্ট ভাগাভাগি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
মিউনিখে আর্সেনালের লড়াই, বায়ার্নকে আটকে পয়েন্ট ভাগাভাগি

ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দুই দল বায়ার্ন মিউনিখ এবং আর্সেনালের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কোনো জয়ী দল পাওয়া গেল না। জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখের ঘরের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে দুই দলই ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল উত্তাপ এবং কৌশলের লড়াই। এই ম্যাচের আগে বায়ার্ন শিবিরে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ভিনসেন্ট কোম্পানি এবং অভিজ্ঞ গোলরক্ষক মানুয়েল ন্যয়ার দলের সঙ্গেই ছিলেন। তবে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের।

ম্যাচের শুরুর দিকে দুই দলই বেশ সতর্ক ছিল। বায়ার্ন মিউনিখ গত ম্যাচের লাল কার্ডের কারণে মাইকেল ওলিসেকে ছাড়াই একাদশ সাজিয়েছিল, যার ফলে আক্রমণে গুছিয়ে নিতে তাদের কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। খেলার শুরুতেই অবশ্য বড় এক ধাক্কা খায় আর্সেনাল। সাত মিনিটের মাথায় চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন দলের অধিনায়ক বুকায়ো সাকা। তবে তার পরিবর্তে মাঠে নামা এবেরেচি এজে দ্রুতই দলের হাল ধরেন। ম্যাচের ২৫ মিনিটের মাথায় মার্টিন ওডেগার্ডের কাছ থেকে আসা এক লম্বা পাস অসাধারণ দক্ষতায় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন এজে এবং বায়ার্নের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক মানুয়েল ন্যয়ারকে পরাস্ত করে আর্সেনালকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

পিছিয়ে পড়ার পর বায়ার্ন মিউনিখ মরিয়া হয়ে আক্রমণে ওঠে। পিছিয়ে পড়ার দশ মিনিটের মধ্যেই অবশ্য ম্যাচে সমতা ফেরাতে সক্ষম হয় স্বাগতিকরা। ৩৫ মিনিটের মাথায় মাঝমাঠ থেকে হ্যারি কেইন এক দুর্দান্ত পাস দেন আলফোনসো ডেভিয়েসের উদ্দেশ্যে। আর্সেনালের রক্ষণভাগের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ডেভিয়েস বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন এবং ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষক দাভিদ রায়াকে পরাস্ত করে স্কোরলাইন ১-১ করেন। এই গোলটি করার নেপথ্যে থাকা হ্যারি কেইনের অ্যাসিস্টটি ছিল চলতি মৌসুমে তার সপ্তম, যা ইউরোপের শীর্ষ পাঁচটি লিগের পরিসংখ্যানে তাকে বেশ এগিয়ে রেখেছে।

বিরতির পর লড়াই আরও জমে ওঠে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই দুই দলই গোল পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ৪৮ মিনিটের মাথায় আর্সেনালের ডেকলান রাইসের কর্নার থেকে ব্রুনো গিমারাইসের একটি হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন মানুয়েল ন্যয়ার, বলটি ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ঠিক তার পরের মিনিটেই বায়ার্নের উপামেকানোর একটি হেড দারুণ ক্ষিপ্রতায় আটকে দেন গোলরক্ষক দাভিদ রায়া। গোলকিপারদের নৈপুণ্যে দুই দলই তখন সমানে সমান লড়াই করছিল।

খেলার ৬১ মিনিটের মাথায় আর্সেনালের ডিফেন্ডার ইয়ুরিয়েন টিম্বার নিজেদের বক্সে বল ব্লক করতে গিয়ে হাত লাগিয়ে বসেন। রেফারি ভিএআর যাচাইয়ের পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে বায়ার্ন মিউনিখকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন। গোলরক্ষক দাভিদ রায়ার বিপরীত দিকে শট নিয়ে বল জালে জড়ান ইংলিশ এই স্ট্রাইকার। তবে বায়ার্নের এগিয়ে থাকার আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ম্যাচে ফেরার লড়াইয়ে থাকা আর্সেনাল শেষ পর্যন্ত সমতাসূচক গোলটি আদায় করে নেয় ৮২ মিনিটের মাথায়। ভিক্টর ইয়োকেরেসের সঙ্গে আক্রমণ সাজিয়ে বল ডেকলান রাইসের কাছে পাঠান ননি মাদুয়েক। বক্সের ডান দিক থেকে নেওয়া রাইসের শট বায়ার্নের জালে জড়ালে সমতায় ফেরে আর্সেনাল। নির্ধারিত সময়ের বাকি অংশে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-২ সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দুই পরাশক্তিকে।

লাইপজিগের বিপক্ষে বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর মঞ্চ প্রস্তুত রিয়াল মাদ্রিদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
লাইপজিগের বিপক্ষে বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর মঞ্চ প্রস্তুত রিয়াল মাদ্রিদের

আসন্ন এল ক্লাসিকোর আগে নিজেদের প্রস্তুতিটা দারুণভাবেই সেরে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বা অন্য কোনো আসরের ম্যাচে জার্মান ক্লাব লাইপজিগের মুখোমুখি হয়ে দাপুটে ফুটবল খেলেছে লস ব্লাঙ্কোসরা। ৪-১ গোলের বিশাল ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। এই জয় রিয়ালের খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা পরবর্তী এল ক্লাসিকোর ম্যাচে বাড়তি প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে চাপে রেখে একের পর এক আক্রমণ সাজিয়েছেন ভিনিসিউস বা এমবাপ্পেরা। মাঠের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নিয়ে প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করে ফেলেছিল মাদ্রিদের দলটি। গোল পাওয়ার জন্য খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি তাদের। প্রথমার্ধেই দারুণ ছন্দময় ফুটবল উপহার দিয়ে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়াতে শুরু করে রিয়াল।

ম্যাচের স্কোরলাইন দেখলে সহজেই অনুমেয় যে রিয়াল মাদ্রিদ এদিন কতটা আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে। চারটি ভিন্ন ভিন্ন খেলোয়াড় গোল করে দলের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন। রিয়ালের হয়ে গোলের দেখা পেয়েছেন বের্নার্দো সিলভা, আরদা গুলের, কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং ইয়ান দিওমান্দে। দলের প্রতিটি সদস্যের এমন সম্মিলিত প্রচেষ্টা রিয়াল কোচকে স্বস্তি দেবে। বিশেষ করে আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের গোল করার প্রবণতা এল ক্লাসিকোর আগে দলের জন্য বড় ইতিবাচক দিক।

অন্যদিকে লাইপজিগ চেষ্টা করেও রিয়ালের শক্তিশালী রক্ষণভাগ ও আক্রমণাত্মক কৌশলের সঙ্গে পেরে ওঠেনি। যদিও গোল করার সুযোগ তৈরি করেছিল জার্মান দলটি, কিন্তু রিয়ালের গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগ কোনো বড় বিপদ ঘটতে দেয়নি। চার গোল হজম করার পর লাইপজিগের খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়তে দেখা যায়, যার সুযোগ নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ আরও বেশ কিছু আক্রমণ তৈরি করেছিল।

এই জয় রিয়াল মাদ্রিদের জন্য কেবল তিনটি পয়েন্ট অর্জনই নয়, বরং এল ক্লাসিকোর আগে নিজেদের ফর্ম ফিরে পাওয়ার একটি বার্তাও বটে। স্প্যানিশ ফুটবলের সবচেয়ে বড় লড়াইয়ের আগে এমন দাপুটে জয় দলটিকে মানসিকভাবে এগিয়ে রাখবে। দলের সেরা তারকারা গোল পেয়েছেন, রক্ষণভাগও ছিল অটল, সবকিছু মিলিয়ে এটি রিয়ালের জন্য একটি পারফেক্ট ম্যাচ ছিল। এখন দেখার পালা, এই জয়ের ছন্দ ধরে রেখে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষেও তারা একই রকম ফুটবল প্রদর্শন করতে পারে কি না।

ম্যাচশেষে রিয়াল কোচ তার দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি খেলোয়াড়দের একাগ্রতা ও খেলার কৌশলের প্রশংসা করেছেন। এখন পুরো মাদ্রিদ শিবিরের নজর পরবর্তী এল ক্লাসিকোর দিকে। ആരാധকরাও চাইছেন লাইপজিগের বিপক্ষে যে ফর্ম তারা দেখিয়েছেন, সেই ফর্ম যেন এল ক্লাসিকোতেও বজায় থাকে। এই জয় যে মাদ্রিদ শিবিরে এক উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে, তা বলাই বাহুল্য।

সর্বশেষ
ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি: মেটাকে বিশাল অংকের জরিমানা মিউনিখে আর্সেনালের লড়াই, বায়ার্নকে আটকে পয়েন্ট ভাগাভাগি লাইপজিগের বিপক্ষে বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর মঞ্চ প্রস্তুত রিয়াল মাদ্রিদের ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের উন্নয়নে ঐক্যের ডাক প্রধানমন্ত্রীর খুলনা ও মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, বন্দর ও জ্বালানি খাতে উন্নয়নের বার্তা বাংলাদেশি পরিচয়েই সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী খুলনা ও মোংলা সফরে প্রধানমন্ত্রী: বন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশেষ গুরুত্ব খুলনা ও মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর সফর: উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে বিশেষ গুরুত্ব ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৩৭৩ শরণখোলায় গৃহবধূর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার একমাত্র আসামি
Advertisement