খুঁজুন
, ,

গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী

অভাবের চাপে অনাগত সন্তানকে বিক্রি করার কথা ভাবতে বাধ্য হওয়া অন্তঃসত্ত্বা আঁখির পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আঁখির অসহায়ত্ব নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের দিনই তিনি মানবিকভাবে তার পাশে দাঁড়ান। তবে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হয়েছে, কিংবা এর পরিমাণ কত—এ বিষয়ে পাওয়া তথ্যের মধ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।

প্রতিবেদনে আঁখির পারিবারিক সংকটের যে চিত্র উঠে এসেছে, তাতে একদিকে রয়েছে তার স্বামীর অসুস্থতা, অন্যদিকে রয়েছে অভাবের চাপ। তিনি তৃতীয়বারের মতো মা হতে চলেছেন। এমন পরিস্থিতিতে অনাগত সন্তানকে বিক্রি করার ইচ্ছার কথা জানান তিনি। তার বক্তব্যকে বাস্তবে সন্তান বিক্রির ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এটি ছিল চরম অসহায়ত্বের মধ্যে তার ভাবনার প্রকাশ।

আঁখির এই অবস্থার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। খবরে বলা হয়েছে, প্রতিবেদন প্রকাশের দিনই তিনি মানবিকভাবে আঁখির পাশে দাঁড়ান। সংকটে থাকা একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর পরিস্থিতি সম্পর্কে রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষিত হওয়া এবং তার প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ—এই ঘটনাটির মূল তাৎপর্য এখানেই। তবে সহায়তার ব্যবস্থা কীভাবে করা হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য না থাকায় তা নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট দাবি করা যাচ্ছে না।

আঁখির ঘটনা দারিদ্র্যের চাপে একজন মায়ের সামনে তৈরি হওয়া কঠিন বাস্তবতাকে সামনে এনেছে। গর্ভধারণের শেষ পর্যায়ে থাকা একজন নারীর জন্য নিজের ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তার স্বামীর অসুস্থতা ও অর্থকষ্টের কথা প্রতিবেদনে উঠে আসায় বোঝা যায়, পরিবারটি সংকটের মধ্যে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সন্তান বিক্রির কথা বলা কোনো সাধারণ সিদ্ধান্ত নয়; বরং তা তার অসহায়তার গভীরতা প্রকাশ করে।

এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট রাখা জরুরি: আঁখি সন্তান বিক্রি করেছেন, এমন কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি। প্রতিবেদনটির বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি অভাবের কারণে অনাগত সন্তানকে বিক্রি করতে চাওয়ার কথা বলেছেন। তাই ঘটনাটিকে সম্পন্ন কোনো বিক্রির ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না। একইভাবে, তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা, চিকিৎসার প্রয়োজন কিংবা পরবর্তী সময়ে কী ঘটেছে—এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য না থাকায় সেগুলোও যোগ করার সুযোগ নেই।

প্রধানমন্ত্রীর সাড়া পাওয়ার বিষয়টি আঁখির সংকটের প্রতি মনোযোগ তৈরি করেছে। তবে তার পাশে দাঁড়ানোর অর্থ কী, তা বিস্তারিতভাবে জানা না থাকায় সহায়তার ধরন সম্পর্কে অনুমান করা যাচ্ছে না। তাৎক্ষণিক কোনো সহায়তা, দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা কিংবা পরিবারের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে কোনো তথ্যও এখানে নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়নি। এই সীমাবদ্ধতা মেনে চলেই ঘটনাটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে আঁখির বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে অপ্রমাণিত কোনো তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

আঁখির পরিচয় ও অবস্থার বিষয়ে প্রকাশিত তথ্য সীমিত হলেও তার বলা কথাটি সংকটের তীব্রতা বুঝিয়ে দেয়। স্বামী অসুস্থ, সংসারে অভাব, আর তিনি তৃতীয় সন্তানের মা হতে চলেছেন—এই তথ্যগুলোই তার পরিস্থিতির প্রধান দিক। এমন একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসার পর তিনি পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ বা সহায়তা নিয়ে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে আঁখি ও তার পরিবারের অবস্থা আরও স্পষ্ট হবে।

এ মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, আঁখির অসহায়ত্বের খবর প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি জানতে পেরেছেন এবং প্রকাশের দিনই মানবিকভাবে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। অনাগত সন্তান বিক্রির কোনো ঘটনা ঘটেছে—এমন প্রমাণিত তথ্য নেই। একই সঙ্গে সহায়তার সুনির্দিষ্ট বিবরণও পাওয়া যায়নি। তাই আঁখির পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদে নিশ্চিত তথ্যের বাইরে না গিয়ে তার সংকট এবং প্রধানমন্ত্রীর সাড়ার বিষয়টিই গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হচ্ছে।

শরণখোলায় গৃহবধূর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার একমাত্র আসামি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
শরণখোলায় গৃহবধূর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার একমাত্র আসামি

বাগেরহাটের শরণখোলায় গৃহবধূ শান্তা আক্তার জুঁইয়ের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় একমাত্র আসামি মাসুদ খাঁনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬ সদর কোম্পানি। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে খুলনা মহানগরীর শিরোমণি বাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে এসআরবি-৬-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারের পর মাসুদ খাঁনকে বাগেরহাটে নেওয়া হচ্ছে। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। মামলায় তাঁকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। তবে মামলাটি কবে দায়ের হয়েছে, গ্রেপ্তারের আগে তিনি কোথায় ছিলেন কিংবা তাঁকে শনাক্ত করার প্রক্রিয়া কী ছিল—এসব বিষয়ে পাওয়া তথ্যের মধ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।

মামলার কেন্দ্রে রয়েছেন শরণখোলার বাসিন্দা শান্তা আক্তার জুঁই, যাঁর বয়স ৩০ বছর। তিনি একজন গৃহবধূ এবং তাঁর স্বামী প্রবাসে থাকেন। তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। সেই মামলায় মাসুদ খাঁনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের সুনির্দিষ্ট বিবরণ, ঘটনার আগে তাঁদের মধ্যে কী ধরনের যোগাযোগ ছিল, কিংবা অভিযোগের পক্ষে কী তথ্য-প্রমাণ রয়েছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

ঘটনাটির বিষয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যায়, জুঁইয়ের মৃত্যুর পর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা হয়েছে এবং ওই মামলায় উল্লেখিত একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য পর্যালোচনা এবং আইনি প্রক্রিয়ায় প্রমাণের মূল্যায়নের পরই মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব। এ পর্যায়ে মাসুদ খাঁনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।

এসআরবি-৬-এর অধিনায়ক বুধবার দুপুরে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন। বাহিনীর সদর কোম্পানির সদস্যরা মঙ্গলবার রাতে খুলনা মহানগরীর শিরোমণি বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করেন বলে জানানো হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় কোনো সংঘর্ষ, বাধা বা অন্য কোনো ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে অভিযানের বিস্তারিত কৌশল, আসামিকে খুঁজে পাওয়ার সূত্র কিংবা গ্রেপ্তারের পর তাঁকে কোথায় রাখা হয়েছিল, সে বিষয়েও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার স্থান হিসেবে শরণখোলার কথা জানা গেলেও জুঁইয়ের মৃত্যুর তারিখ, সুনির্দিষ্ট স্থান এবং কী পরিস্থিতিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে—এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি। তাই এ বিষয়ে অনুমানভিত্তিক কোনো বিবরণ দেওয়ার সুযোগ নেই। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কী বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, কিংবা মামলার অভিযোগে ঘটনার পেছনের কারণ হিসেবে কী বলা হয়েছে, তাও প্রকাশিত তথ্যের মধ্যে স্পষ্ট নয়। এসব বিষয় মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যের মাধ্যমে পরিষ্কার হতে পারে।

মাসুদ খাঁনকে বাগেরহাটে নেওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া এগোবে। তবে তাঁকে আদালতে হাজির করার সময়, আদালতের সিদ্ধান্ত বা মামলার পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য জানানো হয়নি। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানানো হলেও এর নির্দিষ্ট ধাপ সম্পর্কে নিশ্চিত বিবরণ না থাকায় পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আগাম কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। মামলার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য থেকে নতুন তথ্য জানা যেতে পারে।

এ ধরনের মামলায় অভিযোগকারী পক্ষের বক্তব্য, আসামির বক্তব্য এবং তদন্তে পাওয়া তথ্য—সবকিছুরই আইন অনুযায়ী যাচাই প্রয়োজন। জুঁইয়ের মৃত্যুকে ঘিরে যে অভিযোগ উঠেছে, তার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা ঘটনার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তমূলক বর্ণনা দেওয়া সমীচীন নয়। এই মুহূর্তে নিশ্চিত তথ্য হলো, আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় মাসুদ খাঁনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য তাঁকে বাগেরহাটে নেওয়া হচ্ছে।

সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দেশের সকল ধর্মের নাগরিকদের জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। সাম্প্রতিক এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপ্রধান এই অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্র এবং এর প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যা যেকোনো মূল্যে সমুন্নত রাখা জরুরি।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই রাষ্ট্রের প্রতিটি মানুষ সমান অধিকার পাওয়ার যোগ্য। জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার পাওয়াটা তাদের ন্যায্য অধিকার। রাষ্ট্রের মূল ভিত্তিই হলো সমতা। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে সমান মর্যাদা এবং নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান করেছে। এই অধিকারের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং এর বাস্তবায়নে কোনো ধরনের শৈথিল্য প্রদর্শনের সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মূলমন্ত্র হওয়া উচিত ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করেই জাতীয় সংহতি ও ঐক্য গড়ে তোলা সম্ভব। যখন রাষ্ট্রের প্রতিটি মানুষ অনুভব করবে যে তিনি সমান সুযোগ পাচ্ছেন এবং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত আছে, তখনই দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে। এই দর্শনকে কার্যকরভাবে রূপ দিতে একটি বিশেষায়িত জাতীয় কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।

রাষ্ট্রপতির মতে, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ এদেশে বসবাসরত প্রতিটি ধর্মাবলম্বী মানুষই এই রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের অবস্থান সমান। তিনি মনে করেন, একটি সঠিক কাঠামো বা কমিটির মাধ্যমে এই সমতার বিষয়টি তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নিশ্চিত করা সম্ভব। এর ফলে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় থাকবে এবং সমাজে বৈষম্য দূর হবে।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এমন আহ্বান দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির এই সাম্প্রতিক বক্তব্য সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাব গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে এবং অচিরেই এর প্রতিফলন দেখা যাবে।

এই কমিটির রূপরেখা ও কার্যপরিধি কেমন হবে এবং কারা এর সদস্য হবেন, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন নীতি-নির্ধারক মহল। তবে মূল লক্ষ্য থাকবে ধর্মীয় ও জাতিগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিক অধিকার ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। রাষ্ট্রপতির এই আহ্বানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধি এবং নাগরিক সমাজের সদস্যরা। তারা মনে করছেন, এটি দেশের সামগ্রিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

পিসার টাওয়ারকেও ছাড়িয়ে হেলে আছে গ্রিসের পাহাড়ি গ্রামের গির্জা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
পিসার টাওয়ারকেও ছাড়িয়ে হেলে আছে গ্রিসের পাহাড়ি গ্রামের গির্জা

ইতালির পিসার হেলানো টাওয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা পর্যটকদের পরিচিত অভিজ্ঞতা। ছবিতে কেউ টাওয়ারটিকে ঠেলে সোজা করার ভঙ্গি করেন, কেউ আবার হাত বাড়িয়ে সেটিকে ধরে রাখার অভিনয় করেন। কিন্তু হেলে থাকা কোনো স্থাপনা দেখতে সব সময় ইতালিতে যেতে হয় না। গ্রিসের থেসালি অঞ্চলের পাহাড়ি গ্রাম রোপোতোতেও রয়েছে এমন একটি গির্জা, যার কাত হয়ে থাকার কথা পিসার টাওয়ারের সঙ্গে তুলনা করে বলা হয়।

পিসার টাওয়ারের মতো পরিচিত স্থাপনার সঙ্গে তুলনা গির্জাটিকে আলাদা করে নজরে আনে। তবে দুটির পরিচয় এক নয়: একটি ইতালির পিসা শহরের বিখ্যাত টাওয়ার, অন্যটি গ্রিসের একটি গ্রামের গির্জা। গির্জাটির অবস্থান থেসালি অঞ্চলের রোপোতো গ্রামে—এই ভৌগোলিক পরিচয়ই এর কাহিনির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পাহাড়ি গ্রামের একটি উপাসনালয় কীভাবে এমন অস্বাভাবিকভাবে হেলে আছে, তা জানার আগ্রহ থেকেই অনেকের কাছে জায়গাটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।

হেলে থাকা স্থাপনা দেখলে চোখে প্রথমে পড়ে তার স্বাভাবিক উল্লম্ব অবস্থান থেকে সরে যাওয়া। গির্জাটির ক্ষেত্রেও সেই দৃশ্যই পিসার টাওয়ারের সঙ্গে তুলনার ভিত্তি। তবে তুলনাটি দৃশ্যগত; এখানে গির্জা ও টাওয়ারের নির্মাণ, ব্যবহার কিংবা ইতিহাস একই—এমন কোনো দাবি করা হচ্ছে না। একটি ধর্মীয় স্থাপনা এবং একটি পরিচিত টাওয়ারকে পাশাপাশি ভাবার সুযোগ তৈরি হয়েছে তাদের কাত হয়ে থাকা অবয়বের কারণে।

গির্জাটির সুনির্দিষ্ট হেলে থাকার কোণ, নির্মাণকাল বা কাত হওয়ার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা বা ব্যাখ্যা জুড়ে দেওয়া ঠিক হবে না। একইভাবে স্থাপনাটির বর্তমান অবস্থা, ভেতরে প্রবেশের সুযোগ কিংবা সেখানে নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রম হয় কি না—এসব বিষয়েও নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। কোনো স্থাপনার ছবি বা সংক্ষিপ্ত পরিচিতি থেকে তার ইতিহাসের সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না; নিশ্চিত তথ্য আর অনুমানের সীমা আলাদা রাখাও জরুরি।

তার পরও রোপোতোর গির্জা নিয়ে আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে একটি সহজ, চোখে পড়ার মতো বৈশিষ্ট্য: এটি সোজা দাঁড়িয়ে নেই। পিসার টাওয়ারের সঙ্গে তুলনা সেই বৈশিষ্ট্যকে আরও সহজে বোঝায়। অনেকেই টাওয়ারটির পরিচিত ছবির সঙ্গে হেলে থাকা গির্জার দৃশ্য মিলিয়ে দেখতে পারেন। কিন্তু তুলনাটি যেন গির্জাটির নিজস্ব পরিচয়কে আড়াল না করে। এটি শুধু কোনো বিখ্যাত স্থাপনার অনুকরণে আলোচিত নয়; গ্রিসের থেসালি অঞ্চলের রোপোতো গ্রামের নিজস্ব একটি স্থাপনা হিসেবেই এর পরিচিতি।

ভ্রমণের পরিকল্পনায় কোনো জায়গার নাম শুনলেই সেখানে যাওয়া যাবে, বা স্থাপনাটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত—এমন ধরে নেওয়া উচিত নয়। রোপোতোর গির্জার বিষয়ে পাওয়া তথ্য থেকে যাতায়াতের ব্যবস্থা, দর্শনার্থীদের প্রবেশের নিয়ম বা স্থানীয় সুবিধা সম্পর্কে কিছু নিশ্চিত করা যায় না। তাই কেউ জায়গাটি দেখতে চাইলে রওনা হওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে হালনাগাদ তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন। এতে গন্তব্যের বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় এবং অযাচাইকৃত বর্ণনার ওপর নির্ভর করতে হয় না।

পিসার টাওয়ারকে ঘিরে যে আলোকচিত্রের কৌশল পর্যটকদের মধ্যে জনপ্রিয়, রোপোতোর গির্জার কাত অবয়বও তেমন কৌতূহল তৈরি করতে পারে। তবে এখানে আকর্ষণ শুধু ছবি তোলার ভঙ্গিতে সীমাবদ্ধ নয়; একটি পাহাড়ি গ্রামের গির্জা কেন এমনভাবে হেলে আছে, সেই প্রশ্নও স্বাভাবিকভাবে সামনে আসে। উত্তর জানতে হলে স্থাপনার ইতিহাস ও স্থানীয় প্রেক্ষাপট সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রয়োজন। সেই তথ্য ছাড়া কারণ নির্ধারণ না করে, নিশ্চিতভাবে জানা পরিচয়টুকুই বলা যায়: গির্জাটি গ্রিসের থেসালি অঞ্চলের রোপোতো গ্রামে অবস্থিত এবং পিসার হেলানো টাওয়ারের চেয়েও বেশি কাত হয়ে আছে বলে বর্ণিত।

বিশ্বের পরিচিত স্থাপনার বাইরে এমন কোনো জায়গার কথা জানা গেলে ভ্রমণপ্রেমীদের আগ্রহ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। রোপোতোর গির্জা সেই আগ্রহের একটি উদাহরণ। তার অবস্থান, কাত হয়ে থাকা এবং পিসার টাওয়ারের সঙ্গে তুলনা—এই তিন তথ্যেই আপাতত খবরটির মূল বিষয় স্পষ্ট। আরও নির্দিষ্ট ইতিহাস বা পরিদর্শনসংক্রান্ত তথ্য ছাড়া এর চেয়ে বেশি কিছু নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তবু এই অস্বাভাবিক দৃশ্য মনে করিয়ে দেয়, কোনো স্থাপনার প্রতি মানুষের কৌতূহল তৈরি হতে পারে তার পরিচিতির পাশাপাশি চোখে পড়া গঠনগত বৈশিষ্ট্য থেকেও।

সর্বশেষ
শরণখোলায় গৃহবধূর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার একমাত্র আসামি সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির পিসার টাওয়ারকেও ছাড়িয়ে হেলে আছে গ্রিসের পাহাড়ি গ্রামের গির্জা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাচেষ্টা মামলায় দিলীপ আগরওয়ালের ৪ দিনের রিমান্ড সৌদি আরবে ভিক্ষাবৃত্তিতে কারাদণ্ড ও জরিমানা, প্রবাসীদেরও দেশে ফেরত পাঠানোর বিধান দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ করে আ.লীগের সঙ্গে আঁতাত করছে বিএনপি: গোলাম পরওয়ার যশোর বিএনপি কার্যালয়ে চালু হলো ২ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, আলিসের অভিষেক গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী নারীদের ব্যবসা ও অর্থ নিয়ে অভিজ্ঞতার কথা বললেন ক্যাটরিনা
Advertisement