খুঁজুন
, ,

জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন

আলোকিত সারাদেশ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন

রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান নানা হিসাব-নিকাশের মাঝে বড় ধরনের চমক নিয়ে এলো জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বর্তমান পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার দুপুরে দলটির গুরুত্বপূর্ণ নেত্রী সামান্তা শারমিন তার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দীর্ঘ সময় ধরে দলের ভেতরে চলা অস্থিরতা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে মতপার্থক্যের জের ধরেই তিনি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিজের ফেসবুক পোস্টে সামান্তা শারমিন স্পষ্ট করেছেন যে, তার এই পদত্যাগ হঠাৎ কোনো আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়। তিনি দীর্ঘ প্রায় এক বছর আগে থেকেই দলের অভ্যন্তরে জোট গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে নিজস্ব ভিন্নমত পোষণ করে আসছিলেন। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর সাথে রাজনৈতিক সমঝোতা বা জোট করার যে কৌশল এনসিপি গ্রহণ করেছিল, তা তার আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক বলে তিনি মনে করেন। বিবৃতিতে তিনি সরাসরি উল্লেখ করেছেন যে, নীতিগত বা কৌশলগত—কোনো দিক থেকেই জামায়াতকে মিত্র হিসেবে বিবেচনা করার পক্ষপাতী তিনি নন।

সামান্তা শারমিনের এই পদত্যাগ জাতীয় নাগরিক পার্টির সাংগঠনিক কাঠামোর ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন ধরে এনসিপির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকা এই নেত্রী বরাবরই দলের ভেতরে স্পষ্টবাদী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের রাজনীতির সমীকরণ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জোট ও মহাজোট গড়ার নতুন নতুন কৌশল নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় এনসিপি যে পথ বেছে নিয়েছিল, তার সাথে একাত্ম হতে পারেননি তিনি।

তিনি জানিয়েছেন, দলের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে এই ভিন্নমতের বিষয়টি তিনি বারবার উত্থাপন করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু কোনো সমাধান না হওয়ায় অবশেষে পদত্যাগের পথই বেছে নিলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এই ঘোষণা আসার পর থেকেই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বড় কোনো রাজনৈতিক দলের ভেতরে থাকা ছোট ছোট মতবিরোধগুলো যদি সঠিক সময়ে মীমাংসা না করা হয়, তবে তা দলের ভাঙনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সামান্তার প্রস্থান ঠিক তেমনই একটি ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এদিকে, এনসিপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সামান্তা শারমিনের পদত্যাগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে দলের শীর্ষ নেতারা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানা গেছে। ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে এই পদত্যাগ ইস্যুটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সামান্তা শারমিনের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা কী হতে যাচ্ছে এবং তিনি অন্য কোনো দলে যোগ দেবেন কিনা, তা নিয়েও গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তবে আপাতত তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেই রাজনীতি থেকে কিছুটা বিরতি কিংবা নতুন কোনো অধ্যায় শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছেন। দলের ভেতরে আদর্শিক দ্বন্দ্ব ও জোট রাজনীতির জটিল সমীকরণে সামান্তার এই বিদায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জন্য বড় এক ধাক্কা হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানি কমলেও বাংলাদেশের অংশীদারত্ব বাড়ল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
   
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানি কমলেও বাংলাদেশের অংশীদারত্ব বাড়ল

বিশ্বজুড়ে তৈরি পোশাকের দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা গেলেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ এখনো কিছুটা কম দামে পণ্য সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির সামগ্রিক চিত্রে বড় ধরনের পতন দেখা গেলেও বাংলাদেশ তার সক্ষমতার প্রমাণ রেখে বাজারের বড় একটি অংশ দখল করে রেখেছে। মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের অধীন অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণ করলে এই চিত্র স্পষ্ট হয় যে, দেশটিতে পোশাকের চাহিদা কমার নেতিবাচক প্রভাব অন্য অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশের ওপর তুলনামূলক কম পড়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক আমদানি সব মিলিয়ে ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতা এবং ভোক্তা পর্যায়ে চাহিদার সংকোচনের কারণে মূলত এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির পরিমাণ ৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমেছে। যদিও আমদানির এই হার হ্রাস পাওয়া উদ্বেগজনক, তবে সামগ্রিক বাজারের তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি কমার গতি ধীর হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব বা মার্কেট শেয়ার বরং বেড়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, সংকটকালীন সময়েও মার্কিন ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশ এখনো আস্থার জায়গা দখল করে আছে।

বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে পোশাকের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে পণ্য সরবরাহ করতে পারায় প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে সুবিধা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় বাজারে পণ্য রপ্তানি ধরে রাখা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং কর্মসংস্থানের বড় একটি অংশ এই খাতের ওপর নির্ভরশীল। তবে কেবল কম দামে পণ্য বিক্রি করাই দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের পথ হতে পারে না। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার যে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলা করতে না পারলে ভবিষ্যতে লাভের অংক কমে যেতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারের সাম্প্রতিক এই নেতিবাচক প্রবণতা কেবল বাংলাদেশের জন্যই নয়, বরং বড় বড় পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর জন্যই চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তবে মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত দেয় যে, যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রেতারা এবং ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশ থেকে পণ্য নিতে এখনো আগ্রহী। পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, বৈশ্বিক চাহিদার এই ধীরগতি কাটিয়ে ওঠার জন্য পণ্যের বৈচিত্র্য আনা এবং উৎপাদন সক্ষমতা আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই। যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ কিছুটা সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য সরবরাহ করে বাজার ধরে রেখেছে, তবে টেকসই উন্নয়নের জন্য উচ্চমূল্যের পোশাক রপ্তানির দিকে নজর দেওয়া এখন সময়ের দাবি। সব মিলিয়ে, বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান ধরে রাখা একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানের বিপক্ষে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মিশনে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
   
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানের বিপক্ষে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মিশনে বাংলাদেশ

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন আসরের পর্দা ওঠার প্রাক্কালে মাঠের লড়াই নিয়ে উত্তাপ বাড়ছে। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানের মুখোমুখি হওয়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামার আগে কোচ ডুলিকে পড়তে হয়েছে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। ফিফা উইন্ডোর বাইরে টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবং ক্লাব ফুটবলের ব্যস্ত সূচির কারণে দলের সেরা খেলোয়াড়দের সবাইকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেই একাদশে বড় ধরনের রদবদল এনেছেন কোচ, যা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল তুঙ্গে।

সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ভুটানের বিপক্ষে ঘোষিত বাংলাদেশ একাদশে বেশ কিছু চমক দেখা গেছে। বিশেষ করে দলের অভিজ্ঞ ও নিয়মিত মুখদের অনুপস্থিতিতে কোচের কৌশলগত পরিবর্তন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, আসন্ন ম্যাচে একাদশে জায়গা হয়নি আসিয়ান কাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করা সোহেল রানা ও শেখ মোরসালিনের মতো অভিজ্ঞ ফুটবলারদের। এছাড়াও তরুণ প্রতিভাবান স্ট্রাইকার মাহি খানও এই ম্যাচে দলের বাইরে রয়েছেন। ইনজুরি এবং খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে সমস্যার কারণেই মূলত এমন বাধ্যবাধকতায় পড়তে হয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টকে।

সবচেয়ে বিস্ময়কর সিদ্ধান্তটি এসেছে আক্রমণভাগ সাজানোর ক্ষেত্রে। স্বাভাবিকভাবেই রক্ষণভাগের দায়িত্বে থাকা নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় বিশ্বনাথ ঘোষকে এবার স্ট্রাইকার হিসেবে খেলানোর পরিকল্পনা করেছেন কোচ ডুলি। দলের মূল স্ট্রাইকারদের ঘাটতি মেটাতে বিশ্বনাথের ওপর এই বাড়তি দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, যা বাংলাদেশ দলের জন্য এক বড় ধরনের পরীক্ষা। রক্ষণভাগ থেকে উঠে আসা একজন ডিফেন্ডারকে গোলমুখে দায়িত্ব দেওয়া কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও দলের অন্দরমহলের ভাষ্যমতে, বর্তমান পরিস্থিতি সামলাতে এটিই সেরা সমাধান ছিল।

এদিকে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাফের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটেছে। সেখানে সঙ্গীতশিল্পী সঞ্জয়ের পরিবেশনা এবং রোবটের নাচ দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। তবে মাঠের বাইরের জৌলুসের চেয়েও এখন সবার নজর মাঠের ফুটবলের দিকে। বাংলাদেশ দল বৃহস্পতিবার রাতে ভুটানের বিপক্ষে মাঠে নামবে এবং এই ম্যাচ থেকেই টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্তিমত্তা জানান দিতে চায় কোচ ডুলির শিষ্যরা।

মূল খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি বাংলাদেশের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হলেও, তরুণ ও নতুনদের সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে দল নতুন কোনো কৌশল তৈরি করছে কি না, তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। রক্ষণের খেলোয়াড়কে আক্রমণভাগে ব্যবহার করার এই দুঃসাহসী সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত ম্যাচে কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। ভক্তদের প্রত্যাশা, প্রতিকূলতা পেরিয়ে বাংলাদেশ দল জয় দিয়েই তাদের সাফ অভিযান শুরু করতে সক্ষম হবে। দলের সবার লক্ষ্য এখন একটাই, কোনোভাবেই পয়েন্ট হাতছাড়া না করে ভুটান বধ করা এবং টুর্নামেন্টের পরবর্তী ধাপের জন্য নিজেদের অবস্থান শক্ত করা।

নিরাপত্তা নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই, জানালেন ভারত কোচ নওশাদ মুসা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
   
নিরাপত্তা নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই, জানালেন ভারত কোচ নওশাদ মুসা

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের চলতি আসরে মাঠে এবং মাঠের বাইরেও বেশ উত্তাপ ছড়াচ্ছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার লড়াই। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয় তুলে নিয়ে দুর্দান্ত শুরু করেছে ভারত। এই জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে কোচ নওশাদ মুসার কণ্ঠে কেবল খেলার প্রসঙ্গই ছিল না, বরং উঠেছিল বাংলাদেশে তাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা প্রশ্নও। সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে আন্তর্জাতিক সফর নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও, ভারত দলের কোচ সেই সব শঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবেই জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশ সফর নিয়ে তাদের মনে কোনো উদ্বেগের কারণ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে কোচ নওশাদ মুসা জানান, ঢাকায় আসার পর থেকেই তারা অত্যন্ত স্বাভাবিক পরিবেশে সময় কাটাচ্ছেন। দলের খেলোয়াড়দের চলাফেরা, অনুশীলন এবং ম্যাচের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কোথাও কোনো বাধার সম্মুখীন হতে হয়নি তাদের। তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় আয়োজকরা যে নিরাপত্তা ও আতিথেয়তা প্রদান করছেন, তাতে তারা পুরোপুরি সন্তুষ্ট। কোনো ধরনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত দুশ্চিন্তা ছাড়াই তারা সম্পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারছেন তাদের পরবর্তী ম্যাচের পরিকল্পনার দিকে। কোচের এই বক্তব্য স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।

ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাম্প্রতিক সফর সংক্রান্ত আলোচনা ও গুঞ্জন প্রায়শই ক্রীড়াঙ্গনের শিরোনামে জায়গা করে নেয়। সেই প্রেক্ষাপটেই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আসা ভারতীয় ফুটবল দলের নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা কৌতুহল বা শঙ্কার প্রশ্ন ওঠাটা অস্বাভাবিক ছিল না। তবে কোচ নওশাদ মুসার বক্তব্য সেই সব গুঞ্জনকে এক নিমেষেই থামিয়ে দিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, বাইরের আলোচনা যাই হোক না কেন, বাস্তব অভিজ্ঞতায় তারা এখানে কোনো নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছেন না। মাঠে খেলোয়াড়দের যে পারফরম্যান্স, তার পেছনেও দলের মানসিক প্রশান্তি কাজ করেছে।

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে বড় কোনো টুর্নামেন্ট আয়োজন মানেই বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা। ভারতীয় দল ঢাকায় এসে স্থানীয় মানুষদের যে আন্তরিকতা পেয়েছে, তা তাদের সফরকে আরও সহজ করে তুলেছে বলে মনে করছেন কোচ। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, তাদের একমাত্র লক্ষ্য এখন মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়া এবং টুর্নামেন্টের শিরোপা জয় নিশ্চিত করা। দলের খেলোয়াড়দের দৈনন্দিন রুটিন এবং মাঠের অনুশীলনে কোনো বিঘ্ন না ঘটায় তারা বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছেন।

সব মিলিয়ে, ভারতীয় কোচের এই মন্তব্য সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের স্বচ্ছতা ও সফলতাকে আরও উঁচুতে তুলে ধরল। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে যে ইতিবাচক বার্তা তিনি দিয়েছেন, তা ভবিষ্যতে আরও বেশি করে বিদেশি দলগুলোকে আস্থার সাথে বাংলাদেশে খেলতে আসার অনুপ্রেরণা জোগাবে। আপাতত মাঠের ফুটবলেই সব মনোযোগ নিবদ্ধ রেখেছেন মুসা ও তার শিষ্যরা। টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতেও এই ছন্দ বজায় রেখে এগিয়ে চলাই তাদের লক্ষ্য। নিরাপত্তা নিয়ে কোনো অহেতুক বাড়তি চিন্তা বা বিতর্ক যে তাদের মাঠের খেলায় প্রভাব ফেলছে না, তা তাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স থেকেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

সর্বশেষ
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানি কমলেও বাংলাদেশের অংশীদারত্ব বাড়ল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানের বিপক্ষে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মিশনে বাংলাদেশ নিরাপত্তা নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই, জানালেন ভারত কোচ নওশাদ মুসা জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন সাভারের আশুলিয়ায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, দুপুরের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক দামি মোমবাতির বিকল্প: ঘর সাজান পানি ও তেলের জাদুকরী আলোয় বারাণসীর যানজট নিরসনে নতুন আশার আলো, রোপওয়ে সেবায় মাত্র ১৫ মিনিটে গন্তব্যে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার জন্য কর্মীদের বিশেষ প্যাকেজ দিচ্ছে মেটা তুরিনো চলচ্চিত্র উৎসবে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন পামেলা অ্যান্ডারসন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প, রিপাবলিকান শিবিরে বাড়ছে অস্থিরতা