খুঁজুন
, ,

আসামে উচ্ছেদ অভিযান ও ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ ঘিরে উত্তাপ

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
আসামে উচ্ছেদ অভিযান ও ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ ঘিরে উত্তাপ

ভারতের আসাম রাজ্যে সরকারি উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বাঙালি মুসলিম অধ্যুষিত বসতিগুলোতে প্রশাসনিক তৎপরতায় হাজার হাজার মানুষ তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়েছেন। সাম্প্রতিক এই উচ্ছেদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এবং স্থানীয় বিভিন্ন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্য ও পোস্টের মাধ্যমে জানা গেছে, এই অভিযানে কেবল বাড়িঘরই নয়, বরং ধর্মীয় স্থাপনা ভেঙে ফেলার গুরুতর অভিযোগও উঠেছে।

প্রাথমিক তথ্যানুসারে, সরকারি অভিযানে প্রায় এক হাজার একশ’রও বেশি পরিবারকে তাদের পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। যাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই আর্থসামাজিক দিক থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত সময় বা পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আকস্মিকভাবে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ তাদের সহায়-সম্বল রক্ষার সুযোগ পাননি। শীতের এই সময়ে খোলা আকাশের নিচে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে অনেককে। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগের তীর সরাসরি প্রশাসনের দিকে, যারা উন্নয়নের নামে বা সরকারি খাস জমি উদ্ধারের দোহাই দিয়ে তাদের উচ্ছেদ করেছে।

অভিযানের সবচেয়ে স্পর্শকাতর দিকটি হলো ধর্মীয় উপাসনালয় ভাঙার অভিযোগ। ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, উচ্ছেদ চলাকালীন এলাকায় থাকা কয়েকটি মসজিদও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ লক্ষ করা যাচ্ছে। অনেকে একে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষপ্রসূত কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে এর বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন। যদিও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই ভাঙচুরের অভিযোগ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

আসামে দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি জমি থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের নামে বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক এই উচ্ছেদটি যে মাত্রায় হয়েছে, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, উন্নয়ন ও সরকারি জমি পুনরুদ্ধারের আইনি প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও, যেভাবে ধর্মীয় স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, তা মানবাধিকারের প্রশ্নে নতুন করে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলেও পাল্টাপাল্টি দোষারোপ চলছে। একটি পক্ষ এটিকে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছে, অন্য পক্ষ এটিকে নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় গোষ্ঠীকে কোণঠাসা করার ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে।

উচ্ছেদ পরবর্তী পরিস্থিতিতে ওই এলাকাগুলোতে থমথমে ভাব বিরাজ করছে। পর্যাপ্ত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই এই বিপুল সংখ্যক মানুষকে গৃহহীন করায় চরম সংকটে পড়েছেন তারা। স্থানীয় সমাজকর্মীরা বলছেন, সরকার উচ্ছেদের আগে অন্তত বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারত। কিন্তু সেই নিয়ম না মেনে হঠকারী পদক্ষেপে চরম মানবিক বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা এখন সরকারের কাছে পুনর্বাসন এবং ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংসের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রতিকার দাবি করছেন। পুরো বিষয়টি এখন আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের আশঙ্কা, এই উচ্ছেদ অভিযানের জেরে দীর্ঘমেয়াদী সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা ১৮ সোনার বারসহ গ্রেপ্তার এক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
   
ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা ১৮ সোনার বারসহ গ্রেপ্তার এক

ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে যশোরের শার্শা থেকে আনা ১৮টি সোনার বারসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সোনার বারগুলো ভারতে পাচারের পরিকল্পনা ছিল। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির পরিচয়, তাঁকে কোথা থেকে আটক করা হয়েছে এবং সোনার বারগুলোর ওজন বা আনুমানিক মূল্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিষয়ে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়েছে, সোনার বারগুলো শার্শা থেকে আনা হয়েছিল। কিন্তু সেগুলো কীভাবে আনা হয়, কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কিংবা পাচারের সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না—এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য উল্লেখ নেই। তাই ঘটনার পথ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা বা পাচারের পরিকল্পনার পরিধি নিয়ে এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

পুলিশের হাতে ১৮টি বারসহ একজনের গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া গেলেও জব্দ করা সোনার মোট ওজন, বারগুলোর বৈশিষ্ট্য এবং সেগুলোর উৎস যাচাইয়ের বিষয়ে কোনো বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হয়নি। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তাঁকে আদালতে তোলা হয়েছে কি না, কিংবা কোনো মামলা হয়েছে কি না—এ তথ্যও নিশ্চিত নয়।

সোনার বারগুলো ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল—প্রাথমিক তথ্যের মূল বিষয় এটি। তবে পাচারের সম্ভাব্য গন্তব্য, সীমান্ত পার করার পরিকল্পিত সময় বা ব্যবহৃত পথ সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত বিবরণ নেই। এসব তথ্য ছাড়া ঘটনাটির সঙ্গে বৃহত্তর কোনো চক্রের সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা অনুমান করা সমীচীন হবে না।

ঘটনার পূর্ণ বিবরণ পেতে গ্রেপ্তারের স্থান, জব্দ করা সোনার পরিমাণ ও মূল্য, অভিযুক্তের পরিচয় এবং পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি জানা প্রয়োজন। বর্তমানে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, পুলিশ ১৮টি সোনার বারসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বারগুলো শার্শা থেকে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। এর বাইরে কোনো তথ্য নিশ্চিত না হওয়ায় প্রতিবেদনে তা যোগ করা হয়নি।

শাহজালাল বিমানবন্দরে তিন যাত্রীর লাগেজ চুরির অভিযোগে জসিম গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
   
শাহজালাল বিমানবন্দরে তিন যাত্রীর লাগেজ চুরির অভিযোগে জসিম গ্রেফতার

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীবেশে তিন যাত্রীর লাগেজ চুরির অভিযোগে জসিম নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। তাঁকে কচুয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। তবে কচুয়া কোন জেলার, তা স্পষ্ট করা হয়নি।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুযায়ী, বিমানবন্দরে যাত্রী সেজে থাকা অবস্থায় তিনজনের লাগেজ চুরির অভিযোগ রয়েছে জসিমের বিরুদ্ধে। এপিবিএন তাঁকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগে তিনজন যাত্রীর লাগেজের কথা বলা হলেও তাঁদের পরিচয়, যাত্রার বিবরণ কিংবা লাগেজগুলো কখন হারায়—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

চুরির অভিযোগটি বিমানবন্দরের মতো ব্যস্ত যাত্রী চলাচলের স্থানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তবে ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নির্দিষ্ট সময়, কোন স্থানে লাগেজগুলো রাখা ছিল, কিংবা চুরির পদ্ধতি সম্পর্কে প্রকাশিত তথ্যে কিছু বলা হয়নি। ফলে এসব বিষয়ে নিশ্চিত কোনো বিবরণ দেওয়া যাচ্ছে না। যাত্রীবেশে থাকার বিষয়টি অভিযোগের অংশ; এর বাইরে অভিযুক্ত কীভাবে যাত্রীদের লাগেজের কাছে গিয়েছিলেন, সে তথ্যও জানা যায়নি।

এপিবিএনের হাতে গ্রেফতারের তথ্য পাওয়া গেলেও অভিযুক্তকে ঠিক কবে আটক করা হয়েছে, কচুয়ায় কীভাবে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা হয় এবং গ্রেফতারের সময় তাঁর কাছ থেকে কোনো লাগেজ বা অন্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর প্রকাশিত বিবরণে নেই। তাই উদ্ধার, শনাক্তকরণ বা জব্দের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

একইভাবে, তিন যাত্রীর লাগেজে কী ধরনের জিনিস ছিল, সেগুলোর আনুমানিক মূল্য কত এবং যাত্রীরা কীভাবে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন—এ বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি। ঘটনার দিন-তারিখ বা বিমানবন্দরের কোন অংশে চুরির অভিযোগ উঠেছে, তাও স্পষ্ট নয়। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, অভিযোগটি তিন যাত্রীর লাগেজ চুরিকে ঘিরে এবং এ ঘটনায় জসিম নামের এক ব্যক্তিকে এপিবিএন গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতার হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। মামলার পরবর্তী অগ্রগতি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, কিংবা তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছে কি না—এসব তথ্যও পাওয়া যায়নি। তাই জসিমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা প্রয়োজন; বিচারিক প্রক্রিয়া বা তদন্তের ফল সম্পর্কে আগাম কোনো বক্তব্য দেওয়ার অবকাশ নেই।

বিমানবন্দরে লাগেজ হারানো যাত্রীর জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে, বিশেষ করে যখন যাত্রার সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত সামগ্রী থাকে। তবে এই নির্দিষ্ট ঘটনায় যাত্রীদের কী অসুবিধা হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে কি না, কিংবা তাঁদের লাগেজ ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে কি না—কোনোটিই নিশ্চিত নয়। তাঁদের ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কেও তথ্য নেই।

ঘটনাটির পূর্ণ চিত্র পেতে চুরির অভিযোগের সময় ও স্থান, যাত্রীদের বক্তব্য, লাগেজের অবস্থা এবং গ্রেফতারের পর পুলিশের পদক্ষেপ সম্পর্কে আরও তথ্য প্রয়োজন। এসব বিবরণ ছাড়া ঘটনার ধারাবাহিকতা বা অভিযুক্তের ভূমিকা নিয়ে বাড়তি দাবি করা ঠিক হবে না। আপাতত জানা তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়, শাহজালাল বিমানবন্দরে তিন যাত্রীর লাগেজ চুরির অভিযোগে জসিমকে গ্রেফতার করেছে এপিবিএন এবং তাঁকে কচুয়া থেকে আটক করা হয়েছে।

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের আঁতাতের অভিযোগ উদ্বেগজনক: গাজী আতাউর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
   
পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের আঁতাতের অভিযোগ উদ্বেগজনক: গাজী আতাউর রহমান

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের মধ্যে আঁতাতের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী যে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন, তা জনমনে উদ্বেগ তৈরির জন্য যথেষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। বুধবার দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। এর আগের দিন রাজশাহীতে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে তথ্য তুলে ধরেছেন বলে গাজী আতাউর রহমানের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

গাজী আতাউর রহমানের মন্তব্যের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগের গুরুত্ব এবং তা ঘিরে তৈরি হতে পারে এমন উদ্বেগ। তবে তাঁর বক্তব্যের সংক্ষিপ্ত বিবরণে অভিযোগের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী তথ্য দিয়েছেন, কারা কথিত আঁতাতে জড়িত কিংবা বিষয়টি কোন সময়ের—এসব বিস্তারিত উল্লেখ নেই। ফলে অভিযোগের নির্দিষ্ট দিকগুলো সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যটি রাজশাহীর জনসভায় দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। জনসভায় তিনি পতিত স্বৈরাচার ও একটি বিরোধী দলের মধ্যে আঁতাতের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরেছেন—গাজী আতাউর রহমানের বক্তব্যে এমনটাই বলা হয়েছে। তবে জনসভার বক্তব্যের পূর্ণ বিবরণ, অভিযোগের পটভূমি কিংবা সেখানে উত্থাপিত তথ্যের প্রকৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত পাওয়া যায়নি। এ কারণে অভিযোগের বিষয়বস্তু নিয়ে এর বাইরে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

রাজনৈতিক বক্তব্যে কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে আঁতাতের অভিযোগ উঠলে সেটির নির্দিষ্টতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারা সংশ্লিষ্ট, কী ধরনের যোগাযোগ বা সমঝোতার কথা বলা হচ্ছে এবং দাবির ভিত্তি কী—এসব প্রশ্নের উত্তর থাকলে অভিযোগটি বোঝা সহজ হয়। কিন্তু এখানে পাওয়া তথ্যের মধ্যে এসব প্রশ্নের উত্তর নেই। তাই গাজী আতাউর রহমানের প্রতিক্রিয়ার বাইরে অভিযোগের ব্যাখ্যা বা সত্যতা নিয়ে নিশ্চিত বক্তব্য দেওয়া সমীচীন নয়।

গাজী আতাউর রহমান অভিযোগটিকে উদ্বেগজনক বলেছেন; তবে তাঁর বক্তব্যে এর পরবর্তী করণীয়, কোনো তদন্তের দাবি কিংবা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বিষয়ে অতিরিক্ত বক্তব্যের উল্লেখ নেই। একইভাবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার বক্তব্যের বিস্তারিতও এখানে নেই। ফলে তাঁর প্রতিক্রিয়াকে অভিযোগের বিষয়ে একটি রাজনৈতিক মন্তব্য হিসেবেই দেখা যাচ্ছে; এটি অভিযোগের পক্ষে নতুন কোনো প্রমাণ বা আলাদা তথ্য প্রকাশ করে না।

আঁতাতের অভিযোগের সঙ্গে বিরোধী দলের প্রসঙ্গ যুক্ত থাকায় বক্তব্যটি রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তবে কোন বিরোধী দলের কথা বলা হয়েছে, সেই পরিচয়ও গাজী আতাউর রহমানের বক্তব্যের সংক্ষিপ্ত বিবরণে নির্দিষ্ট করা হয়নি। একইভাবে ‘পতিত স্বৈরাচার’ বলতে কাকে বা কোন পক্ষকে বোঝানো হয়েছে, তা নিয়েও বিস্তারিত নেই। এসব পরিচয় অনুমান করে যুক্ত করলে ঘটনার তথ্যগত সীমা অতিক্রম করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষ বা বিরোধী দলের কোনো প্রতিক্রিয়ার তথ্যও পাওয়া যায়নি। তাই তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছে, ব্যাখ্যা দিয়েছে কিংবা কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে—এমন কিছু বলা যাচ্ছে না। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই হয়েছে কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত তথ্য নেই। বর্তমান তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর জনসভায় এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়ার কথা বলেছেন এবং গাজী আতাউর রহমান সেই অভিযোগকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন।

এ ধরনের রাজনৈতিক অভিযোগ নিয়ে আলোচনায় বক্তব্যের নির্দিষ্টতা ও প্রমাণের বিষয়টি আলাদা করে দেখা জরুরি। একদিকে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, অন্যদিকে রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিবের প্রতিক্রিয়া। কিন্তু অভিযোগের পূর্ণ বিবরণ, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং দাবির ভিত্তি সম্পর্কে তথ্য ছাড়া বিষয়টির বিস্তৃত মূল্যায়ন সম্ভব নয়। আপাতত গাজী আতাউর রহমানের মন্তব্যে জনমনে উদ্বেগের কথা উঠে এসেছে; অভিযোগের অন্যান্য দিক সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

সর্বশেষ
ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা ১৮ সোনার বারসহ গ্রেপ্তার এক শাহজালাল বিমানবন্দরে তিন যাত্রীর লাগেজ চুরির অভিযোগে জসিম গ্রেফতার পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের আঁতাতের অভিযোগ উদ্বেগজনক: গাজী আতাউর রহমান চাঁদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, মামলা ও গ্রেফতার হেড অব এডিসি পদে নিয়োগ দেবে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন মা ও মেয়ে, আহত ৪ বিয়ের ছয় দিনের মাথায় নববধূর মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি গ্রেপ্তার আসামে উচ্ছেদ অভিযান ও ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ ঘিরে উত্তাপ নিরাপত্তাহীনতায় স্থবির জনজীবন: সন্ধ্যা নামলেই পথচারীশূন্য সড়ক বলিউডে অভিষেকের আগেই আলোচনায় ইশা মালভিয়া
Advertisement